এমপি
এমপির ঝটিকা সফর: সুনামগঞ্জের ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেলেনি শিক্ষকের দেখা
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল আকস্মিক পরিদর্শনে বেরিয়ে এসেছে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা। মধ্যনগর ও ধর্মপাশা উপজেলার এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার পথে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের উপস্থিতি পাননি তিনি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে বের হন। পথিমধ্যে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেন। তবে তার পরিদর্শনে উঠে আসে হতাশাজনক চিত্র।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মধ্যনগর উপজেলার আবিদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। তখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি। পরে সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে তিনি দুগনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছান। সেখানেও একই চিত্র দেখা যায়। বিদ্যালয়ের ফটক খোলা থাকলেও কোনো শিক্ষকের দেখা মেলেনি।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা যায় কায়েতকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে সংসদ সদস্য সকাল ১০টা পর্যন্ত অবস্থান করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরেও কোনো শিক্ষক কর্মস্থলে উপস্থিত হননি।
পরপর তিনটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি স্থানীয় জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষকদের এ ধরনের পলায়নপর মনোভাবকে তিনি শিক্ষার অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
অসন্তোষ প্রকাশ করে কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘সরকার যখন প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে, তখন তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষকদের এই ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। সকাল ১০টা বেজে গেলেও যদি শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে না আসেন, তবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কী হবে? এটি স্পষ্টত দায়িত্বহীনতা এবং জনস্বার্থপরিপন্থি।’
ঘটনার পরপরই তিনি সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান। তিনি এই তিন বিদ্যালয়ের অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্তসাপেক্ষে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, দুর্গম এলাকায় তদারকি কম থাকায় শিক্ষকরা প্রায়ই এমন অনিয়ম করে থাকেন।
সংসদ সদস্যের এই আকস্মিক পরিদর্শন এবং সরাসরি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়াকে তারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, এমন তদারকির ফলে শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
১২ দিন আগে
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ রবিবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ আগামীকাল রবিবার (৩ মে) অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (২ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. মনির হোসেন ইউএনবিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, রবিবার রাত ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে এর আগে ৪৯ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে গত ৩০ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। তখন ইসি জানিয়েছিল, গেজেটের কপি সংসদ সচিবালয়ে পাঠানোর পর শপথ আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একটি আসন নিয়ে জটিলতা থাকায় তা ঝুলে ছিল। আজ শনিবার সেই আসনে এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান।
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি অনুযায়ী এবার সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী বিএনপি জোট ৩৬ জন, জামায়াত জোট ১৩ জন এবং স্বতন্ত্র জোট একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়। তারা সবাই ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জামায়াত জোটের ১৩ জনের মধ্যে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। ২৩ এপ্রিল বাছাইয়ে অন্য সবার মনোনয়নপত্র গৃহীত হলেও মনিরা শারমিনেরটি বাতিল করা হয়।
পরে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের একজনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
বিএনপি জোটের ৩৬ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য হলেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য হলেন— নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু (এনসিপি), তাসমিয়া প্রধান (জাগপা) ও ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)।
সংরক্ষিত নারী আসনের একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য হলেন সুলতানা জেসমিন।
এদিকে, গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকেল ৪টার পর এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি মনোনয়নপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
এরপর আজ (শনিবার) জ্যোতির মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০টি পদই পূর্ণ হয়েছে। শপথ শেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এই আসনগুলোর প্রতিনিধিরাও আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন।
২৪ দিন আগে
সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমীর জামিন নামঞ্জুর
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমীর জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে তাকে লালমনিরহাট আমলী আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে আজ (বৃহস্পতিবার) তাকে লালমনিরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
গ্রেপ্তার সফুরা বেগম রুমী লালমনিরহাট শহরের তালুক খুটামারা এলাকার বাসিন্দা। তিনি সংরক্ষিত নারী আসন-২ (লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম)-এর সাবেক সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, নাশকতা ও হত্যাসহ ৫টি মামলার আসামি সফুরা বেগম রুমী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর আজ বিকেলে তাকে লালমনিরহাট আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
আদালতে নেওয়ার পর তার পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হয়। তবে, বিচারক তাকে লালমনিরহাট সদর থানার একটি মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। লালমনিরহাট জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় হামার বাড়ি ভাঙচুর মামলায়ও তাকে জামিন দেওয়া হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু আহাদ খন্দকার লেলিন বলেন, আদালত একটি মামলায় জামিন দিলেও অপর একটি মামলার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দিয়েছেন। আশা করছি আগামী কার্যদিবসে তিনি জামিন পাবেন।
লালমনিরহাট জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, লালমনিরহাট সদর থানায় ২০২৫ সালের ২ জানুয়ারিতে করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৪৭ দিন আগে
আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমী গ্রেপ্তার
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান।
এর আগে, গতকাল (বুধবার) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সফুরা বেগম সংরক্ষিত নারী আসন-২ (লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম)-এর সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য পদে রয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, নাশকতা ও হত্যাসহ ৫টি মামলায় অভিযুক্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের নেত্রী অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমী ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে বুধবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে লালমনিরহাট নিয়ে আসা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
৪৭ দিন আগে
এমপিদের নিয়ে বিএনপির দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলছে
দ্বিতীয় দিনের মতো বিএনপি আয়োজিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। আজকের কর্মসূচিতে ঢাকাসহ তিন বিভাগের সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল ১০টায় কর্মশালার সমাপনী দিনের সকালের অধিবেশন উদ্বোধন করেন। অধিবেশনে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।
বিকেলের সমাপনী অধিবেশনে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সংসদ সদস্যদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান এবং জ্যেষ্ঠ নেতা ওসমান ফারুকসহ আরও অনেকে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান গতকাল (শুক্রবার) এ দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। প্রথম দিনে সকালের অধিবেশনে সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নেন এবং বিকেলের অধিবেশনে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কিছু সংসদ সদস্য এতে যোগ দেন।
আসন্ন সংসদ অধিবেশনের জন্য নিজেদের সংসদ সদস্যদের প্রস্তুত করতে বিএনপি এই কর্মশালার আয়োজন করেছে। সংসদ বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ এবং অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা সংসদকে কার্যকর করতে এমপি এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করছেন।
বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, এই কর্মশালায় সংসদ সদস্যদের কীভাবে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপন করতে হয়, বিলের ওপর বিতর্কে অংশ নিতে হয়, নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকার সমস্যাগুলো সংসদে তুলে ধরতে হয়, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা করতে হয় এবং সংসদ অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয় তা শেখানো হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ সকাল ১১টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই অধিবেশন আহ্বান করেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে বিএনপির ২০৯ জন এমপির মধ্যে ১৪৬ জনই এবার প্রথমবারের মতো সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
৮০ দিন আগে
সিঙ্গাপুর গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের
ব্যক্তিগত সফরে সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের নির্বাচিত এমপি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। সফরসঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী প্রফেসর ডা. হাবিবা আক্তার চৌধুরী সুইটি।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় তাদের বহনকারী বিমানটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. তাহের। ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি সংসদ সদস্য ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
আজ (বুধবার) ব্যক্তিগত সফরে তিনি সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
তিনি চৌদ্দগ্রামবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।
৯৭ দিন আগে
ইসরায়েলে ঢুকতে দেওয়া হলো না দুই ব্রিটিশ এমপিকে
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ঘৃণা ছড়ানোর’ অভিযোগে যুক্তরাজ্যের দুই এমপিকে দেশটিতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমন এক সময় এই ঘটনা ঘটেছে, যখন ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নৃশংস গণহত্যায় মেতে উঠেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে অধিকৃত পশ্চিমতীর ভ্রমণ করার কথা ছিল তাদের। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি।
যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির ওই এমপিরা হলেন ইউয়ান ইয়াং ও আবতিসাম মোহামেদ। এ ঘটনায় তারা স্তম্ভিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বার্কশায়ারের এয়ারলি ও উডলির প্রতিনিধিত্ব করছেন ইউয়ান, আর শেফিল্ড সেন্ট্রালের এমপি আবতিসাম।
আরও পড়ুন: গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১৭
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার সহযোগীদের নিয়ে লন্ডনের লুটন বিমানবন্দর থেকে রওনা দেন তারা। তবে ইসরায়েলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি তাদের। বিমানবন্দরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইসরায়েলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোর্সে আরবেলের আদেশে তাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় তেল আবিব প্রশাসন।
ইসরায়েলের অভিবাসন মন্ত্রীর বরাতে স্কাই নিউজের খবর বলছে, তাদের ইসরায়েলবিরোধী বিদ্বেষ ছড়ানো ও নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকাণ্ড নথিভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে ইসরায়েলের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই দুই ব্রিটিশ এমপি। যুক্তরাজ্যের কয়েকটি দাতব্য সংস্থার সহায়তায় ৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে ইসরায়েল সফরে গিয়েছিলেন বলে তারা জানান।
এই সফর যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের একটি অংশ ছিল বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে। তবে এই প্রতিনিধি দলকে তেল আবিবের পক্ষ থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ইসরায়েল প্রশাসন।
ইসরায়েল প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে ডেভিড ল্যামি বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য, অকার্যকর ও গভীর উদ্বেগের বিষয়। আমরা ইসরায়েল প্রশাসনের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। যুক্তরাজ্যের এমপিদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
অবশ্য ইসরায়েলের নিজেদের সীমানা নিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডনোচ।
ইউয়ান ও আবতিসাম গত বছর প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে এমপি নির্বাচিত হন। এরপর বেশ কয়েকবার পার্লামেন্টে ইসরায়েল-হামাস দ্বন্দ্ব নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন তারা। একারণেই তাদের এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত ফেব্রুয়ারিতে আবতিসামের নেতৃত্বে ইসরায়েলের পণ্য নিষিদ্ধ করতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষের ৬১ সদস্যের স্বাক্ষরিত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। এছাড়া, গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছিলেন তিনি।
এদিকে, উত্তর গাজায় বসতি নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়ায় ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন গাভির ও বেজালেল স্মোট্রিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আহ্বান করেছিলেন ইউয়ান। এ ছাড়াও গাজায় সাংবাদিক ও চিকিৎসকদের জীবন নিয়ে ঝুঁকির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
শনিবার বিমানবন্দরের ঘটনার পর এক যৌথ বিবৃতিতে ওই দুই এমপি জানান, বেশ কয়েক মাস ধরে ইসরায়েলের কার্যকলাপ নিয়ে পার্লামেন্টে সরব ছিলেন তারা। ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিধিবিধান মেনে চলার ব্যাপারে জোর দিয়েছিলেন তারা। পার্লামেন্টে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকার তাদের রয়েছে। সেই অধিকার বলেই ইসরায়েল ও গাজা সম্পর্কে নিজেদের বক্তব্য রেখেছেন তারা।
আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬০, আহত ১৬২
পার্লামেন্টের কাজের সুবিধার্থে পশ্চিমতীরে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন বলে বিবৃতিতে জানান তারা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। পরদিন থেকেই হামাসশাসিত গাজায় ইতিহাসের বর্বোরোচিত হামলা শুরু করে ইসরায়েল। হামলার এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অর্ধলাখের বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়ার বিবৃতিতে ল্যামি বলেছেন, যুক্তরাজ্য গাজার এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করতে চায়। জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করে এই সংঘাতের শেষ চান তারা।
৪১৫ দিন আগে
কয়রায় সাবেক এমপি, ইউএনও ও পুলিশসহ ৮০ জনের নামে মামলা
বছর চারেক আগে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাদের ত্রাণ বিতরণে বাধা দিয়ে মারপিটের অভিযোগে খুলনার কয়রায় সাবেক সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৮০ জনের নামে মামলা হয়েছে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কয়রা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন জি এম রাজিবুল আলম নামের লবণচরা এলাকার এক বাসিন্দা। তিনি খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন।
আসামিরা হলেন, খুলনা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউএনও মমিনুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক নীশিত রঞ্জন মিস্ত্রী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার সরদার, তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু শেখ ও মিহির মজুমদার, কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, বাগালী ইউপির চেয়ারম্যান আ. সামাদ গাজী, আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক ও আরাফাত হোসেন, আমিনুল হক বাদল, মনি শংকর রায়, সুমাইয়া নীলা ও কাজল প্রমুখ।
আরও পড়ুন: বন্ধুকে হত্যা মামলার প্রায় ১০ বছর পর যুবককে আটকাদেশ
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১২ জুন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা কয়রায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ ও ক্ষতিগ্রস্ত ভেড়িবাঁধ পরিদর্শনে আসেন। কয়রায় ত্রাণ বিতরণ শেষে পাইকগাছাতে বিতরণের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে চাঁদআলী সেতু এলাকায় তাদের বহনকারী গাড়ির পথরোধ করে আসামিরা। এরপর বন্দুক, দেশীয় অস্ত্রসহ লাঠিসোঁটা দিয়ে মারপিট করে তাদেরকে রক্তাক্ত জখম করে।
ওই সময় পুলিশ-প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাইলে উল্টো তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাদের পাঁচটি প্রাইভেটকার ও ১৭টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলে মামলায় বলা হয়েছে।
মামলার বাদী বাপ্পী বলেন, ‘তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রতিকূল না থাকায় মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। ন্যায়বিচার পাবো বলে আশা করছি।’
বাদীর আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘মামলাটি আদালত আমলে নিয়েছে। আশা করছি ন্যায় বিচার পাবো।’
৪৬২ দিন আগে
হবিগঞ্জের সাবেক এমপি মজিদ কারাগারে
হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও আওয়ামী লীগ নেতা আইনজীবী মো. আব্দুল মজিদ খানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলীম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার রাতে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ মো. আব্দুল মজিদ খানকে গ্রেপ্তার করে। ওই দিন রাতে বানিয়াচং থানার পুলিশ ঢাকায় গিয়ে মঙ্গলবার সকালে তাকে হবিগঞ্জে নিয়ে আসা হয়।
আরও পড়ুন: সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিদ ঢাকায় গ্রেপ্তার
তিনি জানান, গত ৫ আগস্ট বানিয়াচংয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিতে ৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনি ২ নম্বর আসামি ছিলেন। এ ছাড়াও রিপন শীল হত্যা মামলায় তার নাম ৩ নম্বরে রয়েছে।
মজিদ খান ২০০৯, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে ওই আসনে এমপি নির্বাচিত হন। পরে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে তিনি হেরে যান। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
৪৬৯ দিন আগে
আওয়ামী লীগের সাবেক ৮ মন্ত্রী ও ৬ এমপির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
দুর্নীতির অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক আট মন্ত্রী ও ছয় সংসদ সদস্যের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তরা হলেন- দীপু মনি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিন, মামুনুর রশীদ কিরণ, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, কাজিম উদ্দিন, নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন ও জিয়াউর রহমান।আরও পড়ুন: সাংবাদিকসহ আরও ৯২ মার্কিন নাগরিকের ওপর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা
দুদকের পক্ষে আবেদনটি দায়ের করেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর।
জাহাঙ্গীর আবেদনে উল্লেখ করেন, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা যারা দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তাদের দেশত্যাগ ঠেকাতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
দুদক আদালতকে জানায়, তারা সবাই অবৈধ উপায়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ অর্জন করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে সেগুলোর তদন্ত চলছে।
বিচারক আদেশের একটি অনুলিপি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য বিশেষ শাখার পুলিশ সুপারের (ইমিগ্রেশন) কাছে পাঠিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা ওয়াসার সাবেক এমডি তাকসিমের বিদেশযাত্রায় ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা
৬৩৫ দিন আগে