সুরমা নদী
সুরমার দুই তীরে ১৭ কিলোমিটার করে বাঁধ-সড়ক নির্মাণ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
সিলেটের নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার দীর্ঘদিনের সমস্যা মোকাবিলায় সুরমা নদীর দুই তীরে প্রায় ১৭ কিলোমিটার করে বাঁধ ও সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিলেট সদর উপজেলায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের আওতায় সুরমা নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা সুরক্ষিত করতে জরুরি প্রতিরক্ষা কাজের পাশাপাশি নদীতীর সংরক্ষণ, পুনঃখনন ও সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনায় একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সুরমা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে তীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে মীরের চক এলাকায় ৩০০ মিটার, মেহন্দিবাগে ৪০০ মিটার, কানিশাইলে ৫৫০ মিটার, টোকের বাজারে ৫০০ মিটার ও মীরেরগাঁওয়ে ৫০০ মিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ রয়েছে।
এর পাশাপাশি কুশিয়ারা ও বাসিয়া নদী পুনঃখনন এবং সারি ও আরশারিক নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
উন্নয়নকাজের গুণগত মান নিশ্চিতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এ জন্য স্থানীয় মসজিদের ইমাম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বয়ে তদারকি কমিটি গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, সিলেটের বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় সুরমা নদীর দুই তীরে প্রায় ১৭ কিলোমিটার করে বাঁধ ও সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নগরবাসীর হাঁটার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, সিলেটের উন্নয়ন একটি সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়। সরকার, সিটি করপোরেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
বাণিজ্যমন্ত্রী সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেটের নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলুসহ স্থানীয় জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৮ দিন আগে
সুরমার ভাঙনে বিলীন ছাতকের স্কুল-মসজিদ, আতঙ্কে বাউসা-কেশবপুরের হাজারো মানুষ
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাউসা-কেশবপুর গ্রামে সুরমা নদীর ভয়াবহ ভাঙন যেন থামছেই না। একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি, গাছপালা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে শতবর্ষী পূর্ব বাউসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এবং বাউসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। প্রতিদিনই নতুন করে ভাঙছে নদীর পাড়, আর সেই সঙ্গে ভেঙে পড়ছে মানুষের স্বপ্ন, স্মৃতি ও ভবিষ্যৎ।
স্থানীয়দের ভাষায়, এটি শুধু নদীভাঙন নয়—এ যেন একটি জনপদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর গল্প। বর্ষা এলেই সুরমা নদী ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। প্রবল স্রোত আর তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে নদীতীরের মাটি ধসে পড়ে নদীর বুকে। বছরের পর বছর ধরে চলা এই ভাঙনে বাউসা ও কেশবপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে গেছে। অথচ স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছরই নতুন নতুন এলাকা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।
গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, যে স্থানে আজ নদীর উত্তাল ঢেউ আছড়ে পড়ছে, কয়েক বছর আগেও সেখানে ছিল সবুজ ধানের ক্ষেত, ফলের বাগান, শিশুদের খেলার মাঠ, মানুষের বসতঘর এবং গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ। এখন সেখানে শুধু অথৈ পানি আর নদীর গর্জন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, একসময় নিজেদের জমিতে চাষাবাদ করে স্বচ্ছলভাবে সংসার চালাতেন। কিন্তু নদী তাদের সব কেড়ে নিয়েছে। জমি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কেউ দিনমজুর, কেউ রিকশাচালক, আবার কেউ শহরে গিয়ে শ্রম বিক্রি করে পরিবার চালাচ্ছেন। পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
৭৪ দিন আগে
সুরমার ভাঙনের কবলে ছাতক-আন্ধারীগাঁও-সুনামগঞ্জ সড়ক
বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই সুরমা নদীতে শুরু হয়েছে ভাঙন। এর ফলে ঝুঁকিতে পড়েছে ছাতক-আন্ধারীগাঁও-সুনামগঞ্জ সড়ক। যেকোনো সময় সড়কটি ভেঙে সুরমা নদীতে বিলীন হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এর আগে, ২০২২ সালের বন্যায় সড়কটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর সংস্কার চলাকালীনই আবার ভাঙনের মুখে পড়েছে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন মাজারের পাশে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। যা গত তিন-চার দিনে ভাঙন পাকা সড়কের পাশে চলে এসেছে।
এ ছাড়াও, মাছুখালী ব্রিজের অ্যাপ্রোচের পশ্চিমাংশ ভেঙে যাওয়ায় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় সড়কটি ভেঙে সুরমায় বিলীন হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তারা জানান, ২০২২ সালের বন্যায় এই সড়কটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরে সড়কটিতে সংস্কার কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের শেষার্ধ্বে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে মেরামত কাজ চলমান থাকা অবস্থায়ই আবার দেখা দিয়েছে নদীভাঙন।
আরও পড়ুন: নদীভাঙন, দারিদ্র্য আর অবহেলার মাঝেও স্বপ্ন দেখে যারা
এদিকে, নতুন সংস্কার কাজের বিভিন্ন অংশেও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে ও ধসে যেতে শুরু করেছে। সড়কের মল্লিকপুর ও মাছুখালী অংশে নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন বলে মনে করেছেন অঞ্চলগুলোর বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে ছাতক উপজেলা প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সড়কের মল্লিকপুর ও মাছুখালী অংশের নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন তিনি। ভাঙনরোধে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।
৫০০ দিন আগে
সিলেটে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, তৃতীয় দফা বন্যার আশঙ্কা
ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও রবিবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে সিলেটে আবারও বাড়ছে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি। পানি বাড়তে থাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে সিলেট অঞ্চলে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দেওয়া তথ্যমতে, সুরমা ও কুশিয়ারা, সারি, সারি গোয়াইন, ডাউকিসহ সব নদ-নদীর পানি রবিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যার পর থেকে বাড়ছে।
পাউবোর সিলেট কার্যালয় জানায়, সোমবার (১ জুলাই) সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এসময় পানি ছিল বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপরে। কিন্তু রবিবার পর্যন্ত পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচে ছিল। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি রয়েছে বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার উপরে।
আরও পড়ুন: সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে ফের বন্যার আশঙ্কা
কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলার একাধিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উজানে বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে লোভা ও ডাউকি নদীতে ব্যাপক স্রোত বয়ে যাচ্ছে ও পানি বাড়ছে। নতুন করে সিলেটে ও চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টি হতে থাকলে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
এতে আবারও দুর্ভোগে পড়তে হবে সিলেটবাসীকে।
গোয়াইনঘাটের জাফলং মামার বাজারের ব্যবসায়ী আকবুল মিয়া জানান, ‘গতকাল জাফলংয়ের ডাউকি নদীর পানি অনেক কম ছিল। উপর থেকে প্রবল বেগে পানি আসছে দেশে। আজ সকালে অনেক পানি দেখা যাচ্ছে।’
এদিকে সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন জানান, সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৩৯.৬ মিলিমিটার। সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৬৫ মিলিমিটার। এদিকে চেরাপুঞ্জিতেও গতকাল প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। চেরাপুঞ্জিতে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৩১৩ মিলিমিটার।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিলেটের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সিলেট ও ভারতে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভারতের পাহাড়ি ঢলও আসছে। যে কারণে রবিবার সকাল থেকে বাড়তে শুরু করেছে জেলার সব নদ-নদীর পানি।
আরও পড়ুন: সিলেট-সুনামগঞ্জে আবারও বন্যার আশঙ্কা
৮৩৯ দিন আগে
সিলেটে সুরমা নদীর তীর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
সিলেট নগরীর সুরমা নদীর তীর থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে নগরীর মেন্দিবাগ এলাকার সুরমা নদীর তীর থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ফয়েজ আহমদ (২০) সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক এলাকার মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে। সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট এলাকার একটি কলোনিতে ভাড়া থাকতেন ফয়েজ। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন জানান, সকালের দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে খুনের ঘটনা বলেই মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন, সত্যতা উদঘাটনে কাজ চলছে। লাশটির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাবনায় চাচাতো ভাইয়ের ঘরে বাক্স থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে জমি কেনা-বেচার মধ্যস্থতাকারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার
১০০৫ দিন আগে
অবৈধ ড্রেজার দিয়ে রাতের আঁধারে লুট হচ্ছে সুরমার বালু
রাতের আঁধারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে সুরমা নদীর বালু তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জ শহরের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
এভাবে বালু নিয়ে যাওয়ায় দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে শহরের সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সংযোগ সেতু আব্দুজ জহুর। এছাড়া এভাবে ড্রেজার চালানোয় এবং শব্দ দূষণের কারণে হুমকিতে পড়েছে নদীর দুই তীরের জনপদ।
সুনামগঞ্জ শহরের আব্দুজ জহুর সেতু এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সেতুসংলগ্ন সুরমা নদীর কয়েকশ মিটার এলাকাজুড়ে একাধিক ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছে।
এদিকে প্রতি রাতে নদীর কয়েকটি স্থানে ড্রেজারের তাণ্ডব চললেও এসব বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন, আটক ২: নৌপুলিশ
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে সুবিধা দিয়ে সুরমা নদীর বালু এভাবে লুটে নিচ্ছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।
ড্রেজারের তাণ্ডব বন্ধ না হলে আব্দুজ জহুর সেতুসহ দুই তীরের কয়েকটি গ্রামের ঘরবাড়ি হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, কিছুদিন ধরে জলিলপুর, আব্দুজ জহুর সেতু এলাকা, অচিন্তপুর, বড়পাড়া এলাকাসহ একাধিক স্থানে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র। রাত ১টার পর থেকে শুরু হয়ে ভোর পর্যন্ত বিরামহীনভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়। পরে এসব বালু বাল্কহেড বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হয় অন্যত্র। প্রতি রাতে কয়েক লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন হয় বলে তাদের ধারণা।
সম্প্রতি এ বিষয়ে কথা হয় বালু উত্তোলনে কাজ করা এক শ্রমিকের সঙ্গে হয়।
আরও পড়ুন: কৃষি জমির স্বার্থে বালু উত্তোলন বন্ধে পদক্ষেপ নিতে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ
১০০৮ দিন আগে
সিলেটের সুরমা নদী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
সিলেটের সুরমা নদী থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কাজিরবাজারের মাছবাজারসংলগ্ন সুরমা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: যশোরে পেঁপেখেত থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
সিলেট মহানগর পুলিশের নগর বিশেষ শাখার কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ওসমানী মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, লাশটির পরিচয় শনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
১১৪৫ দিন আগে
সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
টানা চার দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পাহাড়ি ঢল নেমেছে। এছাড়া উজানের ঢল ও ভারি বর্ষণে সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে বৃষ্টি ও উজানের ঢলে হাওড় এলাকার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, ব্যাহত হচ্ছে গ্রামীণ যোগাযোগ।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে অসময়ে যমুনায় পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুল হাওলাদার বলেন, সিলেট ও সুনামগঞ্জে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে কোনও কোনও নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, তবে বৃষ্টিপাত কমে গেলে পানি দ্রুত নেমে যাবে।
এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা পাউবো। এসময়ে যাদুকাটা, চলতি খাসিয়ামারা, চেলা, মনাই, সোমেশ্বরীসহ সব পাহাড়ি নদীর পানি বেড়েছে। ফলে প্লাবিত হচ্ছে জেলার নিম্নাঞ্চল।
এদিকে সুনামগঞ্জ শহরেরে সাহেববাড়ি ঘাট, কাজির পয়েন্ট, নবীনগর, হাছননগর, নতুনপাড়ায় পানি ঢুকে পড়েছে। সাধারণ জনগণের চলাচলের সড়ক ডুবে হু-হু করে ঢলের পানি ডুকছে হাওর ও নদ-নদীতে।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মাকসুদ চৌধুরী বলেন, সুনামগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাড়ি-ঘরে পানি প্রবেশ করলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিতে হবে।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল
১২০৪ দিন আগে
নিখোঁজের ৬ ঘন্টা পর সুরমা নদী থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
সিলেটের কানাইঘাটে সুরমা নদী দিয়ে গরু পার করার সময় পানিতে ডুবে নিখোঁজ বৃদ্ধের লাশ ছয় ঘন্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে স্থানীয় নক্তিপাড়া গ্রাম সংলগ্ন সুরমা নদএত তার লাশ ভেসে ওঠে।
নিখোঁজ আব্দুর রব (৬০) দিঘীরপাড় পূর্ব ইউপির দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: সিলেটে আবাসিক হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
জানা যায়, এদিন সকাল ৯টার দিকে আব্দুর রব তার কয়েকটি গরু নিয়ে মমতাজগঞ্জ বাজার সংলগ্ন সুরমা নদী পার হওয়ার সময় পানিতে তলিয়ে যান। তার পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয়রা সুরমা নদীর আশপাশ স্থানে খোঁজাখুজি করে না পেয়ে গোলাপগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে সংবাদ দিলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থল সুরমা নদীর আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে আব্দুর রবের সন্ধান পাননি।
কানাইঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কানাইঘাট থানা পুলিশের উপস্থিতিতে আব্দুর রবের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: জাবি’র হল থেকে ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
চট্টগ্রামে নারী এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
১২৯০ দিন আগে
সিলেটের সুরমা নদীর পাড় থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সুরমা নদীর পাড় থেকে বস্তাবন্দী অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ সুরমা থানার বরইকান্দির টেকনিক্যাল রোডের মেসার্স ইমরান চায়না অটো রাইসমিলের সামনে থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান তালুকদার।
তিনি বলেন, অজ্ঞাত লাশটি পঁচে গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই’র একটি টিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার!
মতলবে ভুট্টাখেত থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
১৩৩৬ দিন আগে