পুলিশ কর্মকর্তা
আসামির দায়ের কোপে লালমনিরহাটে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দায়ের কোপে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন— হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গেন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদ চোরের বিরুদ্ধে চুরিসহ নানান অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাশেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে অভিযান চালান এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ। এ সময় আসামি রাশেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে ধারালো দা দিয়ে বেশ কয়েকটি এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে তাদের রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যান। এতে এসআই রুহুল আমিনের হাতের কব্জিসহ শরীরের একাধিক স্থানে জখম হয়। একইভাবে আঘাত পান এএসআই আব্দুল লতিফ।
খবর পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে আশঙ্কজনক অবস্থায় এসআই রুহুল আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অশ্বঙ্কামুক্ত না হওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে সেখান থেকে আজ (শনিবার) সকালে তাকে রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডক্টরস ক্লিনিক) ভর্তি করা হয়।
লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামির হামলায় দুইজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রুহুলকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে অপারেশন করতে। তাদের চিকিৎসার খোজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১২ দিন আগে
পলাতক বা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পলাতক বা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অনুকম্পা দেখানো হবে না। ইতোমধ্যে আলোচিত কর্মকর্তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী একাধিক বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাম্প্রতিক দেশব্যাপী তিনটি সাড়া জাগানো ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের প্রশংসনীয় অবদান ও কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার ‘শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমন’ এবং ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতিতে গভীরভাবে বিশ্বাসী। এই নীতির আলোকে নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও সেবামুখী ও জনবান্ধব করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভালো কাজের স্বীকৃতি ও মন্দ কাজের জন্য তিরস্কারের এই প্রক্রিয়া পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে আরও বেশি কর্তব্যপরায়ণ, আন্তরিক ও ন্যায়নিষ্ঠ হতে অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি বলেন, অতীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন সচরাচর দেখা যায়নি। সাধারণত রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স বা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বার্ষিক অনুষ্ঠানে এ ধরনের পদক বা ব্যাজ প্রদান করা হয়ে থাকে। তবে মাঠপর্যায়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের তাৎক্ষণিক মনোবল বৃদ্ধি এবং নৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের আইনানুগ ব্যবস্থা বজায় রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ৫ই আগস্টের পর পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে বর্তমান সরকার সফল হয়েছে। পুলিশ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জনবান্ধব এবং জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
বিগত ২০২৪ ও ২০২৫ সালের অপরাধ চিত্রের তুলনামূলক পরিসংখ্যান উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় বর্তমান সরকারের সময়ে দেশের অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং প্রতিটি ক্যাটাগরিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে।
বিগত সময়ে পলাতক থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত অপর এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্টভাবে জানান, পলাতক বা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অনুকম্পা দেখানো হবে না। ইতোমধ্যে আলোচিত কর্মকর্তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী একাধিক বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। একইসঙ্গে যাদের বিরুদ্ধে আইসিটি অ্যাক্ট বা দণ্ডবিধির অধীনে মামলা রয়েছে, তারা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে বিচারের সম্মুখীন হবেন। অপরাধী যেই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রী তিনটি বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ ঘটনায় সর্বমোট ১৫ জন পুলিশ সদস্যের হাতে সনদ ও আর্থিক পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রত্যেককে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ তহবিল থেকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয় এবং ৩ জন নৌ পুলিশ সদস্যকে আইজি ব্যাজ প্রদান করা হয়।
পুরস্কারের আওতায় আসা ঘটনা তিনটি হলো যথাক্রমে পল্লবী থানার রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নৌ পুলিশের বীরত্ব এবং মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ক্লু-লেস কিশোরী হত্যাকাণ্ড।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ-সহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩১ দিন আগে
মাদক কারবারে জড়িয়ে চাকরি খুইয়েও থামেননি পুলিশ কর্মকর্তা
গাইবান্ধায় পুলিশের চাকরিচ্যুত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মনির হোসেন ও তার গাড়ি চালককে আবারও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক করেছে ডিবি পুলিশ। অপরদিকে, মিন্টু মিয়া নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীকে ৬৬৫ ইয়াবাসহ আটক করেছেন গাইবান্ধা র্যাব-৩-এর সদস্যরা।
শুক্রবার (১৫ মে) রাতে বোয়ালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ফলিয়ার বাড়ি থেকে মনির হোসেনকে ৯২০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
গাইবান্ধা থানা পুলিশ জানায়, গাইবান্ধার বাাসিন্দা মনির হোসেন পুলিশের এএসআই হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। চাকরিকালীন তিনি কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাট, ঢাকা ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ছিলেন। ২০১৬ ও ২০২২ সালে মাদকের বড় চালান বহন করার সময় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হাতে তিনি দুই দফায় গ্রেপ্তার হন। এ ব্যাপারে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় মামলাও হয়। বিভাগীয় তদন্তের পর পুলিশের চাকরি থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
পুলিশ আরও জানায়, দীর্ঘদিন কারাভোগের পর তিনি গাইবান্ধায় বাড়িতে চলে আসেন। এরপর পুলিশের পরিচয় দিয়ে তিনি আবারও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। গোয়েন্দা পুলিশ খবর পেয়ে ওরিন কাউন্টারের সামনে থেকে ইয়াবাসহ তার গাড়ি চালককে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, গতকাল (শুক্রবার) রাতে ডিবি পুলিশ মনির হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৯২০ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।
অপরদিকে, গাইবান্ধা র্যাব-৩-এর সদস্যরা পলাশবাড়িতে মোটরসাইকেলআরোহী মিন্টু মিয়াকে ৬৬৫ ইয়াবাসহ আটক করেন। তার বাড়ি পলাশবাড়ি উপজেলার রাইতি গ্রামে।
এ ব্যাপারে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোত্তালিব সরকার জানান, আটক হওয়া মনির হোসেন পুলিশের এএসআই ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চাকরির সুযোগ নিয়ে তিনি ইয়াবার ব্যবসা করে আসছিলেন। এ কারণে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। আবারও তিনি একই ঘটনায় আটক হয়েছেন।
৫৪ দিন আগে
পল্লবী থানা হেফাজতে জনি হত্যা: দুই পুলিশ কর্মকর্তার যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল
রাজধানীর পল্লবীতে পুলিশের হেফাজতে নির্যাতনে গাড়িচালক ইশতিয়াক হোসেন জনি হত্যা মামলায় পল্লবী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুজ্জামানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।
এদিন অপর আসামি এএসআই রাশেদুল হাসানের যাবজ্জীবন দণ্ড কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। গতকাল (রবিবার) এই রায় ঘোষণা শুরু হয় এবং আজ (সোমবার) তা শেষ হয়।
আদালতে আসামিপক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও আইনজীবী মো. আবদুর রাজ্জাক এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার উপস্থিত ছিলেন। বাদীপক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী এস এম রেজাউল করিম।
রায় ঘোষণার সময় মামলার বাদী নিহত ইশতিয়াকের ভাই ইমতিয়াজ হোসেন ও তাদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: জনি হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
এর আগে গত ৭ আগস্ট হাইকোর্টে শুনানি শেষে ১০ আগস্ট রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।
দণ্ডিত পাঁচ আসামির মধ্যে কামারুজ্জামান (তৎকালীন এএসআই) শুরু থেকেই পলাতক। অন্য আসামি সুমন সাজাভোগ করে কারামুক্তি পেয়েছেন। বাকি তিনজনের বিষয়ে আজ রায় দেন হাইকোর্ট।
জনির মৃত্যুর ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর অধীনে জনি হত্যার মামলাটি করা হয়। এই মামলায় ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রায় দেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ।
৩৩২ দিন আগে
চাঁনখারপুলে ছয় শিক্ষার্থী হত্যা: ৮ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকায় গত বছরের ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনের সময় ছয় শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
সোমবার (১৪ জুলাই) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মার্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযোগ গঠন করেন।
মামলার চার আসামি—ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল সুজন, কনস্টেবল এমাজ হোসেন ইমন ও কনস্টেবল নাসিরুল ইসলামকে এদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
অন্য চার আসামি—সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (রমনা জোন) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম এবং সাবেক সহকারী কমিশনার (রমনা জোন) মোহাম্মদ এমরুল পলাতক রয়েছেন।
পড়ুন: মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগ ফখরুলের
এর আগে, গত ২৫ মে ট্রাইব্যুনাল মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেয়। ওই দিন প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অভিযোগপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করা হয়।
তদন্ত সংস্থা ২১ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে ৯০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়, যা ১৯৫ দিনের তদন্ত শেষে প্রস্তুত করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্ট চাঁনখারপুল এলাকায় গুলিতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদি হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া নিহত হন।
প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, মামলার অভিযোগপত্রে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে কয়েকজন আসামির গুলিবর্ষণে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘কমান্ড দায়বদ্ধতা’র আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
৩৬০ দিন আগে
রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত
রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২ জুন) রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে শাহজাহানপুরে ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম কামরুল ইসলাম। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ বিষয়ে শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এসআই কামরুল ইসলাম রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে তার সবুজবাগ এলাকার বাসা থেকে মোটরসাইকেলযোগে কর্মস্থল মতিঝিলের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। শাহজাহানপুর এলাকায় ফ্লাইওভার থেকে নামার পরপরই বলাকা পরিবহনের একটি বাস তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
আরও পড়ুন: সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
পরে এসআই কামরুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনার পরপরই চালককে গ্রেপ্তার করে বাসটি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) ভোরে শাহজাহানপুর থানার এসআই ইলিয়াস মোহাম্মদ এ ঘটনায় একটি মামলা করেছেন।
৪০১ দিন আগে
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান আইজিপির
দেশের মানুষের সেবায় পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মো. ময়নুল ইসলাম।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকালে পঞ্চগড় জেলা পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ কল্যাণমূলক সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
তিনি পেশাদারিত্ব ও জনসেবা প্রত্যাশা পূরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আইজিপি বলেন, শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন উন্নত বাংলাদেশ গড়ার নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। 'নতুন সমাজ গঠন ও বাংলাদেশ পুলিশকে বিকশিত করার সুযোগ আমাদের রয়েছে।' তিনি জোর দিয়ে বলেন, কর্মকর্তাদের অবশ্যই অন্যায় কাজে জড়িত হওয়া উচিত নয় বা অন্যকে তা করতে দেওয়া উচিত নয়।
আরও পড়ুন: ৪৩ দিনের রিমান্ডে সাবেক আইজিপি মামুন
তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনী দলগতভাবে কাজ করে এবং কার্যকর পুলিশ সার্ভিস গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
আইজিপি বাহিনীর অভ্যন্তরে কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রেখে সহকর্মীদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্যও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
আইজিপি তার বক্তব্যের শুরুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।
সভা শেষে আইজিপি পঞ্চগড় সদর সার্কেলের নবনির্মিত অফিস ভবনের উদ্বোধন করেন।
এ সময় রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী, পঞ্চগড় জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলামসহ পঞ্চগড় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: অপরাধ করে শাস্তি এড়ানোর সুযোগ নেই: আইজিপি
৬২২ দিন আগে
সিলেটে সাংবাদিক নিহতের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সিলেটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে সাংবাদিক নিহতের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১২টায় নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাবের ভাই আবুল হোসেন মোহাম্মদ আজরফ জাবুর বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় অজ্ঞাত আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সাবেক চিফ হুইপকে মারধরের অভিযোগে ডিবির হারুন-বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধে মামলা
মামলায় আসামি হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আজবাহার আলী শেখসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা করে তার পরিবার।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘এজাহারের গুরুত্ব অনুধাবন করে এফআইআর গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’
গত ১৯ জুলাই শুক্রবার জুমার নামাজের পর সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদ এলাকায় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন সাংবাদিক তুরাব। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।
এর আগে হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিন পর তুরাবের পরিবারের পক্ষ থেকে ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করে কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তবে তাতে কারও নাম উল্লেখ ছিল না।
ওই অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯ জুলাই বেলা ১টা ৫৫ মিনিটে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সিলেট নগরের বন্দরবাজার এলাকার কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান করছিলেন সাংবাদিক এ টি এম তুরাব। পুলিশ-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে তুরাব গুলিবিদ্ধ হয়ে চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে অন্য সহকর্মী ও পথচারীরা তুরাবকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় এবং তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নগরীর সোবহানীঘাট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনা-শামীম ওসমানসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
মিরপুরে হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৪৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৬৮৯ দিন আগে
আসামি ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু
আসামি ধরতে গিয়ে নদীর পানিতে ডুবে রায়গঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) সলংগা থানার ধোপাকান্দি এলাকার স্বরস্বতী নদীতে আসামিকে ধরতে ঝাঁপ দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
রেজাউল নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আমন্ত গ্রামের তোজাম্মেল হক শাহর ছেলে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কাভার্ডভ্যান চাপায় বিএনপি নেতার মৃত্যু
তার স্ত্রী নাজমা উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে সিরাজগঞ্জ পুলিশ কোর্টে দায়িত্বে রয়েছেন এবং তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘ডাকাতির মামলার আসামি নাজমুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করার জন্য এসআই রেজাউল ফোর্সসহ অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নাজমুল স্বরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দিলে তাকে ধরতে রেজাউলও নদীতে ঝাঁপ দেন। আসামি সাঁতরে নদী পার হলেও রেজাউল উঠতে পারেনি। পানির স্রোতে ডুবে যান তিনি।’
ওসি আরও বলেন, ‘পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
আসামিকে ধরতে এরই মধ্যে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
এসআই রেজাউলের মৃত্যুতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তদের হামলায় ২ জনের মৃত্যুর অভিযোগ
কুষ্টিয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২ জনের মৃত্যু
৭২৪ দিন আগে
পুলিশ কর্মকর্তা কামরুল হাসান-স্ত্রীর সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের (সিএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী সায়মা বেগমের নামে সব সম্পত্তির দলিল, ফ্ল্যাট ও কোম্পানির আংশিক শেয়ারসহ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৯ জুলাই) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র স্পেশাল জজ ড. জিয়াবুন্নেছার আদালত এ নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, ‘মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং তার স্ত্রী সায়মা বেগমের বিরুদ্ধে ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯১৯ টাকার আয়বহির্ভূত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।’
আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে বেনজীরের ১০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ
দুদক সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ কামরুল হাসান ১৯৮৯ সালে এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগে যোগদান করেন। চাকরির ধারাবাহিকতায় পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) হিসেবে সিএমপিতে কর্মরত। অনুসন্ধানে মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নামে ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯২ হাজার ৬৯৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ১৩ কোটি ৯৬ লাখ ৩১ হাজার ৯১১ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।
একই সঙ্গে তার মোট ৭০ লাখ ২৮ হাজার ২৪১ টাকা পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব সম্পদ অর্জনের বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ৪ কোটি ৮০ লাখ ৩২ হাজার ৮৭ টাকা। এক্ষেত্রে তার অর্জিত সম্পদের চেয়ে তার বৈধ আয়ের উৎস ৯ কোটি ৮৬ লাখ ২৮ হাজার ৬৫ টাকা কম পাওয়া যায়। তার নামে ৯ কোটি ৭৩ লাখ ২২ হাজার ৪৪ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।
একইভাবে তার স্ত্রী সায়মা বেগমের নামে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১ কোটি ৯৯ লাখ ২৮ হাজার ২৪০ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ২ কোটি ৫৩ হাজার ২৪০ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। তার সম্পদ অর্জনের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ৪০ লাখ ১৪ হাজার ৪৩৩ টাকা। তার নামে ১ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার ১৮৮ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।
দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং তার স্ত্রী সায়মা বেগম বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী সম্পদ অবরুদ্ধ ক্রোক ও জব্দ করার জন্য আদালতে আবেদন করেন।
আরও পড়ুন: বেনজীর-মতিউরের সম্পদের বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ
৭৩০ দিন আগে