বেকারত্ব
বেকারত্বের চাপ: বিদেশমুখী হতে গিয়ে দালালচক্রের ফাঁদে ঝিনাইদহের যুবসমাজ
ঝিনাইদহ জেলায় বাড়ি বাড়ি ছড়িয়ে পড়েছে বেকারত্বের কালো ছায়া। উচ্চশিক্ষা শেষ করেও কাঙ্ক্ষিত চাকরি না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন অসংখ্য তরুণ। জীবিকা ও স্বপ্নের সন্ধানে তারা দলে দলে পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশে, কিন্তু বিদেশযাত্রার সেই স্বপ্ন অনেক ক্ষেত্রেই পরিণত হচ্ছে দুঃস্বপ্নে। দালালচক্রের প্রতারণায় লাখ লাখ টাকা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে পরিবারগুলো। কেউ নিখোঁজ, কেউ নির্যাতনের শিকার, আবার কেউ প্রাণ হারিয়েও ফিরতে পারছে না দেশে।
অভিযোগ রয়েছে, ঝিনাইদহজুড়ে সক্রিয় দালালচক্র ও কিছু অসাধু ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধি শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত যুবকদের টার্গেট করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের কোনো বৈধ নথি না থাকায় প্রতারিত পরিবারগুলো আইনি প্রতিকার পেতে হিমশিম খাচ্ছে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামের শাহ আলম সিদ্দিক ইমন দালালের মাধ্যমে মিসরে যান। সেখানে কিছুদিন কাজ করলেও গত তিন মাস ধরে তিনি নিখোঁজ। পরিবারের দাবি, দালালরা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারছেন না।
একইভাবে শৈলকুপা উপজেলার ক্ষুদ্র রয়েড়া গ্রামের সোহাগ মোল্লা দালালের মাধ্যমে কম্বোডিয়ায় গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন। পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতনের একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়। আর্থিক সংকটে তার মরদেহ এখনও দেশে আনা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ওই গ্রামের আরও অন্তত ছয় যুবক কম্বোডিয়ায় গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন।
মধুহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন বলেন, এলাকার অধিকাংশ পরিবার দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছে। এই সুযোগে একটি চক্র বিদেশে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদ পেতে বসেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে উচ্চ বেতনের চাকরির আশ্বাস দিয়ে মোটা অংকের টাকা নেওয়া হচ্ছে।
তার দাবি, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শতাধিক দালাল সক্রিয় রয়েছেন এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে অন্তত ৩০টি মানবপাচার চক্র কাজ করছে।
শৈলকুপার বাসিন্দা বিল্লাল মোল্লা জানান, স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে আট মাস আগে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে তার ছেলে সোহাগকে কম্বোডিয়ায় পাঠান। মাসে দেড় লাখ টাকা বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিদেশে গিয়ে ছেলে ফোনে জানাতেন, তাকে নিয়মিত নির্যাতন করা হচ্ছে। পরে জানতে পারেন, তার ছেলেকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এখনও মরদেহ দেশে আনতে পারেননি তারা।
বংকিরা গ্রামের শাহানা খাতুন বলেন, এক বছর আগে সাড়ে ৬ লাখ টাকা খরচ করে তার ছেলে ইমনকে মিসরে পাঠান। সেখানে একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতেন বলে পরিবার জানতে পারে। নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও তিন মাস ধরে তার কোনো সন্ধান নেই। দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে উল্টো আরও টাকা দাবি করা হচ্ছে, কিন্তু সন্তানের খোঁজ মিলছে না।
মানবাধিকারকর্মী বাবুল কুণ্ডু বলেন, দালাল ও অসাধু ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সারা দেশ থেকে যে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে বড় অবকাঠামো নির্মাণ করা সম্ভব। এই চক্রের ফাঁদে পড়ে গ্রামের নিরীহ পরিবারগুলো সর্বস্বান্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। সম্প্রতি কম্বোডিয়া থেকে প্রতারিত এক যুবককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা না বাড়ালে এ ধরনের অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
তিনি আরও বলেন, সহজ আয়ের আশায় ও যথাযথ তথ্যের অভাবে অনেক যুবক প্রলোভনের ফাঁদে পড়ছে। প্রতারিত পরিবারগুলো লিখিত অভিযোগ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বেকারত্বের হতাশায় যুবকের আত্মহত্যা
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় বেকারত্বজনিত হতাশায় আবুল কালাম আজাদ (১৯) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের গণকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে বেকারত্ব ও মানসিক চাপে ভুগছিলেন। কাজের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করেও সফল হতে না পারায় তিনি চরম হতাশায় ভেঙে পড়েন। মৃত্যুর আগে পরিবারের উদ্দেশে একটি আবেগঘন চিরকুট লিখে যান তিনি।
চিরকুটে তিনি লেখেন, ‘প্রিয় পরিবার। আমি অনেক ভাগ্যবান যে তোমাদের মতো পরিবার আমি পেয়েছি। কিন্তু আমার মনে হয়, আমার মতো ছেলে পেয়ে তোমরা একটুও সুখী নও। কারণ আমি বেকার। আমি সারাজীবন শুধু তোমাদের খেয়ে গেছি, কখনও তোমাদের খাওয়াতে পারি নাই। তোমরা সবাই আমাকে মাফ করে দিও। আর আমার জন্য দোয়া করো। আর আমিও দোয়া করি, আমার মতো ছেলে যেন কোনো পরিবারে না জন্মে।’
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দীক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যুবকটি আত্মহত্যা করেছেন। তার কাছ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনার পর স্থানীয়রা মনে করেন, বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের অভাব তরুণ সমাজকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কর্মসংস্থান ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার দাবি জানান তারা।
১৩ দিন আগে
নদীভাঙন ও বেকারত্বে জর্জরিত কুড়িগ্রাম, নতুন সরকারের কাছে দৃশ্যমান পরিবর্তনের প্রত্যাশা
নতুন সরকারকে ঘিরে কুড়িগ্রাম জেলার মানুষের প্রত্যাশা এবার অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে পিছিয়ে পড়া এ জনপদের মানুষ প্রতিশ্রুতি নয়, চান বাস্তব ও টেকসই পরিবর্তন।
উত্তরাঞ্চলের সীমান্তঘেঁষা এই জেলা প্রতি বছর ভয়াবহ নদীভাঙনের মুখে পড়ে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারসহ অন্তত ১৬টি নদী জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত। এসব নদীর ভাঙনে প্রতি বছর শত শত পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। বসতভিটা, আবাদি জমি, স্কুল-কলেজ ও রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী শাসনের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও তার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না। অস্থায়ী বাঁধ ও প্রকল্পে কাজ চালিয়ে গেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না বলে মনে করেন তারা। তাদের দাবি, দীর্ঘমেয়াদি নদী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার আওতায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, নিয়মিত নদী খনন ও বিজ্ঞানসম্মত নদী শাসন কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
একইসঙ্গে কর্মসংস্থানের অভাব কুড়িগ্রামের আরেক বড় সংকট। শিল্পকারখানা না থাকায় শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত যুবকদের বড় একটি অংশ কাজের সন্ধানে ঢাকা, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে পাড়ি জমাতে বাধ্য হচ্ছে। এতে পরিবার ভেঙে পড়ছে, সামাজিক সমস্যাও বাড়ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, কৃষিভিত্তিক শিল্প, হিমাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপন এবং উদ্যোক্তা সহায়তা কর্মসূচি জোরদার করা গেলে এই জেলার কর্মসংস্থানের চিত্র বদলে যেতে পারে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের বাসিন্দা আবু সাঈদ বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা কাজের অভাব। পরিবার রেখে দূরে যেতে চাই না। নতুন সরকারের কাছে একটাই দাবি, কুড়িগ্রামে কাজের ব্যবস্থা করুন।’
যাত্রাপুর ইউনিয়নের ঝুনকার চরের যুবক সাহিনুর রহমান বলেন, ‘পড়াশোনা শেষ করেও বসে আছি। এখানে যদি কারখানা থাকত, এখানেই চাকরি করা যেত। বাধ্য হয়ে ঢাকায় যেতে হয়।’
একই উপজেলার বদলী পাড়ার শাজাহান আলী বলেন, ‘নদীভাঙনে সব হারিয়েছি। প্রতি বছর নদীর সঙ্গে যুদ্ধ করে বাঁচি। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই।’
চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন সংস্থার এক নেতার মতে, জেলার প্রায় ২৩ লাখ মানুষের মধ্যে সাড়ে ১৬ লাখের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। ১৯৫০ সাল থেকে অব্যাহত নদীভাঙনে মানুষ বারবার ঠিকানা বদলাতে বাধ্য হয়েছে। দারিদ্র্য বিমোচনের নামে বহু এনজিও কাজ করলেও সাধারণ মানুষের ভাগ্যের তেমন পরিবর্তন হয়নি। বরাদ্দ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে দারিদ্র্য পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ‘অবহেলিত কুড়িগ্রামের উন্নয়নে নদীভাঙন রোধ, চরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি জরুরি। জাতীয় সংসদ উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু; সুষম বণ্টন নিশ্চিত হলেই কুড়িগ্রামের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।’
তাই এবার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নতুন সরকার যেন কাগুজে পরিকল্পনার গণ্ডি পেরিয়ে মাঠপর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়। নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে বদলে যাবে কুড়িগ্রাম জেলার চিত্র। দূর হবে হতাশা, জাগবে নতুন স্বপ্ন।
১৪ দিন আগে
বেকারত্ব কমিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য: উপদেষ্টা নাহিদ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব কমিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
রবিবার (৬ অক্টোবর) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিস কক্ষে বাংলাদেশে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুছি তোমোহিদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সংস্কার ছাড়া নির্বাচন গ্রহণ করতে পারবেন: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টার প্রশ্ন
উপদেষ্টা বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কারণ এ কর্মসংস্থানের কারণেই আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। কর্মসংস্থান তৈরিতে জাইকার যেকোনো বিনিয়োগকে আমরা স্বাগত জানাই। এছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব থাকলে তা বিবেচনা করা হবে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জাপান ও জাইকার কাছে বেশি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশে ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো নিয়ে সরকার কাজ করছে। এছাড়া বাংলাদেশ জাইকার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ কীভাবে বাড়ানো যায় সে ব্যাপারেও সরকার কাজ করছে।
ইচিগুছি তোমোহিদে বলেন, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বড় সম্ভাবনাময় দেশ। কিন্তু বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভালো চাকরির সুযোগ নেই। তাই আমরা বাংলাদেশে নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করতে চাই। পাশাপাশি ১ হাজার তথ্যপ্রযুক্তি প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দিতে চাই। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও জনপ্রশাসন সংস্কার এদুটি এজেন্ডা নিয়ে আমরা কাজ করতে আগ্রহী।
এছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তারা এই বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চান এবং বাংলাদেশ জাইকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ বলেও মন্তব্য করেন ইচিগুছি তোমোহিদে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, জাইকা বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি কমোরি তাকাশি, প্রতিনিধি কুককামী মিনামি ও জাইকা বিশেষজ্ঞ সোজি আকিহিরো।
আরও পড়ুন: গণঅভ্যুত্থানে নিহত শিশুদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে: উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ
৫১৬ দিন আগে
রাহুল গান্ধীকে আটকের পর ছেড়ে দিল দিল্লি পুলিশ
ছয় ঘণ্টার বেশি আটকে রাখার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং তার বোন প্রিয়াঙ্কাকে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ও বেকারত্ব বৃদ্ধির প্রতিবাদে দিল্লিতে শুক্রবার কংগ্রেসের বিক্ষোভ চলাকালে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং দলের অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের আটক করে পুলিশ।
দুপুর ১টার দিকে বিক্ষোভ শুরুর পর রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং দলের অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের পুলিশ জিপে করে কিংসওয়ে ক্যাম্পের পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে সব নেতাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
বিক্ষোভে রাহুল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রের মৃত্যু প্রত্যক্ষ করছি। প্রায় এক শতাব্দী আগে থেকে একটু একটু করে যে ভারতকে গড়ে তোলা হয়েছে, আপনাদের চোখের সামনে আজ তা ধ্বংস করা হচ্ছে। যেই এই স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাকেই নিষ্ঠুরভাবে আক্রমণ করা হয়, জেলে নেয়া হয়, গ্রেপ্তার করা হয় এবং মারধর করা হয়।’
আগের দিন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও বেকারত্ব বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাহুল, তার মা ও কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধী এবং দলের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা সংসদে কালো পোশাক পরে গিয়েছিলেন।
একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, কর্তৃপক্ষের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা বিক্ষোভকারীদের দমন করতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের দিল্লিতে কোনও বিক্ষোভ করার অনুমতিও দেইনি।’
সোনিয়া গান্ধী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর ছেলে রাহুল গান্ধীকে অনেকেই ভারতের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনে করেন। তার বাবা ছাড়াও তার দাদী ইন্দিরা গান্ধী এবং দাদা জওহরলাল নেহেরু সকলেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পড়ুন: দিল্লিতে বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক
১৩০৯ দিন আগে
ভারতে বেকারত্বের হার কমে ৬.৫৭ শতাংশ
ভারতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বেকারত্বের হার কিছুটা কমে ছয় দশমিক ৫৭ শতাংশে এসেছে। গত বছরের মার্চ থেকে এটিই দেশটিতে সর্বনিম্ন বেকারত্বের হার।
করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ কমতে থাকায় ভারত বিধিনিষেধ শিথিল করায় ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দেশটির বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (সিএমআইই) এর মাসিক পরিসংখ্যানে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
সিএমআইই এর তথ্যমতে, জানুয়ারি মাসে ভারতের শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার আট দশমিক ১৬ শতাংশ এবং গ্রামে এ হার পাঁচ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
আরও পড়ুন: ভারতে দেশীয়ভাবে নির্মিত সাবমেরিনের পরীক্ষামূলক সমুদ্রযাত্রা
এতে আরও বলা হয়, গত ডিসেম্বর মাসে বেকারত্বের হার ছিল সাত দশমিক ৯১ শতাংশ। শহরে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং গ্রামে সাত দশমিক ২৮ শতাংশ বেকারত্ব ছিল।
জানুয়ারি মাসে ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে সর্বনিম্ন বেকারত্বের হার শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। তারপরে যথাক্রমে গুজরাট (১ দশমিক ২ শতাংশ), মেঘালয় (১ দশমিক ৫ শতাংশ) এবং ওডিশা (১ দশমিক ৮ শতাংশ)।
এ সময়ে হরিয়ানায় সর্বোচ্চ বেকারত্বের হার ছিল ২৩ দশমিক ৪।
সিএমআইই এর মহাপরিচালক মহেশ ব্যাস তার ডিসেম্বর মাসের তথ্য বিশ্লেষণে বলেছেন, ৩৫ মিলিয়ন মানুষ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কাজের অনুসন্ধান করছিলেন। এদের মধ্যে ২৩ শতাংশ বা ৮ মিলিয়ন নারী।
আরও পড়ুন: আবারও তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেত্রী মমতা
সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখার্জী হাসপাতালে
১৪৯২ দিন আগে
বেকারত্ব ঘোচাতে দক্ষতার ব্যবধান কমিয়ে আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশের তরুণদের বেকারত্ব দূর করতে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের মাধ্যমে দক্ষতার ব্যবধান চিহ্নিতকরণ ও কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দক্ষতার ফাঁকা জায়গাগুলো শনাক্ত করতে হবে এবং বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক, উদ্ভাবনী ও দক্ষ থাকার জন্য দ্রুত উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে সাজাতে হবে।’
শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড (আইসি৪আইআর)-২০২১’ বিষয়ক দুদিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল ভাষণে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ সম্মেলনের আয়োজন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশে গ্রেজুয়েটদের মধ্যে বেকারত্বের হার অনেক বেশি, যা দক্ষতার অমিলকে নির্দেশ করে। আমাদের চাকরির বাজারে বিদেশিরা আধিপত্য বিস্তার করছে, বিশেষ করে কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে, কর্পোরেট সংস্থা এবং বহু-জাতিক কোম্পানিতে। এই প্রবণতার ফলে বাংলাদেশ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রেমিটেন্স আউটফ্লো হয়।’
সম্মেলনে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সুপারিশ আসবে
আরও পড়ুন: একাডেমিক ডিগ্রির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অর্জনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থানীয় ও বৈশ্বিক চাকরির বাজারের চাহিদা মেটাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করবে।’
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘ যদিও আমরা কৃষি, অটোমেশন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং এবং অন্যান্য অনেক খাতে ক্রমবর্ধমান উন্নতি করছি। তবে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়ে আরও বেশি জোর দিতে হবে।’
সম্মেলনের পাশাপাশি আরও দুটি ইভেন্ট হচ্ছে- ‘মুজিব ১০০ আইডিয়া কনটেস্ট’ এবং ‘মুজিব ১০০ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এক্সিবিট’।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপ-শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রমুখ।
আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বৈষম্য দূর করতে সবার সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৫৪৭ দিন আগে
মৎস্য খাতে বাংলাদেশ স্বর্ণালী অধ্যায় সৃষ্টি করছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
মৎস্য খাত বাংলাদেশে একটি স্বর্ণালী অধ্যায় সৃষ্টি করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।শনিবার রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ, ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী একথা জানান।
আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে দেশ বিদেশে রুখে দাঁড়াতে হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রীএসময় মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা হচ্ছে ভাতে-মাছে বাঙালির চিরন্তন বৈশিষ্ট্য ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশের মৎস্য খাতকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বিকশিত করছেন এ ধারাকে অব্যাহত রেখে মৎস্য সম্পদে বিশ্বে আমরা অনন্য-আসাধারণ জায়গায় পৌঁছে যাবো। এ লক্ষ্য নিয়ে মৎস্য খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে এবারের মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন হতে যাচ্ছে। ভাতে-মাছে বাঙালির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের জায়গাতে আমরা শুধু পরিপূর্ণতাই আনবো না, বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।’রেজাউল করিম জানান, ‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি’ এ প্রতিপাদ্যে ২৮ আগস্ট থেকে ০৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হবে। আগামীকাল জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এবং সংসদ লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন। রাষ্ট্রপতি ৩১ আগস্ট বঙ্গভবন পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন।
আরও পড়ুন: সারা দেশে খাঁচায় মাছ চাষকে উৎসাহিত করছি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীএ সময় তিনি বলেন, ‘করোনার কারণে বিদেশ থেকে আমাদের অনেক প্রবাসীরা বেকার হয়ে দেশে ফিরছেন। স্বল্প আয়ের চাকরি বা ব্যবসা যারা করতেন তারা বেকার হয়ে পড়েছেন। করোনায় সৃষ্ট বেকারদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে আমাদের মৎস্য খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাছ চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব লাঘব হচ্ছে, আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়ছে এবং উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে। আবার মাছ রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আমরা দেশে আনতে সক্ষম হচ্ছি। পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে আমাদের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।’মন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্য খাতে একটা আমূল পরিবর্তন এসেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে সরকার প্রধানের সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা। সরকারের গৃহিত পদক্ষেপে ইলিশের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাদ-গন্ধ ফিরে এসেছে, পরিমাণ বেড়েছে। দেশের মানুষের কাছে যে মাছগুলো দুর্লভ ছিল, সেগুলো ফিরে এসেছে। বিলুপ্তপ্রায় ৩১ প্রজাতির দেশীয় মাছকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে আমরা ফিরিয়ে এনেছি এবং সেটা আমরা সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছি।’
আরও পড়ুন: দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গবেষণা অপরিহার্য : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী‘আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাত অভাবনীয় ভূমিকা রাখছে। মৎস্য খাতে উপযুক্ত পদক্ষেপের কারণে আমাদের দেশীয় প্রজাতির মাছ, সামুদ্রিক মাছ ও অপ্রচলিত মৎস্য সম্পদের বিস্তার ঘটছে। বাজারে পর্যাপ্ত মাছ রয়েছে। ফলে মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হচ্ছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ছে, গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাতৃমৃত্যুর হার, শিশু মৃত্যুর হার কমে গেছে বলে জানান মন্ত্রী।
রেজাউল করিম বলেন, ‘২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে মাছের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৫ লাখ ৩ হাজার মেট্রিক টন। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও স্বীকৃতি। বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ ৩য়, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম, ইলিশ উৎপাদনে ১ম ও তেলাপিয়া উৎপাদনে ৪র্থ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী চাষকৃত মৎস্য উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির হার ধীরগতিসম্পন্ন হলেও বিগত এক দশকে আমাদের মৎস্য উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির ধারা ৯.১ শতাংশ, যা বিশ্বের মূল উৎপদানকারী দেশসমূহের মধ্যে ২য় অবস্থান।’
আরও পড়ুন: মৎস্য খাতকে চ্যালেঞ্জিং খাত হিসাবে নিতে চাই: প্রাণিসম্পদমন্ত্রীমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মৎস্য খাদ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান আছে কী না তা পরীক্ষার জন্য আমরা আন্তর্জাতিকমানের পরীক্ষাগার করেছি। মাছ রপ্তানির জন্য পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে, যাতে বিদেশে পাঠানো মাছের চালান দেশে ফেরত না আসে। দেশের অভ্যন্তরের বাজারেও নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। মৎস্য সম্পদের শত্রুদের বিরুদ্ধে সব জায়গায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির পথে আমরা কেউ যেন ক্ষতিকর ভূমিকায় অবতীর্ণ না হই। বিষাক্ত কোন খাবার দিয়ে মাছ আমরা বাড়াবো না। অপরিকল্পিতভাবে মাছের চাষবাদ করবো না-এসময় আহ্বান জানান মন্ত্রী।মৎস্য খাতে যারা অবদান রাখছেন, ভালো ভূমিকা রাখছেন তাদের উৎসাহিত করতে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিতে এ বছর বিভিন্ন খাতে মৎস্য পদক প্রদান করা হচ্ছে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।
১৬৫১ দিন আগে
করোনাকালে অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি অর্থনীতিবিদদের আহ্বান
কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে দেশে ক্রমবর্ধমান অবৈধ বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সরকারকে এ বিপর্যয় মোকাবিলায় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।
১৯৮১ দিন আগে
কোভিড-১৯: হঠাৎ ‘আকর্ষণ’ হারিয়েছে পছন্দের শহর ঢাকা
উন্নত জীবনযাপনের আশায় মাত্র ছয় মাস আগেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার মানুষ ঢাকায় আসলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এখন রাজধানী ছাড়ছেন অনেকেই।
২০৬৯ দিন আগে