আওয়ামী লীগ
ঝিনাইদহে সাবেক এমপি নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারসহ গ্রেপ্তার ৫
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা ও সাম্প্রতিক সময়ে শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল আয়োজনের অভিযোগে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ শহর ও শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন: শৈলকুপার দুধসর গ্রামের নায়েব আলী জোয়ার্দ্দার (৭২) ও বাদশা আলমগীর (৫৬), বালাপাড়া গ্রামের মাজিবুল ইসলাম (৫৭), গোসাইডাঙ্গা গ্রামের আল নাহিয়ান সাকিব (১৯) এবং মহিষাখোলা গ্রামের মো. হাসিবুল ইসলাম (২৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ভারতে অবস্থানরত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা, এলাকায় বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা এবং সারুটিয়া ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল আয়োজনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচ জনের বিরুদ্ধে শৈলকুপা থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। আজ (শনিবার) দুপুরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
৩ দিন আগে
দিনদুপুরে লুট করা গরু দিয়ে আ. লীগ নেতাদের ভূরিভোজ
রংপুরের পীরগাছায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নেতৃত্বে চার দিনমজুরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছয়টি গরু, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ঘরের আসবাবপত্র লুট করার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের দামুরস্বর গ্রামে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এ তাণ্ডব চালানো হয় বলে স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, ছাওলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও পাওটানাহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পশুচিকিৎসক রেজাউল করিম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুকুল মিয়া এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব হোসেনের নেতৃত্বে ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, হামলা হলে নিরাপত্তার খাতিরে বাড়ির লোকজন সরে গেলে ঘরের ফ্রিজ, আসবাবপত্র, সেচযন্ত্র, মোটর ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর ও লুট করা হয়। পরে প্রায় ২০০ গজ দূরে সৈয়দ আলী, এরশাদ আলী ও রুবেল মিয়ার বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। সেখানে আটটি ঘর ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের পাশাপাশি নগদ টাকা, জমির দলিল, পাসপোর্ট, স্বর্ণালংকার ও ছয়টি গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী সৈয়দ আলী ও সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের ঘরে এখন থাকার বা খাওয়ার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই। চালডাল তো বটেই, রান্না করা তরকারির পাতিল পর্যন্ত নিয়ে গেছে তারা। হামলার সময় গ্রামের বিভিন্ন স্থানে লোকজন পাহারায় ছিল। ফলে কেউ তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারেননি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের অভিযোগ, লুট করা একটি গরু জবাই করে হামলাকারীরা এলাকায় ভোজের আয়োজনও করেন।
আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আইয়ুব হোসেন ও রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবি করেন, ঘটনার সময় তারা এলাকায় ছিলেন না। তারা বাইরে ছিলেন।
অপর অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মুকুল মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দুপক্ষ থেকে দুটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। গরু লুটের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে।
৭ দিন আগে
সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের সঙ্গে আ.লীগ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০
সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ হামলায় উভয় পক্ষের ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের শ্রীডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদল গ্রুপের আহত ৮ জনকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে সদর হাসপাতাল ও আরেকজনকে অপর এক মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্পী জানান, বিএনপি ও ছাত্রদল নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল। অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার বিষয়টি জানতে চাইলে ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হোসেনকে নাজমুল আটকে রাখেন। খবর পেয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে তিনি সেখানে গেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় দুপক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক অর্ঘ্য জানান, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল, যুবলীগ নেতা খালিদ ও আওয়ামী লীগ নেতা লাল্টুর নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি দাবি করেন।
তবে এ ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৯ দিন আগে
গোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫১ নেতাকর্মীর পদত্যাগ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৫১ জন নেতাকর্মী দলীয় পদ ও সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা জানান, এখন থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মুকসুদপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পদত্যাগকারীরা দলীয় সব পদ-পদবি ও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন—মুকসুদপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মোল্লা, সদস্য পলাশ মোল্লা, ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ, আওলাদ শেখ, আকরাম চৌধুরী, খোরশেদ মিয়া, সাইফুল শেখ, চাঁন শেখ, সিদ্দিক শেখ, সুমন মুন্সি, সালাম মোল্লা, হাসমত মোল্লা, ঠান্ডু শরীফ, শাজাহান মোল্লা, শাজাহান মৃধা, আবু সাইদ মিনা, মোহাম্মাদ শেখ, রশিদ শেখ, মফিজ শরীফ, হাসিব শেখ, সুমন শেখ, আমিরুল শরীফ, মাহাবুর শরীফ, মালেক শেখ, ফারুক মীর, তারেক মোল্লা ও আশরাফ আলী।
এছাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হান্নান শেখ, শাজন শিকদার, মামুন হাসান, সৈয়াদ শেখ, আবুল হোসেন (আবু), মাসুদ মুন্সী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হক, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হেমায়েত ফকির ও সদস্য নাসিরুদ্দিনও পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
এ ছাড়াও মুকসুদপুর উপজেলার উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হরিদাস বিশ্বাস, সহ-সভাপতি প্রণয় কর্মকার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহন বাঁশি পান্ডে, সদস্য নিপেন পান্ডে, বুদ্ধি কান্তি পান্ডে, মৃতুঞ্জয় পান্ডে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক খিপু মোল্লা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইয়াদ আলী মোল্লা, মহারাজপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য সঞ্জিত দত্ত ও গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য কালাচান দাসও পদত্যাগকারীদের তালিকায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারীরা বলেন, তারা আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ-পদবি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ থেকে দলের সঙ্গে তাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই বলেও ঘোষণা দেন তারা।
১৫ দিন আগে
৫ আগস্ট ঘিরে আওয়ামী লীগের নাশকতার মুরোদ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী ৫ আগস্ট (জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস) ঘিরে আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটি মাঝে মধ্যে বিদেশ থেকে উঁকিঝুঁকি দিলেও উল্লেখযোগ্য কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কোনো নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মুরোদ আছে বলে তো আমার মনে হয় না। একে তো নিষিদ্ধঘোষিত দল, মাফিয়া শক্তি। তারা মাঝে মধ্যে বিদেশ থেকে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে, এর বেশি তৎপরতা তো দেখি না।’
৫ আগস্টকে সামনে রেখে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদন আছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমাদের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে এটা সবসময় চালু থাকে, যাতে অরক্ষিত কোনো যানবাহন না রাখে। টিমের পুরুষ সদস্য যেন একসঙ্গে চা না খেতে যায়, তারা যেন গাড়ি রেখে সবাই একসঙ্গে বিশ্রাম না করে। গাড়ি সবসময় অন্তত একজন সদস্যের তত্ত্বাবধানে রাখা এবং সর্বত্র সতর্ক অবস্থান নিশ্চিত করা পুলিশের স্বাভাবিক অনুশীলনের অংশ। এটাকে অন্যভাবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
আগামী ৫ আগস্ট উপলক্ষে সরকারের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, এ বিষয়ে মঙ্গলবার সরকারের পক্ষ থেকে একটি সভা ডাকা হয়েছে। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিতব্য ওই সভায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন।
১৫ দিন আগে
সাড়ে ৪ হাজার ইয়াবাসহ টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ নেতা আটক
কক্সবাজারের ইনানীতে সাড়ে ৪ হাজার ইয়াবাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা হাফিজ উল্লাহকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত এ তথ্য জানান।
আটক হাফিজ উল্লাহ (৬৬) টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ডেইলপাড়ার বাসিন্দা। তিনি টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মুকিত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইনানীর কোস্ট গার্ড স্টেশন ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। বাসে থাকা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এবং জব্দ করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
২৪ দিন আগে
লুটপাটের উদ্দেশ্যে আ.লীগ আমলের অপরিকল্পিত উন্নয়নেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়েছে: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, লুটপাট ও অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া অপরিকল্পিত উন্নয়ন প্রকল্পের কারণেই দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলাবদ্ধতা, খরা ও ভয়াবহ বন্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বন্যা পরিস্থিতিসহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, যেকোনো উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার জলবায়ু, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া উচিত। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তা না করে লুটপাট ও টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে অপরিকল্পিত উন্নয়ন করেছে। এর ফলেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলাবদ্ধতা, খরা ও ভয়াবহ বন্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক সরকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পরিবেশ, নদী-নালা ও খাল-বিলের ওপর এর প্রভাব বিবেচনা করে। কিন্তু গত সরকার এসব বিষয়কে উপেক্ষা করেছে।
প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে বাধা দিলে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তার অভিযোগ, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য হাওরের মাঝ দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে, যা প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘মানুষের শরীরে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যেমন শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে, তেমনি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করলে পরিবেশও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।’
রিজভীর দাবি, বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ মানুষ পানিবন্দি এবং বন্যায় ইতোমধ্যে ৫২ থেকে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন তিনি। তার মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ন পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করেছে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থে। হাওরের মাঝ দিয়ে সড়ক নির্মাণের পেছনেও দলীয় লোকদের ঠিকাদারি সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল।
এই রাজনীতিক বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সময় শুধু বিরোধী দল নয়, পরিবেশ বিশেষজ্ঞরাও সতর্ক করেছিলেন যে, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর হবে। কিন্তু সরকার একটি বিশেষ দেশকে খুশি করার জন্য সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এর ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির মুখে পড়ছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে সরকারের সমালোচনা করলে গুম, কারাবরণ কিংবা ক্রসফায়ারের শিকার হওয়ার আশঙ্কা ছিল। কিন্তু এখন মানুষ নির্বিঘ্নে সরকারের সমালোচনা করতে পারছে এবং বিরোধী দলের নেতাকর্মীরাও স্বাধীনভাবে কথা বলছেন।
বর্তমানে টানা অতিবৃষ্টিতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রিজভী। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ পুনর্বাসনের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশের সব সচ্ছল মানুষের প্রতি বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় ত্রাণ নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
৩৬ দিন আগে
‘ভারতে বসে উস্কানি দেওয়া আ.লীগ নেতাদের ইস্যুতে দিল্লির সঙ্গে কথা বলবে সরকার’
ভারতে অবস্থান করে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের উস্কানিমূলক বক্তব্যের বিষয়টি দিল্লির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সরকার আলোচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেছেন, এসব নেতার অনেকেই বিভিন্ন মামলার আসামি এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তাই শুধু উস্কানিমূলক বক্তব্য নয়, তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের বিষয়টিও রাষ্ট্রীয়ভাবে নিয়মিতভাবে উত্থাপন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গত কয়েকদিন ধরে দেখছি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা ভারতে পলাতক, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে সরকার কথা বলবে কি না—সাংবাদিকরা জানতে চান।
জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আপনার এই কথাটার সঙ্গে আমি একমত। ভারতে বসে তারা যে কাজটা করছেন, রাষ্ট্রীয় জায়গা থেকে এটা নিয়ে আগেও কথা বলা হয়েছে, সামনেও এটা নিয়ে বলা হবে। কারণ এদের অনেকেই মামলার আসামি আছেন, অনেকের নামেই ওয়ারেন্ট আছে, কারও কারও নামে সাজা হয়ে গেছে। তারা কথা বলা দূরে থাক, তাদের তো আমাদের কাছে হস্তান্তর করারই কথা আছে। সেই জায়গা থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভারতের সঙ্গে নিয়মিতভাবে কথা বলা হচ্ছে।
সম্প্রতি তুরাগ নদী ঘিরে দুপক্ষের অপপ্রচার হচ্ছে। সরকার বিষয়টি পরিষ্কার করছে না—এ বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, ওখানে কিছু মৃত্যু হয়েছে যা খুবই অপ্রত্যাশিত। আমরা প্রায়ই বলি, এমন অপ্রত্যাশিত মৃত্যু হতে পারে না, এটা হওয়া উচিত না। কিন্তু আপনারা জানেন, ঘটনাগুলো কীভাবে হয়েছে। তবে এর সঙ্গে কেউ জড়িত আছে কি না, তা সরকার তদন্ত করবে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন যে তুরাগ নদীর অপ্রত্যাশিত বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন আছে এবং দেশীয় ও দেশের বাইরের সংস্থারও প্রতিবেদন আছে, যেখানে পরিষ্কারভাবে দেখা গেছে তারা আসলে পালাতে গিয়েছিলেন এবং সে ধরনের পরিস্থিতিতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, যারা এখনও আওয়ামী লীগ করেন, এখনও যারা আওয়ামী লীগের মিছিল করতে আসেন, আমি সত্যিই খুব দুঃখ পাই। কিন্তু তাদের জীবনও মূল্যবান, তারা এই রাষ্ট্রের নাগরিক, এটাও আমরা বিশ্বাস করি। প্রত্যেকের প্রতি আমরা এই আহ্বান জানাতে চাই, রাষ্ট্রের আইন যেন তারা মেনে চলেন।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তো নিষিদ্ধ হয়নি, তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ আছে। তারা একটু অপেক্ষা করুন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন এবং আইসিটি থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। সেই সময়টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই হবে। যদি বিচারে দেখা যায় যে তাদের নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না, আবারও বলছি এটা আদালতের এখতিয়ার, তিনি (বিচারক) সব পক্ষকে শুনেই সিদ্ধান্ত নেবেন, তাহলে তারা তাদের কর্মকাণ্ড করতে পারবেন।’
৪২ দিন আগে
অন্য কোনো নামে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না: তথ্য উপদেষ্টা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অন্য কোনো নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রবীণ আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠন হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সফট বা হার্ড আওয়ামী লীগ না। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) বিএনপিও তো নাই, আছে কি? স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কি বিএনপি আছে? জামায়াত, এনসিপি আছে? নেই। এক সময় ছিল, মানে যে আইনটা মাঝখানে পরিবর্তিত হয়েছিল আওয়ামী লীগের সময়, সেখানে একটা নির্বাচনে দল ছিল, সেটা হচ্ছে চেয়ারম্যান বা মেয়র। তখনও কিন্তু মেম্বার এবং কমিশনার নির্বাচনে কোনো দল অংশগ্রহণ করত না। এখন এটা তুলে দেওয়া হয়েছে, মানে আমরা আগের জায়গায় চলে গেছি।’
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচনে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত কেউই অংশগ্রহণ করছে না। এটা হলো একদম নিশ্চিত কথা। আর দ্বিতীয় কথাটি হচ্ছে, রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের একটা আলাপ মাঝে মাঝে কোথাও কোথাও দেখা যায়, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কর্মসূচি যত দিন নিষিদ্ধ আছে, তত দিন সে যে নামেই হোক না কেন, রিফাইন্ড হোক বা অন্য কোনো নতুন আওয়ামী লীগ, তৃণমূল আওয়ামী লীগ—যাই বলি না কেন, কোনো নামেই আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না। এই জিনিসটা আমাদের বুঝতে পারতে হবে।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশকে বর্তমান সরকার আইনে পরিণত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার মানে সরকারের অবস্থান হচ্ছে, সরকার মনে করে আদালত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি হবে না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দলটির কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকা উচিত। আমি আগের দিনই বলেছিলাম, এটা আসলে আদালতের এখতিয়ার।
৪৯ দিন আগে
আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) পরিচালিত পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর মধ্যে মিরপুর থানা পুলিশ ৩ জন, রমনা, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, ও তেজগাঁও থানা পুলিশ ২ জন করে এবং শাহবাগ, বংশাল, সূত্রাপুর, পল্টন, শিল্পাঞ্চল, পল্লবী ও কাফরুল থানা পুলিশ একজন করে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
৫৬ দিন আগে