শাটডাউন
শাকসু নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত শাবিপ্রবিতে শাটডাউন ঘোষণা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে ফের বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে শাকসু নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শাটডাউন রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে অবশ্যই শাকসু নির্বাচন হতে হবে। শুক্রবার প্রতিটি বিভাগের ক্লাস প্রতিনিধিদের (সিআর) সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসু নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বিক্ষোভ চলমান থাকবে।’
এ দাবিতে শনিবার বিকেল ৫টা থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। গোলচত্বর থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি শাহপরান হল এলাকা হয়ে সৈয়দ মুজতবা আলী হলে গিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান নেয়। পরে মিছিলটি চেতনা-৭১ হয়ে ছাত্রীদের আবাসিক হলে অবস্থান করে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘মব করে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না’, ‘ঢাকায় বসে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না’, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান, শাকসু ব্যান’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ‘দুর্বার সাস্টিয়ান’ ঐক্যের ভিপি প্রার্থী দেলোয়ার হাসান (শিশির), জিএস প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার, জুনায়েদ আহমেদ, ফয়সাল, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সালেহ মো. নাসিমসহ আরও অনেকে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের কথা ছিল। তবে দুই প্রার্থী ও একজন শিক্ষার্থীর করা রিট আবেদনের পর গত ১৯ জানুয়ারি সোমবার হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য শাকসু নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন।
১১ দিন আগে
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের শাটডাউন ঘোষণা
দাবি বাস্তবায়নের জন্য ফের আন্দোলনে নেমেছে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য শাটডাউন ঘোষণা করেছেন তারা।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এই কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘ চার মাস ধরে কলেজে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা উপদেষ্টার নির্দেশে গঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির কাছে সুপারিশভিত্তিক প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা এবং ক্যাম্পাস পরিদর্শনের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল শিক্ষার্থীদের মতামত উপেক্ষা করে প্রতিবেদন বাস্তবায়ন বিলম্বিত করছে। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য দুই দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সন্তোষজনক বা সুস্পষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে কলেজের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে শাটডাউন ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাই না। আলোচনার মাধ্যমে যেসব সমস্যার সমাধান সম্ভব, সেগুলোর সমাধানে আমরা আগ্রহী। তবে যুক্তিসংগত ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।
এর আগে, গত বছরের ২৩ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি কাঠামো বাতিল করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি) মডেলের আদলে স্বাতন্ত্র্য নিশ্চিতের এক দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি মডেলের আদলে একটি কার্যকর, টেকসই ও স্বায়ত্তশাসিত কমিশন গঠন এবং প্রতিটি সরকারি প্রকৌশল কলেজের একাডেমিক স্বাতন্ত্র্য ও প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে সময়োপোযোগী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
তার আগে, ২৪ মে সমন্বিত পরীক্ষাপদ্ধতি বাতিলসহ ৯ দাবিতে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শাটডাউন করে প্রতীকী প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এ কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সে সময়ও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণের লিখিত সিদ্ধান্ত না দিলে শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
২২ দিন আগে
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জবি ক্যাম্পাস শাটডাউন ঘোষণা
শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় না-হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা করেছেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইসউদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি। পূর্ববর্তী তিন দফাসহ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার চার দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি করছেন জবির শিক্ষার্থীরা।
অধ্যাপক ড. রইসউদ্দিন বলেন, ‘আমরা জবির দাবি আদায়ের জন্য এসেছি। আমাদের উপরে নির্বিচারে পুলিশ হামলা চালিয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অরাজকতা ও অন্যায়। আমরা কারো বিরুদ্ধে এখানে কথা বলতে আসিনি, কোন ষড়যন্ত্র করতে আসিনি। দাবি আদায় না করে আমরা ঘরে ফিরব না। দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটডাউন চলবে, কোনো ক্লাস-পরীক্ষা চলবে না। দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদেরকে এখান থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য যদি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না। আমার চোখের সামনে আমার কোনো শিক্ষার্থীকে কেউ আঘাত করতে পারবে না।’
আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছি, দাবি আদায় না-হলে আন্দোলন চলবে: জবি শিক্ষক নেতা
গতকাল(বুধবার) থেকে জবির শিক্ষার্থীরা কাকরাইলে অবস্থান করছেন। অবস্থান কর্মসূচি পালন করায় অনেক শিক্ষার্থী ক্লান্ত হলেও আন্দোলন থেকে সরে যাননি। কেউ কেউ রাতভর রাস্তায় ঘুমিয়ে আজ সকালেও অবস্থান করছেন।
নতুন দাবিসহ চার দাবি হলো— বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করা, জবির প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় পাস ও বাস্তবায়ন, ১৪ মে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
এর আগে (বুধবার) বেলা ১১টার দিকে এই তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে লং মার্চে শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
লং মার্চটি গুলিস্থান, মৎস্য ভবন পার হয়ে কাকরাইল মসজিদের সামনে পৌঁছালে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সে সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গরম পানিও ছোড়া হয়।
পরে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ শতাধিক আহত হন। পরে তাদের অনেককে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে গতকাল রাতে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সেখানে বিফ্রিং করতে যান। তবে তার ব্রিফিংয়ে অসন্তুষ্ট হন শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপদেষ্টা মাহফুজকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে বোতল ছুঁড়ে মারেন একজন শিক্ষার্থী। এ ঘটনার পরে বিফ্রিং বন্ধ করে চলে যান উপদেষ্টা।
এদিকে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কাকড়াইল মসজিদের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন জবির শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: দাবি আদায়ে দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে জবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
২৬৬ দিন আগে
সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত চিকিৎসকদের শাটডাউন স্থগিত
ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আশ্বাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে এক ব্রিফিংয়ে এ আশ্বাস দেন উপদেষ্টা।
আরও পড়ুন: বন্যার্তদের জন্য তিন মাসব্যাপী বিশেষ ওএমএস কর্মসূচি গ্রহণ
তার আশ্বাসের পর সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত শাটডাউন স্থগিতের ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) চিকিৎসকদের মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালসহ দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ ঘোষণা করেন চিকিৎসক, ইন্টার্ন ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা।
এদিকে চিকিৎসকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর এবং চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আদালত চাইলে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
শাটডাউন তুলে নিতে চিকিৎসকদের প্রতি অনুরোধ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার
৫২১ দিন আগে
শাটডাউন তুলে নিতে চিকিৎসকদের প্রতি অনুরোধ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার
ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) চিকিৎসকদের মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় সারাদেশে চিকিৎসকদের ডাকা শাটডাউন তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম।
এসময় উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা অভিযোগ করেছেন চিকিৎসা ঠিক মতো হয়নি তাদের জন্য একটা। আর যারা ডাক্তারদের গায়ে হাত তুলেছে, সেটা দেখার জন্য আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের স্বজনদের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসকরা সারাদেশের শাটডাউন কর্মসূচি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: বিজ্ঞান গবেষণায় দেশকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই: উপদেষ্টা
চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, ‘তোমরা আমার সন্তানের মতো। শাটডাউন তুলে নাও। মানুষের সেবা করার জন্য এসেছ। নিজেকে উজাড় করে দিয়েছ। আবারও উজাড় করে দাও। এছাড়া তোমরা প্রমাণ কর, মানুষের সেবার জন্য এসেছ। মানুষের দুঃখে তোমাদের মন কাঁদে, তাদের জন্য তোমরা আছ। এটাই তোমাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ।’
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রথমে ঢামেকে একজন ছাত্র মারা যায়। যেকোনো মৃত্যু মানুষের জন্য সত্যি পীড়াদায়ক। ডাক্তাররা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি। কারণ তার মাথায় বড় আঘাত ছিল। ছাত্রটি মারা যাওয়ার পর তার আত্মীয়-স্বজন সেখানে গণ্ডগোল শুরু করেন। হাসপাতালের পরিচালক তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন- এখানে আমাদের গাফিলতি থাকলে আমরা সুস্থ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। তারা এই কথায় কর্ণপাত না করে আমাদের ডাক্তারদের ওপর হাত তোলে। এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ঠিক হয়নি। এটা অন্যায়।
তিনি বলেন, এরপর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। কিন্তু অন্য গ্রুপ তার চিকিৎসা দিতে বাধা দেয়। কিন্তু পরে সেও মারা যায়। এরপর বিষ খাওয়া রোগী একজন ঢাকা মেডিকেলে মারা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভুলে গেলে চলবে না কোভিডের সময় ডাক্তাররা দিন নেই, রাত নেই সেবা করে গেছে। এখন যে বন্যা দেখা দিয়েছে সেখানেও ডাক্তাররা দিনরাত খেটে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। কথায় কথায় তাদের গায়ে হাত তোলা এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’
নুরজাহান বেগম বলেন, যারা এ কাজ করেছে, আমি এ ঘটনায় নিন্দা জানাই। আমি আমার সব ডাক্তারকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, নিশ্চয়ই সিসিটিভি ফুটেজে এগুলো আছে, সেই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আমি তাদের আইনের আওতায় আনব এটা আমার অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, ‘আমি জনগণকে বলব- এই ডাক্তাররা আপনার সন্তানের মত। কারো ছেলে, কারো ভাই, তাদের জন্য একটু মানবিক হন। আবেগের বশে আমি কারো গায়ে হাত তুলে দিলাম, এটা ঠিক নয়। আইনটা নিজের হাতে তুলে নিলে দেশ আর দেশ থাকে না। বিশৃঙ্খল হয়ে যায়।’
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘ডাক্তাররা শাটডাউন ঘোষণা করেছে। চিকিৎসা সেবা না পেলে কেউ টিকতে পারবে? দেশ ঠিক থাকবে? থাকবে না। আমি সবাইকে অনুরোধ করব আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।’
যারা শাটডাউন ডেকেছে তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য যাবেন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমি আশা করি তারা আমার কথা শুনবেন।
আরও পড়ুন: ৭ ইসলামি দলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় বেশির ভাগ দলের দাবি নির্বাচনের সময়সীমা
৫২২ দিন আগে
করোনায় আবারও মৃত্যু একশ’ ছাড়াল
করোনায় দেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত একদিনে মারা গেছেন ১০৮ জন।
শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এছাড়া করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৮৬৯ জনের শরীরে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে মোট শনাক্ত ৮ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৪ জনে পৌঁছেছে।
তাছাড়া নতুন ১০৮ জনের মৃত্যুসহ দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩ হাজার ৯৭৬ জনে।
আরও পড়ুন: সারাদেশে ১৪ দিন ‘সম্পূর্ণ শাটডাউনের’ সুপারিশ
এর আগে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জনায়, ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৮১ জন মারা গেছেন। এছাড়া ৬ হাজার ৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৭ হাজার ৬৫৩ টি। শনাক্তের হার ২১.২২ শতাংশ।
নতুন করে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭৭৬ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫৯ জন। সুস্থতার হার ৯০.৭৬ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১.৫৯ শতাংশ।
আরও পড়ুন:ঝিনাইদহ সদরে করোনা রোগীর ভিড়, অক্সিজেন সংকটের আশঙ্কা
এর আগে করোনাভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন ‘সম্পূর্ণ শাটডাউন’ দেয়ার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মো. শহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে বুধবার রাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩৮তম সভা থেকে এ সুপারিশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ইতোমধ্যে কোভিড রোগের বিশেষ ডেল্টা প্রজাতির সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে ও রোগের প্রকোপ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ প্রজাতির জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে সারাদেশেই উচ্চ সংক্রমণ, পঞ্চাশোর্ধ জেলায় অতি উচ্চ সংক্রমণ লক্ষ্য করা যায়।
১৬৮৫ দিন আগে
সারাদেশে ১৪ দিন ‘সম্পূর্ণ শাটডাউনের’ সুপারিশ
করোনাভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন ‘সম্পূর্ণ শাটডাউন’ দেয়ার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মো. শহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে বুধবার রাতে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩৮তম সভা থেকে এ সুপারিশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ইতোমধ্যে কোভিড রোগের বিশেষ ডেল্টা প্রজাতির সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে ও রোগের প্রকোপ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ প্রজাতির জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে সারাদেশেই উচ্চ সংক্রমণ, পঞ্চাশোর্ধ জেলায় অতি উচ্চ সংক্রমণ লক্ষ্য করা যায়।
এতে বলা হয়, রোগ প্রতিরোধের জন্য খণ্ড খণ্ডভাবে গৃহীত কর্মসূচির উপযোগিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। অন্যান্য দেশ, বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের অভিজ্ঞতা কঠোর ব্যবস্থা ছাড়া এর বিস্তৃতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞের সাথেও আলোচনা করা হয়েছে।
তাদের মতামত অনুযায়ী, যে সব স্থানে পূর্ণ ‘শাটডাউন’ প্রয়োগ করা হয়েছে সেখানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ও জনগণের জীবনের ক্ষতি প্রতিরোধ করার জন্য কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শাটডাউন’ দেয়ার সুপারিশ করছে।
জরুরি সেবা ছাড়া যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এ ব্যবস্থা কঠোরভাবে পালন করতে না পারলে আমাদের যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়বে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ এর টিকা সংগ্রহের জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছেন। এজন্য সভায় তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। এ রোগ থেকে পূর্ণ মুক্তির জন্য ৮০ শতাংশের ঊর্ধ্বে মানুষকে টিকা দেয়া প্রয়োজন। বিদেশ থেকে টিকা সংগ্রহ, লাইসেন্সের মাধ্যমে দেশে টিকা উৎপাদন করা ও নিজস্ব টিকা তৈরির জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টার প্রতি কমিটি পূর্ণ সমর্থন জানায়।
১৬৮৬ দিন আগে
জীবন ও জীবিকার মানোন্নয়ন ছাড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়: উন্নয়ন অন্বেষণ
বাজেট পর্যালোচনায় স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন অন্বেষণ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত বাজেটে মহামারি করোনাভাইরাসের সময়ে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে একটি মধ্যমেয়াদী সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি-কাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অভাব রয়েছে। সেই সাথে তারা প্রত্যাশিত ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধিকে অবাস্তব বলে মনে করছে।
২০৬৩ দিন আগে
কোয়ারেন্টাইনে থেকে রোজা রাখবেন অসুস্থ খালেদা
অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও পবিত্র রমজান মাসে কোয়ারেন্টাইনে থেকে রোজা রেখে চিকিৎসা নেবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।
২১১২ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বালশাবাড়ীতে ত্রাণের দাবিতে রবিবার মহাসড়ক অবরোধ করেছে তাঁতশ্রমিক ও কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষ।
২১১৭ দিন আগে