জামায়াত নেতা
পটুয়াখালীতে গৃহবধূর সঙ্গে প্রেমের অভিযোগে জামায়াত নেতাকে মারধর
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূর সঙ্গে বিয়েবহির্ভূত প্রেমের অভিযোগকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হয়েছেন ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদা।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ফারুক হোসেন দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয়রা জানান, এক গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তুলে স্থানীয় কয়েকজন ফারুক হোসেনকে আটক করে মারধর করেন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে ফারুক হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪ থেকে ৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার একটি বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে এক নারীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষ আমাকে বাড়াবাড়ি না করতে বলেছিল। পরে আমি সরে গেছি। আমাকে কোথাও হাতেনাতে ধরতে পারেনি। এরপরও তারা আমার বিরুদ্ধে গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তুলে মারধর করেছে।’
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম দাবি করেন, ফারুক অনেক দিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিরক্ত করতেন। বিভিন্নভাবে টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন এবং তিনি আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। আশপাশের লোকজন আগে থেকেই বিষয়টি আমাদের জানিয়েছিল, কিন্তু আমরা বিশ্বাস করিনি। পরে ফারুকের ছেলে আমার ছেলেকে কিছু ছবি দেখায়, এরপর আমরা বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মারামারির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৫ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতার কারখানা সিলগালা, ৩ লাখ টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শাহানগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক জামায়াত নেতার অনুমোদনহীন কারখানা সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে ওই কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হোসাইন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সূত্রে জানা যায়, ওই কারখানায় দাঁতের মাজন, ইঁদুর ও পিঁপড়া মারার ওষুধ উৎপাদনের কথা বলে সেখানে হারপিক ও কয়েল প্রস্তুত করা হতো। এছাড়া সেখানে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনবিহীন গরু ও হাঁস-মুরগির ওষুধ উৎপাদন করা হতো। তাদের তৈরি নিমের মাজনে কোনো নিমের উপাদান পাওয়া যায়নি। পণ্যগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখও লেখা ছিল না।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কারখানাটি সিলগালা করা হয়। সে সময় কারখানা মালিক নজরুল ইসলামকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় সেখানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও ক্যাবের প্রতিনিধিসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১৫৭ দিন আগে
বগুড়ায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা খুন, আটক ২
বগুড়া শহরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাইফুল ইসলাম (৪৫) নামের এক জামায়াত নেতাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত দুই জনকে আটক করেছে র্যাব ।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে শহরের মাহবুবনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তারেক (৩০) নামের আরও একজন আহত হয়েছেন।
নিহত সাইফুল ইসলাম বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার মৃত নওশেদ আলীর ছেলে ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বগুড়া শহর শাখার ওলামা বিভাগের রুকন ও দায়িত্বশীল ছিলেন বলে জানিয়েছেন শহর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ইকবাল হোসেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (রবিবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের মাহবুবনগর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র (চাকু) নিয়ে সাইফুল ও তারেকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের দুজনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের জরুরি বিভাগে ভর্তির পরামর্শ দেন। এরপর সাইফুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে রাতে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুনরায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজন আটক হয়েছেন। তারা হলেন: বগুড়া শহরের খান্দার ভিআইপি রোড এলাকার মেহেদী হাসান টিটু ও মোস্তাকিন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। থানায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলাানা আবিদুর রহমান সোহেল, সেক্রেটারি আ স ম আব্দুল মালেক এবং উলামা বিভাগ বগুড়া শহর শাখার সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসাইন।
১৬৬ দিন আগে
শরীয়তপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ লাখ টাকাসহ জামাত নেতা আটক
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা ও একটি ল্যাপটপসহ স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নড়িয়া পৌরসভার বৈশাখীপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এ সময় ওই বাড়ি থেকে নগদ প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও একটি ল্যাপটপ, ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মাষ্টার গোলাম মোস্তফা নামে স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উদ্ধার হওয়া অর্থ ও অন্যান্য আলামতের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
১৮৪ দিন আগে
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে প্রায় ৫০ লাখ নগদ টাকাসহ আটক ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) টাকাসহ আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎক নজমুল হুদা বলেন, পরীক্ষায় জামায়াত নেতার হার্ট অ্যাটাকের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। একটি ইসিজি করা হয়েছে, কিন্তু তাতে হার্ট অ্যাটাকের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। তাকে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতাল ও এর আশপাশে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে, আজ (মঙ্গলবার) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বেলাল উদ্দিন নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে অবতরণ করেন। পরবর্তীতে তার ব্যাগ তল্লাশি করে এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সাত্তার জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনা ভিন্নখাতে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। এই অর্থ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নয়, তার ব্যবসার টাকা। এটা পরিকল্পিতভাবে জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কাজটা করা হচ্ছে।’
১৮৪ দিন আগে
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার
শেরপুরে ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাকে ঝিনাইগাতী বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান রুবেল (২৮) ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সম্পাদক।
এদিকে, রুবেলকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গতকাল (সোমবার) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মামুন অর-রশীদ মামুন ও সদস্যসচিব নিয়ামুল হাসান আনন্দ। বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতে ইসলামী দায়েরকৃত মিথ্যা ও বানোয়ট মামলা প্রত্যাহারসহ অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুবেলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বপ্রাপ্ত দ্বিতীয় কর্মকর্তা মো. আবুল হাশিম স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রুবেলকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রুবেল জামায়াত নেতা রেজাউল হত্যা মামলার একজন এজাহারভুক্ত আসামি। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তাকে আাদলতে সোপর্দ করা হবে।
এদিকে, উচ্চ আদালত থেকে গতকাল (সোমবার) রেজাউল হত্যা মামলার প্রধান আসামি বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল সহ ৪০ আসামির ৬ সপ্তাহের আগাম জামিনের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী নিহতের স্ত্রী মারজিয়া ও জেলা জামায়াত নেতারা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আসামিদের হাইকোর্টে আগাম জামিনের প্রতিবাদ জানিয়ে বাদী মারজিয়া কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেছেন, রেজাউল হত্যাকাণ্ডে পরিবার ও এলাকাবাসী এখনো গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে। অথচ হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আসামিদের হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে অবিলম্বে উচ্চ আদালতে আপিল করে জামিন বাতিলের দাবি জানান।
এ সময় জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান বলেছেন, আগাম জামিনে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে জামিনে থাকা এসব আসামি ভোটে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনকালে বাদী মারজিয়ার পাশে বসা ছিলেন নিহত রেজাউলের বাবা মাওলানা আব্দুল আজিজ, ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে ২৮ জানুয়ারি প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মারজিয়া বাদী হয়ে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল সহ ২৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০/৫০০ জনকে আসামি করে শনিবার ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
১৯৩ দিন আগে
শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে মধ্যরাতে জাবি শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে নির্বাচনি সভায় বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রশিবির।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে শুরু হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে বটতলা এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে শাখা শিবিরের সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনা গুম-খুন ও দমন-পীড়নের রাজনীতির মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন, যার পরিণতিতে তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না ফ্যাসিবাদের পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। আমরা তারেক রহমানকে বলতে চাই, দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুন। বাংলাদেশে হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করার সুযোগ নেই। ছাত্র-জনতার শক্তি আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের এই নেতা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ প্রায় দুই হাজার ভাই-বোনের রক্তের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। যেখানে খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের রাজনীতি থাকবে না। এসব অপকর্মে জড়িতদের জনগণ কখনো ক্ষমা করবে না।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘হাজারও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেখানে নতুন ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা আবার পুরনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দমনমূলক রাজনীতির পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেরপুরে নির্বাচনি অনুষ্ঠানে হামলা ও পরবর্তী হত্যাকাণ্ড কোনো সংঘর্ষ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। নারী নির্যাতন, মা-বোনদের ওপর হামলা এবং মানবিক মর্যাদা লঙ্ঘন এ দেশের মানুষ কখনো মেনে নেবে না। এসব ন্যাক্কারজনক কাজের জবাব জনগণ আগামী নির্বাচনে দেবে।’
এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশন ও অন্তরবর্তীকালীন সরকারকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত ও হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে এক নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গতকাল (বুধবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
১৯৮ দিন আগে
জামায়াত নেতা আজহারের পরবর্তী আপিল শুনানি ৬ মে
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন সহকারী সেক্রটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিলের শুনানি পিছিয়েছে। তার পরবর্তী আপিল শুনানির জন্য ৬ মে দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা-হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতন ও গুরুতর জখম এবং বাড়িঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের মতো ৯ ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল এ টি এম আজহারের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আজহারের শুনানির তারিখ ধার্য
২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে ২ নম্বর, ৩ নম্বর এবং ৪ নম্বর অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেওয়া হয় আজহারুল ইসলামকে।
এ ছাড়া ৫ নম্বর অভিযোগে অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অমানবিক অপরাধের দায়ে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে নির্যাতনের দায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে শুনানির পর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। আপিল বিভাগের রায়ে ২, ৩, ৪ (সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে) ও ৬ নম্বর অভিযোগের দণ্ড বহাল রাখা হয়। আর ৫ নম্বর অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।
ওই দিন আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী (প্রয়াত) খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন (প্রয়াত) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
আরও পড়ুন: ‘জামায়াত নেতার নেতৃত্বে’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার বাড়িতে হামলা
২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ওই রায়ের রিভিউ চেয়ে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট আবেদন করেছিলেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম। ২৩ পৃষ্ঠার পুনর্বিবেচনার এ আবেদনে মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
ওই পুনর্বিবেচনার আবেদনের শুনানি শেষে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে এ টি এম আজহারুল ইসলামকে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এছাড়া দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সার সংক্ষেপ জমা দিতে বলেন। এরপর আপিলের ওপর শুনানি কয়েক দফা পেছানো হয়।
৪৮০ দিন আগে
‘জামায়াত নেতার নেতৃত্বে’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার বাড়িতে হামলা
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আলীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আফজাল হোসাইনের নেতৃত্বে তার লোকজন এ হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে কুমারখালী পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের এলেঙ্গিপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। তবে জামায়াত নেতা আফজাল অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমারখালী শাখার সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আলী বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) সকালে থানার একটা বিষয় নিয়ে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আফজাল হোসাইনের সঙ্গে ফোনে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আফজাল হোসাইনের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মানুষ আমার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় বাসায় আমি ও আমার আব্বু ছিলাম না। তারা টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তারা এই তাণ্ডব চালিয়েছে। এ সময় তারা নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।’
আরও পড়ুন: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আজহারের শুনানির তারিখ ধার্য
৫৩৫ দিন আগে
আজহারের মুক্তির দাবিতে খাগড়াছড়িতে মিছিল-সমাবেশ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজাহারুর ইসলামের মুক্তির দাবিতে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াত এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
খাগড়াছড়ি শহরের মহাজনপাড়ার চেঙ্গী স্কোয়ার থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরে শাপলা চত্ত্বর হয়ে কোট বিল্ডিং ঘুরে এসে শাপলা চত্ত্বর মুক্ত মঞ্চে এক সমাবেশ করে।
আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতায় যাওয়া নয়, সুশাসন কায়েম করাই জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য’
সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর খাগড়াছড়ি জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, সেক্রেটারি মিনহাজুল রহমান, খাগড়াছড়ি সদরের আমির মো. ইলিয়াস, অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী।
এ সময় বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা তাদের পাঁচ নেতাকর্মীকে অন্যাভাবে ফাঁসি দিয়েছে। দীর্ঘ ১৪ বছর অন্যায়ভাবে বহু নেতাকর্মীকে কারাবরণ করতে হয়েছে। অনেক অন্যায় সহ্য করতে হয়েছে। এ সকল অন্যায়ের বিচার করতে হবে।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন
তারা আগামী ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এটিএম আজাহারুল ইসলামের মুক্তি দাবি করেন নেতারা। দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণাও দেন বক্তারা।
এ সময় ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
৫৪২ দিন আগে