ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
খানাখন্দে বিপর্যস্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, বাড়ছে যানজট-দুর্ঘটনার ঝুঁকি
একটি গর্ত এড়িয়ে সামনে এগোতেই আরেকটি গর্ত। কোথাও উঠে গেছে পিচের আস্তরণ, কোথাও ক্ষয়ে গেছে সড়কের বুক। আবার কোথাও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে থাকায় বোঝার উপায় নেই কোথায় সড়ক, কোথায় গভীর গর্ত। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই গতি কমিয়ে চলাচল করছে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ হাজারো যানবাহন। গর্তে পড়ে দুলছে ভারী যান, আতঙ্কে থাকছেন যাত্রী ও চালকরা। সামান্য অসতর্কতায় ঘটছে দুর্ঘটনা, আর গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।
দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও অর্থনীতির প্রাণরেখা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে আমতলী পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় সরেজমিন এমন চিত্র দেখা গেছে। তবে শুধু এই অংশেই নয়, চট্টগ্রামের সিটি গেট থেকে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড পর্যন্ত প্রায় ২৩০ কিলোমিটার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। চালক ও নিয়মিত যাত্রীরা জানান, কুমিল্লা অংশের প্রায় ১০৫ কিলোমিটারজুড়েই দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।
সরেজমিন দেখা যায়, পদুয়ার বাজার থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলা গেট পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত রয়েছে। সদর দক্ষিণ উপজেলা গেট থেকে সুয়াগাজী বাজার পর্যন্ত দুই পাশের লেনেই অসংখ্য গর্ত চোখে পড়ে। কোথাও পিচ উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় খানাখন্দ, কোথাও আবার আগের মেরামতের অংশ ভেঙে নতুন গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সুয়াগাজী বাজার থেকে লালবাগ পর্যন্তও একই অবস্থা। ভারী যানবাহন গর্তের ওপর দিয়ে চলার সময় হেলেদুলে যাচ্ছে। এতে পেছনে থাকা ছোট যানবাহনগুলোকে গতি কমিয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হচ্ছে। চৌদ্দগ্রামের মিয়ার বাজার, হাড়িসর্দার, মিরশ্বানী, কালীরবাজার ও নানকরা এলাকাতেও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও খানাখন্দ রয়েছে। কয়েকটি স্থানে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মীরা পিচ ও বিটুমিন দিয়ে গর্ত ভরাট করলেও টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গার মেরামত আবার নষ্ট হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও জোড়াতালি দেওয়া অংশ উঁচু-নিচু হয়ে নতুন করে ভোগান্তির কারণ হয়েছে।
এ ছাড়া আমজাদের বাজার, বসন্তপুর, কেওছিমুড়া থেকে ফেনী সীমান্ত পর্যন্ত এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর ও বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজারসহ আরও কয়েকটি স্থানে বৃষ্টির কারণে গর্ত তৈরি হয়েছে।
আমতলী এলাকায় যানজটে আটকে থাকা কাভার্ডভ্যানচালক জামাল উদ্দিন বলেন, দিনের বেলায় গর্ত দেখা যায় বলে কোনোভাবে এড়িয়ে চলা সম্ভব হয়। কিন্তু রাতে কিংবা বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পানিতে ডুবে থাকায় গর্তের গভীরতা বোঝা যায় না। ভারী যানবাহন নিয়ে সামান্য ভুল হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ঢাকা থেকে নিয়মিত কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রামে যাতায়াতকারী বিল্লাল হোসেন বলেন, মহাসড়কের গর্তের কারণে বাসে চলাচলের সময় প্রায়ই তীব্র ঝাঁকুনি লাগে। স্বাভাবিক গতিতে চলার সময় হঠাৎ গর্তে পড়লে পুরো বাস কেঁপে ওঠে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের নিয়ে চলাচল করতে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। বৃষ্টির সময় পানির নিচে গর্ত থাকায় ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
বাসচালক আবুল খায়ের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর একটি। কিন্তু বিভিন্ন স্থানের গর্তের কারণে বারবার গতি কমাতে হচ্ছে। এতে যাতায়াতে সময় বাড়ছে, জ্বালানি খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
আমীর হোসেন নামে আমতলী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, গর্ত মেরামত করা হয়, কিন্তু কিছুদিন পর আবার একই জায়গায় সমস্যা দেখা দেয়। বৃষ্টির সময় পানি জমে থাকায় রাস্তার নিচের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিয়মিতভাবে সড়কটি পর্যবেক্ষণ করে স্থায়ীভাবে মেরামত করা দরকার।
কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গর্ত তৈরি হয়েছে। ভারী যানবাহনের চাপ থাকায় বর্ষাকালে এসব গর্ত দ্রুত বড় হচ্ছে। নিয়মিত পরিদর্শনের পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে গর্ত ভরাটের কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির মধ্যে পিচ বা বিটুমিন দিয়ে স্থায়ী সংস্কার সম্ভব নয়, কারণ তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
আবহাওয়া অনুকূলে এলে পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা অংশের প্রায় ১০৫ কিলোমিটার মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হবে।
২ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যানজটমুক্ত, স্বস্তিতে চালক ও যাত্রীরা
ঈদের বাকি আর মাত্র একদিন। আজও নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন দূরপাল্লার মানুষ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রী, বাস ও ব্যাক্তিগত যানবাহনে চাপ রয়েছে। তবে তা গেল কয়েকদিনের থেকেও কিছুটা কম। মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দির মেঘনা-গোমতী সেতুর টোলপ্লাজা থেকে চৌদ্দগ্রামের পদুয়া পর্যন্ত ১০৫ কিলোমিটার অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
মহাসড়কের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের সদস্য এবং রোভার স্কাউটস সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।
বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি যানবাহন চলাচল করছে। আজও (বুধবার) রাজধানী থেকে পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেকে।
আজ বেলা ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখার আগে সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দির মেঘনা-গোমতী সেতুর টোলপ্লাজা থেকে চৌদ্দগ্রামের পদুয়া পর্যন্ত ১০৫ কিলোমিটার অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এদিকে মহাসড়কের গৌরীপুর, মাধাইয়া, চান্দিনা, ক্যান্টনমেন্ট, আলেখারচর, পদুয়ারবাজার, মিয়ানমার, চৌদ্দগ্রাম, পদুয়াসহ বিভিন্ন বাজার ও স্টেশনগুলোতেও যানবাহনগুলো চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট পলাশ আহমেদ জানান, আজ সকাল থেকে মহাসড়কের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
৭১ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক, স্বস্তিতে যাত্রীরা
এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রী ও চালকরা স্বস্তি অনুভব করছেন। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও আজও কোথাও যানজট নেই এবং যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে।
দেশের ‘লাইফলাইন’ খ্যাত এই মহাসড়ক দিয়ে কয়েকদিনে হাজার হাজার যানবাহনে লাখ লাখ মানুষ বাড়ি ফিরেছেন। যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও রোভার স্কাউটস সদস্যরা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশে যানজট না থাকলেও যানবাহনের চাপের কারণে ধীরগতিতে চলছে গাড়ি।
এ সময় মহাসড়কের দাউদকান্দি, গৌরীপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ক্যান্টনমেন্ট, আলেখারচর, পদুয়ার বাজার, মিয়ানমার ও চৌদ্দগ্রামের স্টেশনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করতে দেখা গেছে।
১৩৯ দিন আগে
ঈদযাত্রা: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ৪ বড় চ্যালেঞ্জ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য বাড়তে পারে ভোগান্তি। প্রায় ১০৫ কিলোমিটারজুড়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত ও সড়ক দখল, এলোমেলো পার্কিং, মহাসড়কের ওপর বাজার বসা এবং সড়ক সংস্কার কাজ—এই চারটি বিষয়কে সম্ভাব্য যানজটের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন যাত্রী ও পরিবহন-সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর এলাকায় দুই লেনের মহাসড়কের ওপরই গাড়ি পার্কিং করা হচ্ছে। একই চিত্র দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া, কুটুম্বপুর ও চান্দিনা সদর, বুড়িচংয়ের নিমসার, সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার ও সুয়াগাজী, এবং চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে।
পদুয়ার বাজার, মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে ফুটপাত দখলের প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। আবার নিমসার, মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদরে মহাসড়কের ওপরই বাজার বসে। অন্যদিকে, কুমিল্লা সদর উপজেলার আমতলী ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সংস্কার কাজ চলছে। ফলে ওই অংশে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।
পদুয়ার বাজার এলাকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মহাসড়কের ওপর দিয়ে কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়ক অতিক্রম করেছে। এই পথ দিয়ে লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের পরিবহনও চলাচল করে।
স্থানীয়রা জানান, পদুয়ার বাজার এলাকায় চট্টগ্রামগামী লেনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে এলোপাতাড়ি বাস পার্কিং করে রাখা হয়। এর প্রভাব পড়ে সামনের ইউটার্নে, ফলে দ্রুত যানজট তৈরি হয়। ফুটপাত ও সড়কের পাশে ভ্রাম্যমাণ হকার বসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
নোয়াখালী সড়কের মুখে ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলা হয়, এতে ওই এলাকায় প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। এছাড়া মোড়ের একটি মসজিদের সামনে বাসের কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। অধিকাংশ সময় বাস সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
যাত্রী মেঘদাত হোসেন, ফখরুল ইসলাম ও আলাউদ্দিন বলেন, ফুটপাত দখল, এলোপাতাড়ি পার্কিং ও মহাসড়কের ওপর বাজার বসার কারণে প্রায়ই যানজট হয়। প্রশাসনের নজরদারি না বাড়ালে ঈদে ঘরমুখো মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম মজুমদার বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি বাসের জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের জায়গা তৈরি করা জরুরি। বিশেষ করে মোড়ের ওপর বাস না দাঁড় করিয়ে সামনে বা পেছনে থামানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, মহাসড়কের এসব সমস্যা আমাদের জানা আছে। কয়েকদিন আগেও আমরা ফুটপাতের দখল উচ্ছেদ করেছি। এ বিষয়ে পরিবহন মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথাও বলা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সবার সহযোগিতায় পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৪৭ দিন আগে
ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে নেই যানজট
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। এতে সড়কে ভয়াবহ যানজটের আশঙ্কা করা হলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ফেনী জেলার মোহাম্মদ আলী পর্যন্ত ১০৫ কিলোমিটার অংশে নেই কোনো যানজট। ফলে ঘরমুখো মানুষজন স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে মহাসড়কে দেখা যায় এই চিত্র।
এবারও ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীর চাপে মহাসড়কে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। গতকাল (বুধবার) সকাল থেকেই যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করে, যা আজও অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার যানজট হতে পারে যেসব এলাকায়
তবে যানবাহনের চাপ বাড়লেও মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে কোথাও কোনো যানজট নেই। এ সময়ে যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাও। এছাড়া রয়েছে পণ্যবাহী ও পশুবাহী ট্রাক।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি এবার কাজ করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও। এছাড়াও, জেলা প্রশাসন ও রোভার স্কাউটস সদস্যরাও কাজ করে যাচ্ছেন।
এর ফলে মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ক্যান্টনমেন্ট, পদুয়ার বাজার, মিয়াবাজার, চৌদ্দগ্রামসহ অন্যান্য স্থানগুলোতে নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল করছে।
৪২৭ দিন আগে
কুমিল্লায় বাসচাপায় ২ শিশুসহ নিহত ৪
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দির রায়পুরে বাসের চাপায় ২ শিশুসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার রায়পুরে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে বাসচাপায় মামা-ভাগ্নে নিহত
স্থানীয়রা জানান, মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকাগামী একটি বাস তাদের ৪ জনকে চাপা দেয়। এ সময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে চিকিৎসক দুই নারী ও এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর এক শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার বলেন, নিহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। বাসটিকে এখনও আটক করা যায়নি। চালককে আটক করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় যুবকের মৃত্যু
৮৩৫ দিন আগে
চট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়া ও সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নের মাদামবিবির হাট এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মো. মহিউদ্দিন ও আলেয়া বেগম।
আরও পড়ুন: নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের মাদামবিবির হাট এলাকায় মহাসড়ক পার হওয়ার সময় চট্টগ্রামমুখী একটি দ্রুতগতির ট্রলি মহিউদ্দিনকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করি। গাড়িটি চালকসহ আটক করা হয়। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়া এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় আলেয়া বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।
আরও পড়ুন: মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত
গোবিন্দগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
৮৬২ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে তিন বাহনের সংঘর্ষ, নিহত ১
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে দুটি ট্রাক ও একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১০ জন। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার কমলদহ এলাকার এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম দুলাল বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আসা মালবাহী একটি ট্রাক ভোর ৪টার দিকে মহাসড়কের কমলদহ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকামুখী সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় জমি নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষের ৫ দিন পর আহত নারীর মৃত্যু
ওই ট্রাকটি সামনে থাকা যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
তিনি আরও জানান, এতে ট্রাকের সামনের অংশ ও মাইক্রোবাসের পেছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ট্রাকচালকের সহকারী নিহত হন এবং মাইক্রোবাসের চালকসহ বাসের অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
তবে নিহতের নাম পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (আইসি) পরিদর্শক আবদুল হাকিম আজাদ।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকা ইঞ্জিনের সংঘর্ষে আহত ৩
কক্সবাজারে কাভার্ডভ্যান ও বাসের সংঘর্ষে নিহত ২
৯০৯ দিন আগে
ফেনীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ২
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীতে যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. সাহাব উদ্দিন নামে এক পিকআপচালক নিহত হয়েছেন। রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কের ফাজিলপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে শনিবার রাতে ফেনী-সোনাগাজী আঞ্চলিক সড়কের সদর উপজেলার কলঘর এলাকায় দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নুরুল আমিন নামের এক পথচারী নিহত হন।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৪
মো. সাহাব উদ্দিন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরমোহন এলাকার মো. বাবুল মিয়ার ছেলে। অরেকজন ধলিয়া ইউনিয়নের উত্তর ধলিয়া গ্রামের কলঘর এলাকার হাসান আলী ভূঞা বাড়ির বাসিন্দা নুরুল আমিন।
ফাজিলপুর (মুহুরিগঞ্জ) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদ খান চৌধুরী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফাজিলপুর অংশের ঢাকামুখী লেনে সংস্কারকাজ চলছে। সে কারণে চট্টগ্রামমুখী লেনে দুই দিক থেকে যানবাহন চলাচল করছিল। দুপুরে ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাস ও চট্টগ্রামমুখী একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মারাত্মক আহত অবস্থায় পিকআপের চালক সাহাব উদ্দিনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাহাব উদ্দিনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও পিকআপ পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
আরও পড়ুন: টঙ্গীতে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত
এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় ফেনী-সোনাগাজী সড়কের অপর পাশের দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নের উত্তর ধলিয়া গ্রামের কলঘর এলাকার হাসান আলী ভূঞা বাড়ির বাসিন্দা নুরুল আমিন।
রাত ৯টার দিকে সড়ক পারাপারের সময় ফেনী থেকে সোনাগাজীমুখী একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ফেনী সদর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, নুরুল আমিনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পোশাককর্মীর মৃত্যু
৯১৩ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে বাসের ধাক্কায় ত্রিপুরা সর্দার নিহত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে বাসের ধাক্কায় শংকর ত্রিপুরা (৬৫) নামে এক ত্রিপুরা সর্দার নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) বিকাল পৌনে চারটার সময় উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সুলতানা মন্দির এলাকায় মহাসড়কে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শংকর ত্রিপুরা ওই এলাকার পাহাড়ি ত্রিপুরা পাড়ার মৃত মনকরাই ত্রিপুরার ছেলে।
আরও পড়ুন: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারের চালক নিহত
জানা যায়, নিহত শংকর ত্রিপুরা প্রতিদিনের মতো সুলতানা মন্দির এলাকায় একটি মন্দিরে গীতা পাঠ করতে যাওয়ার সময় জিপিএইচ ইস্পাত কারখানার সামনে ঢাকামুখী একটি স্টার লাইন বাস তাকে ধাক্কা দিলে গুরুতর আহত হন।
এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সালাউদ্দিন তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ত্রিপুরা সর্দার শংকর মারা যাওয়ার খবরে পাহাড় থেকে শতাধিক ত্রিপুরা অধিবাসী মহাসড়কে এসে স্টার লাইনের সব বাস আটকে বিক্ষোভ করে।
আরও পড়ুন: ডেমরায় লেগুনায় বাসের ধাক্কা, নিহত ৩
খবর পেয়ে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে গাড়ির মালিক পক্ষের সঙ্গে সমোঝোতার আশ্বাস দিলে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সড়ক থেকে সরে যান।
ওসি খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, স্টার লাইনের একটি বাসের ধাক্কায় এক ত্রিপুরা ব্যক্তি নিহত হয়। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: জৈন্তাপুরে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত
৯৩৯ দিন আগে