ভারত
পশ্চিমবঙ্গের সহিংসতা নিয়ে বাংলাদেশের মন্তব্য অযৌক্তিক: ভারত
ওয়াকফ আইন ঘিরে সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতার ঘটনায় বাংলাদেশের দেওয়া বক্তব্য ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে ভারতের বক্তব্য, অনভিপ্রেত মন্তব্য না দিয়ে বাংলাদেশ বরং নিজেদের সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় মনোযোগ দিক।
গণমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ কথা বলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে তিনি এই বিবৃতিটি প্রকাশ করেছেন।
জয়সোয়াল বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে মন্তব্য করা হয়েছে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করছি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নিপীড়ন নিয়ে ভারতের উদ্বেগের সঙ্গে তুলনা টানার বিষয়টি প্রায় প্রকাশ্য ও কপট অপচেষ্টা। সংখ্যালঘু নির্যাতনে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এখনো সেখানে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘অযৌক্তিক মন্তব্য এবং ভালোর বেশ না ধরে নিজেদের সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় মনোযোগ দিলে বাংলাদেশ আরও ভালো করবে।’
গতকাল (বৃহস্পতিবার) মুর্শিদাবাদের ঘটনায় বাংলাদেশকে জড়ানোর চেষ্টার প্রতিবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় বাংলাদেশকে জড়ানোর যেকোনো চেষ্টাকে আমরা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করি। বাংলাদেশ সরকার মুসলিমদের ওপর হামলা এবং তাঁদের জানমালের নিরাপত্তাহানির ঘটনার নিন্দা জানায়।’
আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদের সহিংসতা: বাংলাদেশের জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান ঢাকার
২৫৯ দিন আগে
ট্রানজিটসহ ভারতকে দেওয়া সব সুবিধা বাতিল করতে আইনি নোটিশ
ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টসহ ভারতকে দেওয়া সব সুবিধা বাতিল চেয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ নোটিশ পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ আজিজুল হক এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এই আইনজীবী বলেন, ‘নোটিশ পাওয়ার পর সরকার যদি ভারতকে দেওয়া ট্রানজিট, ট্রান্সপশিপমেন্ট সুবিধা ও বৈষম্যমূলক চুক্তি বাতিলে পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে প্রতিকার চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ভারত এরই মধ্যে বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছে। এখন বাংলাদেশের জনগণও চায় ভারতকে দেওয়া সব সুবিধা বাতিল করা হোক।’
২৬০ দিন আগে
ভারতে গিয়ে যুবক নিখোঁজ, সীমান্তে লাশ দেখে পরিবারে আহাজারি
রাতের আঁধারে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে গিয়ে ৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন ঝিনাইদহের মহেশপুরের ওয়াসিম আলী নামের এক যুবক। গত সোমবার (৭ এপ্রিল) থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ দেখে ওই যুবকের পরিবারে চলছে আহাজারি। তাদের ধারণা, ওই মরদেহটি নিখোঁজ ওয়াসিম।
যদিও বিজিবি কিংবা পুলিশের পক্ষ থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি। উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের আদিবাসিপাড়ার রমজান আলীর ছেলে ওয়াসিম আলী।
স্বজনরা জানায়, সোমবার রাতে ওয়াসিমসহ আরও তিনজন অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় বিএসএফের সামনে পড়েন। পরে তিনজন পালিয়ে গেলেও ওয়াসিম পালাতে পারেননি।
এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
এদিকে শুক্রবার দুপুরে নদী থেকে অজ্ঞাত ওই যুবকের মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ।
ওয়াসিমের পরিবারের দাবি, এটি ওয়াসিমের লাশ। বিএসএফ হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। রমজান আলী বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন যে লাশটি তার ছেলে ওয়াসিমের।’ তিনি দ্রুত লাশটি উদ্ধারের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে খালিশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, ‘লাশটি ইছামতি নদীর ভারতীয় অংশে থাকায় উদ্ধার করা যায়নি। তবে বিএসএফকে জানানো হয়েছে।’
আরও পড়ুন: পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবি, নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার
তিনি আরও বলেন, ‘লাশটি বাংলাদেশি না, ভারতীয় তা এখনও আমরা জানতে পারিনি। এছাড়া কোনো পরিবার তাদের কোনো সদস্য নিখোঁজ থাকার বিষয়েও আমাদেরকে জানাইনি।’
মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন মনিরা বলেন, ‘ইছামতি নদীর ভারতীয় অংশে একটি লাশ ভাসছে এটা শুনেছি। তবে লাশের পরিচয় এখনও মেলেনি।’
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, ‘ইছামতি নদীর ভারতীয় অংশে বাংলাদেশ সীমান্তের ওপারে একটি লাশ পড়ে আছে। বিষয়টি নিয়ে বিজিবি কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএসএফের সঙ্গে বিজিবি যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেবে। কাজেই বিজিবির পক্ষ থেকে না জানানো পর্যন্ত আমরা কোনোকিছু নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।’
২৬৫ দিন আগে
ওয়াকফ আইন পশ্চিমবঙ্গে বলবৎ হবে না: মমতা
ভারতের ওয়াকফ আইন পশ্চিমবঙ্গে বলবৎ করা হবে না বলে জানিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এই আইন রাজ্য সরকার সমর্থন করে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। মমতা বলেন, ‘বাংলায় তা বলবৎও হবে না। তা হলে হিংসা কেন? যারা এই হিংসায় উসকানি দিচ্ছেন, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইনে এমন খবর দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ডকে 'নির্মমতা' বললেন ইউনূস
তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী বলেন, ‘সেই আইনটি কিন্তু আমরা করিনি। আইনটি কেন্দ্রীয় সরকার করেছে। তাই উত্তর যা চাওয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চাইতে হবে।’
রাজনৈতিক দলের চক্রান্তের কথাও উল্লেখ করে মমতা, ‘কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মকে অপব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে। তাদের প্ররোচনায় পা দেবেন না। আমি মনে করি, ধর্ম মানে মানবিকতা, সহৃদয়তা, সভ্যতা ও সম্প্রীতি।’ এ সময়ে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ভারতের ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে দেশটির নানা প্রান্তে তীব্র বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের শীর্ষ আদালতেও আইনটি বাতিল করার দাবিতে একাধিক পিটিশন জমা পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ আগামী সপ্তাহেই এই মামলাগুলো শুনবে।
অন্য দিকে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ওই রাজ্যের হাজার হাজার বিতর্কিত ওয়াকফ সম্পত্তি চিহ্নিত করে তা বাজেয়াপ্ত করার জন্য উদ্যোগ শুরু করে দিয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ভারতে সব চেয়ে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি আছে উত্তরপ্রদেশেই।
ওই একই রাজ্যের মুজফফরনগরে গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় হাতে কালো আর্মব্যান্ড পরে নতুন আইনটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তিন শতাধিক ব্যক্তিকে নোটিশ পাঠিয়ে মাথাপিছু ২ লাখ রুপি করে জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে গুন্ডা ঢোকানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, দাবি মমতার
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়ও আইনপির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে। গেল বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশ থেকে ওয়াকফ আইন বাতিল করার দাবিতে কম করে এক কোটি মানুষের স্বাক্ষর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে মুসলিম সংগঠন জমিয়ত-ই-উলেমা হিন্দ।
২৬৫ দিন আগে
ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে কোনো সমস্যা হবে না: বাণিজ্য উপদেষ্টা
ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে বাংলাদেশের কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সচিবালয়ে সম্প্রতি ভারত দিয়ে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহনে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘হঠাৎ করেই ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছে ভারত। বুধবার অংশীজনদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।’
‘ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে কোনো সমস্যা বোধ করছি না। নিজস্ব সক্ষমতা ও রপ্তানির ক্ষেত্রে যোগাযোগের যেন কোনো ঘাটতি না পড়ে, সেজন্য সব ব্যবস্থা নিচ্ছি। আশা করছি, এ সমস্যা কাটিয়ে উঠব।’
যদিও সমস্যা কাটিয়ে উঠতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত বলেননি উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—সেটি এই মুহূর্তে শেয়ার করব না। যে প্রতিবন্ধকতাগুলো আছে, সেগুলো কিছু কাঠামোগত, কিছু আবার খরচের দিক থেকে; এসব বিষয়গুলো সমন্বয় করে সক্ষমতা বাড়ানো হবে।’
এ বিষয়ে ভারতকে কোনো চিঠি দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকার আপাতত এমন কিছু ভাবছে না।’
আরও পড়ুন: বেনাপোল থেকে ফেরত এলো বাংলাদেশের ৪ পণ্যবাহী ট্রাক
ভারতের ট্রান্সশিপমেন্টের সুবিধায় কী পরিমাণ পণ্য রপ্তানি হয় জানতে চাইলে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ৪০-৫০ হাজার টনের মতো পণ্য সড়কপথে ভারতের বিভিন্ন বন্দর, বিশেষ করে দিল্লি ও কলকাতার মাধ্যমে রপ্তানি হতো। এই পণ্যগুলো পরিবহনের জন্য নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়ে খুব তাড়াতাড়িই এ সমস্যার সমাধান করা হবে।’
এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক স্থগিতের বিষয়ে শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, ‘এটি ভালো খবর। এর ফলে দেশের বাণিজ্যে স্থিরতা আসবে।’
উপদেষ্টা আরও জানান, গতকাল (বুধবার) যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) সঙ্গে অনলাইনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় শিগগিরই বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রে যাবে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘সেখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে।’
২৬৭ দিন আগে
ভারতে ৫ বছর সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে পাঁচ বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি ৬ নারী।
বুধবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে।
এরা হলেন— আনজু খাতুন (৩০), রাশেদা বেগম (৪৮), ইয়াসমিন খাতুন (২৬), রোজিনা পারভিন, (২৭), তাসলিমা (৩৫), শারমিন আক্তার (৩০)। তারা যশোর, মাগুরা ও সাতক্ষীরার বাসিন্দা।
ফেরত আসা তাসলিমা খাতুন বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালচক্রের মাধ্যমে তারা ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর সীমান্তপথ দিয়ে ভারতের গুজরাট গিয়েছিলেন। সেখানে বাসা-বাড়িতে কাজ করার সময় ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। এরপর অনুপ্রবেশের দায়ে সেদেশের আদালত তাদের পাঁচ বছর সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়।
তিনি বলেন, কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে আজ (বুধবার) সন্ধ্যায় তারা দেশে ফিরেছেন।
আরও পড়ুন: তামাবিল দিয়ে ১৪ বাংলাদেশিকে ফেরত দিলো ভারত
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আহম্মেদ বলন, ‘ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৬ বাংলাদেশি নারীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে এবং তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।’
যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রামার অফিসার মুহিত হোসেন বলেন, ‘ফেরত আসাদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
২৬৮ দিন আগে
তামাবিল দিয়ে ১৪ বাংলাদেশিকে ফেরত দিলো ভারত
ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
বুধবার (৯ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতীয় বিএসএফ ও বাংলাদেশের বিজিবি'র উপস্থিতিতে তাদের ফেরত পাঠায় ভারত।
ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলেন— জামালপুরের বক্সিগঞ্জ থানার মো. উমর ফারুখ (২৬), কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর থানার মো. হুমায়ুন কবির (২৬), শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি থানার মো. রাসেল মিয়া (২০), ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার মো. সুজন মোল্লা (৩৬), নরসিংদীর শিবপুর থানার মো. ইউসুফ মিয়া (২৩), রাজশাহীর গোদাগঞ্জ থানার মো. সাহেব আলী (২৩), একই এলাকার মো. মিজানুর রহমান (২৬), মো. সোহেল রানা (২৫), মো. আবু বক্কর (২৩), মো. আব্দুল করিম (৪৫), নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার মো. শামীম (৩৭), একই এলাকার মো. হাবিবুল্লাহ (৩৪), মো. নাজির আহমেদ (৪০), ময়মনসিংহের মুক্তাগাছি থানার মো. বিপ্লব মিয়া (২২)।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে ১৪ বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশ আটক করে। তাদের আদালতে তোলা হলে কারাগারে পাঠায়।
আরও পড়ুন: লিবিয়ায় ২৩ অপহৃত বাংলাদেশি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ওয়েস্ট গারো হিলস জেলার তুরা কারাগারে ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কারাভোগ শেষ হওয়ায় বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিজিবি-বিএসএফর উপস্থিতিতে তাদের বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের নিকট হস্তান্তর করে। দীর্ঘ কয়েক মাস জেল খেটে তারা আজ (বুধবার) দেশে ফেরত আসেন।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম মিয়া বলেন, ‘দুই দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং বিএসএফ ও বিজিবির মাধ্যমে নারীসহ ১৪ বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে পাঠানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।’
২৬৮ দিন আগে
বাংলাদেশি পণ্যের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করল ভারত
ভারতের স্থল শুল্ককেন্দ্রের (এলসিএস) মাধ্যমে তৃতীয় কোনো দেশে পণ্য রফতানিতে বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (সিবিআইসি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এতে নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ব্যাহত হতে পারে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভারতের স্থল শুল্ককেন্দ্রের (এলসিএস) মাধ্যমে বন্দর কিংবা বিমানবন্দরে কন্টেইনার কিংবা আবদ্ধ-ট্রাকে করে বাংলাদেশের রফতানি পণ্য তৃতীয় কোনো দেশে ট্রান্সশিপমেন্টের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।
যেসব রফতানি কার্গো এরইমধ্যে ভারতে প্রবেশ করেছে, বিদ্যমান প্রক্রিয়াগুলো অবলম্বন করে সেগুলো বেরিয়ে যেতে পারবে। তবে এখন থেকে ভারতীয় বন্দর কিংবা বিমানবন্দরে এমন কোনো বাংলাদেশি রফতানি পণ্য ঢুকতে পারবে না।
এরআগে ভুটান, নেপাল ও মিয়ানমারের মতো দেশগুলোতে বাংলাদেশি পণ্য রফতানি সহজ করতে ২০২০ সালের ২৯ জুন এক আদেশে বাংলাদেশকে এই অনুমোদন দিয়েছিল ভারত সরকার।
যদিও প্রতিযোগিতামূলক সুবিধায় এগিয়ে থাকতে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন ভারতীয় তৈরি পোশাক খাতের রফতানিকারকরা।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ শতাংশ শুল্কারোপ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত তৈরি পোশাক, পাদুকা, রত্ন ও গহনাসহ ভারতীয় রফতানিখাতকগুলোর জন্য সহায়ক হবে। ভারতীয় বস্ত্রখাতের একটি বড় প্রতিযোগী হচ্ছে বাংলাদেশ।
ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনসের (এফআইইও) মহাপরিচালক অজয় সাহাই বলেন, ‘এখন থেকে আমাদের কার্গোর জন্য বিমানে অনেক জায়গা পাওয়া যাবে। এরআগে বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রান্সশিপম্যান্ট সুবিধার কারণে কম জায়গা পাওয়ার অভিযোগ করেন আমাদের রফতানিকারকরা।’
বাংলাদেশের পণ্য নেপাল ও ভুটানে রপ্তানির সময় ভারতের ভূখণ্ড পাড়ি দিতে হয়। সেক্ষেত্রে একটি দেশের পণ্যবাহী যানবাহন প্রতিবেশী দেশের সীমান্তবর্তী বন্দরে গিয়ে মালামাল সেই দেশের যানবাহনে তুলে দিয়ে আসবে। ট্রান্সশিপমেন্ট স্থল বন্দর দিয়েও করা যায় এবং এতে অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হওয়া যায়।
২৬৮ দিন আগে
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কথাই বলেছেন: হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য (সেভেন সিস্টার্স) নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি-সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘অত্যন্ত সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কথাই প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। এর ব্যাখ্যা যদি অন্যরকম দেওয়া হয়, তাহলে আমরা তা ঠেকাতে পারছি না।’
বুধবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে দেশটির ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান ড. ইউনূস। সে সময় বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের গুরুত্ব উল্লেখ করে বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সমুদ্রের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘নেপাল ও ভুটান স্থলবেষ্টিত দেশ, যাদের কোনো সমুদ্র নেই। ভারতের সাতটি উত্তর-পূর্বঞ্চলীয় রাজ্যও স্থলবেষ্টিত। সমূদ্রের সঙ্গে তাদের কোনো সংযোগ নেই।’
‘এই অঞ্চলের জন্য সমুদ্রে আমরাই একমাত্র অভিভাবক। সুতরাং, এটি একটি বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। সুতরাং, চীনা অর্থনীতির সম্প্রসারণে এটি দারুণ সম্ভাবনাময় হতে পারে।’
আরও পড়ুন: চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন করুন, বাজারজাত করুন, চীনেও নিয়ে আসুন এবং তা সারা বিশ্বের কাছে নিয়ে যান।’
অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, ‘নেপাল ও ভুটানের সীমাহীন জলবিদ্যুৎ রয়েছে, যা এ অঞ্চলের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। কারখানা স্থাপনসহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আমরা এটিকে আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে নিয়ে আসতে পারি।’
‘বাংলাদেশ থেকে আপনি যেখানে খুশি যেতে পারেন। সমুদ্র আমাদের আঙিনায়। সুতরাং, এই সুযোগটি আপনি নিতে পারেন।’
প্রধান উপদেষ্টার এ মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি ভারত। এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা।
দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগের প্রধান পবন খেরা এক এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘ভারতকে ঘিরে ফেলার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ চীনকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের এই আচরণ (ভারতের) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য খুবই বিপজ্জনক।’
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, “বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের এই মন্তব্য খুবই আপত্তিকর এবং নিন্দনীয়। এটি ভারতের কৌশলগত ‘চিকেনস নেক’ করিডোরের দুর্বলতা নিয়ে প্রচলিত বর্ণনাকে পুনরায় উসকে দিচ্ছে।”
ভারতের এমন প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে জানতে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা সেভেন সিস্টার্স নিয়ে এই প্রথমবার কথা বলেননি। তিনি ২০১২ সালেও একই ধরনের কথা বলেছিলেন।’
‘এর চাইতে একটু এগিয়ে গিয়ে ২০২৩ সালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ একটি ভ্যালু চেইনে আবদ্ধ করা এবং তিনি এ প্রসঙ্গে একটি একক অর্থনৈতিক অঞ্চলের কথাও বলেছিলেন তিনি, যেটাকে বিগ বে ইনেশিয়েটিভ বলে গণ্য করা হয়।’
আরও পড়ুন: মোদি-ইউনূসের বৈঠক হতে পারে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে
তিনি বলেন, ‘কানেক্টিভিটি এই অঞ্চলের সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে। বিশেষ করে যাদের জন্য সমুদ্রের এক্সেস পাওয়া খুব কঠিন। কিন্তু আমরা কানেক্টিভিটি জোর করে চাপিয়ে দেব না, সেটি করার মতো অবস্থাও আমাদের নেই।’
‘কেউ যদি নেয় খুব ভালো, না নিলে কী করব আমরা? কিছু করার নেই। অত্যন্ত সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কথাই প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। এর ব্যাখ্যা যদি অন্যরকম দেওয়া হয়, আমরা সেই ব্যাখ্যা ঠেকাতে পারছি না। আমরা শুধু সবার সমান লাভের জন্য কানেক্টিভিটি দিতে আগ্রহী আছি। কেউ নিলে ভালো, না নিলে নেবেন না।’
আগামী বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার।
এ বিষয়ে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের বক্তব্য, ‘আশা করা যাচ্ছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের আশাবাদী হওয়ার কারণ আছে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত বৈঠক না হচ্ছে, এ প্রসঙ্গে আমরা আগ বাড়িয়ে কিছু বলব না।’
২৭৫ দিন আগে
ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন চাল কিনবে সরকার
দেশের খাদ্য মজুত বাড়াতে ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল (বাসমতি নয়) আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ২ কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৫৯ কোটি ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ টন সিদ্ধ চাল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেয়।
ভারতের মেসার্স ভগদিয় ব্রদার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই চাল আনা হবে। প্রতি টন চালের দাম ধরা হয়েছে ৪২৪.৭৭ ডলার। সে হিসেবে ৫০ হাজার টন চালের দাম পড়বে ২ কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ ডলার।
আরও পড়ুন: ভারত থেকে এলো আরও সাড়ে ১১ হাজার টন চাল
এর আগে, গত ১৪ মার্চ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের মেসার্স এস পাত্তাভি অ্যাগ্রো ফুডস প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। সে সময় প্রতি টন চালের দাম ধরা হয় ৪২৯.৫৫ ডলার। সে হিসেবে ৫০ হাজার টন চালের দাম ধরা হয় ২ কোটি ১৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ ডলার।
তার আগে ২০ ফেব্রুয়ারি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল আমদানির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা পর্যালোনচা করে অনুমোদন দেয়। ভারতের এমএস বগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট থেকে এই চাল আমদানি করার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ ডলার।
তারও আগে ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুর থেকে চাল আমদানি অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এর মধ্যে ভারত থেকে দুই দফায় ৫০ হাজার টন করে এক লাখ টন, পাকিস্তান ও সিঙ্গাপুর থেকে ৫০ হাজার টন করে এবং ভিয়েতনাম থেকে ১ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে চালের মোট চাহিদা ৩৯ দশমিক ৭৮ লাখ টন। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯ লাখ টন।
আরও পড়ুন: ভারত-পাকিস্তান থেকে আমদানির ৩৭২৫০ টন চাল দেশে এসেছে
২৮১ দিন আগে