মিছিল
বরিশালে বকেয়া পরিশোধ ও চাকরির নিরাপত্তার দাবিতে সিমেন্ট শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
দুই মাসের বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং কারখানা বিক্রি হলে শ্রমিকদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছেন অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার লিমিটেডের শ্রমিক-কর্মচারীরা।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে কারখানার প্রধান ফটক থেকে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি গ্যাস টার্বাইন এলাকা থেকে রূপাতলী গোলচত্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বেলা ১১টার দিকে রূপাতলী গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। এতে তিন শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী অংশ নেন।
সমাবেশে শ্রমিকরা দুই মাসের বকেয়া মজুরি, ওভারটাইম, নাইট বিল ও সার্ভিস বেনিফিট দ্রুত পরিশোধের দাবি জানান। একই সঙ্গে কারখানা বিক্রি হলে তাদের চাকরি বহাল রেখে কারখানা হস্তান্তরের নিশ্চয়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার লিমিটেড শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম সর্দারের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী, বাসদ নেতা গাজী মো. বেল্লাল হোসেন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের দপ্তর সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, অলিম্পিক সিমেন্ট শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. পাভেল হাওলাদারসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা বলেন, কারখানা বন্ধের নোটিশের পর গত ১৮ দিন ধরে শ্রমিকরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। বকেয়া পাওনা না পাওয়ায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা আগামী ৩০ জুন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে সমস্যার সমাধান এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ সময়ে শ্রমিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৩০ জুনের বৈঠকে দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে সব কারখানার শ্রমিকদের নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করা হবে।
৭ দিন আগে
ছাত্রলীগের মিছিল নিয়ে ডিএমপির বার্তা, গ্রেপ্তার ৬
রাজধানীতে পরিচালিত পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া এসব সংগঠনের সাম্প্রতিক ঝটিকা মিছিল নিয়ে সাধারণ জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানিয়েছে ডিএমপি। বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগ ও তাদের সমভাবাপন্ন বিভিন্ন সংগঠন ঝটিকা মিছিল করে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তারা পুলিশের গতিবিধি অনুসরণ করে নির্দিষ্ট কোনো এলাকায় গাড়ি থেকে নেমে দুয়েক মিনিট মিছিল করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে এসব মিছিলের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে তাদের অস্তিত্ব জানান দেয়।
তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করা সম্ভব না হলেও পরবর্তীতে ছবি ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের মধ্যে অনেককেই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানায় ডিএমপি। পৃথক অভিযানে রাজধানীতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ছয় সদস্য হলেন- পল্লবী থানা ছাত্রলীগের ৫ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নাইম, যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রিপন হোসেন ফাহিম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৯ নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি শেখ মো. সোহেল, বাড্ডা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. সোহেল রানা, বাড্ডা থানার ৩৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়ামিন ও বাড্ডা ১২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল বাশার খান।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) পল্লবী থানার বাউনিয়া এলাকা থেকে আশরাফুল ইসলাম নাইমকে গ্রেফতার করে ডিবি-মিরপুর বিভাগ।
আরও পড়ুন: পূর্বধলায় ভারতীয় মদসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
অন্যদিকে, মহানগর গোয়েন্দা সাইবার বিভাগের বিভাগের একটি দল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. রিপন হোসেন ফাহিমকে গ্রেফতার করে। ডিবি-ওয়ারী বিভাগ কদমতলী থানাধীন মোহাম্মদবাগ এলাকা থেকে শেখ মো. সোহেলকে গ্রেফতার করে।
এরপর শনিবার (১৯ এপ্রিল) ভোরে ডিবি সাইবারের একটি টিম রাজধানীর বাড্ডা থানার মধ্য বাড্ডা এলাকা থেকে মো. সোহেল রানা ও মোহাম্মদ ইয়ামিনকে এবং শাহ আলি এলাকা হতে অপর একটি টিম পৃথক অভিযান চালিয়ে আবুল বাশার খানকে গ্রেফতার করে।
ডিএমপি জানায়, এসব সংগঠনের অপতৎপরতা রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় সাধারণ জনগণকে এসব সংগঠনের বিচ্ছিন্ন অপতৎপরতা সম্পর্কে অহেতুক আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেছে মহানগর পুলিশ।
৪৪২ দিন আগে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে মধ্যরাতে ঢাবিতে মিছিল
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মিছিল করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পরিকল্পনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেই প্রধান উপদেষ্টার এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) দিবাগত রাত দুইটায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, জুলাই গণহত্যায় আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত এবং প্রধান উপদেষ্টার আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নেই এ বক্তব্য প্রত্যাখানের দাবিতে হল থেকে রাস্তায় বের হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে একদল শিক্ষার্থী।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়া থেকে শুরু হয়ে মল চত্বর, ভিসি চত্ত্বর হয়ে টিএসসিতে এসে শেষ হয়।
পরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি চায় না ছাত্রজনতা। আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেয়া মানে জুলাই শহীদের সঙ্গে প্রতারণা করা।
মিছিলে অংশ নেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম বলেন, আওয়ামী লীগকে ফেরাতে নানা ধরণের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্রে যারা মদত দেবে, তারা যেই হোক না কেন ছাত্রসমাজ রুখে দাঁড়াবে।
আরও পড়ুন: গুলশানে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত
আরেক শিক্ষার্থী তাবাসসুম বলেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে ন্যূনতম অনুশোচনা নেই। দেড় হাজার মানুষ হত্যার পর তারা ক্ষমা পর্যন্ত চাননি। অথচ সামনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অন্তর্ভুক্ত করতে এখন থেকে নানা ফন্দি-ফিকির হচ্ছে। বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দিবে না ছাত্রসমাজ।
যতদিন পর্যন্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হবে, ততদিন পর্যন্ত লড়াই চলবে জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা বলেন, জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার হতেই হবে। গণভোটের মাধ্যমে হলেও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তার আগ পযন্ত কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এসময়, শুক্রবার বিকেল তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বিক্ষোভের ঘোষণা দেয়ার পাশাপাশি সারাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভের আহ্বান জানান শিক্ষার্থীরা।
৪৭১ দিন আগে
নওগাঁয় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিক্ষোভ মিছিল
স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে নওগাঁয় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে নওগাঁ মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ চত্বর থেকে মিছিলটি বের করে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা। শহরের মুক্তি মোড় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ মিছিল শেষ করে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন আন্দোলনকারীরা।
এ সময় আন্দোলনকারীরা বলেন, এমবিবিএস অথবা বিডিএস ছাড়া কেউ চিকিৎসক পরিচয় দিতে পারবেন না। সম্প্রতি এ নিয়ে উচ্চ আদালতে করা রিট দ্রুত খারিজ করতে হবে। মানহীন বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো বন্ধ করতে হবে।
আরও পড়ুন: পাঁচ দফা দাবিতে খুমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিগুলো ওটিসি লিস্টের বাহিরে কোনো প্রকার ওষুধ বিক্রি করতে পারবেন না। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত যন্ত্রপাতি ক্রয় করারও দাবি জানান তারা। সব মিলিয়ে মোট ৫টি দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা।
দাবি আদায়ে আজ (সোমবার) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।
৪৯৬ দিন আগে
পাবনায় ছাত্রলীগের মশাল মিছিল, গ্রেপ্তার ৫
পাবনার আতাইকুলায় মিছিল করার সময় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকালে মামলা নথিভুক্ত করে আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয়।
আটকরা হলেন—আতাইকুলা থানার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের দুবলিয়া ক্যাম্প পাড়ার বাসিন্দা ও পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাওন রেজা খান, চরতারাপুরের নতুন টাটিপাড়ার বাসিন্দা ও চরতারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, শ্রীকোল এলাকার শহিদুল ইসলাম, তপু রায়হান ও শাকিল মৃধা।
আরও পড়ুন: বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের অপসারিত ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আতাইকুলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের শ্রীকোল বাজার থেকে একটি মশাল মিছিল বের করে, যা শ্রীকোল নতুন সেতু এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ ঘটনার পর পুলিশ আজ (শনিবার) আতাইকুলা থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম জানান, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করে এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করে। এরপর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৫২৬ দিন আগে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ
বুধবারের হামলার প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠনের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। এরপর সংক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি মিছিল শুরু করলে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিবাদ মিছিলটি আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে জলকামান ব্যবহার করে। এ সময় কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পুলিশ। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার একপর্যায়ে লাঠিচার্জ শুরু করেন পুলিশ সদস্যরা।
আরও পড়ুন: এনসিটিবি কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি চলাকালে হামলা, আহত অনেকে
৫৩৫ দিন আগে
তুরাগ নদীর আশেপাশে মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ
তুরাগ নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম তীরের কামারপুর, আব্দুল্লাহপুর, উত্তরা সেক্টর-১০ ও এর আশেপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বুধবার টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত ও অনেকে আহত হওয়ার পর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
আরও পড়ুন: দুই দিনের অভিযানে ১৭৯৯ মামলা দিল ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ
বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ২৯ ধারার অধীনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ (অধ্যাদেশ নম্বর III/৭৬) জারি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের পর যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।
সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং অন্যান্য বাহিনীর একটি বড় দল নিয়মিত পুলিশসহ ওই এলাকায় টহল দিচ্ছে।
বিজিবি সদর দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওই এলাকায় চার প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্র-বাচ্চার স্কুলের কাছে বাসা নেওয়ার পরামর্শ ডিএমপি কমিশনারের
৫৬৪ দিন আগে
ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিল করতে হাসিনার নির্দেশ: গ্রেপ্তার ১০
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করার অভিযোগে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা ও নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মিছিল করার নির্দেশ দেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়।
৫ আগস্ট ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে তার সরকার উৎখাত হওয়ার পর থেকে হাসিনা ভারতেই বসবাস করছেন। এর মাধ্যমে ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে বিএনপি নেতা হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ১, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
সরকারি সূত্র জানায়, ফোনে হাসিনার এই নির্দেশনা দেওয়া ষড়যন্ত্রের অংশ। মূলত দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট এবং ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়, শনিবার রাতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযান চালানো হয় এবং ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানের সময়, তাদের কাছ থেকে উসকানিমূলক পোস্টার, ছবি, প্ল্যাকার্ড ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে সতর্ক রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। এসব অপরাধমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত উসকানিদাতা, অর্থদাতা এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত।
আরও পড়ুন: জেনেভা ক্যাম্প থেকে ‘বোমা আরমান’ গ্রেপ্তার
৬০২ দিন আগে
কারফিউ অমান্য করে শাহবাগ অভিমুখে হাজারো মানুষের মিছিল
সোমবার বিকেলে কারফিউ উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে শাহবাগ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছেন।
তাদের অনেকে আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় প্রবেশ করেছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা প্ল্যাকার্ড নিয়ে দুপুর সোয়া ২টার দিকে বনানী পার হয়েছেন শাহবাগে জমায়েত হতে।
মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট, উত্তরা, ধানমন্ডি, রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে শাহবাগ অভিমুখে রওনা দিয়েছেন।
শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেছে ঢাকার রাস্তা।
অনেক সড়কে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে পুলিশকে।
তবে হাজিোড়া, মিরবাগ ও ওয়াপদা সড়ক থেকে গুলির শব্দ শোনা গেছে।
৬৯৯ দিন আগে
সোমবার শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল-গণঅবস্থান, মঙ্গলবার ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের এক দফা দাবিতে সোমবার বিক্ষোভ ও গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।
রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি নিহতদের স্মরণে সোমবার সারাদেশে শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচন করবে তারা।
শাহবাগ মোড়ে বেলা ১১টায় শ্রমিক সমাবেশ এবং বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (৬ জুলাই) 'লং মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচির ডাক দেন এবং তাদের কর্মসূচি সফল করতে শিক্ষার্থী, নাগরিক ও শ্রমিকদের ঢাকায় আসার আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া 'ছাড়তে হবে ক্ষমতা, ঢাকাই আস জনতা' স্লোগানে এ দিন দুপুর ২টায় শাহবাগ মোড়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
একই সঙ্গে সব এলাকা, গ্রাম, উপজেলা ও জেলায় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে একটি করে 'সংগ্রাম কমিটি' গঠনের আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ইন্টারনেট বন্ধ হলে আমাদের অপহরণ, গ্রেপ্তার, হত্যা করা হয়। যদি ঘোষণা দেওয়ার মতো কেউ না থাকে সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত এক দফা দাবি নিয়ে রাজপথ দখল করে শান্তিপূর্ণভাবে অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: ফের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ বিক্ষোভকারীদের
পুরানা পল্টন থেকে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ
৭০০ দিন আগে