মুক্তিপণ
যশোরে কোটি টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত সেই ব্যবসায়ী উদ্ধার
যশোরে এক কোটি টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত হওয়া ওষুধ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমকে (৪৫) অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র্যাব-৬-এর সদস্যরা। নিখোঁজের ৯ দিন পর তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের খলশি গ্রামে এক অভিযানে একটি নির্জন ইটভাটা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন র্যাব সদস্যরা। রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এই অভিযান চলে ।
জাহাঙ্গীর আলম ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপার সাতগাছি গ্রামের প্রয়াত শিক্ষক লুৎফর রহমানের ছেলে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে জাহাঙ্গীরকে আনা হয় যশোর র্যাব কাম্পে। পরে তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ টি এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স।
র্যাব সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২ মার্চ রাতে। শহরের শংকরপুর এলাকায় জাহাঙ্গীর আলমের আর আর মেডিকেল ও জে আর এগ্রোভেট নামে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিনের মতো ওই দিন রাত ৯টার দিকে তিনি দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে ধর্মতলা সুজলপুর এলাকায় বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে জোরপূর্বক তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান। অপহরণের পর রাত ১০টার দিকে অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গীরের মোবাইল থেকে তার মা ও স্ত্রীর কাছে ফোন করা হয়। এ সময় তাকে জীবিত ফেরত পেতে হলে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং বিষয়টি পুলিশকে না জানাতে হুমকি দেওয়া হয়।
অপহরণের পর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ফলাফল না পেয়ে গত ৪ মার্চ (বুধবার) বিকেলে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রেশমা খাতুন। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি বলেন, আমার স্বামীই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিন মেয়েকে নিয়ে আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। জাহাঙ্গীরের সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। তিনি তার স্বামীকে জীবিত ফিরে পেতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৬-এর সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ টি এম ফজলে রাব্বী প্রিন্সের নেতৃত্বে এক বিশেষ অভিযান চালানো হয়। গতকাল (বুধবার) গভীর রাতে হাত-পা বাঁধা ও বিধ্বস্ত অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলমকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে র্যাব হেফাজতে নেওয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মেজর এ টি এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। অপহরণের সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রটিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
৫ দিন আগে
অপহরণের পর বিবস্ত্র করে মুক্তিপণ আদায়, সিলেটে গ্রেপ্তার ২
সিলেটে এক ব্যক্তিকে অপহরণ পরবর্তীতে বিবস্ত্র করে শারীরিক নির্যাতন এবং ভিডিও ধারণের পর মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব-৯।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে র্যাবের একটি দল সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ভার্থখলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন— ওই এলাকার বাসিন্দা আহমদ হোসেন মাহিন (৩০) এবং শরীয়তপুর জেলার নাড়িয়া থানার হালইসার এলাকার বাসিন্দা সুহেল আহমদ (২৪)। আর ভুক্তভোগী সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সোনারখেওড় এলাকার বাসিন্দা।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ৩০ নভেম্বর দুপুরে ভুক্তভোগী সিলেট আদালতে একটি মামলায় হাজিরা শেষে বাসে চড়ে নিজের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। অপহরণকারীরা দক্ষিণ সুরমা থানার কদমতলী ওভার ব্রিজের পূর্ব পাশে রাস্তার ওপর চলন্ত বাসের গতিরোধ করে একটি মাইক্রোবাসে করে ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। মাইক্রোবাসে তুলে তারা তার দুই চোখ কাপড় দিয়ে এবং দুই হাত পেছনের দিকে বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তারা ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারপিট করেন। পরে নির্যাতনের ভিডিও তার পরিবারের কাছে পাঠিয়ে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগীর স্বজনরা তাকে বাঁচানোর জন্য ৮ লাখ টাকার মধ্যে পৃথকভাবে ৫ লাখ টাকা ও ৩ লাখ টাকা অপহরণকারী চক্রকে পাঠান। এরপর গত ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সিলেটের তালতলা এলাকায় ভুক্তভোগীকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
৮৯ দিন আগে
সুন্দরবন থেকে ৭ জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি
মুক্তিপণের দাবিতে ডন বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদীর হাঁসখালী, চেলাকাটা, হেতালবুনি খাল থেকে জেলেদের অপহরণ করা হয় বলে জানিয়েছেন ফিরে আসা জেলেরা।
অপহৃত জেলেরা হলেন— সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের আব্দুল আজিজ (৫০), ইব্রাহিম হোসেন (৪৫), আনারুল ইসলাম (২২), নাজমুল হক (৩৪), শামিম হোসেন (৩৬), আনোয়ার হোসেন (৩২) ও হরিনগর জেলেপাড়ার মুজিবুল হোসেন (৩৫)।
ফিরে আসা দুই জেলে ফজের আলী ও সবুজ মিয়া জানান, সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে পাশ নিয়ে কাঁকড়া ধরার জন্য তারা সুন্দরবনে যান। বনে কাঁকড়া শিকারের জন্য রবিবার তারা মালঞ্চ নদীর বিভিন্ন খালে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তিনটি নৌকায় ১০ জন বন্দুকধারী তাদের ঘিরে ধরে। এ সময় তারা প্রতি নৌকা থেকে একজন করে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিকাশ নম্বর দিয়ে সেটিতে মুক্তিপণের মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
তারা আরও জানান, ঋণ করে তারা বনে গিয়েছিলেন। এখন চালান তো উঠবেই না, উল্টো মুক্তিপণ দিয়ে সহকর্মীদের ছাড়াতে হবে। এমন দুরবস্থার মধ্যে পড়ার চেয়ে মৃত্যুও ভালো ছিল বলে আক্ষেপ করেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরবনের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক বলেন, বনবিভাগের স্মার্ট পেট্রোল টিমের সদস্যরা নিচে রয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। বিষয়টি আপনারা কোস্টগার্ডকে একটু অবহিত করেন।
কোস্টগার্ড কৈখালী বিসিজি স্টেশন সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে বিষয়টি তারা শুনেছেন। অপহরণের শিকার জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। সবকিছু নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৯৯ দিন আগে
লিবিয়ায় প্রবাসীকে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবি, ফেনীতে গ্রেপ্তার ৩
লিবিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিকে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় তিনজনকে ফেনী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, মামলা দায়েরের পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের ফেনী থেকে আনতে কুমারখালী থানা পুলিশ রওনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।
জানা যায়, জীবিকার সন্ধানে ২০২৪ সালে দালালের খপ্পরে লিবিয়ায় পাড়ি জমান কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া গ্রামের যুবক পলাশ ইসলাম (৩৫)। কিন্তু সেখানে জীবিকার সংস্থানে গিয়ে উল্টো পড়েছেন জীবন সংকটে। তাকে নির্মম নির্যাতনের ভিডিও ও অডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।
মুক্তিপণের টাকার দাবিতে প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আর ভয়াবহ সেসব নির্যাতনের ভিডিও পাঠানো হচ্ছে স্বজনদের কাছে।
এমন ঘটনায় গত ১ জুন কুমারখালী থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন পলাশের ভাই আব্দুর রহিম। তিনিও বর্তমানে আসামি আনতে পুলিশের সঙ্গে ফেনীর পথে রয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন নাজমা আক্তার (৩০), তার স্বামী আফসার হোসেন ও মঈনুদ্দিন নামে এক ব্যক্তি।
মামলার এজাহারে বলা হয় আমার ভাই পলাশ ইসলাম (৩৫) ও ২ নম্বর আসামি আফসার পূর্ব পরিচিত। আফসার লিবিয়া প্রবাসী ছিলেন। সেই সূত্রে আফসার আমার ভাইকে বিদেশ (লিবিয়া) নিয়ে যাওয়ার জন্য ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ সাড়ে চার লাখ টাকা নেন। এরপর আমার ভাই লিবিয়াতে এক বছর ২ মাস থাকলেও তাকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। উল্টো আমার ভাইকে একটি অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে আফসার তার স্ত্রীকে দিয়ে ১৫ লাখ টাকা দাবি করতে থাকেন। টাকা দিতে না পারায় আমার ভাইকে ভিডিও কল দিয়ে মারধর করে দেখায়। মুখ, হাত-পা বেঁধে লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করা হচ্ছে। হাত পায়ের আঙুলের নখ তুলে তার আর্তচিৎকারের অডিও পাঠানো হচ্ছে। ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায় তারা আরও তিন জনকে একইভাবে বন্দী করে রেখেছে।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন
এদিকে নাজমা অনবরত বিভিন্ন নাম্বার থেকে আমার ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। ভাইয়ের প্রাণ রক্ষার্থে তিন নম্বর বিবাদী মঈনুদ্দিনের ইসলামী ব্যাংক একাউন্টে আমরা দেড় লাখ টাকা পাঠিয়ে প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছি। বাকি টাকার জন্য তারা বিভিন্ন নাম্বার থেকে বারবার ফোন দিচ্ছেন।
জানতে চাইলে আব্দুর রহিম বলেন, আমি এখন ফেনীতে যাচ্ছি পুলিশ ভাইদের সঙ্গে। ফিরে এসে বিস্তারিত জানাতে পারব। আমরা যেকোনো মূল্যে ভাইকে ফেরত চাই। দেশে তার সন্তানরা বাবার পথ চেয়ে আছে।
আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, র্যাব তিনজনকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। কুষ্টিয়া পুলিশের টিম আসলে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
২৮৬ দিন আগে
মুক্তিপণ না পেয়ে অপহৃত যুবককে হত্যা
ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে শুভ (২০) নামে অপহৃত এক যুবককে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখেছে অপহরণকারীরা।
বুধবার (৭ মে) রাত ১১টার দিকে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ নিহত শুভর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
শুভ নরসিংদী সদর উপজেলার শীলমান্দী ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৪৫
শুভর পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৫ মে সকালে বাড়ির পাশ থেকে শুভকে অপহরণ করে। পরে অপহরণকারীরা তার পরিবারের কাছে ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অপহরণকারীরা মুক্তিপণ না পেয়ে নির্যাতন করে শুভকে হত্যা করে নরসিংদী-মদনপুর সড়কের ৬ নম্বর সেতুর পাশে ফেলে রাখে। পরে লাশের সন্ধান জানালে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ‘বুধবার রাত ১১টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া সাপেক্ষে মামলা দায়ের করা হবে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।’
৩১৩ দিন আগে
মুক্তিপণ আদায়, ডিবির ৫ সদস্যকে বরখাস্ত করেছে আরএমপি
বগুড়ায় অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ মার্চ) বিকালে আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এ সিদ্ধান্ত নেন।
এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, ‘তারা কোনো অভিযানে যায়নি বা কাউকে জানিয়েও যায়নি। নিজেদের ইচ্ছায় গিয়েছে এবং সেখানে আটক হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিকালে আমি তাদের সাময়িক বরখাস্ত করেছি। এখন তদন্ত হবে, এরপর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- আরএমপির গোয়েন্দা শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহিন মোহাম্মদ অনু ইসলাম, কনস্টেবল রিপন মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, মাহবুব আলম ও বাশির আলী। এছাড়া, তাদের সঙ্গে থাকা মাইক্রোবাসচালক মেহেদী হাসানকেও আটক করা হয়েছে।
নগর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ইব্রাহিম খলিল বলেন, ওই পাঁচ পুলিশ সদস্য আরএমপির ডিবিতে কর্মরত। গতরাতে আমি রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিসে ছিলাম, কিন্তু তারা আমাকে কিছু না জানিয়েই বগুড়া গেছে। কেন গিয়েছে, তা তারাই ভালো বলতে পারবে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় ২ কিশোর অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার ৬
জানা যায়, বগুড়ার কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা রবিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের বীরগ্রাম এলাকা থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্য ও তাদের মাইক্রোবাসচালককে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ও পুলিশের একটি ওয়াকিটকি জব্দ করা হয়।
বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) জেদান আল মুসা জানান, অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্য রবিবার ধুনট উপজেলায় গিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগে দীঘরকান্দি গ্রামের রাব্বী ও জাহাঙ্গীর নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করেন। এরপর শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর এলাকায় গাড়ি থামিয়ে তাদের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। দর-কষাকষির পর নগদ ২ লাখ এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা আদায় করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরে বগুড়া জেলা পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে শেরপুর ও শাজাহানপুর থানার সহযোগিতায় মাইক্রোবাসটি আটক করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে হাইওয়ে পুলিশের সহায়তায় শাজাহানপুর থানার বীরগ্রাম এলাকায় গাড়িটি আটক করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তদের তথ্যদাতা হিসেবে কাজ করেছেন আরএমপির গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত আবদুল ওয়াহাব নামে এক পুলিশ সদস্য। তিনি ছুটি নিয়ে দুই দিন আগে বগুড়ার ধুনটে নিজ গ্রামে যান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওই পাঁচজন সেখানে গিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সাবেক স্বাস্থ্য সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি
৩৫৭ দিন আগে
বগুড়ায় ২ কিশোর অপহরণ, মুক্তিপণ নিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার ৬
ডিবি পরিচয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় দুই ফ্রিল্যান্সারকে একদল লোক অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের সময় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কুন্দারহাট হাইওয়ে থানা পুলিশ।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিচয়ে তারা অপহরণ করেছিল ওই যুবকদের।
আরও পড়ুন: বান্দরবানে রাবার বাগান থেকে ২৬ শ্রমিককে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি
গ্রেপ্তাররা হলেন— শাহীন মোহাম্মদ অনু ইসলাম, রিপন মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, মো. মাহবুর আলম, মো. বাশির আলী ও মেহেদী হাসান।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নগদ, ১টি ওয়াকিটকি, ১টি হ্যান্ডকাফ ও ৭টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া অপহরণের শিকার দুই ফ্রিল্যান্সার হলেন— ধুনট উপজেলার দিগলকান্দি গ্রামের রাব্বি (১৯) ও জাহাঙ্গীর (২৪)।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম।
অপহরণের শিকারদের পরিবারের অভিযোগ, গতকাল রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজেদের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয় দিয়ে একদল ব্যক্তি তাদের বাড়িতে আসে। ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর এলাকায় নিয়ে গিয়ে পরিবারের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে হত্যা করে গুম করার হুমকি দেওয়া হয়। রাতেই জাহাঙ্গীরের পরিবার ২ লাখ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে রাব্বির পরিবার বিকাশের মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পাঠালে তিনিও ছাড়া পান। রাব্বি মুক্তি পাওয়ার পর তার পরিবার মোটরসাইকেল নিয়ে অভিযুক্তদের গাড়ির পিছু নেয়। পরে নন্দীগ্রামের কুন্দারহাট এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের টহল দলের কাছে তারা ঘটনা জানান। পুলিশ আটকানোর চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে হকারকে ‘অপহরণ’, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
কুন্দারহাট হাইওয়ে পুলিশ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ারুজ্জামান বলেন, ‘রাতের টহলের সময় খবর পাই যে, একদল ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে মুক্তিপণ আদায় করেছে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ধুনট থানার ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’
৩৫৮ দিন আগে
শাহরুখ খানকে হত্যার হুমকি
বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানকে ৫০ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি করে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর ) মুম্বাই পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছে।
ছত্তিশগড়ের রায়পুর থেকে যে ব্যক্তি ফোন করেছেন তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে 'হিন্দুস্তানি' বলে পরিচয় দেন।
বান্দ্রা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে।
কল করা ঐ ব্যক্তি ফৈজান খান বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তবে তিনি দাবি করেন, ২ নভেম্বর তাঁর ফোন চুরি হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ধুম ৪-এ শাহরুখ খান: ঘটনা না কি রটনা?
৫ নভেম্বর দুপুর ১টা ২০ মিনিট নাগাদ ফোনটি আসে, যেখানে মুক্তিপণ না দিলে 'জওয়ান' তারকার ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
শাহরুখ খানকে এই প্রথম হুমকি দেওয়া হলো বিষয়টি এমন নয়। গত বছরের অক্টোবরে তাকে একইভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে কর্তৃপক্ষকে তার সুরক্ষা ওয়াই + স্তরে উন্নীত করেছিল। এই স্তরের সুরক্ষার আওতায় তাকে ২৪ ঘণ্টা ছয়জন সশস্ত্র কর্মী সরবরাহ করে। এই সুরক্ষা সুবিধা পাওয়ার আগে তার দু'জন সশস্ত্র সুরক্ষা প্রহরীর ছিল।
সম্প্রতি বলিউডের আরেক তারকা সালমান খানের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে শাহরুখ খানকে এই হুমকি দেওয়া হয়।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছ থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। হুমকি দিয়ে বলা হয়, তাকে পাঁচ কোটি টাকা দিতে হবে অথবা কৃষ্ণসার হরিণ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ভিখারাম জালারাম বিষ্ণোই নামে ওই গ্যাংয়ের এক সদস্য এই হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই গ্যাংয়ের নেতা কর্ণাটকে এখনো আটক রয়েছেন।
৩০ অক্টোবর আরেকটি ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি সালমান খানের কাছ থেকে ২ কোটি রুপি মুক্তিপণ দাবি করে সতর্ক করেছিল। বারবার এরূপ হুমকির প্রেক্ষিতে সালমান খানের সুরক্ষাও জোরদার করা হয়। বিশেষ করে ১২ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকীর সাম্প্রতিক হত্যার পরে এই ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ।
মুম্বাই পুলিশ উভয় বলিউড তারকার সর্বশেষ হুমকির তদন্ত করার সময় উচ্চ সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অভিনেতাদের ক্ষতির আশঙ্কা থেকে রক্ষায় এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা যে রয়েছে তাএসব পদক্ষেপ নিশ্চিত করে।
আরও পড়ুন: পাঠান মুভি রিভিউ: বলিউড কিং শাহরুখ খানের অভিজাত প্রত্যাবর্তন
৪৯৫ দিন আগে
১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্রকে হত্যা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
নাটোরের নলডাঙ্গায় ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে হিমেল নামে এক স্কুলছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এটিএম মাইনুল ইসলাম।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকালে নিখোঁজ হন হিমেল। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় পিপরুল ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পেছনের একটি ভুট্টাখেত থেকে হিমেলের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
হিমেল নলডাঙ্গার পাটুল হাপানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এটিএম মাইনুল ইসলাম বলেন, বাবার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের জন্যই বন্ধু পার্থ, মেহেদী হাসান, সুজন ও শিমুল (বয়সে তাদের বড়) মিলে অপহরণ করে হিমেলকে হত্যা করে লুকিয়ে রেখেছিল লাশ।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় হিমেলের বাবা স্থানীয় টিসিবি ডিলার ফারুক সরদার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযানে নেমে আটক করে পার্থ, মেহেদী হাসান, সুজন ও শিমুলকে। উদ্ধার করে হিমেলের সাইকেল, লাশ ও হত্যাকাণ্ডের আলামত।
এটিএম মাইনুল ইসলাম বলেন, পরে তাদের সঙ্গে নিয়ে রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় পিপরুল ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পেছনের একটি ভুট্টাখেত থেকে হিমেলের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
ইসরায়েলির পুরস্কার নিয়ে গণহত্যার পক্ষ নিয়েছেন ড. ইউনূস: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৭১৮ দিন আগে
মুক্তিপণ দিয়ে দুইদিন পর ফিরল অপহৃত ৪ রোহিঙ্গা
কক্সবাজারের টেকনাফের আলীখালী পাহাড় থেকে অপহৃতের দুইদিন পর ৪ রোহিঙ্গা পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে।
সোমবার (০৫জুন) সন্ধ্যায় মুক্তিপণ দেয়ার পর তাদের ক্যাম্পের পাশে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
ফেরত আসা অপহৃতরা হলেন,হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালী ক্যাম্প-২৫ ব্লক ডি/২২ এর বাসিন্দা নুর হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ ইউনুস (৩২) একই ক্যাম্পের মোহাম্মদ রফিকের ছেলে মোহাম্মদ সুলতান (২৪),আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল্লাহ(১৬) ও মোহাম্মদ সৈয়দের ছেলে আনোয়ার ইসলাম (১৮)।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয় রোহিঙ্গারা
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা (মাঝি)জানান,সোমবার সন্ধ্যায় দুর্বৃত্তরা পাঁচ লাখ টাকার মুক্তিপণ নিয়ে ৪ রোহিঙ্গাকে ছেড়ে দেয়। তাদের এনজিও হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে এপিবিএন পুলিশ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন।
এরআগে রবিবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পের পাশে অপহৃত জাহাঙ্গীর আলমকে হাত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ফেলে রাখে। খবর পেয়ে ক্যাম্পের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সন্ত্রাসীরা তাদের ছেড়ে দেয়ার পর ফিরে আসার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)পুলিশ সুপার মো.জামাল পাশা। তবে তিনি মুক্তিপণের টাকা দেয়ার বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ১০৬৬ রোহিঙ্গা ডেঙ্গু আক্রান্ত, ব্যবস্থাপনা কঠিন বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) উপ অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো.জামাল পাশা বলেন,আলীখালী ক্যাম্প এলাকা থেকে তারা অপহরণের শিকার হয়। তবে মুক্তিপণ দাবির বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তাদের কিছুই জানায়নি। এরমধ্যে তাদের উদ্ধারের জন্য পুলিশ ও এপিবিএন পুলিশ দিন-রাত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। হয়তো অভিযানের কারণে সন্ত্রাসীরা তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। অপহৃতদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: উখিয়ায় দুর্বৃত্তের গুলিতে রোহিঙ্গা যুবক নিহত
১০১৫ দিন আগে