সচিব
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কানিজ মওলা, মহাসচিব বাবুল মিঞা
প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএএসএ) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। সংগঠনটির মহাসচিব হয়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন একজন নারী।
এর আগে অ্যাসোসিয়েশনের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাসোসিয়েশনের বিদায়ী সভাপতি নজরুল ইসলাম এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় এজেন্ডাভিত্তিক আলোচনার পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা একত্রে বসে আলোচনার মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।
নবগঠিত কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান। উপকোষাধ্যক্ষ হয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মনিরুজ্জামান মিঞা। এছাড়া কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফিরোজ সরকার এবং ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। যুগ্ম মহাসচিব হয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব এ কে এম হাফিজুল্লাহ খান লিটন ও অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব নুরজাহান খানম।
৫২ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির বাকি সদস্যদের নামও শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
৫ দিন আগে
কারিগরি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা
৬ দফা দাবি আদায়ে চলমান আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দিয়েছে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে সোমবার (২১ এপ্রিল) ৬ দফা দাবির বাস্তবায়ন নিয়ে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক ও রেল অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন সারাদেশের কারিগরি শিক্ষার্থীরা। এতে জনদূর্ভোগের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
এরপর সোমবার কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আন্দোলনের একদল প্রতিনিধি। এ সময় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ৬ দফা দাবিতে বরিশালে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মহাসমাবেশ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ছাত্র প্রতিনিধিদের ০৬ দফা দাবীর মধ্যে যৌক্তিক দাবীগুলো পূরণের লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ (টিএমইডি) আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় আন্দোলনরত ছাত্রদের সকল কর্মসূচী প্রত্যাহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব।
ইতোমধ্যে যৌক্তিক দাবীগুলো পূরণের লক্ষ্যে এ বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, আইইবি, আইডিইবি এবং ছাত্র প্রতিনিধিসহ ০৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী দাবীগুলো পূরণে এ কমিটি সুপারিশ প্রণয়ন করবে। সেসব সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে এসব বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার এবং শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ঘোষণা দেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় আন্দোলনরত ছাত্রদের কর্মসূচী প্রত্যাহারের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা দূর হয়ে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সচিব।
২৮৪ দিন আগে
সাভারে এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের দায়ে কেন্দ্র সচিবসহ ৭ শিক্ষক বহিষ্কার
সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের ঘটনায় কেন্দ্র সচিবসহ সাত শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) গণিত বিষয়ের পরীক্ষার সময় পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনা বিধি লঙ্ঘন করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়।
জানা যায়, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে নির্দেশনা অমান্য করে সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক এনাম আহম্মেদ এবং আনিছ মোমোরিয়াল স্কুলের সহকারী শিক্ষক তমাল হোসেন অ্যান্ড্রোয়েড মোবাইল ফোনসহ পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে তাদের হাতেনাতে ধরা হলে সঙ্গে সঙ্গে বহিষ্কার করা হয়।
এছাড়াও পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে আরও পাঁচ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।
তারা হলেন, বেবগুনবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আল মাহমুদ, গোপালবাড়ী নবীন প্রগতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষক কামরুন্নাহার রুমি, বাড্ডা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন, ভাকুর্তা ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক নুপুর মল্লিক এবং রাশিদা বেগম।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি এবং পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় তাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
আরও পড়ুন: সাময়িক বহিস্কার হলেন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মেহেদি
বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজরে এনে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেয়। পাবলিক পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা ভঙ্গ করায় তাদের বহিষ্কারের পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সরকার বলেন, ‘পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখাই আমাদের প্রথম দায়িত্ব। বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে কোনো শিক্ষক বা স্টাফ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এ ঘটনার জেরে কেন্দ্র সচিব এস.এম. রফিকুজ্জামানকেও বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সরকার।
২৮৫ দিন আগে
পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন সাত কর্মকর্তা
সাত অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারা করা হয়েছে।
এসব সচিবদের বাণিজ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সেতু বিভাগ এবং বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
এরমধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুর রহমানকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিনকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) হয়েছেন একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহেদা পারভীন। আর পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলেয়া আক্তার।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মো. তাজুল ইসলামকে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়ের নিবন্ধক অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে সেতু বিভাগের নতুন সচিব করা হয়েছে।
পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন সাত কর্মকর্তা
সাত অতিরিক্ত সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারা করা হয়েছে।
এসব সচিবদের বাণিজ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সেতু বিভাগ এবং বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়াদের আবেদন পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
এরমধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুর রহমানকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিনকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) হয়েছেন একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহেদা পারভীন। আর পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব নিয়োগ পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলেয়া আক্তার।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মো. তাজুল ইসলামকে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়ের নিবন্ধক অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে সেতু বিভাগের নতুন সচিব করা হয়েছে।
৩৪০ দিন আগে
দায়িত্ব পালনে ৯ নির্দেশনা দিয়ে সচিবদের চিঠি
দেশে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কর্মকর্তাদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার জন্য ৯টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমানের সই করা এই চিঠি দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কিছু অফিসের কর্মকাণ্ডের সংবাদ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা অনভিপ্রেত। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অধীন মন্ত্রণালয়/বিভাগের আওতাধীন সংযুক্ত দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোর জন্য দেওয়া ৯টি বা আরও কিছু বিষয় সংযোজিত করে সচিবদের একটি নির্দেশনা জারির জন্য বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আদানির সময়সীমা নিয়ে আমরা খুবই মর্মাহত: প্রেস সচিব
নির্দেশনায় বলা হয়েছে-
১) নিজ অধিক্ষেত্রের যেকোনো অনুষ্ঠানে যোগদানের চূড়ান্ত আমন্ত্রণ গ্রহণের আগে আয়োজক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে নিবিড়ভাবে তথ্য সংগ্রহ করে আমন্ত্রণ চূড়ান্ত করা।
২) বিতর্ক এড়ানোর লক্ষ্যে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা। কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকায় থাকলে এ অনুষ্ঠান পরিহার করা।
৩) আয়োজিত অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র/ব্যানার/লিফলেট/পতাকা/অন্যান্য যেকোনো ছাপানো কাগজের বর্ণনা, লোগো বা স্লোগান ইত্যাদি বিষয়ে কোনো আপত্তিকর/বিতর্ক সৃষ্টিকারী কোনো উপাদান রয়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করা।
৪) অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃংখলা বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা গ্রহণ।
৫) নিজস্ব অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র/ব্যানার/চিঠি। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন/সাজ-সজ্জা/ক্রেস্ট/ সার্টিফিকেট/ ট্রফি/মেডেল/স্যুভেনির ইত্যাদি ভালোভাবে পরীক্ষা করা। এ সব ডকুমেন্ট বা স্মারকে যাতে কোনো প্রকার আপত্তিকর বা বিতর্ক সৃষ্টিকারী কোনো উপাদান বা বক্তব্য না থাকে, তা নিশ্চিত করা।
৬) সরকার থেকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে যে সব দিবস বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, সে সব দিবস যাতে পালিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।
৭) সরকার থেকে বাতিল ঘোষিত দিবসগুলোর পূর্ববর্তী বছরগুলোর সকল স্মারক/ক্রেস্ট/ছবি/ স্যুভেনির ইত্যাদি সকল অফিস থেকে অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৮) আনুষ্ঠানিক (ফর্মাল) প্রতিটি সভা/অনুষ্ঠানের জন্য লিখিত বক্তব্য প্রস্তুত করে পাঠ করা। লিখিত বক্তব্যের বাইরে কোনো কথা/স্লোগান/জয়ধ্বনি/বাক্য বলা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকা।
৯) যেকোনো প্রকারের গুজব থেকে নিজে এবং নিজ অধিক্ষেত্রের সকল সহকর্মীকে দূরে রাখা।
আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশন গঠনে সৎ-দক্ষ লোক নিয়োগ করা হবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
৪৫২ দিন আগে
বাধ্যতামূলক অবসরে সচিব জাহাঙ্গীর আলম
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
রবিবার (২৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
আরও পড়ুন: ৩ সেনা কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, বরখাস্ত ১
এতে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) জাহাঙ্গীর আলমের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং সরকার জনস্বার্থে তাকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া প্রয়োজন বলে বিবেচনা করে।
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে তাকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হলো।
এতে আরও বলা হয়, এছাড়া তিনি বিধি অনুযায়ী অবসরকালীন সুবিধাদি পাবেন।
জাহাঙ্গীর আলম এর আগে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ছিলেন। চলতি বছরের ২০ আগস্ট তাকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে বদলি করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: অবসরে যাওয়া ৫ অতিরিক্ত সচিবকে চুক্তিতে সচিব নিয়োগ
৪৬০ দিন আগে
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোরশেদ জামান ওএসডি
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
রবিবার (৬ অক্টোবর) তাকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করে তুলতে পারিনি: উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ
এদিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম আলমকে ওএসডি এবং ওএসডি অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদুর রহমান খানকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত অতিরিক্ত সচিব মো. আল-আমিন সরকারকে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) বদলি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাট, বস্ত্র ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিশ্বব্যাংককে বিনিয়োগের আহ্বান উপদেষ্টা এম সাখাওয়াতের
৪৮২ দিন আগে
শ্রমিক অসন্তোষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে: সচিব
শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, ‘শ্রমিক অসন্তোষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আশা করছি সবাই শান্ত হবে।’
সচিব বলেন, ‘মালিক ও শ্রমিকপক্ষ সবাইকে অন বোড করে আমরা এটা নিরসন করব।’
আরও পড়ুন: ডিসি নিয়োগে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা করায় ১৭ উপসচিবকে শাস্তির সুপারিশ
বুধবার (২ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিশুশ্রম প্রতিরোধ নিয়ে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এ কথা বলেন।
তিন দিন ধরে আশুলিয়ায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ প্রসঙ্গে সচিব বলেন, ‘আমরা প্রতিটি জিনিসই অ্যাড্রেস করছি। সেখাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ সবাই আমরা মনিটর করছি।’
শিশুশ্রম শূন্যে নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে সচিব বলেন, ‘এটার জন্য আমরা সংলাপ করছি। প্রধান উপদেষ্টার একজন বিশেষ দূত আমার এখানে আসবেন। এটা কীভাবে দ্রুত নিরসন করা যায়, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহারে গতিশীলতা বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনে মনোযোগী হতে হবে: সচিব
গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় চীনের মেডিকেল টিম সন্তুষ্ট: সচিব
৪৮৬ দিন আগে
গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় চীনের মেডিকেল টিম সন্তুষ্ট: সচিব
চলতি বছরের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবা দিতে বাংলাদেশর সরকারের আমন্ত্রণে সফররত চীনের মেডিকেল টিম আহতদের চিকিৎসায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহ্ মো. হেলাল উদ্দীন এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে অতি অল্প সময়ের মধ্যে চীনা মেডিকেল টিম বাংলাদেশে আসেন। এ টিমটা বাংলাদেশে এসেছে ২২ সেপ্টেম্বর এবং কাজ শুরু করেছেন ২৩ সেপ্টেম্বর। এই সময়ের মধ্যে তারা ১৬০ জন রোগী তারা ভিজিট করেছেন। এর মাঝে তারা ১০৫ জন রোগীর মেডিকেল রেকর্ডস পরীক্ষা করেছেন।
আরও পড়ুন: নবনিযুক্ত সচিব আনোয়ার উল্যাহর সংসদ সচিবালয়ে যোগদান
তিনি আরও বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করার সঙ্গে চীন সরকার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মেডিকেল টিম গঠন করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই টিমকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। এটা অসাধারণ একটা ব্যাপার। তারা এই সীমিত সময়ের মধ্যে পাঁচটি হাসপাতাল ভিজিট করেছেন। এই মেডিকেল টিমটি রোগীদের দেখে ডাক্তারদের চিকিৎসার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন।
এছাড়া এই ১০৫ জন রোগীর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। চীন থেকে যে টিমটি এসেছে সেটি মূলত একটি অ্যাসেসমেন্ট টীম। তারা গিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে আমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট পাঠাবেন। গুরুতর আহত রয়েছেন তিনজন। এদের মধ্যে দুইজন আইসিইউতে আছন, একজন চোখে গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আরও নার্ভ ইনজুরড কিছু রোগী রয়েছেন।
সচিব ড. হেলাল উদ্দীন বলেন, গুরুতর আহতদের ব্যাপারে আমাদের প্রাথমিক চেষ্টা থাকবে যাতে বাংলাদেশে সুচিকিৎসা করা যায়। চীনের মেডিকেল অ্যাসেসমেন্ট টিমের রিপোর্ট দেখে তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে আমরা পদক্ষেপ নেব।
তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে চাইনিজ এক্সপার্টেদের দেশে এনে চিকিৎসা দেওয়া। অথবা আমাদের প্রয়োজনীয় মেডিকেল যন্ত্রপাতি বা দক্ষতার ঘাটতি থাকলে আহতদের বিদেশে পাঠানোর চিন্তা ভাবনা করছি। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় খুবই আন্তরিক। গুরুতর আহতসহ সকল আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো ঘাটতি থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, চীন থেকে আগত মেডিকেল টিম গণঅভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং তাদের চিকিৎসা আমরা আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুযায়ী দিতে পারছি কিনা এটা তারা পর্যবেক্ষণ করেছেন। এটি নিয়ে তারা খুবই সন্তুষ্ট।
আমাদের হাসপাতালগুলোর ইকুইপমেন্ট বিষয় ক্যাপাসিটি লিমিটেশন আছে কিনা এ বিষয়টিও তারা দেখেছেন। এ জায়গায় আমাদের কিছু ঘাটতি আছে বলে উল্লেখ করেন সচিব হেলাল।
সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম সাইফুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আইন ও বিচার বিভাগের নতুন সচিব গোলাম রব্বানী
৪৯২ দিন আগে
পোশাক শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে: সচিব
পোশাক শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবি মেনে নিতে সম্মিলিতভাবে শ্রমিকপক্ষ ও মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের সভাকক্ষে এ তথ্য জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অবসরপ্রাপ্ত), শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
আরও পড়ুন: ১ অক্টোবর থেকে সুপারমার্কেট, ১ নভেম্বর থেকে কাঁচাবাজারে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ: পরিবেশ উপদেষ্টা
শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবি
১. সকল পোশাক কারখানায় শ্রমিকের বিদ্যমান হাজিরা বোনাস হিসেবে অতিরিক্ত ২২৫ টাকা রাত ৮টার পর বিদ্যমান টিফিন বিলের সঙ্গে ১০ টাকা এবং নাইট বিল ১০ টাকা বৃদ্ধি করে ন্যূনতম ১০০ টাকা করা হবে।
২. আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যে সকল কারখানায় সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩. আপাতত শ্রমঘন এলাকায় টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে। এছাড়া, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিকেও শ্রমঘন এলাকায় সম্প্রসারিত করা হবে। শ্রমিকদের জন্য স্থায়ী রেশন ব্যবস্থার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের নিকট প্রস্তাব পাঠানো হবে।
৪. আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে শ্রমিকের সকল বকেয়া মজুরি বিনা ব্যর্থতায় দিতে হবে। অন্যথায় শ্রম আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৫. বিজিএমইএ থেকে বায়োমেট্রিক ব্ল্যাকলিস্টিং করে শ্রমিকদের হয়রানির বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে একটি টেকনিক্যাল টিম পর্যালোচনা করে অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন প্রদান করবেন।
৬. ঝুট ব্যবসা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি বন্ধসহ শ্রমিকের স্বার্থ বিবেচনায় এ বিষয়ে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৭. ২০২৩ সালের মজুরি আন্দোলনসহ এর আগে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে সকল প্রকার হয়রানিমূলক এবং রাজনৈতিক মামলাগুলো রিভিউ করে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। মজুরি আন্দোলনে নিহত ৪ জন শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৮) কাজের ধরণ অনুযায়ী নারী-পুরুষের বৈষম্যহীন যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান নিশ্চিত করা হবে।
৯. জুলাই বিপ্লবে শহীদ এবং আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসা সেবার জন্য শ্রমিক নেতারা একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ে দাখিল করবে। প্রাপ্ত তালিকা প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে’ পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হবে।
১০. রানা প্লাজা এবং তাজরীন ফ্যাশন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকারের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গঠিত কমিটি অক্টোবর ২০২৪ এর মধ্যে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ করবে। প্রাপ্ত সুপারিশের আলোকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১. শ্রম আইন অনুযায়ী সকল কারখানায় ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন। নিশ্চিত করা হবে
১২. অন্যায় ও অন্যায্যভাবে শ্রম আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে শ্রমিক ছাঁটাই করা যাবে না।
১৩. নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ১২০ দিন নির্ধারণ করা হলো।
১৪. শ্রমিক ও মালিক পক্ষের ৩ জন করে প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত অতিরিক্ত সচিবের (শ্রম) নেতৃত্বে একটি কমিটি নিম্নতম মজুরির বিধি-বিধান ৬ মাসের মধ্যে সক্ষমতা পর্যালোচনা করবে।
১৫. শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) পুনরায় সংশোধনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
১৬. শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকের সার্ভিস বেনিফিট প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২৭ ধারাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।
১৭. কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিষয়ে পর্যালোচানার জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মাধ্যমে শ্রমিক ও মালিক উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট সম্পন্ন অন্যান্য দেশের উত্তম চর্চার আদলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৮. নিম্নতম মজুরি পুন:নির্ধারণ কমিটি বর্তমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করে শ্রম আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সক্ষমতা ও করণীয় বিষয়ে আগামী নভেম্বরের মধ্যে একটি সুপারিশ করবে।
আরও পড়ুন: ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও অর্থ পাচার রোধে আইএমএফের কারিগরি সহায়তা চায় বাংলাদেশ: অর্থ উপদেষ্টা
নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা
৪৯৪ দিন আগে