ছাত্রদল
শিক্ষার্থীকে মারধর: শাবিপ্রবি ছাত্রদলের ২ নেতা বহিষ্কার, দুই বছর ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) হলের খাবারের মান নিয়ে কথা বলায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে চার সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে তারা দুই বছর ক্যাম্পাসে অবস্থান ও প্রবেশ করতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ১০টায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম।
বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন— পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং পরিসংখ্যান বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের শাখা সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান। তারা শাহপরান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে গত রবিবার (১৯ জুলাই) তাদের দুজনকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম বলেন, ‘তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা দুই বছর পর নিয়মিত শিক্ষার্থী হলেও আবাসিক হলের শিক্ষার্থী হতে পারবে না।’
এছাড়া ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তার চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে বলে জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে হলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিযোগ করায় গত ১৮ জুলাই শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে উঠে শাখা ছাত্রদলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী খাইরুল খন্দকার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও শাহপরাণ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। মারধরের পর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট নগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
৩ দিন আগে
শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে দুই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়।
বহিষ্কৃতরা হলেন— শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান ও সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান। তারা শাহপরান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নির্দেশক্রমে তাদের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, গতকাল (শনিবার) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকারকে মারধর করেন অভিযুক্ত ওই দুই নেতা। এর আগে, শাহপরান হলের খাবারের মান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে খাইরুলকে মন্তব্য করেন খাইরুল। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। এর জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তরা তার ওপর চড়াও হন। ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তরা সবাই শাহপরান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে শাহপরান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমেদ বলেন, ‘এখানে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। কাউকে মারার জন্য মদদও দেইনি। হলের সমস্যা নিয়ে কোনো শিক্ষার্থী অভিযোগ করলে আমি আমার কক্ষে ডেকে তার সঙ্গে কথা বলে সমাধান করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী আমার কাছে সমান।’
এদিকে, শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক খায়রুল ইসলামের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি থেকে ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবি জানানো হয়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপাচার্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত করে ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
ইতোমধ্যে সামাজিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন: বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আ ফ ম জাকারিয়া ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন সিকদার। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক খায়রুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। ঘটনার যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হবে।
৬ দিন আগে
দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা সাময়িক স্থগিতের দাবি ছাত্রদলের
আকস্মিক বন্যা, দেশব্যাপী অতিবর্ষণ ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাসহ অন্যান্য বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। একই সঙ্গে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মানবিক বিবেচনা কামনা করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (১৩ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সারা দেশে চলমান অতিবর্ষণ, সাত জেলায় পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যার কারণে লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতিতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি, মানসিক ও মানবিক বিপর্যয় এবং চরম যাতায়াত প্রতিকূলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চলমান উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষাসহ অন্যান্য বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসমূহ সাময়িকভাবে স্থগিত করা প্রয়োজন।
এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ নিরসনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি ও সহমর্মিতাপূর্ণ পদক্ষেপও প্রত্যাশা করেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দেশের ৭ জেলায় বন্যায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ। এই বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি উপদ্রুত এলাকার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় পরীক্ষার্থীদের পক্ষে কেন্দ্রে যাতায়াত করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য।
এমতাবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আমাদের পর্যবেক্ষণ ও অনুরোধ হলো, বন্যা কবলিত অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পরীক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এই মুহূর্তে পরীক্ষা সাময়িক পিছিয়ে দিলে শিক্ষার্থীদের জানমালের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত হবে। এছাড়া, যে দুর্যোগে ১০ লক্ষাধিক মানুষ বিপর্যস্ত, সেখানে অসংখ্য শিক্ষার্থীর বইখাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পরীক্ষায় বসলে বন্যা উপদ্রুত এলাকার শিক্ষার্থীরা মনস্তাত্ত্বিকভাবে পিছিয়ে পড়বে, যা তাদের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে দেশের একটি বিরাট অংশের পরীক্ষার্থীদের সংকটে রেখে পরীক্ষা চালু রাখলে মেধার সঠিক মূল্যায়ন বাধাগ্রস্ত হবে এবং সুযোগের সমতা নষ্ট হবে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি, পরীক্ষাকেন্দ্রসমূহ পরীক্ষার উপযোগী হওয়া, পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখাই হবে যৌক্তিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত।
তারা বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত বর্তমান জনবান্ধব সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের জীবন, নিরাপত্তা এবং সুন্দর ভবিষ্যতের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে কাজ করে। তাই পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত চলমান এইচএসসি পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে পরবর্তীতে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
একই সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকার পরীক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে মানবিক সহায়তা প্রদান এবং স্থানীয় প্রশাসনের পাশে থেকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১১ দিন আগে
এমপি মনির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান ছাত্রদল সভাপতির
জুলাই আন্দোলন নিয়ে বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ‘অযাচিত’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাকিব লেখেন, ‘প্রিয় নিলোফার চৌধুরী মনি আপা, এমপি, আপনি দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের সারথি ছিলেন। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি টেলিভিশন টকশোতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আপনার অযাচিত বক্তব্যে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ। আপনার বক্তব্য আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করলাম।’
নিলোফার চৌধুরী মনিকে উদ্দেশ করে রাকিব আরও লেখেন, ‘আমরা অবগত রয়েছি, আপনি জুলাইয়ের চেতনা ধারণকারী একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। তাই জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বক্তব্যে আপনি আরও বেশি সংযত ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন সেটাই প্রত্যাশা করি।’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি প্রশ্ন তোলেন, জুলাই আন্দোলনে স্নাইপার চালিয়েছিলেন কারা।
তিনি বলেন, ‘অনেক কিছুই আমি বলতে চেয়েও বলতে পারি না। কারণ অনেক কিছু বললে অনেকের কাপড়-চোপড় ঠিক থাকবে না। যারা আজ কথা বলে, তারা কখন কোথায় কীভাবে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেখা করে এই কাজগুলো করেছিল? তাদের কতটা ভূমিকা ছিল? যাদের বলা হয় যে তারাই (আন্দোলনের) মেইন; এই আন্দোলনে কারা মেইন ছিল, কেউ জানে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনে অংশ নেওয়াদের একজন আরেকজনকে চেনে নাই। পাশে হাঁটতে গেছে, আন্দোলন করতে গেছে; পাশের একজন পড়ে গেছে। মনে করছে যে নরমাল পড়েছে। আসলে সে মারা গিয়েছে। গুলিটা সামনে থেকে আসছে না পিছন থেকে আসছে, সেটাও জানে না। গুলির কোনো শব্দ হয় নাই, এটা স্নাইপারের গুলি ছিল। অনেকেই যারা পড়ে গেছে।’
তখন সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, ‘তার মানে এটা কি কোনো ডিজাইন ছিল বা ষড়যন্ত্র?’ জবাবে নিলোফার চৌধুরী বলেন, ‘ডিজাইন তো অবশ্যই ছিল, ষড়যন্ত্র কিনা আমি বলতে পারবো না।’
জুলাই আন্দোলনে এমন নিঃশব্দে হত্যাযজ্ঞ কারা চালিয়েছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘কারা মারল, কেউ জানে না। সামনে কোনো পুলিশও ছিল না। পুলিশের গুলি হলে তো সামনেই হতো। হতে পারে কোনো বাসা থেকে টার্গেট করে, ওপরতলা থেকে টার্গেট করে হয়তো গুলি করা হয়েছে। আমার নিজের কাছে অনেক প্রশ্নের উত্তর নাই।’
২২ দিন আগে
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ২২ জনের নামে এবার ছাত্রদলের মামলা
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ছাত্রদলের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে এবার এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে ছাত্রদল পাল্টা মামলা করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) ঝিনাইদহ সদর থানায় এই মামলাটি করেন ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি মো. এনামুল কবির।
মামলায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী তারেকুল ইসলাম তারেক রেজাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ২২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন: মেহেদী হাসান আশিক, সিয়াম উদ্দিন তুর্য, তানাঈম, আসিফ, অয়ন রহমান খান, তাইন, জয়নাল, আলমগীর, শাহরিয়ার অভীক, হৃদয় মাস্টার, লাবাবুল বাশার লাবু, শিহাব শাহ, নয়ন, সুলতান শাহ, হৃদয়, রুবায়েত হাসান তুর্য, শেখ সামি, রিফাত, হাকিম, কাইসার ও ইমরানসহ অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল (শুক্রবার) দুপুরে বাদী মো. এনামুল কবির ঝিনাইদহ পৌরসভাধীন পুরাতন ডিসি কোর্ট জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে যান। নামাজ শেষে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে মসজিদ থেকে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়কারী নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী জেলা শাখার নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন।
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর সমালোচনা করছিলেন, যাতে ১ নম্বর আসামি তারেক রেজা উস্কানি দেন। এ সময় বাদী ও সাধারণ মুসল্লিরা এই বক্তব্যের প্রতিবাদ ও অনুরোধ জানালে ১ নম্বর আসামির হুকুমে এনসিপির নেতা-কর্মীরা ছাত্রদল নেতাদের ওপর চড়াও হন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে বাদীকে ঘিরে ধরে এবং মারপিট শুরু করেন। একপর্যায়ে আসামি তানাঈম বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তার কপাল ফেটে গুরুতর জখম হয়। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি হৃদয় হোসেন এবং জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি নয়ন হাওলাদারসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে পিস্তলের বাট, ধারালো দা ও ইট দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান আজ (শনিবার) বিকেলে জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে, ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১৫ জন নেতা-কর্মীর নামে এনসিপির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই পাল্টা মামলা করা হলো।
৬৩ দিন আগে
রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি
রাঙ্গামাটিতে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দলটির পদবঞ্চিত ও বর্তমান কমিটির নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত রাঙ্গামাটি জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে সোমবার (৪ মে) দুপুর থেকে পদবঞ্চিতরা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেন।
অন্যদিকে, পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির অনুসারীরা আনন্দ মিছিল বের করার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে নবনির্বাচিত কমিটির সমর্থকরা পদবঞ্চিত কর্মীদের হটিয়ে বিএনপি কার্যালয় দখলে নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিএনপি কার্যালয়ের আশপাশ এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়ন রয়েছে।
রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন জানান, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরের পৌরসভা এলাকা থেকে বনরুপা পর্যন্ত ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে বলে জানান তিনি।
৮২ দিন আগে
বহিরাগত দিয়ে রাবি ছাত্রদল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ কর্মীর বিরুদ্ধে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রদলের এক নেতাকে বহিরাগতদের দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শাওন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক ডিজাইন ডিসিপ্লিনের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। অভিযুক্ত আকাশ একই ডিসিপ্লিনের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, শাওন মোটরসাইকেলে করে চারুকলার দিকে যাওয়ার সময় আকাশসহ কয়েকজন তাকে থামান। একপর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি মেরে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেওয়া হয়।
শাওনের অভিযোগ, হঠাৎ করেই তার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তার হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার কারণ হিসেবে তিনি জানান, প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর একদিন আকাশ চারুকলার মঞ্চে ধূমপান করছিলেন। সেখানে উপস্থিত সিনিয়র শিক্ষার্থীদের স্থান ছাড়তে বললে বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এছাড়া আকাশ বিভিন্ন ঘটনায় তার নাম ব্যবহার করতেন বলেও অভিযোগ করেন শাওন।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পূর্ব বিরোধের জেরে বহিরাগতদের এনে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে একজন বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৮৯ দিন আগে
বরিশালে নতুন কমিটির দাবিতে ছাত্রদল কর্মীদের সড়ক অবরোধ
বরিশালে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন মহানগর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ সময় প্রকৃত ছাত্রদের নিয়ে জেলা ও মহানগর কমিটি গঠনের দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল সদর হাসপাতালের সামনে থেকে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়।
বিক্ষোভকারীরা জানান, বরিশাল ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ ৮/৯ বছর আগে শেষ হয়ে গেছে। দীর্ঘ সময় পার হলেও নতুন করে কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। বহুদিন ধরে নতুন কমিটির দাবি উঠলেও তা পূরণ হয়নি। সেই দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন তারা।
বিক্ষোভ মিছিলটি জেলখানা মোড়, বিবির পুকুরপাড় হয়ে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় হাতেম আলী কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবির বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে ছাত্রদলের জেলা ও মহানগরে কোনো কমিটি নেই। এখন টের পাচ্ছি, যাদের ছাত্রত্ব নেই, তারা নতুন করে কমিটিতে ঢোকার পায়তারা করছে। আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের পাশে পাইনি, তারা যেন এই কমিটিতে ঠাঁই না পায়। এজন্যই আমাদের এই বিক্ষোভ।
বিক্ষোভে উপস্থিত অন্যান্য নেতা-কর্মীরা বলেন, আমরা নতুন কমিটি চাইছি। আমাদের যাদের ছাত্রত্ব আছে, তারাই যেন এই কমিটিতে থাকে। ছাত্রত্ব নেই এমন কেউ যেন এই কমিটিতে না থাকে, এই দাবি জানাচ্ছি।
প্রায় ৩০ মিনিট সড়ক অবরোধের পর বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।
১০৭ দিন আগে
বরিশালে চাঁদার দাবিতে হাতুড়িপেটা: ছাত্রদলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার
চাঁদার দাবিতে এক ড্রেজার ব্যবসায়ীর কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ধামুরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
গ্রেপ্তার মনির সরদার উপজেলার দক্ষিণ ধামুরা গ্রামের মৃত হামেদ সরদারের ছেলে।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার রাতে ড্রেজার ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম চুক্তিভিত্তিক বালু ভরাটের কাজ করেন। উপজেলার শোলক ইউনিয়নে বালু ভরাটের জন্য তিনি পাইপ স্থাপন করে কাজ শুরু করেন। গত ৪ জানুয়ারি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারের নেতৃত্বে ৭-৮ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে গিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে নিরুপায় হয়ে তিন দফায় এক লাখ টাকা দেন তিনি।
বাকি এক লাখ টাকা আদায়ের জন্য গত ১৩ মার্চ দুপুরে দক্ষিণ ধামুরা গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির সামনে অভিযুক্তরা আসেন। এ সময় আর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ড্রেজারের মেকানিক আবু বক্কর হাওলাদারকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় শুক্রবার নামধারী দুজনসহ অজ্ঞাত আরও আটজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
ওই মামলার প্রধান আসামি মনির সরদারকে গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় ধামুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মো. রকিবুল ইসলাম।
এদিকে, এ ঘটনার পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনির সরদারকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক সুজনকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংগঠনের গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
১৩২ দিন আগে
কু্ষ্টিয়ায় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি, গুলিবিদ্ধ ৩
কুষ্টিয়ায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চলসহ (২৯) তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভেড়ামারা উপজেলার দক্ষিণ রেলগেট-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চল, কাচারীপাড়া এলাকার যুবদল সদস্য ফরিদ হোসেনের ছেলে জীবন হোসেন এবং একই এলাকার গোলাম কিবরিয়ার ছেলে ও ছাত্রদলের সদস্য কাইছার আহমেদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে চঞ্চলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন।
চঞ্চল জানান, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ইফতার শেষে বাড়ি থেকে মসজিদে যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতার জেরে জাসদ নেতা ছাদু, ওসামা, মাটি ও নিতুলসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. হোসেন ইমাম জানান, গতকাল রাত ১০টার দিকে চঞ্চল নামে এক যুবক সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। তার মাথার পেছনে গুলি চামড়া ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছে। তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, দক্ষিণ রেলগেট এলাকায় মোটরসাইকেলকে পাশ দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গুলিবর্ষণের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১৩৫ দিন আগে