ভারত
ভারতের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু্র উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: রেলমন্ত্রী
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করছে জানিয়ে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদের (কুষ্টিয়া-১) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদ অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৪৩টি পণ্যবাহী ট্রেন আসছে এবং ৪২টি খালি রেক ফেরত যাচ্ছে উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী বলেন, রহনপুর, দর্শনা ও বেনাপোল ইন্টারচেঞ্জ স্টেশনের মাধ্যমে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন গ্রহণ করা হচ্ছে এবং খালি রেক ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
এছাড়া মন্ত্রী জানান, রাজশাহী-কলকাতা-রাজশাহী রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়টি বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
বিএনপির সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুনের (জামালপুর-৫) আরেকটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে রবিউল আলম বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও রেলওয়ে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ধীরে ধীরে বাংলাদেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমান সরকার এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
রেলমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বর্তমানে চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রকল্পগুলো হলো—মধুখালী থেকে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণ; বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ; শেরপুর-রৌমারী রেল যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ড লাইন নির্মাণ।
মন্ত্রী আরও বলেন, রেলওয়ে সম্প্রসারণে তিনটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা; নেত্রকোনার ঝারিয়া ঝাঞ্জাইল থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন এবং সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা।
রবিউল আলম বলেন, ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে আরও প্রকল্প নেওয়া হবে, যাতে দেশের সব জেলায় রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা যায়।
৭ দিন আগে
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন দুই তরুণী
ভারতে দুই বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরেছেন নড়াইলের দুই তরুণী।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
ফেরত আসা দুই তরুণী হলেন: নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ঘাঘা গ্রামের লাবনী বিশ্বাস ও একই উপজেলার মহিষখোলা গ্রামের মনি বিশ্বাস।
লাবনী বিশ্বাস জানান, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে তারা সীমান্তপথে অবৈধভাবে ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। সেখানে বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পরে পুলিশ তাদের আদালতে পাঠায়। অনুপ্রবেশের অভিযোগে দেশটির আদালত তাদের দুই বছর সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়।
পরবর্তীতে কারাভোগ শেষে বেঙ্গালুরুর ‘বালামন্দির চাইল্ড হোম’ দায়িত্ব নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। এরপর উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ভ্রমণ অনুমতি মাধ্যমে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা দেশে ফেরেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ভারত ফেরত দুই তরুণীকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।
এ বিষয়ে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ফিল্ড ওয়ার্কার শফিকুল ইসলাম বলেন, ফেরত আসা দুই তরুণীকে বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে। আজ (বুধবার) তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৭ দিন আগে
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গঙ্গা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদনদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ন্যায়সঙ্গত ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান হলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও বাড়বে।
অভিন্ন নদনদীর পানি ব্যবস্থাপনা দুই দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি গঙ্গা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদ-নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
জবাবে হাইকমিশনার এ বিষয়ে তার সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
তিনি বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক, ভবিষ্যতমুখী, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ ও লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
সাক্ষাৎকালে ভারতের হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন, শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ভারত অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে তার দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, পারস্পরিক মর্যাদা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়, উন্নত ও শক্তিশালী করতে ভারত প্রবলভাবে আগ্রহী।
রাষ্ট্রপতি তাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতি তার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে তাকে অনুরোধ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাণিজ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
দুই দেশের জনগণের সামর্থ্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অভিন্ন শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে ভারত ও বাংলাদেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং তার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি তার সফল কর্মকাল কামনা করেন এবং তার দায়িত্ব পালন দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ, ইতিবাচক ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
৮ দিন আগে
নয়াদিল্লিতে ভবন ধসে নিহত বেড়ে ৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে আজ সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ সত্য নিকেতন এলাকায় অবস্থিত ওই পাঁচতলা ভবনটি ধসে পড়ে। ভবনটিতে একটি ছাত্রাবাস ছিল। এলাকাটি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্যাম্পাসের কাছে এবং বেসরকারি ছাত্রাবাসের হিসেবে পরিচিত।
দুর্ঘটনার পর পুলিশ, দমকল বাহিনী ও ভারতের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার সদস্যরা আজও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। ভারী যন্ত্র দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তিদের সন্ধান করা হচ্ছে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা আজ ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিকদের বলেন, উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অন্তত ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। ধ্বংসস্তূপের প্রায় ৮০ শতাংশ সরানো হয়েছে এবং এখন শুধু বেসমেন্টের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জন নিহত ও আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনটি অন্তত ৫৫ বছরের পুরোনো। কয়েক মাস ধরে সেটিতে সংস্কারকাজ চলছিল। কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও আগস্টে মূলত শিক্ষার্থীদের ভাড়াটিয়া হিসেবে সেখানে ওঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রকাশ চাঁদ জানান, ভবনটি ধসে পড়ার সময় কয়েকজন শ্রমিক বেসমেন্টে খননকাজ করছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, বেসমেন্টে পানি জমে যাওয়া এবং পুরোনো ভবনটিতে চলমান সংস্কারকাজের কারণে ভবনটি ধসে পড়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন গুপ্তা।
তিনি বলেন, সরকার এমন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে যার আওতায় জনসাধারণের ব্যবহৃত ভবন—বিশেষ করে ছাত্রাবাস, নার্সিং হোম ও স্কুল—নিয়মিত কাঠামোগত পরীক্ষা এবং নিরাপত্তা সনদ পাওয়ার বাধ্যবাধকতার মধ্যে আসবে। যেসব ভবন এসব শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হবে, সেগুলোতে কোনো ধরনের জনসাধারণের কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না বলেও জানান তিনি।
৯ দিন আগে
কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা
ভারতের কলকাতায় সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পর শহরটিতে ভ্রমণরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রয়োজনে কলকাতা ভ্রমণের ক্ষেত্রে আগেই হোটেল বুকিং নিশ্চিত করাসহ কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উপ-হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৯ আগস্ট কলকাতায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ভ্রমণকারী নাগরিকদের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে এসব নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় কলকাতায় যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট হোটেলের বুকিং নিশ্চিত করার পাশাপাশি হোটেলটির বর্তমান কার্যক্রম, কক্ষের প্রাপ্যতা ও অবস্থান সম্পর্কে যথাযথভাবে জেনে ভ্রমণ করতে বলা হয়েছে।
চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় যাওয়া রোগীর সফরসঙ্গীদেরও (অ্যাটেনডেন্ট) যাওয়ার আগে হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছে উপ-হাইকমিশন। একই সঙ্গে হোটেলের কক্ষের প্রাপ্যতা, বুকিংয়ের বৈধতা, হোটেল থেকে হাসপাতালের দূরত্ব ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আগেই নিশ্চিত হতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কলকাতায় সাম্প্রতিক মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের পর ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনাপ্রবণ আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। স্থানীয় নিরাপত্তাবিধি ও অন্যান্য নিয়মকানুন মেনে এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু হতে এক মাসের বেশি সময় লাগতে পারে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে কলকাতায় গিয়ে আবাসনসংকটে পড়া এড়াতে অগ্রিম হোটেল বুকিং নিশ্চিত না করে ভ্রমণ না করার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে উপ-হাইকমিশন।
১৩ দিন আগে
ভারতের উড়িষ্যা উপকূলে জাহাজডুবি, বাংলাদেশি ক্রুসহ ২২ জন নিখোঁজ
ভারতের উড়িষ্যা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ ‘ওশান উইনার’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সাতক্ষীরার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আবদুল্লাহ আল মামুন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও নিখোঁজ রয়েছেন ২২ জন।
নিখোঁজ আবদুল্লাহ আল মামুন সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া গণমুখী মাঠ এলাকার বাসিন্দা ডা. আব্দুর রহিমের ছোট ছেলে। তার স্ত্রী, দুই সন্তান, বাবা-মা ও ভাইয়েরা সাতক্ষীরায় বসবাস করেন।
জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল মামুনের জাহাজের চতুর্থ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে এটি প্রথম চুক্তি ছিল। পানামার পতাকাবাহী চীনা মালিকানাধীন বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজটি ১ হাজার ৭০০ টন লোহার আকরিক বহনকালে জাহাজটি একদিকে কাত হতে শুরু করে। এরপর মাত্র আট মিনিটের মধ্যে জাহাজটি ডুবে যায়।
ঘটনার সময় নাবিকরা লাইফবোট নামাতে পারেননি এবং লাইফ জ্যাকেটও নিতে পারেননি। সে সময় ২৮ বছরের পুরোনো জাহাজটিতে ২৪ জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে ২০ জন চীনা, ৩ জন মিয়ানমারের নাগরিক ও বাংলাদেশি ক্রু হিসেবে আবদুল্লাহ আল মামুন ছিলেন।
গতকাল (শনিবার) বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ উদ্ধার অভিযানে নিঁখোজ ২ জন চীনা ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ২২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এদিকে, যতই সময় গড়াচ্ছে, ততই বাঁচার সম্ভাবনা কমে আসছে নিখোঁজদের। এতে সাতক্ষীরায় মামুনের পরিবারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
মামুনের বাবা ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ‘এ ঘটনায় জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর থেকে আমার ছেলে নিঁখোজ রয়েছে। আমরা তার সন্ধান চাই।’
২৩ দিন আগে
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাজুর মরদেহ বাড়ি ফিরলেও রেবতি সরকারের মরদেহ দাহ হয়েছে ভারতে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুইজেনর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ (৪৫) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে। তবে নিহত রেবতি সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গেল মঙ্গলবার মধ্যরাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন সাজু। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে। এছাড়া একই ঘটনায় তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকারও (৩৭) নিহত হন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারা উভয়ই চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সেখানে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ওঠেন। রাতে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৭ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে দুইজন সাতক্ষীরার। দুইদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তার করা হয়। এর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
রেবতি সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, তার ছেলেমেয়ে ভারতে অবস্থান করায় সেখানেই তার মরদেহ সৎকার করা হয়েছে।
ভোমরা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আজ (শনিবার) দুপুর ১২টার পর সাজুর মরদেহ তারা গ্রহণ করেছেন। মাজুর বাড়িতে জানাজা এবং দাফনের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন নিহতের পরিবার।
২৫ দিন আগে
অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে যা যা করার আছে নিশ্চয়ই করব: দীনেশ ত্রিবেদী
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, তাদের ব্যাপারে যা যা করার আছে, তা নিশ্চয়ই করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর হাইকমিশনার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনার বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে হাই কমিশনার বলেন, ‘খুব দুঃখের কথা। এ ব্যাপারে যা যা করার আছে, আমরা নিশ্চয়ই করব।’
সেখানে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, ঘটনার তদন্ত করা হবে কি না—সাংবাদিকরা এসব বিষয় জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী কোনো উত্তর দেননি।
পরে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ। ভারতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ আমি ওঠাইনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘উনারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দিয়েছেন, এটা শুধু বলেছেন। তারা আশা করছেন তিনি যাবেন।’
২৭ দিন আগে
ভারতে চিকিৎসাধীন দুই বন্ধুর মৃত্যু, মরদেহ দেশে আনলেন আরেক বন্ধু
উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেছেন গাজীপুরের দুই যুবক। এ ঘটনার পর ভারতে থাকা আরেক বন্ধু তাদের মরদেহ গ্রহণ করে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন।
রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে মরদেহ দুটি দেশে আনা হয়।
দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকার মো. হাবিবুর রহমান (৫৮) ও কালীগঞ্জের কাপাসিয়া এলাকার বিল্লাল মাঝি (৫০) গত ১৫ জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান। তারা কলকাতার এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সূত্র জানায়, বিল্লাল মাঝি গত ৯ আগস্ট রাত সোয় ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর পরদিন ১০ আগস্ট রাত পৌনে ৮টার দিকে মারা যান মো. হাবিবুর রহমান। হাবিবুর রহমান স্ট্রোকজনিত জটিলতায় এবং বিল্লাল মাঝি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
দুইজনের মৃত্যুর পর ভারতে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশনসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পরে তাদের বন্ধু মো. আবু নাহিদ (৪৫) ভারতে থেকে মরদেহ দুটি গ্রহণ করেন। তিনি মরদেহ নিয়ে বাংলাদেশে ফেরার পর দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে সেগুলো গ্রহণ করা হয়।
গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে বিল্লাল মাঝির মরদেহ এবং ৭টা ৩০ মিনিটে হাবিবুর রহমানের মরদেহ দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে পৌঁছায়। পরে ভারতীয় বিএসএফ ও বাংলাদেশ বিজিবির সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একই সঙ্গে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া দুই বন্ধুর মরদেহ শেষ পর্যন্ত আরেক বন্ধুর হাত ধরে দেশে ফেরার ঘটনায় স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তারেক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুইজনের মরদেহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৩০ দিন আগে
বিহারে মন্দিরে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যাওয়ায় আতঙ্ক, পদদলিত হয়ে নিহত ৭
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় বিহার রাজ্যের একটি হিন্দু মন্দিরে আজ সোমবার পদদলনের ঘটনায় সাতজন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, বিহারের ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে পশ্চিমবঙ্গের তীর্থযাত্রীদের একটি আবাসিক হোটেলে আগুন লেগে অন্তত সাতজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
বিহারের লাখিসরাই জেলার অশোক ধাম মন্দিরের কাছে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
শ্রাবণ মাসের তৃতীয় সোমবার হাজার হাজার ভক্ত প্রার্থনা করতে ওই মন্দিরে জড়ো হয়েছিলেন।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে শ্রাবণ মাসটি শিবের উপাসনার জন্য উৎসর্গীকৃত এবং এ সময় উপবাস, প্রার্থনা ও বর্ষাকালীন বিভিন্ন উৎসব পালিত হয়।
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু মানুষকে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক কর্মকর্তা শৈলেন্দ্র কুমার। তিনি বলেন, পদদলনের কারণ এখনও তদন্ত করা হচ্ছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মন্দির প্রাঙ্গণের বাইরে একটি বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যায়। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে ভক্তরা পালানোর চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে।
শৈলেন্দ্র কুমারের বরাতে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) খবরে বলা হয়, হুড়োহুড়ি করে এগিয়ে আসা মানুষের চাপে ব্যারিকেডের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এতে অনেকে পড়ে গেলে তাদের ওপর অন্যরা পড়ে যান এবং পদদলনের ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মন্দিরনগরী তারাপীঠে আজ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চারতলা একটি হোটেলের নিচতলায় আগুন লাগে। তখন অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানিয়েছে পিটিআই।
খবরে বলা হয়, হোটেলের অনেক অতিথিই তারাপীঠে প্রার্থনা করতে আসা তীর্থযাত্রী ছিলেন। সেখানে একটি বড় মন্দির কমপ্লেক্সে শিবের একটি মন্দিরও রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের বেশ কিছু সময় পর দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। সেখান থেকে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন দগ্ধ হওয়ার চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, অন্যরা ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ ও শ্বাসরোধজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ সংবাদ সংস্থাটিকে জানায়, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার একটি বৈদ্যুতিক উপাদানে আগুন লাগার পর অভ্যর্থনা এলাকার কাছে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ধর্মীয় উৎসবের সময় ভারতে এ ধরনের পদদলনের ঘটনা তুলনামূলকভাবে সাধারণ। বড় বড় ধর্মীয় সমাবেশে কখনো কখনো লাখ লাখ মানুষ সীমিত জায়গায় জড়ো হন, যেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকে না।
গত বছরের জানুয়ারিতে মহাকুম্ভ উৎসবের সময় নদীতে স্নান করতে গিয়ে পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হন। মহাকুম্ভকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
২০১৩ সালে মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের একটি মন্দিরে হিন্দু ধর্মীয় উৎসবে অংশ নেওয়া তীর্থযাত্রীরা একটি সেতু ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ওই ঘটনায় পদদলিত হয়ে এবং নিচের নদীতে ডুবে অন্তত ১১৫ জন নিহত হন।
৩০ দিন আগে