জাতীয় সংসদ
অন্তর্বর্তী সরকারের ৯টি অধ্যাদেশ সংসদে পাস
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ৯টি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করতে জাতীয় সংসদে পৃথক ৯টি বিল পাস হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এ বিলগুলো পাস হয়।
বিলগুলোতে ধারাওয়ারি কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় সংসদে এ নিয়ে কোনো দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপনের পর সরাসরি কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সংসদীয় বিশেষ কমিটি ৯৮টি মূল হুবহু এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে অনুমোদনের সুপারিশ করেছিল। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল এবং ১৬টি আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল হিসেবে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। আজ সকালে পাস হওয়া ৯টি বিলের ক্ষেত্রে বিশেষ কমিটি সেগুলোকে হুবহু পাসের সুপারিশ করেছিল।
পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ বিল’ পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এরপর আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ‘ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) বিল’, ‘দেওয়ানি আদালত (সংশোধন) বিল’, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধন) বিল’ এবং ‘রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) বিল’ পৃথকভাবে পাসের প্রস্তাব করেন এবং সেগুলো পাস হয়।
এর মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত বিলটি পাসের প্রস্তাব করতে গিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটি এমন একটি বিল যার মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞায় গুমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’ যারা বলছে, সরকার গুমের আইন করতে চাচ্ছে না, তাদের তিনি এ আইনটি ভালো করে দেখার পরামর্শ দেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার গুমের বিচারে বদ্ধপরিকর, সেটার বহির্প্রকাশ এই আইনে এসেছে।’
বিলটি পাসের পর বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, আইনমন্ত্রী বিল পাসের প্রস্তাব করতে গিয়ে যা বলেছেন তা অনাহূত। এটা না বললেই ভালো হতো। নির্দিষ্ট সময় যখন আসবে, তখন এ বিষয়ে তারা কথা বলবেন।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বাইরের অনেকে গুমের বিচারে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেছেন, তাই তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করে পরবর্তী বিল পাসের প্রক্রিয়া শুরু করেন।
পাস হওয়া অন্য বিলগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মূলত নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন সংশোধনের লক্ষ্যে এসব অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তিনটি বিল সংসদে উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো— ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) বিল’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিল’ এবং ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিল’।
দ্বিতীয় বিলটি উত্থাপনের সময় সালাহউদ্দিন আহমদ মৃদু হেসে বলেন, ‘খুব দুঃখের ব্যাপার। এতক্ষণ তো যা বললাম, এখন আবার শেখ হাসিনা বলতে হচ্ছে!’
সর্বশেষ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট (সংশোধন) বিল’ পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
৭ দিন আগে
দিলারা হাফিজের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শেষ শ্রদ্ধা
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারা এ শ্রদ্ধা জানান।
আজ (সোমবার) দুপুর ১২টার দিকে মরহুমার কফিন জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে আনা হয় এবং কালো কাপড়ে ঢাকা একটি মঞ্চে রাখা হয়। রাষ্ট্রপতির পক্ষে প্রথমে তার কার্যালয়ের সচিব খান মো. নুরুল আমিন কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুমার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
পরবর্তীতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিনও শ্রদ্ধা জানান।
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা ও চিফ হুইপসহ অন্যান্য নেতারা মরহুমার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
১৬ দিন আগে
নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ব্যর্থতার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় অভিবাসী শ্রমিক পাঠাতে ব্যর্থতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, 'এবার কী সমস্যা হয়েছে তা আমরা তদন্ত করে দেখছি। দায়ী হলে অবশ্যই তাদের বিচার হবে।’
বুধবার (৫ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এর আগে বিকাল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়।
আরও পড়ুন: উন্নত বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সম্পূরক প্রশ্নে জাপার সংসদ সদস্য বলেন, মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক অনেক বাংলাদেশি শ্রমিকের ভাগ্য অনিশ্চিত। অনুমতিসহ সবকিছু প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৭ হাজার কর্মীকে ৩১ মের মধ্যে পাঠানো যায়নি।
মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মী পাঠাতে যোগসূত্র সৃষ্টির কথা তুলে ধরে মুজিবুল হক বলেন, মালয়েশিয়া ১৪টি দেশ থেকে জনশক্তি পায় এবং বাংলাদেশ ছাড়া সব দেশের ক্ষেত্রে লাইসেন্সধারী সব এজেন্সি জনশক্তি পাঠাতে পারে। শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই বেশ কয়েকটি নির্ধারিত এজেন্সি এই সুযোগ পায়।
যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চান মুজিবুল হক।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার বিশেষ ফ্লাইট চালু করেছে।
তিনি আরও বলেন, 'সব কর্মীকে বিশেষ ফ্লাইট ও অন্যান্য নিয়মিত ফ্লাইটে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বাদ পড়েছেন অনেকেই। কী কারণে (মালয়েশিয়া যেতে না পারার) তা তদন্ত করে দেখা হবে।’
আরও পড়ুন: সরকার শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যখনই আমরা আলোচনা করি এবং ঠিক করি কতজন লোক যাবে, তখন দেখা যায় আমাদের দেশে একদল লোক, যারা জনবল নিয়ে কাজ করে, তারা তাড়াহুড়ো করে লোক পাঠানোর চেষ্টা করে।’
বিদেশে কর্মী পাঠাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, কিছু লোক দালালের মাধ্যমে বিদেশে যেতে চায়। তখন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন তারা।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাহফিজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ঢাকা শহরের যানজট এবং এর ফলে বছরে প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, টাইমবাউন্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০৩০-এর আওতায় মেট্রোরেল লাইন চালু করা হলে এই অর্থ সাশ্রয় হবে এবং অর্থনীতিতে পরিপূর্ণ বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক গবেষণায় দেখা গেছে, এমআরটি লাইন-৬ এর পুরো অংশের কাজ শেষ হলে মেট্রোরেল চলাকালীন দৈনিক ভ্রমণের সময় ব্যয় বাবদ প্রায় ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং পরিচালনা ব্যয় বাবদ প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নীতি রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ফরিদুন নাহার লাইলীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের দুর্ভাগ্য যে, একটি চক্র বিশেষ করে সাম্প্রদায়িক ও যুদ্ধাপরাধী চক্র এবং বিএনপি-জামায়াত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অব্যাহতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘এর একটি বড় অংশ বিভিন্ন উন্নত দেশে বসবাস করছে। তারা মূলত ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিকৃত সংবাদ ছড়াচ্ছে।’
এসব ভুল তথ্য ও গুজব বন্ধে দেশে-বিদেশে আইনি, কারিগরি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ সাইবার জগতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় তার সরকারের একটি পৃথক 'সাইবার পুলিশ ইউনিট' গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: উপকূলীয় বনায়নে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম পথিকৃৎ: প্রধানমন্ত্রী
৬৭৮ দিন আগে
জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাব থেকে আনোয়ারুল আজিমের নাম বাদ
জাতীয় সংসদের বিবেচনায় এখনো বেঁচে আছেন ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার।
সে কারণে জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে তার নাম নেই।
এর আগে গত ২২ মে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
একই দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের জানান, কলকাতার অদূরে নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটে আনোয়ারুল আজিমকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার (৫ জুন) শোক প্রস্তাবে তিনজন সাবেক সংসদ সদস্যের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তারা হলেন- মনু মজুমদার, এম মঞ্জুর হোসেন ও অধ্যাপক হুমায়ুন কবির হিরু।
বুধবার ব্যবসাবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে (বিএসি) আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম বিষয়টি উত্থাপন করলে এ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ব্যতিক্রমী। অতীতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। এজন্য সংসদ আরও অপেক্ষা করতে চায়।
সাধারণত মৃত্যু, পদত্যাগ বা অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো আসন শূন্য হলে সংসদ সচিবালয় থেকে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে (মৃত্যুর তারিখ থেকে) আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়।
পরে গেজেটের অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হয়। ওই শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।
সম্প্রতি স্পিকারও নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একই কথা জানান।
৬৭৮ দিন আগে
৫ সদস্যের জাতীয় সংসদের প্যানেল সভাপতি মনোনীত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের জন্য পাঁচ সদস্যের চেয়ারম্যান প্যানেলের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ মে) এই মনোনয়ন দেন স্পিকার।
প্যানেলের সদস্যরা হলেন- আবদুল মান্নান, আসাদুজ্জামান নূর, শহীদুল ইসলাম শিমুল, গোলাম কিবরিয়া টিপু ও ফজিলাতুন নেসা।
অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের নাম ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: বিএনপি বাংলাদেশের জন্য আজরাইল: সংসদে শেখ হাসিনা
তারা স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে কালানুক্রমিক ক্রমানুসারে সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
আরও পড়ুন: সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসছে ২ মে
৭১২ দিন আগে
বাংলাদেশে নারী জাগরণ ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংরক্ষিত আসনের জন্য জাতীয় সংসদে প্রত্যাশী ১ হাজার ৫৫০ জনেরও বেশি নারীর প্রবেশ প্রমাণ করে বাংলাদেশে নারী জাগরণ ঘটেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা যখন দেখি মাত্র ৪৮টি সংরক্ষিত আসনের জন্য ১ হাজার ৫৫৩ জন নারী আশাবাদী, তখন আমরা এই উপসংহারে আসতে পারি যে বাংলাদেশে নারীর জাগরণ ঘটেছে।’
বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নারীদের সঙ্গে এক সভায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নারীরা এখন প্রতিটি সেক্টরে সফলভাবে কাজ করছে এবং তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান রুগ্ণ শিল্পের মালিকরা
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যেখানেই নারীদের পাঠাই, তারা সবাই সফলভাবে কাজ করে… আমাদের নারীরা তাদের যোগ্যতার পরিচয় দিচ্ছে।’
খেলাধুলাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে নারীদের সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নারীদের জন্য নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কোনো যুক্তি নেই।’
তিনি বলেন, এটা অযৌক্তিক যে নারীরা খেলাধুলা, ব্যবসা ও চাকরিতে যোগ দিতে পারবে না। কারণ একজন নারী (খাদিজা) প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিবি খাদিজা একজন ব্যবসায়ী ছিলেন এবং তিনি ইসলাম প্রচার ও প্রসারের জন্য হযরত মুহাম্মদকে (সা.) তার সমস্ত অর্থ ও সম্পদ দিয়ে সহায়তা করেছিলেন।
ইসলাম নারীকে এমনকি হিজড়া সম্প্রদায়কেও যথেষ্ট অধিকার দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নারীদেরকে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমরা খুবই সচেতন। আজ গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো নারীই পিছিয়ে নেই।’
প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আরও বেশি সংখ্যক নারী সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এগিয়ে আসবে।
জাতীয় সংসদে ৩৫০টি আসন রয়েছে, যার মধ্যে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ও বিমসটেক একসঙ্গে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী
৭৯১ দিন আগে
পরিবেশবান্ধব ইট তৈরির দিকে এগিয়ে যেতে হবে: সাবের
ইট তৈরির গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবের হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘ইটভাটা বন্ধ বা ভেঙে ফেলাই একমাত্র সমাধান নয়। ইট তৈরির বর্তমান গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতির দিকে আমাদের যেতে হবে। আমরা ব্লক ইটের দিকে তাকিয়ে আছি।’
বুধবার জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: পরিবেশসংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর হেল্পলাইন ৩৩৩-৪ এর উদ্বোধন করলেন পরিবেশমন্ত্রী
বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৩ কোটি মেট্রিক টন কৃষি মাটি ইটভাটায় ব্যবহৃত হয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, 'দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব রয়েছে, এজন্য আমরা ব্লক ইটের দিকে এগোনোর চেষ্টা করছি।’
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০০ ইটভাটা চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি বলেণ, ‘প্রতিটি ইটভাটায় বছরে গড়ে ৫০ লাখ ইট উৎপাদিত হয়, যা মোট পরিমাণ ২৫০ কোটি। বর্তমানে ব্লক ইট উৎপাদনের সক্ষমতা ৩০০ কোটি।’
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাব।
তিনি বলেন, ‘বিদ্যমান ইটভাটাগুলো আমরা পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করব। যাতে উন্নয়ন ব্যাহত না হয়, ইটের দাম যেন না বাড়ে।’
আগামী ১-২ বছরের মধ্যে ব্লক ইটের ব্যবহার দ্রুত বাড়াতে সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা চান তিনি।
আরও পড়ুন: জলাভূমি সংরক্ষণের জন্য ম্যাপ তৈরি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী
ইইউ’র বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের আরও প্রবেশাধিকার চান পরিবেশমন্ত্রী
৭৯৮ দিন আগে
দু-একদিনের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে ইসি: শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে এবং নির্বাচন কমিশন দু-একদিনের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারে।
তিনি আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেন, যেহেতু আমরা জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি, তাই তারা নির্বিঘ্নে তাদের ভোট দেবেন।
মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১৫৭টি প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ১০ হাজার ৪১টি অবকাঠামো উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
এসময় সারাদেশের ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১০১টি প্রান্ত ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিল। প্রকল্পগুলোর মোট আনুমানিক ব্যয় ৯৭ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই গতিকে ধরে রাখতে সরকারের ধারাবাহিকতা অপরিহার্য।
বিএনপির উল্লেখ না করে তিনি বিরোধী দলকে কটাক্ষ করে বলেন, তারা (বিএনপি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যোগ দিতে চায় না, কারণ ২০০৮ সালের নির্বাচনের মতো খারাপ ফলাফল হতে পারে।
২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৩৩টি আসন পেয়ে ভূমিধস জয় লাভ করে, যেখানে বিএনপি মাত্র ৩০টি আসনে জয়লাভ করে।
বিএনপির নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকেই নির্বাচনে অংশ নিতে চান না। (এটা স্বাভাবিক) যারা মাত্র ৩০টি আসন পেয়েছিল, তাদের তো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো আকাঙ্খা থাকবেই না। তারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।’
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের নির্বাচনে অগ্নিসংযোগ সহিংসতা ও ভোট বানচালের চেষ্টাকে কাটিয়ে জয়লাভ করে।
আমরা বারবার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে (ক্ষমতায়) এসেছি। আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে সরকার গঠন করেনি।
আরও পড়ুন: মুণ্ডুহীন বিএনপি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী
নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রবর্তন পর্যন্ত সব নির্বাচনী সংস্কার আওয়ামী লীগের প্রস্তাব অনুসরণ করেই করা হয়েছে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার তৃণমূল পর্যায় থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নের সূচনা করেছে যাতে মানুষ গ্রামে থেকেও নগর সুবিধা ভোগ করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষ একটু শান্তিতে ছিল, স্বস্তিতে ছিল, উন্নয়ন দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল; ঠিক সেই সময়ে এই অবরোধ আর অগ্নিসন্ত্রাস-জালাও পোড়াও। গাড়িতে আগুন বাসে আগুন দিয়ে মানুষের জীবনযাত্রা যেমন ব্যাহত করা হচ্ছে, স্কুল-কলেজের ছেলে-মেয়েরা ঠিকভাবে ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পারছে না। তাদের লেখাপড়া নষ্ট হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার দেশে সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত করেছে, যা বিএনপি শাসনামলে ছিল মাত্র ৪৫ শতাংশ।
তিনি আশা করেন, শুভবুদ্ধির জয় হবে এবং ধ্বংস ও অগ্নিসংযোগ সহিংসতার অবসান হবে।
প্রধানমন্ত্রী আবারও দেশবাসীকে তাদের নিজেদের জানমাল রক্ষার স্বার্থে অগ্নিসংযোগের সহিংসতা প্রতিরোধ করতে বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রকল্পের অধীনে ৪ হাজার ৬৪৪টি অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন বা উদ্বোধনের পাশাপাশি ৪৬টি জেলার ১৩২টি উপজেলায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ৫ হাজার ৩৯৭টি বাড়ি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও ১১টি জেলা ও ৬০টি উপজেলাকে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন’ ঘোষণা করেন।
এ পর্যন্ত মোট ৩২টি জেলা ও ৩৯৪টি উপজেলাকে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারমুক্ত’ ঘোষণা করা হয়েছে।
৪ হাজার ৬৪৪টি অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে ২০২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ১ হাজার ৮০০টি মাদরাসা ভবন, ২৯৯টি একাডেমিক ভবন এবং ৪০টি প্রশাসনিক ভবন; মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে ৯৫২টি একাডেমিক ও গবেষণা ভবন; ১২টি ছাত্র ছাত্রাবাস ভবন; ২২২টি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র; ১২৮ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন; ৪৬ জেলায় সাব-রেজিস্টার অফিস ভবন; ১১০টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র; ২৫টি মুজিব কিল্লা; ২০টি সেতু; সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২২টি কমপ্লেক্স; স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনে ৩৪টি ভবন; ৭টি ছাত্র মেস; ১৬টি ছাত্রাবাস; ২৩টি আইসিইউ; ৭৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক; ৪৬টি মেডিকেল কলেজ ভবন; ২৪টি নার্সিং কলেজ ভবন; ২৫টি জেলায় টেনিস অবকাঠামোগত উন্নয়ন; ১৩টি ক্রীড়া বিদ্যালয় ভবন; ২৬টি বিকেএসপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র; ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র; ডাবল পাইপলাইনসহ ৩৮ এসপিএম; ১০টি গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ; ২৬টি পরিশোধন ইউনিটের কিস্তি; ২৪টি খনি খনন; ১৪০ গ্যাস প্লান্ট ক্রয় ও কিস্তি; ৩৩টি পাইপলাইন নির্মাণ; শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ১৮টি অবকাঠামো; ১১ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট অবকাঠামো; ৪০টি প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ১৪টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার ভবন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া।
আরও পড়ুন: খুলনায় ২৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর
মঙ্গলবার ২০২৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
৮৮৩ দিন আগে
২৩ বছরে জাতিসংঘ মিশন থেকে সশস্ত্র বাহিনীর আয় ২৭,৯৪১ কোটি টাকা: আইনমন্ত্রী
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ২০০০-০১ অর্থবছর থেকে ২৩ অর্থবছরে বিদেশে জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে মোট ২৭ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা আয় করেছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ তথ্য জানান।
শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এ পর্যন্ত কী পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে এবং সরকার কতটা রেমিট্যান্স পেয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চান হাবিবুর রহমান।
লিপিবদ্ধ উত্তরে আনিসুল হক জানান, শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে গড় আয় হয়েছে এক হাজার ২১৪ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন: শান্তিরক্ষা মিশনে বৈষম্য ও যৌন নিপীড়নের কোনো স্থান নেই: পররাষ্ট্র সচিব
শান্তিরক্ষা মিশনে লেবাননের উদ্দেশে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ছেড়ে গেলেন নৌবাহিনীর ৭৫ সদস্য
৮৯৫ দিন আগে
বিদেশে ১১.৬৬ লাখ নারী শ্রমিক কর্মরত: মন্ত্রী
এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট ১১ লাখ ৬৬ হাজার অভিবাসী নারী শ্রমিক গেছেন।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ বুধবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতার প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিদেশে নারী শ্রমিকের চাহিদা বেশি এমন দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, মরিশাস, লেবানন এবং বাহরাইন।
আরও পড়ুন: সৌদি প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা
মন্ত্রী বলেন, ‘অভিবাসী নারী শ্রমিকরা যাতে কোনো বৈষম্যের শিকার না হন তা নিশ্চিত করতে সরকারের সতর্কতা ও উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।’
ইমরান আহমদ বলেন, সৌদি আরব, জর্ডান, ওমান ও লেবাননে অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সুরক্ষায় মোট ৬টি নিরাপদ অঞ্চল রয়েছে।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩৭ জন শ্রমিক বিদেশে কর্মরত আছেন।
তিনি আরও বলেন, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৮২৫ জনকে বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়েছে।
সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, ২০১৭ সাল থেকে গত ৬ বছরে রোহিঙ্গাদের জন্য সরকার ৯ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে।
আরও পড়ুন: প্রবাসীদের অবদান উৎসাহিত করতে ৩০ ডিসেম্বর 'এনআরবি দিবস' ঘোষণা: মোমেন
এ ছাড়া প্রাকৃতিক বন ও সামাজিক বনায়নের কারণে বনজ সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ও জীববৈচিত্র্যের সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ ২০৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনএইচসিআরের যৌথ যাচাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার ৩৩টি ক্যাম্পে ৯ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৯ জন এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে ৩০ হাজার ৭৪৮ জন বসবাস করছেন।
এছাড়া ২৬ হাজার ১৬৫ জন রোহিঙ্গা যাচাই প্রক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
তিনি বলেন, ফলে, বাংলাদেশে মোট ৯ লাখ ৯১ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় পেনশন স্কিম: প্রবাসীদের আকৃষ্ট করছে না প্রবাস স্কিম
৮৯৫ দিন আগে