জামায়াত নেতা
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার
শেরপুরে ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাকে ঝিনাইগাতী বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান রুবেল (২৮) ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সম্পাদক।
এদিকে, রুবেলকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গতকাল (সোমবার) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মামুন অর-রশীদ মামুন ও সদস্যসচিব নিয়ামুল হাসান আনন্দ। বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতে ইসলামী দায়েরকৃত মিথ্যা ও বানোয়ট মামলা প্রত্যাহারসহ অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুবেলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বপ্রাপ্ত দ্বিতীয় কর্মকর্তা মো. আবুল হাশিম স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রুবেলকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রুবেল জামায়াত নেতা রেজাউল হত্যা মামলার একজন এজাহারভুক্ত আসামি। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তাকে আাদলতে সোপর্দ করা হবে।
এদিকে, উচ্চ আদালত থেকে গতকাল (সোমবার) রেজাউল হত্যা মামলার প্রধান আসামি বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল সহ ৪০ আসামির ৬ সপ্তাহের আগাম জামিনের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী নিহতের স্ত্রী মারজিয়া ও জেলা জামায়াত নেতারা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আসামিদের হাইকোর্টে আগাম জামিনের প্রতিবাদ জানিয়ে বাদী মারজিয়া কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেছেন, রেজাউল হত্যাকাণ্ডে পরিবার ও এলাকাবাসী এখনো গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে। অথচ হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আসামিদের হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে অবিলম্বে উচ্চ আদালতে আপিল করে জামিন বাতিলের দাবি জানান।
এ সময় জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান বলেছেন, আগাম জামিনে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনে জামিনে থাকা এসব আসামি ভোটে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনকালে বাদী মারজিয়ার পাশে বসা ছিলেন নিহত রেজাউলের বাবা মাওলানা আব্দুল আজিজ, ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে ২৮ জানুয়ারি প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মারজিয়া বাদী হয়ে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল সহ ২৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০/৫০০ জনকে আসামি করে শনিবার ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
৩ দিন আগে
শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে মধ্যরাতে জাবি শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে নির্বাচনি সভায় বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রশিবির।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে শুরু হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে বটতলা এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে শাখা শিবিরের সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনা গুম-খুন ও দমন-পীড়নের রাজনীতির মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন, যার পরিণতিতে তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না ফ্যাসিবাদের পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। আমরা তারেক রহমানকে বলতে চাই, দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুন। বাংলাদেশে হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করার সুযোগ নেই। ছাত্র-জনতার শক্তি আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের এই নেতা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ প্রায় দুই হাজার ভাই-বোনের রক্তের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। যেখানে খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের রাজনীতি থাকবে না। এসব অপকর্মে জড়িতদের জনগণ কখনো ক্ষমা করবে না।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘হাজারও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেখানে নতুন ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা আবার পুরনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দমনমূলক রাজনীতির পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেরপুরে নির্বাচনি অনুষ্ঠানে হামলা ও পরবর্তী হত্যাকাণ্ড কোনো সংঘর্ষ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। নারী নির্যাতন, মা-বোনদের ওপর হামলা এবং মানবিক মর্যাদা লঙ্ঘন এ দেশের মানুষ কখনো মেনে নেবে না। এসব ন্যাক্কারজনক কাজের জবাব জনগণ আগামী নির্বাচনে দেবে।’
এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশন ও অন্তরবর্তীকালীন সরকারকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত ও হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে এক নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গতকাল (বুধবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
৮ দিন আগে
জামায়াত নেতা আজহারের পরবর্তী আপিল শুনানি ৬ মে
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন সহকারী সেক্রটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিলের শুনানি পিছিয়েছে। তার পরবর্তী আপিল শুনানির জন্য ৬ মে দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা-হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতন ও গুরুতর জখম এবং বাড়িঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের মতো ৯ ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল এ টি এম আজহারের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আজহারের শুনানির তারিখ ধার্য
২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে ২ নম্বর, ৩ নম্বর এবং ৪ নম্বর অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেওয়া হয় আজহারুল ইসলামকে।
এ ছাড়া ৫ নম্বর অভিযোগে অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অমানবিক অপরাধের দায়ে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে নির্যাতনের দায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে শুনানির পর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। আপিল বিভাগের রায়ে ২, ৩, ৪ (সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে) ও ৬ নম্বর অভিযোগের দণ্ড বহাল রাখা হয়। আর ৫ নম্বর অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।
ওই দিন আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী (প্রয়াত) খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন (প্রয়াত) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
আরও পড়ুন: ‘জামায়াত নেতার নেতৃত্বে’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার বাড়িতে হামলা
২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ওই রায়ের রিভিউ চেয়ে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট আবেদন করেছিলেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম। ২৩ পৃষ্ঠার পুনর্বিবেচনার এ আবেদনে মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
ওই পুনর্বিবেচনার আবেদনের শুনানি শেষে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে এ টি এম আজহারুল ইসলামকে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এছাড়া দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সার সংক্ষেপ জমা দিতে বলেন। এরপর আপিলের ওপর শুনানি কয়েক দফা পেছানো হয়।
২৯০ দিন আগে
‘জামায়াত নেতার নেতৃত্বে’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার বাড়িতে হামলা
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আলীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আফজাল হোসাইনের নেতৃত্বে তার লোকজন এ হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে কুমারখালী পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের এলেঙ্গিপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। তবে জামায়াত নেতা আফজাল অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমারখালী শাখার সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আলী বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) সকালে থানার একটা বিষয় নিয়ে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আফজাল হোসাইনের সঙ্গে ফোনে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আফজাল হোসাইনের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মানুষ আমার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় বাসায় আমি ও আমার আব্বু ছিলাম না। তারা টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তারা এই তাণ্ডব চালিয়েছে। এ সময় তারা নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।’
আরও পড়ুন: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আজহারের শুনানির তারিখ ধার্য
৩৪৬ দিন আগে
আজহারের মুক্তির দাবিতে খাগড়াছড়িতে মিছিল-সমাবেশ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজাহারুর ইসলামের মুক্তির দাবিতে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াত এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
খাগড়াছড়ি শহরের মহাজনপাড়ার চেঙ্গী স্কোয়ার থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরে শাপলা চত্ত্বর হয়ে কোট বিল্ডিং ঘুরে এসে শাপলা চত্ত্বর মুক্ত মঞ্চে এক সমাবেশ করে।
আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতায় যাওয়া নয়, সুশাসন কায়েম করাই জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য’
সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর খাগড়াছড়ি জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, সেক্রেটারি মিনহাজুল রহমান, খাগড়াছড়ি সদরের আমির মো. ইলিয়াস, অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী।
এ সময় বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা তাদের পাঁচ নেতাকর্মীকে অন্যাভাবে ফাঁসি দিয়েছে। দীর্ঘ ১৪ বছর অন্যায়ভাবে বহু নেতাকর্মীকে কারাবরণ করতে হয়েছে। অনেক অন্যায় সহ্য করতে হয়েছে। এ সকল অন্যায়ের বিচার করতে হবে।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন
তারা আগামী ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এটিএম আজাহারুল ইসলামের মুক্তি দাবি করেন নেতারা। দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণাও দেন বক্তারা।
এ সময় ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
৩৫৩ দিন আগে
বিশ্বনাথে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
সিলেটের বিশ্বনাথে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমীর ও খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে বিশ্বনাথ পৌরশহরের পুরানবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিয়য়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলক দাশ বলেন, গ্রেপ্তারের পরই নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ, ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্বনাথ উপজেলার গন্ধারকাপন গ্রামে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাস্টার এমাদ উদ্দিনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক গোপন বৈঠক (উপজেলা মাসিক বৈঠক) থেকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদসহ বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের শীর্ষ ১৭ নেতাকে আটক করে পুলিশ।
এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় আসামি করা হয় উপজেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর ও খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীকে। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
আরও পড়ুন: জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলসহ ১০ নেতাকর্মী আটক
জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবি এলডিপি প্রধানের
১৬০৮ দিন আগে
জামায়াতের সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী গ্রেপ্তার
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা’র সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার ভোর সাতকানিয়া পৌরসভা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছমদর পাড়া ২ নম্বর গলির নিজ বাড়ি থেকে সাতকানিয়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ‘গোপন বৈঠকের’ সময় জামায়াত ও হেফাজতের ৯ নেতা গ্রেপ্তার
বিষয়টি নিশ্চিত করে সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, শাহাজান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। শনিবার ভোরে তার বাড়ী থেকে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করেছি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আটক
তবে কোন মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে তা জানেন না চট্টগ্রামের জামায়াত নেতারা।
এর আগে ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল রাতে চন্দনপুরা দারুল উলুম মাদরাসা থেকে তিনি ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ জঙ্গিবাদকে কখনো আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির জাফর সাদেক জানায়, পবিত্র ঈদুল ফিতরের রাত অতিবাহিত হতে না হতেই অন্যায়ভাবে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঈদের এই সময়ে সবাই যখন পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজনের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও সময় কাটায়, ঠিক এ মুহুর্তে একজন বয়োজ্যেষ্ঠ মজলুম নেতাকে এভাবে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণ ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।
১৭২৮ দিন আগে
চট্টগ্রামে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আটক
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর উপেজলা সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামকে আটক করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১টায় নগরীর কোতোয়ালী থানার টেরিবাজার থেকে ৫/৬ জন সাদা পোশাকে এবং ১ জন পোশাকধারী পুলিশ তাকে আটক করে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে ‘আনসার আল ইসলামের’ ৩ সদস্য আটক
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আফজারুল হক টুটুল রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ জঙ্গিবাদকে কখনো আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তবে জহিরুল ইসলামকে কেন আটক করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও মামলা ছিল না।
নাশকতার অভিযোগে যে কয়টি মামলা ছিল সেগুলোতে ইতিমধ্যে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন বলে দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জানান।
আরও পড়ুন: সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের মতো মাদকের বিরুদ্ধেও জয়ী হতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এদিকে জহিরুল ইসলামকে আটকের বিষয়টি বাঁশখালী থানা পুলিশ অবহিত নয় বলে জানায়।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল কবির বলেন, কারা জহিরুল ইসলামকে আটক করেছে আমরা জানি না। তবে ফেসবুকে দেখেছি।
১৭৩৬ দিন আগে
শ্বাসকষ্ট, সর্দিতে বাগেরহাটে জামায়াত নেতার মৃত্যু
শ্বাসকষ্ট ও সর্দিতে আক্রান্ত বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা জামায়াতের আমির ও গৌরম্ভা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ নাসের উদ্দিন মারা গেছেন।
২১৩৩ দিন আগে
যুদ্ধাপরাধী আজহারের মৃত্যুদণ্ড বহাল
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন।
২২৯০ দিন আগে