ব্যাংক কর্মকর্তা
নাটোরে সোনালী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত
গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নাটোরে সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাদের মধ্যে দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর ব্যাংকের জিএম মো. শওকত জামানের স্বাক্ষরত চিঠিতে প্রিন্সিপাল অফিসার পদমর্যাদার এই কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
লিটন কুমার ও বিপুল পাল নাটোর থেকে বদলি হয়ে সর্বশেষ নওগাঁ জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া বাকি তিন কর্মকর্তা হলেন এইচ এম রোকনুজ্জামান, হাফিজুর রহমান ও মনিরুজ্জামান। তারা নাটোরের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
লিটন কুমারের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের প্রায় ৯২ লাখ ৭ হাজার টাকা ও বিপুল পালের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। নাটোরে কর্মরত থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা হিসেবে প্রভাব বিস্তার করে তারা এসব অপকর্মে লিপ্ত হন বলে অভিযোগে রয়েছে।
এছাড়া বাকি তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও বিপুল অঙ্কের ভুয়া ঋণপত্র ও অতিরিক্ত আমানত সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।
নাটোর সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম আহসান রেজা বিষয়গুলো নিশ্চিত করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
১৮ দিন আগে
অর্থ আত্মসাত: ঢাকা ব্যাংকের সাবেক ৪ কর্মকর্তার ২০ বছরের জেল
জাল জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চার কর্মকর্তাকে আলাদা তিনটি ধারায় ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ব্যাংকটির সাবেক কেন্দ্রীয় হিসাব বিভাগ ও ইনভেস্টমেন্ট (বিনিয়োগ) বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু মোহাম্মদ সাঈদ খান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার প্রবীর কুমার ভৌমিক ও শওকত আলী।
এর মধ্যে বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধে প্রত্যেককে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাভোগ করতে হবে। আর জাল-জালিয়াতের দায়ে প্রত্যেককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে; অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজার রায় দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অর্থ আত্মসাতের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাস কারাভোগ করতে হবে।
আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেন, তিন ধারার সাজা একত্রে চলবে। সেক্ষেত্রে আসামিদের সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আসামিদের মধ্যে শওকত আলী পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাকি তিন আসামিকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০২ সালের ৪ নভেম্বর মোহাম্মদ ইউসূফ আলী ঢাকা ব্যাংকে হিসাব খুলে ১৭ লাখ টাকা ঋণ নেন। জামানত হিসেবে কনফিডেন্স সিমেন্টের ১ হাজার ও মেঘনা সিমেন্টের সাড়ে ৭ হাজার শেয়ার জমা দেন, পরে ঋণসীমা বাড়িয়ে ২৪ লাখ করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে যাচাইয়ে শেয়ারগুলো ভুয়া প্রমাণিত হয়।
অভিযোগ করা হয়, ভুয়া শেয়ার জমা দিয়ে তিনি ঋণের টাকা আত্মসাৎ করেন এবং হিসাব খোলার সময় শনাক্তকারী শওকত আলী তাকে সহায়তা করেন।
এ ঘটনায় ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সিরাজুল হক ২০০৮ সালের ৩১ মে মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন। ওই বছর ১৪ ডিসেম্বর শওকত আলীকে একমাত্র আসামি করে চার্জশিট দেয় দুদক। পরে অধিকতর তদন্তে ২০২৩ সালের ২২ অগাস্ট ৪ জনকে অভিযুক্ত করে নতুন চার্জশিট দেওয়া হয়।
৭০ দিন আগে
শনিআখড়ায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত
রাজধানীর শনিআখড়া এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে দাঁড়িয়ে বিদ্যুতের মিটার পরীক্ষা করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. রেজাউল করিম (৬২) নামে এক সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে কদমতলী থানার শনিআখড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রেজাউল করিমের বাড়ি কদমতলীর শনিআখড়া এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত কাজিমুদ্দিন বিশ্বাস। তিনি পরিবার নিয়ে শনিআখড়ার নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা আত্মীয় মো. বাকি জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির নিচে জমে থাকা পানি দেখতে গিয়েছিলেন রেজাউল করিম। এ সময় তিনি নিজ বাড়ির নিচে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে দাঁড়িয়ে বিদ্যুতের মিটারে পানি পড়েছে কিনা পরীক্ষা করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি আমরা জানতে পেরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৯৫ দিন আগে
খিলগাঁওয়ে বাসা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নিজ বাসায় শাহানুর রহমান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি সোনালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় খিলগাঁওয়ের নিজ বাসার তৃতীয় তলায় এ ঘটনাটি ঘটে।
পরে অচেতন অবস্থায় শাহানুরকে রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ি ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক মো. ফারুক।
নিহত শাহানুর রহমান রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বিল গজারিয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
নিহতের ভাই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাই সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি পারিবারিক কারণে কিছুদিন যাবত মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। আজ সন্ধ্যার দিকে কাউকে কিছু না বলে ঘরে গিয়ে তিনি দরজা বন্ধ করে রাখেন। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমরা পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভেঙে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে প্যান্টের কাপড় গলায় পেঁচিয়ে তিনি ঝুলে আছেন। পরে আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান আমার ভাই আর বেঁচে নেই।’
মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি খিলগাঁও থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
২৬৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে এস আলম মালিকানাধীন ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের বিক্ষোভ, ২০ ব্যাংকে তালা
চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিনা নোটিশে প্রায় ৭ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার প্রতিবাদে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ব্যাংক কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে তারা শহরের বিভিন্ন ব্যাংক অবরোধ করে ব্যাংকের মূল ফটকে ব্যানার ও তালা ঝুলিয়ে দেন, ফলে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
বিক্ষোভে ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক, পূর্বালীসহ প্রায় ২০টি ব্যাংকের শাখা ও উপ-শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
রবিবার (১০ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চাকরিচ্যুত ব্যাংক ফোরামের উদ্যোগে শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন। পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের পর তারা সড়কে কয়েক দফা বিক্ষোভ মিছিল করেন।
পড়ুন: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ, ৬ জেলায় যান চলাচল বন্ধ
তালা দেওয়ার পর পটিয়া থানা মোড়স্থ ন্যাশনাল ব্যাংকের শাখা খুলতে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, পটিয়া সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম ও পটিয়া থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন।
বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, গত বছরের আগস্টে সরকারের পরিবর্তনের পর বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা নোটিশে তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ কর্মী পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তারা দ্রুত পুনর্বহাল ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান এবং কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।
এস আলম গ্রুপের অধীনে একাধিক ব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এস আলম গ্রুপের ব্যাংকগুলোতে প্রায় ৭ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, ‘তাদের দাবীর বিষয়ে আমাদের কোনো হাত নেই। আমরা আন্দোলনের বিষয়টি সরকারের উচ্চ মহলে জানিয়েছি। তবে আমরা চেষ্টা করছি যাতে আন্দোলনকারীরা হামলা-ভাঙচুর ও নাশকতা না করে।’
৪৩১ দিন আগে
ফেনীতে ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
ফেনীতে এফডিআরের টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে মারধর করে নাক ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রিয়াদ উল করিমের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুরে শহরের একাডেমি রোডের ব্যাংকটির উপশাখায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রাতে থানায় এ নিয়ে সমঝোতা হয় বলে ব্যাংক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরে এফডিআরের টাকা তুলতে সেখানে যান জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রিয়াদ উল করিম। এসময় টাকা প্রদানে বিলম্ব হলে ওমর ফারুক নামে ব্যাংকের এক জুনিয়র অফিসারের ওপর ক্ষিপ্ত হন তিনি। এসময় দলীয় প্রভাব দেখিয়ে ওই ব্যাংক কর্মকর্তাকে হুমকি ও অপদস্থ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, অত্যন্ত বিনয়ীভাবে তাকে শিগগিরই টাকা প্রদানের বিষয়টি বলেছিলাম। এজন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে সই নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি হঠাৎ করে আমাকে গালিগালাজ শুরু করেন। এটি ঠিক হচ্ছে না বলাতে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আমার নাকে মারাত্মক আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এর আগেও তিনি ব্যাংকে এলে দলীয় পরিচয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতেন।
আরও পড়ুন: ঝগড়া করায় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
অভিযোগ প্রসঙ্গে ছাত্রদল নেতা রিয়াদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বেশ কয়েকমাস ধরে ব্যাংকে গিয়েও এফডিআরের টাকা তুলতে পারছিলাম না। ব্যাংক কর্মকর্তারা বারবার সময় চেয়ে নিচ্ছিলেন। গতকাল টাকার জন্য সেখানে গেলে কথা কাটাকাটি হয়েছে, তাকে মারধর করিনি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে শোনা গেছে, ওমর ফারুককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন রিয়াদ। ভিডিওতে রিয়াদকে ব্যাংক কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে 'ঈদের আগে টাকা দিবি, না হয় হাত ঠ্যাং ভাঙি গুড়া করি হালামু' বলতে শোনা গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ফেনী শাখার ব্যবস্থাপক কাউছার আহমেদ চৌধুরী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকে কিছু সমস্যা চলছে। তবে গ্রাহকের টাকা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সোমবার ওই ব্যক্তির সঞ্চয়ী হিসাবে জমাকৃত সব টাকা প্রদান করা হয়। পরবর্তী এফডিআরের ৯ লাখ টাকা প্রদানের জন্য তার কাছে সময় চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ব্যাংক কর্মকর্তার ওপর হামলা করেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন বলেন, ব্যক্তিগত বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে কেউ যদি সংগঠনের নাম ব্যবহারের চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে এমন কর্মকাণ্ডকে কখনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, ব্যাংক কর্মকর্তার ওপর হামলার বিষয়ে দুপক্ষ বসেছিল। তাদের মধ্যে সমোঝোতা হয়েছে।
৫৭৭ দিন আগে
চট্টগ্রামে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে প্রাণ গেল ব্যাংক কর্মকর্তার
চট্টগ্রাম হাটহাজারীতে বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশা সংঘর্ষে কামরুল ইবনে হাসান নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাটহাজারী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সংলগ্ন জম জম হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কামরুল ইবনে হাসান ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার চাড়ালিয়াহাট এলাকার বড় বাড়ির মোহাম্মদ হাসানের ছেলে। তিনি ডাচ বাংলা ব্যাংক আগ্রাবাদ শাখায় কর্মরত।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে বাস-ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১১
রাউজান গহিরা হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদ বলেন, নিহত ব্যক্তির বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার মাইজভান্ডার এলাকায় বলে জেনেছি, বাকিদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
৬০৪ দিন আগে
গ্রাহকের টাকা আত্মসাত: ব্যাংক কর্মকর্তার কারাদণ্ড
গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা মো. ইফতেখারুল কবিরকে দুই বছর তিন মাস কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশপাশি এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই বছর তিন মাস কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদ এ রায় দেন।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় শিশু হত্যা মামলায় দুই শিশুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
এর আগে মামলাটি দায়ের করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রাম অফিস।
দণ্ডিত মো. ইফতেখারুল কবির ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের চট্টগ্রাম ও আর নিজাম রোড শাখার সাবেক ব্যাংকিং প্রায়োরিটি ম্যানেজার ছিলেন।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড
দুদকের আইনজীবী মুজিবুর রহমান চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। বাদী-বিবাদী পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে তার বিরুদ্ধে আদালত সাজার রায় ঘোষণা করেছে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ও.আর. নিজাম রোড শাখার ফজিলাতুন্নেসার নামে এক গ্রাহকের ৯০ লাখ টাকার ভুয়া এফডিএ দেখিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ ছিল একই ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা মো. ইফতেখারুল কবিরের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগে দুদকের দায়ের করা এক বিশেষ মামলায় আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুন: মিরপুরে বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, ২ জনের কারাদণ্ড
৯৮৮ দিন আগে
২২ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তা রাজিব বাড়ি ফিরেছেন
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ২২ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তা রাজিব আহমেদে বাড়ি ফিরেছেন। দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তিনি খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন।
২২ দিন পর শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে খুলনার হোটেল থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর গড়াই নদ থেকে শিক্ষকের লাশ উদ্ধার
ব্যাংক কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ পূবালী ব্যাংকের কুমারখালী শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। রাজিব ভেড়ামারা উপজেলার বামনপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম আলীর ছেলে।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় কুমারখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শেরকান্দি এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন বলে দাবি ছিল পরিবারের।
ওই দিন রাতেই কুমারখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী রায়হানা পারভীন। তার উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনও করে পরিবারের লোকজন।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়া-৩: মাহবুবউল আলম হানিফ ও তার চাচাতো ভাইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
ব্যাংক কর্মকর্তা রাজিবের স্ত্রী রায়হানা বেগম বলেন, আমরা কুমারখালী শেরকান্দি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতাম। সেখান থেকে রাজিব নিয়মিত ব্যাংকে যাওয়া-আসা করত। নিখোঁজের কয়েক দিন আগে আমি খোকসা বাবার বাড়িতে যাই। ২১ ডিসেম্বর রাতে তিনি আমাকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছিলেন শুক্রবার গ্রামের বাড়ি ভেড়ামারা যাবেন। এরপর ২২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমার সঙ্গে কথা বলে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু বের হওয়ার ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর থেকে তার ফোন বন্ধ পাই।’
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আমার স্বামী ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করেন আমি কোথায় আছি। আমি তাকে বলি খোকসায়। তিনি বলেন, আমি আসতেছি। ঘণ্টাখানেক পর তিনি বাড়িতে আসেন।
এতদিন কোথায় ছিল এসব বিষয়ে কথা হলে তিনি কিছুটা সময় নিশ্চুপ থেকে বলেন, আমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করবে না। আমি প্রচণ্ড অসুস্থ ও ক্লান্ত, আমি এখন ঘুমাব। এ জন্য তাকে কিছু জিজ্ঞাসা না করে তার ফিরে আসার খবর শ্বশুরবাড়ি ও পুলিশকে জানাই। রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসে তাকে কুমারখালী থানায় নিয়ে যায়। সঙ্গে আমিও ছিলাম। থানা থেকে আমি জিডি তুলে নেওয়ার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে ভেড়ামারা নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার
এদিকে ব্যাংক কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের বড় ভাই সাইদুল ইসলাম সান্টু বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে আমার ভাইয়ের পারিবারিক কলহ চলছিল। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে সে আত্মগোপনে চলে যায়। শুক্রবার রাতে ওর শ্বশুরবাড়ি থেকে জানতে পারি, সে ফিরে এসেছে। পরে আমরা গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসি।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম জানান, পারিবারিক অশান্তির কারণে রাজিব আহমেদ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি মানসিকভাবেও কিছুটা বিপর্যস্ত।
সিডিআর বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নিখোঁজের পর থেকে তিনি একাধিক সিমও ব্যবহার করেছেন। প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানা যায় খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি হোটেলে অবস্থান করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় পুলিশের জব্দ করা বাসে আগুন
১০০৬ দিন আগে
১০ দিনেও খোঁজ মিলেনি কুমারখালীর নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তার
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিখোঁজের ১০ দিনেও সন্ধান মিলেনি রাজিব আহমেদ (৪০) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার।
স্বজনদের দাবি, গত ২২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমারখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শেরকান্দি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন ওই ব্যাংক কর্মকর্তা।
নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ পূবালী ব্যাংকের কুমারখালী শাখার সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।
তিনি জেলার ভেড়ামরা উপজেলার বামনপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ২২ ডিসেম্বর রাতে কুমারখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ওই কর্মকর্তার স্ত্রী রায়হানা পারভীন।
আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ৪ ইউপিডিএফ নেতা-কর্মী নিহত, নিখোঁজ ২
রায়হানা জানান, দুই সন্তান নিয়ে তিনি মাসখানেক ধরে তার বাবার বাড়ি খোকসায় আছেন। তার স্বামী কুমারখালী শেরকান্দি এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে নিয়মিত ব্যাংকে যাওয়া আসা করে। গত ২১ ডিসেম্বর রাতে তার স্বামী মুঠোফোনে তাকে জানিয়েছিল শুক্রবার ( ২২ ডিসেম্বর) তিনি ( রাজিব) গ্রামের বাড়ি ভেড়ামারা যাবেন। এরপর ২২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার সঙ্গে কথা বলে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু বের হওয়ার ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর থেকে স্বামীর ফোন বন্ধ পান তিনি।
তিনি আরও জানান, ওই দিন বিকাল থেকেই তিনি তার স্বামীকে স্বজন, বন্ধুসহ সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। পরে থানায় জিডি করেছেন তিনি।
রায়হানা বলেন, স্বামী রাজিবের কোনো শত্রু ছিল না। তবে তাদের সংসার জীবনে কিছুটা পারিবারিক কলহ ছিল।
ব্যাংক কর্মকর্তার বড় ভাই সাইদুল ইসলাম সান্টু জানান, নিখোঁজের খবর পেয়ে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করছেন তারা। থানায়ও গিয়েছেন। তবুও ভাইকে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে তার ভাইয়ের পারিবারিক কলহ ছিল।
রাজিব আহমেদকে তার স্ত্রী রায়হানা মারধর করতেন বলে অভিযোগ করেন সান্টু।
পূবালী ব্যাংক কুমারখালী শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল হামিদ জানান, রাজিব খুব ভদ্র, নম্র ভালো মানুষ। অফিসে কারো সঙ্গে কোনো মনোমালিন্য ছিল না। গত ২০ ডিসেম্বর শেষ অফিসে এসেছিলেন রাজিব।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। এখনই বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: বগুড়ার বিএনপির নিখোঁজ দুই নেতার অবস্থান জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
১০১৯ দিন আগে