সদরঘাট
সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবি: সবাইকে জীবিত উদ্ধার
রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর মিলব্যারাক পুলিশ লাইন এলাকায় এমভি সুন্দরবন-১২ যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ডুবে গেলেও শেষ পর্যন্ত ট্রলারে থাকা ১০ যাত্রীকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা।
তিনি বলেন, গাজীপুরের টঙ্গী থেকে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীপথ হয়ে ১০ জন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের মিলব্যারাক পুলিশ লাইন ঘাটের কাছে পৌঁছালে ইঞ্জিনের পাখায় ময়লা আটকে ট্রলারটি মাঝনদীতে বিকল হয়ে যায়। তখন মাঝি ইঞ্জিনের পাখা পরিষ্কারের কাজ করছিলেন।
এ সময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী এমভি সুন্দরবন-১২ লঞ্চটি ট্রলারর ওপর উঠে গেলে মুহূর্তেই সেটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর ট্রলারে থাকা আটজন তাৎক্ষণিকভাবে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও দুইজন নিখোঁজ হন।
পরে সদরঘাট ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ দুই যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ট্রলারে থাকা ১০ জন যাত্রীই উদ্ধার হয়েছেন এবং সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি সোহাগ রানা।
৬ দিন আগে
সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবি, দুইজন নিখোঁজ
রাজধানীর সদরঘাটের শ্যামবাজার ঘাট এলাকায় একটি লঞ্চের ধাক্কায় কুমিল্লাগামী একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের ওয়্যারহাউস পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে যায়। নিখোঁজ দুইজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
৬ দিন আগে
ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
আগামীকাল দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নৌপথে ঈদযাত্রার শেষ সময়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করতে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি বিভিন্ন লঞ্চে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং লঞ্চের ভেতরে যাত্রী পরিবহনের সার্বিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই প্রতিরোধে তিনি উপস্থিত থেকে কয়েকটি লঞ্চকে নির্ধারিত সক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী নিয়ে টার্মিনাল ত্যাগের নির্দেশ দেন।
এ সময় ঘাট ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমজীবী মানুষের দায়িত্বনিষ্ঠ কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী। সেই সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী সময়ে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
উপস্থিত সাংবাদিকদের নৌপথে যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত তথ্য প্রচার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।
এ ছাড়াও তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ ঘাট পরিচালনায় নিয়োজিত সকল সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশ দেন, যাতে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
১২৭ দিন আগে
সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার: ডিএমপি
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে আটক সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (মিডিয়া) ফারুক হোসেন সাঈদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পালানোর চেষ্টাকালে ঢাকার নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা মামলায় আনিসুল ও সালমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অতিরিক্ত ডিআইজি
৭১১ দিন আগে
সদরঘাটে দুর্ঘটনা: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)'র পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ) মো. রফিকুল ইসলাম কমিটির আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
সদস্যের তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন- নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন।
এদিকে তদন্ত কমিটিতে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যানের নিকট প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে ।
৮৩৫ দিন আগে
সদরঘাট টার্মিনালে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত ৫
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার ঢাকার সদরঘাট টার্মিনালে লঞ্চের রশি ছিঁড়ে পড়ে শিশুসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিএ'র যুগ্ম পরিচালক ও সদরঘাট নদীবন্দরের ইনচার্জ আলমগীর কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
নদীবন্দরের ইনচার্জ আলমগীর কবির জানান, দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে ১১ নম্বর পন্টুনের সামনে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, ‘এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি পূবালী-১ নামে দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে পন্টুনের সঙ্গে বেঁধে রাখা ছিল। ফারহান-৪ নামের আরেকটি লঞ্চ দুটি লঞ্চের মাঝখানে ঢোকার চেষ্টা করলে এমভি তাশরিফ-৪ এর রশি ছিঁড়ে যায়।’
আলমগীর কবির জানান, ঘটনাস্থলেই চারজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক শিশু মারা যায়।
৮৩৫ দিন আগে
সদরঘাটে লঞ্চের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের লালকুঠি ঘাট এলাকায় শুক্রবার সকালে একটি লঞ্চে আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
ময়ূর-৭ লঞ্চে কোনো যাত্রী ছিল না, কারণ আগুন লাগার আগেই সবাই লঞ্চ ছেড়ে গিয়েছিল।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের গুদাম পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরও পড়ুন: ঢাকার ওয়ারীতে গ্যাস লাইন লিকেজের আগুনে দদ্ধ একজনের মৃত্যু
১১২১ দিন আগে
ঈদে নৌপথের ২৭ লাখ যাত্রীর চাপ পড়বে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে: জাতীয় কমিটি
পদ্মা সেতুর কারণে লঞ্চে করে বৃহত্তর বরিশালগামী যাত্রীর সংখ্যা কমে গেলেও, আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের অস্বাভাবিক চাপের মুখে পড়বে ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল।
এছাড়া ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ নৌপথে উপকূলীয় বিভিন্ন জেলায় যাবেন।
নৌ পরিবহন, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির একটি প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিদিন তিন লাখ লোক হিসেবে ৯ দিনে গড়ে কমপক্ষে ২৭ লাখ লোক সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল দিয়ে বাড়ি যাবে।
আরও পড়ুন: লঞ্চ টার্মিনালে প্রবেশ ফি আরোপের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
মঙ্গলবার সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশিস কুমার দে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেন।
এদিকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামাল দিতে এবং ঝামেলামুক্ত ও নিরাপদ ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটি সরকারকে বিকল্প উপায়ে জাহাজের সংখ্যা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি বছর ঈদুল ফিতরে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে যায় প্রায় দেড় কোটি মানুষ।
এর মধ্যে ৩৭ দশমিক ৫০ লাখ (২৫ শতাংশ) নৌপথে যাতায়াত করে।
এতে বলা হয়, এর প্রায় শতভাগই উপকূলীয় জেলা বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের যাত্রী।
এদিকে নাগরিক সংগঠনটি জানায়, গত জুনে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর চাঁদপুর বাদে উপকূলীয় জেলাগুলোর নৌপথে যাত্রীর হার প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে।
ফলে এই ঈদে লঞ্চে ৩০ লাখ মানুষ (মোট যাত্রীর ২০ শতাংশ) যাবেন এবং তাদের মধ্যে অন্তত ২৭ লাখ ঢাকা নদীবন্দর দিয়ে যাবেন।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে নির্মাণ হবে আধুনিক লঞ্চ টার্মিনাল
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে গৃহমুখী মানুষের ভিড় শুরু হবে। বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলের নৌপথের সকল যাত্রী ১৩ থেকে ২১ এপ্রিল (ঈদের আগের দিন) ৯ দিনের মধ্যে বাড়ি ফিরবেন।
এর ফলে প্রতিদিন সদরঘাট টার্মিনাল দিয়ে তিন লাখ মানুষ যাতায়াত করবে এবং বাকি যাত্রীরা নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করবে।
নাব্যতা সংকটের কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে সরকারিভাবে ৪১টি নৌপথ ছিল। তবে নাব্যতা সংকট ও যাত্রী সংকটের কারণে অন্তত ১৫টি নৌপথ ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত হয়েছে।
জাহাজের স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে জাতীয় কমিটি বলেছে, বাকি ২৬টি নৌপথে নিয়মিত সর্বোচ্চ ৭০টি লঞ্চ চলাচল করে। ঈদের আগে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৮০-এর কাছাকাছি।
এর মধ্যে সদরঘাট থেকে ৯০টি নৌযান বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং ৯০টি বিভিন্ন স্থান থেকে আসবে।
নাগরিক সংগঠনটি আরও জানায়, প্রতিদিন ৯০টি লঞ্চে তিন লাখ যাত্রী পরিবহন করলে একটি লঞ্চ গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ যাত্রী বহন করবে।
কিন্তু লঞ্চগুলোর কোনোটিরই ধারণক্ষমতা দুই হাজারের বেশি নেই।
আরও পড়ুন: লালকুঠি-রূপলাল হাউজ পর্যন্ত লঞ্চ টার্মিনাল সরানোর আহ্বান তাপসের
এমনকি অনেক লঞ্চের যাত্রী ধারণক্ষমতা এক হাজারেরও কম। এ ছাড়া ঈদের আগের তিন দিনে ভিড় বাড়বে দেড় গুণ।
এছাড়া প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অনেক লঞ্চ চাপ সামলানোর ক্ষমতার বাইরে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ যাত্রী বহন করে। এর ফলে ছাদে ও ডেকে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হয়।
সংগঠনটি নৌপথে দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগের ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছে।
এছাড়া নৌপথ ও টার্মিনালগুলোতে সর্বোচ্চ নজরদারি এবং কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
১২০১ দিন আগে
সদরঘাটে পা হারানো কবিরকে এক কোটি টাকা দিতে রুল
সদরঘাটে লঞ্চ ও পন্টুনের মাঝে পা হারানো কবির হোসেনকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (১৫ জুন) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. তানভীর আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সচিব, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান ও পূবালী-১২ লঞ্চের মালিক আলী আজগর খালাসীসহ মোট ৮ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে সদরঘাটে লঞ্চ ও পন্টুনের মাঝে চাপ খেয়ে পা হারানো খিলগাঁওয়ের মো. কবিরকে চিকিৎসা ও মানসিক ক্ষতি বাবদ এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে গত ৯ জুন বুধবার হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী তানভীর।
তার আগে ১৮ মে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘‘এই সংসার চলবে কী করে : লঞ্চের ধাক্কায় পা হারানো কবিরের স্ত্রী’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেটি সংযুক্ত করে ওই নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, রাজধানীর নবাবপুরে বৈদ্যুতিক পাখার দোকানে দিনমজুরের কাজ করতেন কবির হোসেন (২৮)। ঈদুল ফিতরের এক দিন আগে ১ মে সকালে স্ত্রী, মেয়ে ও তিন বোনকে নিয়ে সদরঘাটে আসেন কবির হোসেন। ঘাটে পটুয়াখালীর একটি লঞ্চ থাকলেও সেটি কানায় কানায় ভরা থাকায় স্বজনদের নিয়ে লঞ্চে উঠতে পারেননি তিনি। অপেক্ষার পর পূবালী-১২ নামের এক লঞ্চ ঘাটে ভিড়তে শুরু করে। বেশি গতি থাকায় এটি পন্টুনে এসে জোরে ধাক্কা দেয়। অন্যদিকে যাত্রীর প্রচণ্ড চাপ পন্টুনে। এ সময় লঞ্চ ও পন্টুনের মাঝে চাপ খেয়ে কবির হোসেনের বাম পা হাঁটুর নিচ থেকে প্রায় আলাদা হয়ে যায়। কেটে ফেলতে হলো ওই পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ। আর শাহজালাল নামে আরেক ব্যক্তির ডান পা হাঁটুর নিচ থেকে ভেঙে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পড়ুন: এবি ব্যাংকের অর্থ আত্মসাত: আসামিদের গ্রেপ্তারে পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট
হারুনসহ ডেসটিনির ৪৫ জনের সাজা বাড়াতে হাইকোর্টে দুদকের আবেদন
১৫০১ দিন আগে
লালকুঠি-রূপলাল হাউজ পর্যন্ত লঞ্চ টার্মিনাল সরানোর আহ্বান তাপসের
ঢাকার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে পুরান ঢাকার লালকুঠি থেকে রূপলাল হাউজ পর্যন্ত অংশের সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল অতিসত্বর সরিয়ে নিতে আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফলজে নূর তাপস।
সোমবার (২৩ মে) সদরঘাটস্থ লালকুঠি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রজেক্ট (ডিসিএনইউপি) প্রকল্পের আওতাধীন প্রকল্প কার্যাবলী সংক্রান্ত প্রদর্শনী কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বিআইডব্লিওটিএকে এই আহ্বান জানান।
শেখ তাপস বলেন, ‘বুড়িগঙ্গা নদী ঘেঁষে গড়ে ওঠেছে আমাদের ঢাকা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা এই ঐতিহাসিক স্থাপনা থেকে এখন আর বুড়িগঙ্গা দেখতে পাই না। কারণ সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি দখলদারিত্বের ছোবলে নদী আজ দখল হয়ে গেছে। তাই, আমি বিআইডব্লিউটিএকে অনুরোধ করব, অতিসত্বর আপনারা লালকুঠি থেকে রূপলাল হাউজ পর্যন্ত অংশে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরিয়ে ফেলুন। ঢাকার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে টার্মিনালের এই অংশটি দ্রুত সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিন।’
ঢাকার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও ফিরিয়ে আনতে এটাই সর্বোত্তম সময় উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ঢাকার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে আমাকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দুঃখজনকভাবে দেখলাম, লালকুঠি আর ঢাকা গেইটই শুধু করপোরেশনের আওতাধীন। রূপলাল হাউজসহ যেসকল স্থাপনা ঢাকার অস্তিত্ব সৃষ্টি করেছে, ঢাকাকে পরিচিতি দিয়েছে সেগুলো করপোরেশনের আওতাধীন নয়।
তিনি বলেন, রূপলাল হাউজ দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় হস্তান্তর করতে আজকের অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্টদের যে দাবি, সেই দাবির সাথে আমিও একাত্মতা পোষণ করছি। রূপলাল হাউজ আমাদেরকে হস্তান্তর করলে আমরা এর পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ করব। আমরা ঢাকার সকল ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও স্মৃতিস্তম্ভের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাই।
অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডাইরেক্টর মারসি মিয়াঙ টেম্বন, ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুন, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা, বিশ্বব্যাংকের সাউথ এশিয়া সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের রিজিওনাল ডাইরেক্টর জন রুম, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি ফজলে রেজা সুমন, দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বক্তব্য দেন।
পড়ুন: মেয়র তাপসকে নিয়ে অবমাননাকর ফেসবুক পোস্ট: ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বাঙালি সংস্কৃতি ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যাব: মেয়র তাপস
১৫২৩ দিন আগে