নির্বাচন অফিস
ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে নির্বাচন অফিসের কর্মচারী আটক
মৌলভীবাজারে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক কর্মচারীকে আটক করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৫ বিজিবি) সদস্যরা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাকে আটকের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি।
আটককৃত সুশান্ত চন্দ্র বিশ্বাস (৩৪) সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসের একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর। তিনি কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল গ্রামের সত্যেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে।
বিজিবি জানায়, শ্রীমঙ্গল উপজেলার মোংলামবস্তি চা-বাগানের সীমান্ত পিলার ১৯৩৯/এম-এর কাছ দিয়ে শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে বিজিবির টহলদল সুশান্ত চন্দ্রকে আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সুশান্ত ২০১৬ সাল থেকে চুক্তিভিত্তিকভাবে নির্বাচন অফিসে নিয়োজিত। বর্তমানে তিনি সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কর্মরত।
তবে বিজিবি সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে জানতে পারে, সুশান্ত এক মাস ধরে অনুমোদিত ছুটি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার অবস্থান সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ খোঁজ নিচ্ছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে সুশান্ত জানান, তিনি গত বৃহস্পতিবার শ্রীমঙ্গলে এসে একটি হোটেলে অবস্থান করেন। পরে একজন দালালের সহায়তায় সুবিধাজনক সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন।
এদিকে সুশান্তর কাছ থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, নগদ ১২ হাজার ১৮৫ টাকা, তার নামে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র, বিভিন্ন ধরনের আরও ছয়টি পরিচয়পত্র, ব্যবহৃত দাপ্তরিক সিল ও ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী পাওয়া যায়।
উদ্ধার করা পরিচয়পত্র, ডিজিটাল তথ্য ও অন্যান্য নথিপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে জানিয়ে বিজিবি বলেছে, অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টার অভিযোগে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
১৬ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরে নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগ, পুড়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ নথি
লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বত্তরা। এ সময় নিচতলার গোডাউনে থাকা বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে জেলা নির্বাচন অফিসে ঘটে এই ঘটনা। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও জেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, জেলা নির্বাচন অফিসের নিচতলায় জানালার কাঁচ ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বত্তরা। এ সময় অফিসের দারোয়ান টের পেয়ে চিৎকার দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে নির্বাচন অফিসের কর্মচারীরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। তবে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই সেখানে উপস্থিত লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুর রশিদ বলেন, আগুনে অফিসের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। তবে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে টের পাওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর-সার্কেল) মো. রেজাউল হক বলেন, অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।
২৯৮ দিন আগে
বাগেরহাটে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও
বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে কমিটির নেতাকর্মীরা বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হতে থাকেন এবং অফিসের প্রধান ফটক ঘিরে রাখেন।
এ সময় নির্বাচন অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি। এই ঘেরাও কর্মসূচি দুপুর একটা পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি আসন করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট কেন অবৈধ হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্দলোনকারীরা।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিক্ষোভ-অবরোধ শনিবার পর্যন্ত স্থগিত
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি হরতাল কর্মসূচি স্থগিত করেছে। তবে কমিটির নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনও চলবে।
কমিটির সদস্যসচিব ও জামায়েতে ইসলামী বাংলাদশের জেলা সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মাদ ইউনুস বলেন, ‘আমরা হরতাল বাতিল করেছি, যাতে দুর্গাপূজা ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতি না হয়। উচ্চ আদালত ১০ দিনের রুল জারি করেছেন, আমরা ন্যায়বিচার পাব বলে আশাবাদী। চারটি আসন ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’
উল্লেখ্য, ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের চারটি আসনকে কমিয়ে তিনটি করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী আন্দোলন শুরু করেন। চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন বাগেরহাটবাসী।
তা সত্ত্বেও ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসনের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে, যা জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে কমিটির নেতারা অভিযোগ করেন।
নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, নতুন আসনবিন্যাস হলো— বাগেরহাট-১: (বাগেরহাট সদর, চিতলমারী, মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২: (ফকিরহাট, রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৩: (কচুয়া, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে আসনবিন্যাস ছিল— বাগেরহাট-১: (চিতলমারী, মোল্লাহাট, ফকিরহাট), বাগেরহাট-২: (বাগেরহাট সদর, কচুয়া), বাগেরহাট-৩: (রামপাল, মোংলা), বাগেরহাট-৪: (মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)।
৩৮৫ দিন আগে
জীবিত ব্যক্তিদের মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম কর্তন, দুর্ভোগে ভুক্তভোগীরা
পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতাধিক জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম কর্তন করা হয়েছে। জীবিত এসব মানুষ ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় ভোটাধিকার প্রয়োগ, ব্যাংক ঋণ, করোনার রেজিস্ট্রেশন এবং সরকারি সুবিধার ভাতার টাকা উত্তোলন করতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ছেন।
২০২৯ দিন আগে
জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ!
মেহেরপুরের গাংনীতে উপজেলা নির্বাচন অফিসের আউট সোর্সিং কম্পিউটার অপারেটরদের বিরুদ্ধে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়ার অভিযোগ উঠছে।
২২১৫ দিন আগে