রোগীর মৃত্যু
শেবাচিমে ভুল চিকিৎসায় দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সদের দায়িত্ব অবহেলা এবং ভুল চিকিৎসায় দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলার নাক-কান-গলা বিভাগের মহিলা ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে চাকুরি বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতাল প্রশাসন।
নিহতরা হলেন— বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার সারসী গ্রামের মৃত বাবুল হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৮) এবং পটুয়াখালীর কলাপাড়া ইউনিয়নের মহিপুর থানাধীন ডাবলুগঞ্জ ইউনিয়নের মন্নান তালুকদারের স্ত্রী শেফালি বেগম (৬০) ।
হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা ও নাক-কান গলা ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিতে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভর্তি হন হেলেনা বেগম এবং ৮ মার্চ ভর্তি হন শেফালি বেগম। এর মধ্যে হেলনা বেগম থাইরয়েডে আক্রান্ত ছিলেন এবং শেফালি বেগম মুখের ভেতর টিউমার অপসারণ করার জন্য ভর্তি হন।
নিহতদের স্বজনরা জানান, আজ (রবিবার) সকালে তাদের উভয়ের শরীরে অস্ত্রোপচারের জন্য কিছু ইনজেকশন দেন নার্সরা। এরপরই তাদের শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দেয় এবং কিছু সময় বাদে দুজনেরই মৃত্যু হয়।
হেলেনার ছেলে ইব্রাহিম বলেন, নার্স ইনজেকশন দেওয়ার পরই আমার সুস্থ মা অসুস্থ হয়ে যান এবং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। বিষয়টি আমরা হাসপাতাল প্রশাসনকে জানিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো মামলায় যাচ্ছি না। একে তো আমরা মা হারিয়েছি, তার ওপর মামলা দিয়ে আর হয়রান হতে চাই না।’
অপরদিকে, শেফালি বেগমের মেয়ে খাদিজা বেগম বলেন, আমার মা সুস্থ ছিলেন, কিন্তু সকালে নার্স এসে কয়েকটা ইনজেকশন দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি নার্সদের জানানো হলেও তারা কোনো ভ্রূক্ষেপ করেননি, সুস্থ করার জন্য কোনো উদ্যোগ নেননি। চোখের সামনে সুস্থ মা অসুস্থ হয়ে মুহূর্তেই মারা গেলেন, আর মায়ের মৃত্যুর পরে নার্সদের টনক নড়ে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এদিকে উভয়ের স্বজনরা বলছেন, হাসপাতাল পরিচালক ঘটনার পর ওয়ার্ডে যান। প্রাথমিকভাবে খতিয়ে দেখে তিনি বিষয়টি যে নার্সদের অবহেলা তা নিশ্চিতও হয়েছেন। আমরা তার কাছেই বিচারের দায়িত্ব তুলে দিয়েছি। বিচার না হলে ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা অন্য রোগীর সঙ্গে ঘটবে এবং অন্য কোনো সন্তান তার মাকে অকালে হারাবে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স হেলেন অধিকারী নিজেকে অসুস্থ দাবি করে বলেন, তিনি ইনজেকশনের কোনো ভায়েল ভাঙেননি, ভেঙেছেন মলিনা হালদার। তাই তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না, শুধু ইনজেকশন পুশ করেছেন দুজন রোগীর শরীরে। তবে মৃত ওই দুই রোগীর সঙ্গে যা ঘটেছে তা দুঃখজনক এবং তাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে বলে জানান তিনি।
মলিনা হালদার বলেন, নিয়ম মেনে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগে যেসব ইনজেকশন দেওয়ার কথা, তাই দিয়েছি। পরে রোগী দুজনের অবস্থা খারাপ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসককে মোবাইলে বিষয়টি জানান বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক যে ধরনের ইনজেকশন দিতে বলেছেন, তাই দিয়েছি। কোনো রোগী মৃত্যুবরণ করুক সেটা আমরা চাই না। গত ২৬ বছরে কোনো ভুল করিনি, এবার এমন হলো কীভাবে তা বুঝতে পারছি না।
এ বিষয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সিং তত্ত্বাবধায়ক খাদিজা বেগম বলেন, সকালে হাসপাতালে এসেই বিষয়টি শুনতে পেয়েছি। কীভাবে কী হয়েছে তা এখনও সঠিকভাবে জানতে পারিনি।
কোনো রোগীর মৃত্যু কাম্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, একই ওয়ার্ডে দুজন রোগীর মৃত্যু অবশ্যই দায়িত্বে অবহেলা। এ ঘটনায় হাসপাতাল পরিচালক যে ব্যবস্থা নেবেন তাতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে এবং সার্বিক সহযোগিতাও করব।
এই বিষয়ে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, আজ ওই দুই রোগীরই শরীরের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। এক্ষেত্রে কিছু ওষুধ রয়েছে, যেগুলো অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার আগে দিতে হয় এবং কিছু ওষুধ অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর দিতে হয়। অ্যানেসথেটিক ড্রাগ দেওয়ার পরে রোগীর এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে যা মেশিনের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়, কিন্তু ওই ওষুধ সেবিকারা অপারেশন থিয়েটারে না নিয়ে আগে ওয়ার্ডে বসে দিয়েছেন। ফলে কিছু সময় পরে রোগীরা মৃত্যুবরণ করেন। এটি অবশ্যই পেশাদারত্বে জায়গা থেকে দায়িত্ব অবহেলা এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
তিনি বলেন, দায়িত্ব অবহেলা, খামখেয়ালিপনা তো অবশ্যই আছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানিয়েছি। সেই সঙ্গে রোগীর স্বজনরা ইচ্ছে করলে মামলাও দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে স্বজনদের সহযোগিতা করা হবে। আর ঘটনাটি ভুল হোক বা যাই হোক, শক্তভাবে দেখা না হলে ভবিষ্যতে আবার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।
১৯ দিন আগে
ফরিদগঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, হাসপাতাল ভাঙচুর
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রাইভেট হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলার কেরোয়া এলাকায় অবস্থিত ফরিদগঞ্জ ডায়াবেটিক ও জেনারেল (প্রাইভেট) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত (বৃহস্পতিবার) রাতে ফরিদগঞ্জের কেরোয়া গ্রামের ইসহাক মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৬৫) অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার সকালে তিনি মারা যান। স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই কোহিনুর বেগমের মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে হাসপাতালের কিছু কর্মচারী স্বজনদের সঙ্গে স্বজনদের গায়ে হাত তোলে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে উত্তেজিত স্বজনরা ও স্থানীয় কিছু লোক মিলে হাসপাতাল ভাঙচুর করেন।
খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ, সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার সময় হাসপাতালের ভেতরে প্রায় দুই শতাধিক রোগী ও স্বজন আটকা পড়েন এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন: বরিশালে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার
মৃত রোগীর বাবা বিল্লাল হোসেনও আক্রমনকারীদেরকে নিবৃত্ত করতে ব্যর্থ হন বলে জানান।
মৃত কোহিনুর বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলেন, ‘রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে অনুমতি দেয়নি। একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও হাসপাতালের অন্যতম পরিচালক ও সিনিয়র চিকিৎসক ডা. সাদিক হাসপাতালে আসেননি। চিকিৎসকের এসব অবহেলায় আমাদের রোগী মারা গেছেন।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. হুমায়ুন কবীর ইউএনবিকে বলেন, ‘আমি কয়েকবার রোগীকে দেখেছি। আমাদের কোনো অবহেলা ছিল না। উপজেলা পর্যায়ে যতটুকু সম্ভব আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়েছি। শুক্রবার সকালে এই রোগীকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছিল কিন্তু তিনি সকালেই মারা যান।’
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব চক্রবর্তী ইউএনবিকে বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে আমাদের পুলিশ সদস্যরা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাহায্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।’
২২৩ দিন আগে
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২৪ জন হাসপাতালে
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শনিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪ জন।
রবিবার (২৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভর্তি হয়েছে ২৪ জন। নতুন আক্রান্তের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬ জন। আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৮ জন।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন হাসপাতালে
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, চলতি বছর আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৪৬৫ জন। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।
৩৪১ দিন আগে
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন হাসপাতালে
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬ জন।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভর্তি হয়েছে ৩৬ জন। নতুন আক্রান্তের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৪ জন। আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ২২ জন।
আরও পড়ুন: দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৩৩ জন আক্রান্ত
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, চলতি বছর আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৪৬৫ জন। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।
৩৪২ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় ২ রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তে কমিটি
কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনাটি ঘটে।
এদিকে ভুল চিকিৎসার মৃত্যুর বিষয়টি স্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটিও গঠন করেছেন। এছাড়া মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নার্সকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মৃত দুই রোগী হলেন- কটিয়াদী উপজেলার ধুলদিয়া এলাকার বাসিন্দা মল্লিক এবং নিকলী উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জহিরুল।
আরও পড়ুন: ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ
জানা যায়, হার্নিয়ার চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মল্লিক। অপরদিকে পেটে ব্যথাজনিত কারণে ভর্তি হয়েছিলেন জহিরুল।
আজ সকালে দুজনেরই অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অপারেশনের আগে সকালে নার্স নাদিরা বেগম ওয়ার্ডের সিটেই দুজনকে ইনজেকশন দেন। এর পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যেই তারা মারা যান।
পরে তাদের মৃত্যুর খবরে স্বজনরা হাসপাতালে বিক্ষোভ করেন এবং সংশ্লিষ্ট নার্সের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
রোগীর স্বজনরা জানান, ‘নর কিউ’ নামক অ্যানেসথেশিয়ার ইনজেকশনটি অপারেশন থিয়েটারে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটি আগেই ওয়ার্ডের সিটেই পুশ করেন নার্স। এতেই মৃত্যু হয় দুজন তরতাজা যুবকের।’
আরও পড়ুন: ‘ভুল চিকিৎসায়’ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, হাসপাতাল ও কলেজে ভাঙচুর
হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. হেলিশ রঞ্জন সরকার জানান, এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট নার্সকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. অজয় সরকারকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট নার্সের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে তিনি নিজেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবেন বলে জানান এই চিকিৎসক।
৪৪৩ দিন আগে
মুন্সিগঞ্জে রোগীর মৃত্যু, নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের মারধর
মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাজেরা খাতুন নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা এই মৃত্যুর জন্য চিকিৎসার অবহেলা এবং নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের গাফিলতিকে দায়ী করে মারধর শুরু করেন। হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
রবিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালের পঞ্চম তলায় ডেঙ্গু ওয়ার্ডে হাজেরা মারা যান। এরআগে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভর্তি হন তিনি।
আরও পড়ুন: পুলিশকে মারধরের দায়ে ব্যতিক্রমী কারাদণ্ড
হাজেরা খাতুন (৪০) মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোশারফ হোসেনের স্ত্রী।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোগীর স্বজনদের মারধরে আহত ও লাঞ্ছিত হয়েছেন হাসপাতালটির নার্স ও স্টাফরা। আহতরা হলেন- আঞ্জুম আরা, শান্তা আক্তার, রওশন আরা, ওয়ার্ড বয় ইমাম ও নিরাপত্তা প্রহরী জসিম।
সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাঁচ তলার নার্সদের ডেক্সের সামনে জটলা। রোগীর স্বজনরা ডেক্সের ওপারে থাকা বয়দের মারধর করছেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা হাসপাতালটির চিকিৎসা কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়।
তবে স্বজনদের দাবি, অবহেলার কারণেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তবে নার্সরা তা অস্বীকার করেছন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল বলেন, রোগীর স্বজনদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। হাসাপতালটির জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) ডা. মাহমুদুল হককে প্রধান করে গঠন করা এই কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
হাসপাতালটির চিকিৎসক ডা. হিমেল বলেন, ডেঙ্গু শনাক্তের পর তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার ডায়াবেটিসসহ শরীরের অন্যান্য রোগও ছিল।
এ ঘটনায় হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আওয়াতিফ ইবনে মতিন বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: গোলাপগঞ্জে ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যুর অভিযোগ
৫১৬ দিন আগে
গাজীপুরে হাসপাতালের লিফটে আটকে রোগীর মৃত্যু
গাজীপুরে হাসপাতালের লিফটে আটকা পড়ে মমতাজ বেগম নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মমতাজ বেগম গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা রানীগঞ্জ বাড়িগাও গ্রামের শারফুদ্দিনের স্ত্রী।
আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৫০, নিখোঁজ অনেক
জানা যায়, দুদিন ধরে বুকে ব্যথা অনুভব করলে রবিবার সকালে মমতাজকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের ১১ তলা থেকে চতুর্থ তলায় ডাক্তার দেখাতে লিফটে করে নামার সময় ৯ তলার মাঝামাঝি গিয়ে হঠাৎ লিফট বন্ধ হয়ে যায়। পরে হাসপাতালের লোকজন ৯৯৯ কল করলে ৪৫ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিস এসে তাদের উদ্ধার করে। কিন্তু এরমধ্যই মমতাজ বেগম মারা যান।
এ বিষয়ে গাজীপুর তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকালে মমতাজ বেগমকে বুকে ব্যথা অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরে মেডিসিন বিভাগ থেকে ৪ তলায় নেওয়ার জন্য লিফটে তোলা হয়। এ সময় লিফটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এতে দীর্ঘ সময় লিফট আটকে থাকেন। পরে লিফটম্যান ও ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে উদ্ধার করেন। লিফটে আটকা সবাই সুস্থ ছিলেন, কিন্তু উনি অসুস্থ থাকায় মারা গেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হবে।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাক্তার রুবিনা ইয়াসমিনকে প্রধান করে ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
এই তদন্ত কমিটিকে আগামী ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: অন্য গাড়ির পেছনে ধাক্কা দিয়ে ট্রাকচালক নিহত
ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪
৬৯১ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় অপারেশন থিয়েটারে রোগীর মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর
কুষ্টিয়ায় অপারেশন থিয়েটারে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসককে মারধর করেছেন রোগীর স্বজনেরা। সোমবার (১৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের আদ-দ্বীন হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ফিরোজা খাতুন (৪৫) কুষ্টিয়া শহরের জিকে পুরাতন বালুঘাট এলাকার আইয়ুব আলীর স্ত্রী।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধ: ভাতিজার হাতে চাচা খুন
অন্যদিকে নিহতের স্বজনরা অভিযুক্ত চিকিৎসক আমিরুল ইসলামকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
রোগীর স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফিরোজা খাতুন রবিবার (১৮ জুন) সকালে পিত্তথলিতে পাথর অপারেশনের জন্য আদ্ দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি হন। সোমবার (১৯ জুন) সকালে অপারেশনর সময় রক্তের চাপ বেড়ে যাওয়ায় রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে পরবর্তীতে আদ্ দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মান্নান হার্ট হাসপাতালে পাঠালে মান্নান হার্ট হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ওই রোগীর মৃত্যু হয়।
অপারেশন থিয়েটারে রোগীর মৃত্যু হওয়ার খবরে ক্ষুব্ধ স্বজনরা অভিযুক্ত ডাক্তারকে হাসপাতালের মধ্যেই মারধর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত ফিরোজা খাতুনের ছেলে অনিক আহমেদ বলেন, ‘মাকে সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আমি অপারেশনের জিনিসপত্র কিনতে বাইরে থেকে আসার পর চিকিৎসক আমিরুল ইসলাম বলেন, রোগী অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে অপারেশন করতে পারবো না। তার পরই আমার মায়ের মৃত্যু হয়।’
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার আদ-দ্বীন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার আব্দুল কাদের বলেন, ফিরোজা খাতুন নামে ওই রোগী তার পিত্তথলির পাথর অপারেশনের জন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি হন।
ম্যানেজার জানান, অপারেশনকারী আমিরুল ইসলাম একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক। ভুল চিকিৎসায় নয়, মূলত ফিরোজা খাতুন হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চিকিৎসক আমিরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে অভিযোগ না থাকায় এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগীর স্বজনরা অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের একটা সংবাদ শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে চিকিৎসককে মারধর, প্রতিবাদে কর্মবিরতি
বাগেরহাটে হাসপাতালের চিকিৎসককে মারধর, গ্রেপ্তার ২
১০১৯ দিন আগে
হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, টুঙ্গিপাড়ায় চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ এনে আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা কমলেশ বাগচীর ওপর হামলা করেছে রোগীর স্বজনেরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) চিকিৎসকেরা।
মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিএমএ গোপালগঞ্জ শাখার আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে ১০-১৫ জনকে আসামি করে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেন ডা. কমলেশ বাগচী। বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন।
আরও পড়ুন: ডিমলায় ভূয়া দলিল তৈরি করে জমি দখলকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
মানববন্ধনে চিকিৎসকেরা বলেন, টুঙ্গীপাড়াসহ সারা দেশেই বিভিন্ন সময় ডাক্তার লাঞ্ছিত হয়। তাই আমরা নিরাপদ কর্মস্থল চাই। টুঙ্গিপাড়ায় চিকিৎসকের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত বিচার না হলে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
মানববন্ধনে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, অর্থোপেডিক চিকিৎসক জুলফিকার, চিকিৎসা কর্মকর্তা তানভীর হোসেন, চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম, চিকিৎসক মনির হোসাইন, চিকিৎসক আলিফ শাহারিয়াসহ ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের সংগঠন ফারিয়ার সদস্য ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় উপজেলার গিমাডাঙ্গা গ্রামের জায়েদ মুন্সী (১৭) জ্বর, শ্বাসকষ্ট, শারীরিক দুর্বলতা ও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) কমলেশ বাগচী তাকে দ্রুত গোপালগঞ্জ সদর অথবা খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিতে বলেন। কিন্তু পরিবারের লোকজন গড়িমসি করে সময় নষ্ট করে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেননি। এমনকি রোগীর স্বজনেরা চিকিৎসকের দেয়া প্রয়োজনীয় টেস্টও করাননি।
পরে দুপুরে রোগীর অবস্থা আরও গুরুতর হলে নার্স কমলেশ বাগচীকে জানান। তখন তিনি রোগীকে দেখে মৃত ঘোষণা দিয়ে মৃত্যুসনদ দেন।
এতে রোগীর স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে চিকিৎসককে মারধর করেন। পরে হাসপাতালে কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে কক্ষে নিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে নিহত জায়েদ মুন্সীর চাচা আরিফ মুন্সী বলেন, হাসপাতালে কোন রোগী গেলে চিকিৎসক খারাপ ব্যবহার করে। একজন নার্সকে হুকুম দিয়ে তাদের দ্বায়িত্ব শেষ। তাদের এক থেকে দুই বার ডাকতে গেলে বলে এখান থেকে অন্য কোথাও নিয়ে যান। রোগীর কাছে আসতেই চায়না। এরা সব সময় তাদের ব্যক্তিগত চেম্বার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার পরিদর্শক (ওসি) আবুল মুনসুর বলেন, চিকিৎসকের ওপর হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় সোমবার রাতে থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: শিবগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রারের ঘুষ বাণিজ্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকান হত্যা: বিচারের দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধন
১১৪৪ দিন আগে
শাহরাস্তিতে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু,তদন্ত কমিটি গঠন
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে একটি প্রাইভেট হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই অভিযোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনকরা হয়েছে।
রবিবার বিকালে অভিযান চালিয়ে পৌরসভার কালীবাড়ি বাজারস্থ শাহরাস্তি মেমোরিয়াল হাসপাতাল অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসির মশক নিধন অভিযান: প্রায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, গত ০৯ মে শাহরাস্তি মেমোরিয়াল হাসপাতাল অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কচুয়া উপজেলার ভবানীপুর মিয়াজী বাড়ির জনৈক মরিয়ম আক্তার রিতু (২৪) চিকিৎসা সেবা নেন। সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের পর রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩১ মে রাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে নিহতের পরিবার জেলা সিভিল সার্জনের বরাবরে একটি অভিযোগ করলে রবিবার বিকালে সিভিল সার্জন ডা. শাহাদাত হোসেন সরেজমিনে তদন্তে যান। এরপর তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নাসির উদ্দীনকে নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন: নাটোরে ৬৬০০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ, ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
ডা.নাসির উদ্দীন জানান, ভুল চিকিৎসা ও অসাবধানতার কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সেজন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে-২০০৯ এর ৫৩ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসে তদন্ত করে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১৩৯৭ দিন আগে