ছুটি
চৈত্র সংক্রান্তিতে তিন পার্বত্য জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা
চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে আগামী ১৩ এপ্রিল দেশের তিন পার্বত্য জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ এপ্রিল ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাধারণ ছুটি থাকবে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই তিন পার্বত্য জেলার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থানে বসবাসরত সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য এদিনটি ‘ঐচ্ছিক ছুটি’ হিসেবে গণ্য হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ (বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু) উদযাপনকে আনন্দময় করতে সরকার প্রতিবছরই এই বিশেষ ছুটির ব্যবস্থা করে থাকে।
১৩ দিন আগে
হামের প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ছুটি বাতিল
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে ছুটি বাতিলের কথা বলা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, শিশুদের মাঝে হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় আপদকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা ও হামের টিকা দেওয়ার সুবিধার্থে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি (অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি) বাতিল করা হলো।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের ব্যাপক হারে হামের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের ৫৬টি জেলায় এই রোগের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। হামে অর্ধশতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আগামী রবিবার থেকে জরুরি ভিত্তিতে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ হামের ভ্যাকসিন নিয়ে দেওয়া হবে।
১৬ দিন আগে
দুর্গাপূজার ছুটি ৩ দিন করার দাবি
দুর্গাপূজার ছুটি কমপক্ষে তিনদিন করার দাবিসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও সুরক্ষায় একাধিক প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সমস্যাগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) আমাদের সকল সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শুনেছেন এবং পর্যায়ক্রমে সমাধানেরও আশ্বাস দিয়েছেন।
সন্তোষ শর্মা জানান, বৈঠকে হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— অর্পিত সম্পত্তি আইন কার্যকর বাস্তবায়ন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পরিবর্তে ফাউন্ডেশন গঠন, দেবোত্তর সম্পত্তি আইন প্রণয়ন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, সংখ্যালঘু বিষয়ক পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংখ্যালঘু কমিশন গঠন।
এছাড়া দুর্গাপূজার ছুটি কমপক্ষে তিনদিন করার দাবি জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সন্তোষ শর্মা বলেন, ৫ আগস্টের পরে আমাদের সম্প্রদায়ের যে সমস্ত লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে, সেই মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছি। আমাদের লোকজনের জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার বিচার দাবি করে তিনি আরও বলেন, ফেসবুকে নানারকম মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগে যে সমস্ত হত্যাকাণ্ড, লুটপাট এবং ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, সেগুলোর বিচার চেয়েছি আমরা। উনিও বলেছেন এগুলোর পর্যায়ক্রমে বিচার করা হবে।
১৭ দিন আগে
ঈদের ছুটি শুরু, ঢাকা ছাড়ছে লাখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার থেকে টানা সাত দিনের ছুটি শুরু হয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে লাখ লাখ মানুষ নাড়ির টানে বাড়িতে ফিরছেন।
ঈদের এই দীর্ঘ ছুটিতে সরকারি অফিস, আদালত এবং অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ফলে বড় শহরগুলো থেকে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে মানুষের বাড়ি ফেরার ধুম লেগেছে। গতকাল ১৬ মার্চ (সোমবার) ছিল ঈদের আগে শেষ কার্যদিবস।
চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৮ মার্চকেও ছুটি ঘোষণা করেছে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সোমবারই ছিল ঈদের আগে শেষ কর্মব্যস্ত দিন।
উল্লেখ্য, ঈদে যাতায়াত যেন নিরবচ্ছিন্ন হয়, সেজন্য ১৮ মার্চ ছুটির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের পর গত ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ওইদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। এর ফলে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ঈদ ছুটি নিশ্চিত হয়েছে।
৩৩ দিন আগে
১১ দিনের ছুটিতে বুড়িমারী স্থলবন্দর
পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা ১১ দিন আমদানি-রপ্তানিসহ সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।
বুড়িমারী কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ছুটির এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটিসহ আগামী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয়ে এই ছুটি চলবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। টানা ১১ দিন আমদানি-রপ্তানিসহ সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর ২৮ মার্চ থেকে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ এই ছুটির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এএসএম নিয়াজ নাহিদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, বিজিবি, ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা কাস্টমস, বিএসএফ এবং ভুটানের সংশ্লিষ্ট শুল্ক কর্তৃপক্ষসহ উভয় দেশের পরিবহন ও শ্রমিক সংগঠনকে দেওয়া হয়েছে।
ফারুক হোসেন বলেন, পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ১১ দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মানুষের যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।
বুড়িমারী স্থলবন্দর পুলিশ অভিবাসন চৌকির (ইমিগ্রেশন) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধের চিঠি তারা পেয়েছেন। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক থাকবে।
বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ১১ দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন আমাদের চিঠি দিয়েছে। মূলত ব্যবসায়ীরা কাজ না করলে বন্দরের কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ থাকে।
অন্যদিকে, বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার মুহাম্মদ মহি উদ্দিন জানান, ১৭ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি তারা লিখিতভাবে জেনেছেন। তবে এ সময়ে যাত্রী পারাপার চালু থাকার পাশাপাশি কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।
৩৪ দিন আগে
মঙ্গলবার থেকে শুরু ৭ দিনের সরকারি ছুটি
আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি। সেই হিসেবে আজ সোমবার ১৬ মার্চই ঈদুল ফিতরের আগে সর্বশেষ কর্মদিবস।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আজ (সোমবার) ঈদের আগে সর্বশেষ অফিস করছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে এবার ঈদুল ফিতরে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা ৭ দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
চলতি বছর রমজান ৩০ দিন ধরে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার। রমজানের ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ হবে ২১ মার্চ।
এ বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদের আগে-পরে দুই দিন করে মোট চারদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সেই হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ঈদের ছুটি আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল।
তবে ঈদের আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটি রয়েছে। এরপর ঈদের নির্ধারিত ছুটি শুরু হওয়ার আগে মাঝখানে একদিন (১৮ মার্চ) অফিস খোলা ছিল।
কিন্তু ঈদে মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্নে টানা ৭ দিনের ছুটি নিশ্চিতে বিভিন্ন মহল থেকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি উঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওইদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে।
১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটির মাধ্যমে টানা সাত দিনের ছুটির ব্যবস্থা করেছে সরকার। তাই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদুল ফিতরের ছুটি হবে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত।
৩৪ দিন আগে
সংবাদপত্রে ঈদের ছুটি ৫ দিন
এবার ঈদুল ফিতরে সংবাদপত্রে পাঁচ দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সংবাদপত্র মালিক সমিতি (নোয়াব)।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নোয়াবের নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে, গণমাধ্যমে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের ছুটি পালন করা হবে। সে হিসাবে ২০ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত কোনো সংবাদপত্র প্রকাশিত হবে না।
৪০ দিন আগে
টানা ৪ দিনের সরকারি ছুটি শুরু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়েছে আজ বুধবার। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টানা চার দিন, আর সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এক দিন পূজার ছুটিসহ টানা পাঁচ দিন ছুটি উপভোগ করবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। অন্যদিকে, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি এবং ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার পড়ায় সাপ্তাহিক ছুটি। আর ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রির ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়াও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এ বিষয়ে গত ২৫ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদ-বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে।
ভোটের সময় ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের বিশেষ ছুটি পরবর্তীতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন বদল করা যাবে।
এ বিষয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ১০ ফেব্রুয়ারির পর সুবিধাজনক যেকোনো একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে ‘কর্মদিবস’ ঘোষণা করতে পারবে।
আগামীকাল (ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটাররা এবার দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন। একটি সাদা ব্যালট, এটি হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালট। আর গণভোটের জন্য থাকবে গোলাপি ব্যালট।
ইসির তথ্য অনুসারে, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
নির্বাচন কমিশনে মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৬০টি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫০টি দল।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী আছেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে ৫০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। মোট নারী প্রার্থী আছেন ৮১ জন।
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরাপদ নির্বাচন হিসেবে আয়োজন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্য, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং প্রায় ১ লাখ সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
৬৭ দিন আগে
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শুরু, আজ সাধারণ ছুটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে সারা দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়েছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এই শোক চলবে আগামী ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন এই নেত্রীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীরভাবে শোকাহত। তার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
রাষ্ট্রীয় শোকের প্রথম দিনে আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়াও তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাতের জন্য আগামী শুক্রবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হবে।
এর আগে গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও আজ বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে। আজ আমাদের পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিস্তব্ধ।
জানাজাসহ শোক পালনের সকল ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
১০৯ দিন আগে
সাপ্তাহিক ছুটি দুদিনই, প্রাথমিকের অন্যান্য ছুটি কমবে: উপদেষ্টা
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন বহাল রেখেই শিক্ষাপঞ্জির অন্যান্য ছুটি কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি মনে করি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মূল কাজই হচ্ছে স্বাক্ষরতা। স্কুল স্তরে যদি স্বাক্ষরতা করতে হয়, কতগুলো প্রতিবন্ধকতা আমাদের পার হতে হচ্ছে। কেন আমরা সহজে এগোতে পারছি না। এই বিষয়গুলো আমি আপনাদের সামনে প্রকাশ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘স্কুলে যদি পড়াশোনা হতে হয় তবে প্রয়োজনীয় একটি শর্ত হচ্ছে কন্ট্রাক্ট আওয়ার, অর্থাৎ একজন শিক্ষক ছাত্রকে কতটুকু সময় দিতে পারছেন। এই কন্ট্রাক্ট আওয়ার প্রথমত নির্ভর করছে কত দিন স্কুল খোলা থাকে। আপনারা ক্যালেন্ডার দেখেন, ৩৬৫ দিনের মধ্যে আমার স্কুল খোলা থাকে মাত্র ১৮০ দিন। খেয়াল করেছেন ব্যাপারটা? পড়াশোনাটা যে হবে, স্কুল কত দিন খোলা পাচ্ছি? এর মানে আমাদের অনেক অপ্রয়োজনীয় ছুটি রয়ে গেছে।’
‘আমরা চেষ্টা করছি ছুটি যদি কিছু কমিয়ে আনা যায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে এটা করছি, কারণ বিচ্ছিন্নভাবে করলে হবে না।’
আরও পড়ুন: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতনস্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত
ছুটি কমানোর ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন থেকে কমিয়ে এক দিন করার চিন্তা আছে কিনা— জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আপাতত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ক্যালেন্ডারে ছুটি কিছুটা কমানো। আমরা যদি সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিনকে এক দিন করতে চাই, সেটা সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেহেতু একই রকম তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলাদাভাবে করা কঠিন। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এক ধরনের দাবি আছে, শিক্ষকরা হচ্ছেন ভ্যাকেশন ডিপার্টমেন্টে, নন-ভ্যাকেশন হতে চাইলে এটা সঙ্গে সরকারের আর্থিক সংশ্লেষের প্রসঙ্গ আছে। ফলে এ ধরনের একটা চিন্তা আছে, তবে এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। তবে আমাদের ক্যালেন্ডারে যে ছুটি আছে সেক্ষেত্রে আমাকে কিছুটা কমিয়ে আনব।’
কোন কোন দিন ছুটি কমাবেন সেটা ঠিক হয়েছে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা চূড়ান্ত হলে আপনাদের জানিয়ে দেব।’
২২৪ দিন আগে