যুবদল নেতা
খুলনায় যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ
খুলনার তেরখাদায় মো. রামীম বিশ্বাস (৩২) নামের এক যুবদল নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পারহাজীগ্রামে সেনেরবাজার-মধুপুর সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গুলিবিদ্ধ রামীম বিশ্বাস পারহাজীগ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ও মধুপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রামীম পারহাজীগ্রামে আয়নাল মোল্লার বাড়ির সামনে একটি ভ্যানে ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
খবর পেয়ে তেরখাদা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
এছাড়া এলাকায় পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
১১ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফকির জহির রহমান (৪০) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে স্বজনরা অভিযোগ করছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক।
নিহত জহির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
জহিরের বাড়ি আড়াইহাজারে হলেও তিনি কয়েক বছর ধরে মুন্সিগঞ্জ সদরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় তিনি একটি ফার্মেসি চালাতেন।
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে ওসি বারিক বলেন, বুধবার রাতে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা জহিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সড়কে ফেলে রেখে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে নিহতের ভাগনে ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, কালাপাহাড়িয়া এলাকার এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার মামার দ্বন্দ্ব ছিল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
তবে হত্যার কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি জানিয়ে ওসি বলেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
১৩ দিন আগে
মাগুরায় যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার
মাগুরায় বাস কাউন্টার থেকে পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন।
নিহত সাকের মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী বেপারীপাড়া এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। পৌর যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার পাশাপাশি তিনি মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, আজ (বুধবার) ভোরে রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে সাকেরকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক মাইনুল হাসান জানান, ভোরে কয়েকজন ব্যক্তি সাকেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সাকেরের মাথার পেছনে ছিদ্রের মতো চিহ্ন পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের অস্থায়ী লাশঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এদিকে সাকেরকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্বজন ও স্থানীয়রা। তার বিরুদ্ধে গত ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে ১০টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্রের মতো চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
১৪ দিন আগে
কুমিল্লায় যুবদলের নেতাকে কুপিয়ে ‘হত্যা’
কুমিল্লা মহানগরীর ছত্রখিল এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবদল নেতা কাউছার কুমিল্লা মহানগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাপ্তান বাজার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দুর্বৃত্তরা কাউছারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, পূর্বশত্রুতা বা অন্য কোনো বিরোধের জেরে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
১৯ দিন আগে
‘উপকারভোগীদের তালিকা চেয়ে না পেয়ে’ নড়াইলে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ
নড়াইল সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢুকে সরকারি কর্মকর্তার নিকট উপকারভোগীদের তালিকা দাবি এবং তালিকা না পেয়ে কর্মকর্তাকে মারধর, সরকারি কাজে বাঁধা ও কার্যালয়ের জিনিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৮ জুন) রাতে সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান বাদী হয়ে এক যুবকের নাম উল্লেখসহ ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।
মামলার আসামি মো.জিসানুর রহমান (৩০) নড়াইলের যদুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে যুবদল নেতা দাবি করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুণ্ডু মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, নড়াইল সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে মো. জিসানুর রহমান প্রায়ই বিভিন্ন গোপনীয় তথ্য চাইতেন। তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তিনি কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গালিগালাজ করে চলে যেতেন।
সর্বশেষ, গতকাল (রবিবার) বিকেলে জিসানুর রহমান অজ্ঞাতনামা আরও চার পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তিনি জেলার সব সুবিধাভোগী সদস্যের প্রদর্শনী তালিকা দাবি করেন। এ সময় মৎস্য কর্মকর্তা তাকে জানান, এর আগে তাকে একাধিকবার তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ কথা শুনে পর জিসানুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে কিলঘুষি মেরে নাক, মুখ, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। পরে কার্যালয়ের কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, টেবিলের ওপর থাকা প্রায় ৬৮ হাজার টাকা মূল্যের সরকারি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও মনিটর ভেঙে ফেলে জিসানুর রহমান। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করেন তিনি। পরে অভিযুক্ত জিসানুর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জিসানুর রহমান বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রদর্শনীর উপকারভোগীদের নামের তালিকা চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে তথ্য না দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তথ্য না পেয়ে ফিরে আসার সময় কার্যালয়ে থাকা এক কর্মচারী হঠাৎ বলে ওঠেন, ‘স্যার, সবকিছু মোবাইলে ভিডিও করে নিয়ে যাচ্ছেন।’ একপর্যায়ে কর্মচারীরা আমাকে মেঝেতে ফেলে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। মারপিটের সময় যে কারও হাতে লেগে তাদের কম্পিউটার ভেঙে গেছে। তারা আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভাঙচুর করেছেন।
তিনি আরও বলেন, তারা যখন আমাকে মেঝেতে ফেলে দেন, তখন আমি সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পরিহিত গেঞ্জি ধরে টান দিলে গেঞ্জি ছিড়ে যায়। আমি একা কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। আমি কেন কর্মকর্তাকে মারতে যাব? কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আমাকে মারধর করে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেছেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, মৎস্য কর্মকর্তার এজাহারের ভিত্তিতে রাত ৯টার দিকে মামলাটি নেওয়া হয়েছে। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
১২৮ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলীতে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে হত্যার ঘটনায় অন্যতম হোতা মো. আইয়ুবকে (৪৫) রাঙামাটি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকার শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আইয়ুব রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কদলপুর সমশের পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব জানান, একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রামে নিয়ে গেছে র্যারের টিম ।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭-এর মিডিয়া সেল জানায়, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১৩ জুন দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে রাঙ্গুনিয়ার যুবদল নেতা মাসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার জনসাধারণ বিক্ষোভে নামেন। এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সরাসরি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর থেকে সন্ত্রাসীরা গাঁ ঢাকা দেয়।
তথ্য প্রযুক্তি ও সোর্সের মাধ্যমে র্যাব জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হোতা আইয়ুব রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে তার নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর রবিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন র্যাব সদস্যরা।
মাসুদুল হক চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় ঘটনায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। গত ১৫ জুন রাত ১২টার দিকে নিহতের বড় ভাই মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে রাউজান থানায় এ মামলা করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পিয়ারুল ইসলাম চৌধুরী স্বপনের ছোট ভাই এবং বেতাগী এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মৃত খালেদ চৌধুরীর ছেলে।
১৩৬ দিন আগে
পাবনায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
পাবনার আতাইকুলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবদল নেতা আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দল থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) ভোরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আতাইকুলা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার আবুল কাশেম পাবনার আতাইকুলা থানার আড়িয়াডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আতাইকুলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আমরা গতকাল সারা রাত অভিযান চালিয়েছি। ভোরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছি। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে, গত ১১ জুন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার পরদিন শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে আতাইকুলা থানায় মামলা করেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ও আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল (রবিবার) অভিযুক্তের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয়রা।
এদিকে, রবিবার রাতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি একতাশামুল হক রাজিব ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল সরদারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবুল কাশেমকে দলীয় সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
১৪২ দিন আগে
নেত্রকোনায় চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলার আসামি যুবদল নেতা মেহেদী হাসান ওরফে সাহসসহ (৩০) তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বুধবার (২০ মে) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান দুর্গাপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার পশ্চিম মোক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মঞ্জুরুল হকের ছেলে। অন্য দুজন হলেন বাগিচাপাড়া এলাকার হাসু মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩০) এবং সাধুপাড়া এলাকার মো. মেহেদী (২৮)।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে থানায় হত্যাসহ একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার নাজিরপুর মোড়ে ‘ভাই ভাই এন্ড জনতা হোটেলে’ তার সহযোগীদের নিয়ে বাকিতে খাবার খেতেন। গত ৪ এপ্রিল রাতে খাবার খেতে এসে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা চলে যান। এরপরও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাকিতে খাবার খেতে থাকেন। গত ৩০ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি তার প্রায় ১৫ জন সহযোগী নিয়ে ওই হোটেলে গিয়ে খাবার খান। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ বকেয়া মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা বিল চান। এতে মেহেদী হাসান ক্ষিপ্ত হয়ে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীদের মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে উল্টো দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ নিয়ে মামলা বা পুলিশকে জানানোর ব্যাপারে নিষেধ করা হয়। ভয়ে হোটেলমালিক তিন দিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখেন। পরে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মেহেদী হাসানকে প্রধান আসামি করে তার ৮ জন সহযোগীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও আটজনের নামে মামলা করেন। গতকাল রাতে পুলিশ মেহেদী হাসানসহ তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
হোটেলমালিক খোকন মিয়া বলেন, মেহেদী হাসান বিভিন্ন সময় তার সহযোগীদের নিয়ে আমার হোটেলে খেয়ে এক লাখ টাকা বকেয়া করেন। টাকা চাইতে গেলেই তিনি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, প্রাণনাশসহ নানা ধরনের হুমকি দেন। ওই দিন গভীর রাতে খাবার খাওয়ার পর আমার ম্যানেজার টাকা চাইলে তিনি উল্টো দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ব্যবসা করতে হলে তাকে চাঁদা দিয়ে করতে হবে বলে জানান। তাই খুন-জখমের ভয়ে তিন দিন হোটেল বন্ধ রাখা হয়। তার ভয়ে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত ও অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। পরে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল গভীর রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে মেহেদী হাসান সাহসসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
১৬৭ দিন আগে
যুবদল নেতা নয়নের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নের বিরোদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
গত বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলী রোডে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহসভাপতি বায়েজিদ হোসাইনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন এ বিক্ষোভে অংশ নেন।
এ সময় রবিউল ইসলাম নয়নকে কটাক্ষ করে ‘নয়নের চামড়া, তুলে নেব আমরা’ স্লোগান দেন তারা।
২০৮ দিন আগে
সিলেটে চোরাচালানকারীদের ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক ছিনতাইচেষ্টার মামলায় যুবদল নেতা মনিজুল গ্রেপ্তার
সিলেটে চোরাচালানকারীদের ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগে মহানগর যুবদল নেতা মনিজুল আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নগরীর আম্বরখানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনিজুল আহমদ সিলেট মহানগর যুবদলের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। তিনি আম্বরখানা ইলেকট্রিক সাপ্লাই এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানায় চোরাচালান-সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, শনিবার মধ্যরাতে আম্বরখানা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি দল অংশ নেয়। এ সময় পরোয়ানাভুক্ত আসামি মনিজুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৮ জুলাই বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য নিয়ে একটি ট্রাক নগরীর চৌকিদেখি এলাকা দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ট্রাকটি আটকাতে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় চোরাকারবারীরা পুলিশের ব্যারিকেড উপেক্ষা করে ট্রাক নিয়ে মজুমদারি এলাকার একটি গলিতে ঢুকে পড়ে। সেখানে তারা ট্রাকটি রেখে পালিয়ে যায়।
ওই সময় মনিজুল আহমদ তার সহযোগীদের নিয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা চালান। তারা জব্দ করা ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকটি পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত তারা ট্রাকটি ফেলে পালিয়ে যান।
এই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মনজুরুল আলম জানান, আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে এবং অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মনিজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রবিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
২১২ দিন আগে