আওয়ামী লীগ
ড. ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: ডা. জাহেদ
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে হেনস্তার ঘটনায় সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কেউ এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে তা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ড. ইউনূস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখানে বিমানবন্দরে তাকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়াই তার বিরুদ্ধে হেনস্তার চেষ্টার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের সরকারের কার্যক্রম নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনা থাকতে পারে। তিনি নিজেও বাংলাদেশে বসে সেই সমালোচনা করেছেন। কিন্তু এ ধরনের হেনস্তা গ্রহণযোগ্য নয়।
ড. ইউনূসকে বিমানবন্দরে হেনস্তার ঘটনাকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর সঙ্গেও একই ধরনের আচরণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করা একজন অভিনেত্রীও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ওই অভিনেত্রীর ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাবেক প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের যে মর্যাদা পাওয়ার কথা, সে অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে তার নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা-ও সরকার খতিয়ে দেখবে।
শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাবনা এবং ডিসেম্বরে তার দেশে আসার আলোচনা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে আসুক, সরকার সেটিই চায়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার হয়েছে এবং সাজা হয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতকে হস্তান্তরের অনুরোধও জানানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তাতেও সরকারের কোনো সমস্যা নেই। বরং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচার দেশের বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে চায় সরকার। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের ধরন প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, কিছু গণমাধ্যমের সংবাদ উপস্থাপনার ধরন সরকারের নজরে রয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের অংশ হিসেবে বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়। তবে কোনো সংবাদ আইনি সীমার মধ্যে থেকে উপস্থাপন করা হচ্ছে কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয় বলে জানান তিনি।
৫ দিন আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধ: হানিফসহ ৪ আসামির রায় যেকোনো দিন
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার আসামির রায় যেকোনো দিন ঘোষণা হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী ও কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। তবে আসামিদের সবাই পলাতক রয়েছেন।
এই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছে প্রসিকিউশন। এই চার আসামির বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে হত্যাসহ তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ (বুধবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে আসামিপক্ষ।
আসামিপক্ষে আজ যুক্তি উপস্থাপন করেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আমির হোসেন। পরে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি খণ্ডন করা হয়। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আদালত।
এর আগে গত ৫ অক্টোবর চার আসামির সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে প্রসিকিউশন।
গত বছরের ২ নভেম্বর এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। আর ২৫ নভেম্বর সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মামলার বিচারকাজ। ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।
১১ দিন আগে
দায় স্বীকার করে এগিয়ে এলে আ. লীগের সঙ্গে পুনর্মিলন সম্ভব: তথ্য উপদেষ্টা
আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন বা রিকনসিলিয়েশন অসম্ভব নয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, এ প্রক্রিয়া শুরু করতে দলটিকে দায় স্বীকার করে নিজেদেরই এগিয়ে আসতে হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ বলেন, দেশের অনেক মানুষ এখনও আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। তারা বাংলাদেশেরই নাগরিক। আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়। বরং এমন উদ্যোগ হলে ভালো হতো। তবে পুনর্মিলনের আগে এর মৌলিক ভিত্তি কী হবে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানান তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘মাঝখান থেকে কেউ যদি রিকনসিলিয়েশন (পুনর্মিলন) চান এবং মনে করেন এটি ভালো উদ্যোগ, তাহলে আমারও মনে হয় এটি ভালো। তাদের উচিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে রিকনসিলিয়েশন শুরুর মৌলিক জায়গাটি নিশ্চিত করতে হবে। সেটি হলে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’
পুনর্মিলনের উদ্যোগ সফল করতে আওয়ামী লীগকেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলটিকে নিজেদের দায় স্বীকার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু আলোচনার মাধ্যমে রিকনসিলিয়েশন শুরু করলেই হবে না। এর জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক শর্ত ও পারস্পরিক অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি। আওয়ামী লীগ সেই জায়গায় এগিয়ে এলে পুনর্মিলন নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব।
১২ দিন আগে
পাবনায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে উপজেলা আ. লীগের সভাপতিসহ আটক ১৫
পাবনা শহরে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতিকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম। তবে আটকদের মধ্যে আব্দুল ওহাব ছাড়া অন্যদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ওসি আব্দুস সালাম জানান, আটক ব্যক্তিরা শহরে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলেন। তারই অংশ হিসেবে মাইক্রোবাসে করে এসে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এর আগে আব্দুল ওহাবকে ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু তাকে পুলিশ ভ্যানে তোলা হলে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক তাকে ছিনিয়ে নেন। ওই সময় আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই ঘটনার তিন দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে জামিনে বেড়িয়ে এসে সুজানগর এলাকায় আবারও আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালিয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন আব্দুল ওহাব ও তার সমর্থকরা। পরে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে মথুরাপুরে অভিযান চালিয়ে আব্দুল ওহাবসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। কয়েক সপ্তাহ পরই তারা জামিনে মুক্তি পান।
১৮ দিন আগে
অবৈধ ভিওআইপি ডিভাইসসহ আ. লীগ ও যুবলীগের ২ নেতাকর্মী আটক
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় অবৈধ ভিওআইপি কলিং ডিভাইসসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকর্মীকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের সরিষাঘাট এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও ডিভাইসগুলো জব্দ করা হয়।
আটক দুজন হলেন শ্যামপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রহিম (৫৪) এবং ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী শাহেব আলী (৩০)।
জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের একটি দল। এ সময় সেখান থেকে ভিওআইপি কলিংয়ের জন্য ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ডিভাইস, দেশি-বিদেশি অবৈধ সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটক দুজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভিওআইপি ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১-এ মামলা প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া জব্দ করা ডিভাইসগুলো বিটিআরসিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।
১৯ দিন আগে
ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসির সঙ্গে আ. লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
সম্প্রতি ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানার ওসি বদলি, বিশেষ করে শাহ আলী থানার ওসি প্রত্যাহারের প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, শুধু বদলি করাই কি সমস্যার সমাধান?
প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘না, বদলি প্রশাসনিক কারণে হয়, কোনো বিষয়ে কর্তব্য অবহেলার কারণে হয় অথবা কোনো কিছুর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সে জন্য হয়। কিন্তু বদলিটা লাস্ট (শেষ) নয়, বদলির পরে তাদের বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং (বিভাগীয় ব্যবস্থা) হচ্ছে।’
ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসির ভাইরাল হওয়া ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি বলেন, কয়েকটি সংস্থার মাধ্যমে বিস্তারিত তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষা শেষে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং বিভাগীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
ওই সাবেক ওসির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসেন ক্যান্টনমেন্ট থানার তৎকালীন ওসি মো. রাকিবুল হাসান।
অডিও বক্তব্যে রাকিবুল হাসানকে পুলিশের বর্তমান পরিস্থিতি, কর্মকর্তাদের পদায়ন ও অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি পুলিশের পদায়ন ও নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন।
তিনি দাবি করেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, অথচ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা তা করছেন না। ওসি পদায়নে অর্থ লেনদেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে পোস্টিং এবং যোগ্য কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করে অযোগ্যদের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
একই সঙ্গে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে ঠেকানোর সক্ষমতা পুলিশের নেই বলেও মন্তব্য করেন রাকিবুল।
অডিওটি নিয়ে তদন্তের পর রাকিবুলকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয় এবং গত ২৪ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন। পরে মামলাটির তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি) দেওয়া হয়।
২১ দিন আগে
লালমনিরহাটে গোপন বৈঠক থেকে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
লালমনিরহাটে গোপন বৈঠক ও অনলাইন মিটিংয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় পৌর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মজিবর রহমান টুলুকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল শহরের চাঁদনী বাজার এলাকার একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার মজিবর রহমান টুলু পৌরসভার নামাটারী এলাকার বাসিন্দা।
ওসি সাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ওই এলাকায় একটি চক্র গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে মজিবর রহমান টুলুর মোবাইল ফোন তল্লাশি করে অনলাইনে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া তার মোবাইল ফোনে আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন উসকানিমূলক পোস্ট ও স্ট্যাটাস পাওয়া গেছে, যা জনমনে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ওসি সাদ আরও জানান, গ্রেপ্তার মজিবর রহমান টুলুর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করার কাজ প্রক্রিয়াধীন।
জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
২৪ দিন আগে
নওগাঁয় আওয়ামীপন্থি অধ্যক্ষের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, মোটরসাইকেলে আগুন
নওগাঁর রাণীনগরে ৫ আগস্টের পর বরখাস্ত হওয়া আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জিএম মাসুদ রানা জুয়েল হামলার শিকার হয়েছেন। হামলাকারীরা মারধর করে তার এক হাত এবং দুই পা ভেঙে দিয়েছে। এছাড়া, তার মোটরসাইকেলেও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই ঘটনাটি ঘটে।
হামলার পর মাসুদ রানা জুয়েলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি রাণীনগর উপজেলার রাতোয়াল গ্রামের বাসিন্দা।
আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সালাউদ্দীন আহম্মেদ জানান, মহাবিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন—এমন অভিযোগে বেশ কয়েকজন ভুক্তযোগী গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে এবং ৫ আগস্টের পর মহাবিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় অধ্যক্ষ জিএম মাসুদ রানা জুয়েলকে প্রায় দুই বছর আগে পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে দীর্ঘ দুই বছর পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে চাকরিতে পূর্নবহালের আদেশ পান।
আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এবং মহাবিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল হাসানের আদেশে গতকাল (রবিবার) মাসুদ রানা আবার মহাবিদ্যালয়ে যোগদান করতে আসেন বলে জানান অধ্যক্ষ সালাউদ্দীন আহম্মেদ।
তিনি আরও জানান, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মাসুদ রানা অফিসকক্ষে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় বেশ কয়েকজন লোক এসে সেখান থেকে মাসুদ রানাকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে মারধর শুরু করে এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
পরে গুরুতর আহত মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে হামলাকারী কারা ছিলেন তা বলতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।
হামলার শিকার মাসুদ রানার ভাই প্রিন্স আহম্মেদ বলেন, আমার ভাই কলেজে যোগদান করতে গেলে বেশ কিছু লোকজন তার সঙ্গে আমাকেও বেধড়ক মারধর করে। তাদের মারধরে ভাইয়ের এক হাত এবং দুই পা ভেঙে গেছে। বর্তমানে তিনি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আবাদপুকুর মহাবিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউএনও মো. রাকিবুল হাসান বলেন, সকাল থেকেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভায় ছিলাম। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নিকট থেকে মারধরের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, অধ্যক্ষকে মারধর এবং মোটরসাইকেলে আগুন ধরে দেওয়ার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, আজ (সোমবার) সকালে হামলার শিকার মাসুদ রানা জুয়েলের স্ত্রী রানীনগর শের ই বাংলা কলেজের প্রভাষক রোকসানা পারভিন জানান, নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বামীর অবস্থার অবনতি হলে গতকাল রাতে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
২৭ দিন আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী আসিফ ইনান।
সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। রায়ে আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নথি অনুযায়ী, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৮ জুন মামলার তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা। একই বছরের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ও মামলাটি আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৯ জন সাক্ষী ছিলেন। তাদের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের বিভিন্ন পর্যায়ে ২৭ জুলাই, ২৯ জুলাই ও ২ আগস্ট সাক্ষীদের সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়।
মামলায় আদালতে ১২৩ সিরিজের নথি ও ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ২৭টি বস্তুগত আলামতও প্রদর্শন করা হয়েছে।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এ জন্য আদালত মোট নয় কার্যদিবস সময় দেন।
যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। নথিতে রায় ঘোষণার তারিখ হিসেবে ১৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির বিচারিক নিষ্পত্তি হলো।
৩৩ দিন আগে
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় মঙ্গলবার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্য প্রসিকিউটররা।
মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন।
এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আসামিদের ভূমিকা ছিল। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয় যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।
৩৪ দিন আগে