সিএমএইচ
হাটহাজারীতে আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণকালে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিএমএইচে গিয়ে চিকিৎসাধীন আহত সেনা কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আহত সেনা কর্মকর্তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আহত সেনা কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সাহস ও সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
গেল বুধবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিকভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত এবং একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। পরে আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
দুর্ঘটনায় নিহত দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
১৩ দিন আগে
সিএমএইচে লাইফ সাপোর্টে মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটি
মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটি লাইফ সাপোর্টে আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সোমবার (১০ মার্চ) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল এমন তথ্য দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ‘গত ৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় শিশুটিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাইফ সাপোর্টে থাকাকালীন অবস্থায় শিশু আইসিইউ, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হয়। তখন শিশুটি সম্পূর্ণ অচেতন অবস্থায় ছিল।’
‘এই সময় তার রক্তচাপ ১২০/৭০ মি.মি. (কার্ডিয়াক সাপোর্টসহ), হৃদস্পন্দন ১১৮/মিনিট, অক্সিজেনের মাত্রা ৯৬ শতাংশ পাওয়া যায়। শিশুটির গলার সামনের দিকে গভীর ক্ষত এবং শরীরের অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘রোগীর যথাযথ অবস্থার নিরুপণ এবং সঠিক চিকিৎসা দিতে কমান্ড্যান্ট সিএমএইচ ঢাকা, চিফ সার্জন জেনারেল, উপদেষ্টা ও বিভাগীয় প্রধান শিশু বিভাগ, উপদেষ্টা ও বিভাগীয় প্রধান স্ত্রী ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগ, উপদেষ্টা ও বিভাগীয় প্রধান প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ, উপদেষ্টা ও বিভাগীয় প্রধান শিশু সার্জারি বিভাগ, সিনিয়র অবেদনবিদ্যা বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র শিশু নিউরোলজিস্টের সমন্বয়ে উচ্চ পর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।’
আরও পড়ুন: ধর্ষণের শিকার চিকিৎসাধীন শিশুটি চোখের পাতা নেড়েছে: প্রেস উইং
‘মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক উদর, বক্ষ ও মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান, উদরের ইউএসজি ও বুকের এক্স-রে এবং রক্তের প্রয়োজনীয় পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষা করে যথাযথ চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরীক্ষায় শিশুটির নিউমোথোরাক্স (আরটি), এআরডিএস ও ডিফিউজ সেরেব্রাল এডেমা ধরা পড়ে এবং একই সাথে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা হয়।
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল জানিয়েছে, প্রতিদিন স্ট্যান্ডার্ড আইসিইউ প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং তদানুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে শিশুটি লাইফ সাপোর্টে আছে।
গত ৫ মার্চ শিশুটি মাগুরায় বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়।
৫৬৩ দিন আগে
মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটিকে সিএমএইচে স্থানান্তর
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটিকে সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান এমন তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকাল ৫টায় তাকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নয় বছরের শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে পরিবার থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবার জানিয়েছে, শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার সকালে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাগুরায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে হিটু শেখ আটক
শনিবার এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪) এর ক/৩০ ধারায় ধর্ষণ ও ধর্ষণের মাধ্যমে আহত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় এরইমধ্যে গত দুদিনে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাগুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আয়ুব আলী।
আটক হওয়া আসামিরা হলেন, হিটু শেখ (৫৯), তার ছেলে সজিব শেখ (২০) ও আজিজ শেখ (২৫)। তাদের বাড়ি মাগুরা থানার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে।
৫৬৫ দিন আগে
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন মির্জা ফখরুল
সাভার সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) দুই ঘণ্টার বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর গুলশানের বাসায় ফিরেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দুপুর ২টার দিকে তিনি বাসায় ফেরেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।
জাহিদ বলেন, ‘তিনি (ফখরুল) সুস্থ আছেন, ভালো আছেন। এখন তিনি বিশ্রামে আছেন।’
আরও পড়ুন: অসুস্থ ফখরুল, নেওয়া হয়েছে সাভার সিএমএইচে
তিনি বলেন, ‘সাভার সিএমএইচে ওনার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্টগুলোর ফলাফল ভালো। সিএমএইচের চিকিৎসকরা রিপোর্ট পর্যালোচনা করে বিএনপি মহাসচিবকে বাসায় যাওয়ার ছাড়পত্র দেন।’
এদিন সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে সেখানেই বসে পড়েন ফখরুল। একপর্যায়ে মাটিতে শুয়েও পড়েন তিনি। পরে তাকে সিএমএইচে নেওয়া হয়।
৬৪৭ দিন আগে
এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হলো খুলনার মেয়রকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে আনা হয়েছে।
রবিবার বিকাল সাড়ে চারটায় শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতাল থেকে তাকে সিএমএইচ এর উদ্দেশ্যে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনা হয়।
এ সময় নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা বলেন,মেয়র ঢাকার সিএমএইচে আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন থাকবেন। তারপর তাকে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: দুদকের মামলায় খুলনায় সাবেক ওসি সস্ত্রীক কারাগারে
তিনি এ সময় আরও বলেন, খুলনা দুই আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল মেয়রের চিকিৎসার সকল দায়িত্ব নিয়েছেন।
এসময় তিনি খুলনা সিটির মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেকের সুস্থতা কামনা করে পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য গতকাল শনিবার ডায়বেটিস, ইউরিনের সমস্যা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।
আরও পড়ুন: খুলনায় ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মকর্তা নিহত
১৬০০ দিন আগে
হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার রায় আজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক শিক্ষক ও লেখক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য রয়েছে আজ বুধবার।
গত ২৭ মার্চ ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের এই দিন নির্ধারণ করেন।
২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলায় মারাত্মক আহত হন অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ। পরের দিন হুমায়ুন আজাদের ভাই মঞ্জুর কবির রাজধানীর রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। ওই হামলার পরে তিনি ২২ দিন ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে(সিএমএইচ) এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসা নেন। একই বছর জার্মানিতে চলে যান তিনি। সেখানেই ১২ আগস্ট মারা যান তিনি। এরপর এটি হত্যা মামলা হিসেবে রূপ নেয়।
আরও পড়ুন: হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার রায় ১৩ এপ্রিল
২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক কাজী আবদুল মালেক জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদশের (জেএমবি) প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, আতাউর রহমান সানি, নূর মোহাম্মদ সাবু ওরফে শামীম, মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এরপর ওই বছরের ৩০ মার্চ ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা মামলায় শায়খ আবদুর রহমান ও আতাউর রহমানের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় অভিযোগপত্র থেকে তাঁদের নাম বাদ দেয়া হয়।
সিআইডির পরিদর্শক লুৎফর রহমান মামলাটির মূল তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন। তিনিই মামলাটির তদন্তের পর ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল পাঁচ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন- জঙ্গি সংগঠন জেএমবির শুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগ্নে শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন, হাফিজ মাহমুদ ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। তাদের মধ্যে আসামি নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু পলাতক রয়েছেন। অপরদিকে ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পুলিশের প্রিজনভ্যান থেকে এ মামলার দুই আসামি সালাহউদ্দিন ওরফে সালেহীন এবং রাকিবুল হাসান ওরফে হাফিজ মাহমুদকে ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে এদের মধ্যে রাকিব ওই দিন রাতেই ধরা পড়েন এবং পুলিশের সঙ্গে ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ মারা যান।
আরও পড়ুন: ব্লগার অনন্ত বিজয় হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
১৬২৫ দিন আগে
টাঙ্গাইলের সাংসদ একাব্বর হোসেন আর নেই
টাঙ্গাইল-৭ আসনের টানা চারবারের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৭৬।
মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একাব্বর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে তার ছেলে ব্যারিস্টার তাহরিম হোসেন সিমন্ত জানিয়েছেন।
মৃত্যুতে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে ও অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা একাব্বর ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে টানা চারটি সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হন।
একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
আরও পড়ুন: চলে গেলেন আ'লীগের বর্ষিয়ান নেতা মুক্তিযোদ্ধা আফজল খান
চট্টগ্রামে কারাগারে মারা গেলেন বিএনপি নেতা
১৭৭৩ দিন আগে
২১ আগস্ট হামলায় নিহতদের লাশ গুমের চেষ্টা করেছিল খালেদা সরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার অভিযোগ করে বলেছেন, ‘তৎকালীন খালেদা জিয়া সরকার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের লাশ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করতে চায়নি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা শুধু হত্যার চেষ্টাই করেনি বরং হত্যার পর লাশের সাথে জঘন্য কার্যকলাপও করেছে।’
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়া ও তার সরকার গ্রেনেড হামলা করেছিল: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এম জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানের ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি জানি না কখন তিনি (আইভি) মারা গেছেন। খালেদা জিয়া তাকে দেখতে গিয়েছিলেন। তাঁর চলে যাওয়ার পর আইভি রহমানকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ‘
শেখ হাসিনা বলেন,‘হাসপাতালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া থাকাকালীন আইভি রহমানের তিন সন্তান-পাপন (বর্তমান বিসিবি সভাপতি), তানিয়া এবং ময়নাকে একটি কক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছিল ।’
আরও পড়ুন: কারখানার শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে দ্রুত টিকাদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শেখ হাসিনা শুরু থেকেই বলেছেন, তিনি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে তাদের সাহায্য করে আসছি।’
উল্লেখ্য বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সাবেক সভাপতি আইভি রহমান ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার সময় গুরুতর আহত হন এবং ২৪ আগস্ট মারা যান।
আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীরা দুর্নীতি করলে কঠোর শাস্তি: প্রধানমন্ত্রী
১৮৫৭ দিন আগে
করোনা আক্রান্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত সিএমএইচে ভর্তি
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে তিনি বাসায় চিকিত্সাধীন ছিলেন এবং বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবুল মাল আবদুল মুহিতের শারীরিক কোনো জটিলতা নেই। তিনি সুস্থ আছেন, তবে কিছুটা দুর্বল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে।
পড়ুন: করোনায় দেশে আরও ২৩৯ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫,২৭১
৮৭ বছর বয়সী সাবেক অর্থমন্ত্রী রবিবার কোভিড-১৯ শনাক্ত হন।
তার বড় ছেলে শাহেদ মুহিতও করোনা পজিটিভ হয়েছেন।
এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন তার ভাইয়ের দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
পড়ুন: ২৫ বছর হলেই করোনার টিকা
টিকার চেয়ে মাস্ক বেশি কার্যকর: কাদের
সিলেটসহ দেশ-বিদেশে মুহিতের সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিলের সময় সবাইকে ভিড় না করে স্বাস্থ্যবিধি মানার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
১৮৮৩ দিন আগে
সিএমএইচে ভর্তি রওশন এরশাদ
সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ (৭৭) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি আছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
রওশন এরশাদের সহকারী ব্যক্তিগত সচিব মামুন হাসান ইউএনবিকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে শরীরে পানিস্বল্পতা এবং অ্যাসিডিটি জনিত সমস্যা নিয়ে বিরোধী দলীয় নেত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন জাপা প্রধান
মামুন বলেন, ‘বর্তমানে তিনি ভাল আছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছে এখন তিনি সুস্থ আছেন।’
সিএমএইচে ভর্তির আগে রওশন এরশাদের করোনা টেস্ট করা হলে তা শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এছাড়া সিএমএইচে তার আরও নানাবিধ পরীক্ষা করা হয়।
মামুন জানান, অবস্থা বিবেচনায় রওশন এরশাদকে শনিবার অথবা রবিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হতে পারে।
১৯৭৩ দিন আগে