আসামি
রংপুরে বিয়ের নাটক সাজিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
রংপুরের কাউনিয়ায় ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত পলাতক আসামি আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎসকে (২৬) প্রায় দুই মাস পর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে তাকে ধর্ষণ আইনের ধারার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রংপুর আদালতে পাঠায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) হারাগাছ থানা পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎস কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর এলাকার সারাই জাগরণ পাগড়া গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বরাত দিয়ে এসআই রুহুল আমীন জানান, অভিযুক্ত আজমাইন বিবাহিত। বিয়ের বিষয়টি গোপন করে তিনি ১৮ বছরের এক কলেজছাত্রীকে হারাগাছ থেকে রংপুরে কলেজে যাওয়া-আসার পথে প্রেমের প্রস্তাব দেন। মেয়েটি শুরুতে প্রথমে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তবে, পরবর্তী সময়ে আজমাইন ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসআপে কথাকপনের মাধ্যমে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
গত বছরের ২ ডিসেম্বর আজমাইন মেয়েটিকে বিয়ের কথা বলে রংপুরে আদালতের পাশে লেকের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে তিনি স্ট্যাম্পে সই নিয়ে মেয়েটিকে জানান যে তাদের দুইজনের বিয়ে হয়েছে। পরে ওইদিন হারাগাছ ধুমগড়া এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে মেয়েটিকে নিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে সারা রাত অবস্থান করেন আজমাইন। এরপর বিভিন্ন স্থানে মেয়েটিকে নিয়ে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে মেয়েটির বিয়ের কাবিননামার কাগজ দেখতে চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করতে থাকেন আসামি। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ২৪ এপ্রিল ভুক্তভোগী সাক্ষীদের নিয়ে আজমাইনের বাড়িতে যান। সেখানে ভুক্তভোগীকে জানান যে তিনি বিবাহিত, মেয়েটিকে বিয়ে করতে পারবেন না। প্রতারণা করে মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজিয়ে তার সঙ্গে যৌনমিলন করেছেন বলে মেয়েটিকে জানানো হয়। তখন ভুক্তভোগী তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদ করেন। এ সময় আজমাইন তাকে টাকার বিনিময়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন এবং এ বিষয়ে তাকে বিরক্ত করলে গোপনে ধারণ করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, এ ব্যাপারে গত ৬ মে মেয়েটি বাদী হয়ে রংপুর আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ১২ মে আজমাইন আব্দুল্লাহ উৎসের বিরুদ্ধে হারাগাছ থানায় ধর্ষণ মামলা হয়। মামলা হওয়ার পর আজমাইনকে গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ, কিন্তু তিনি গা ঢাকা দেন। প্রায় দুই মাস চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে সোমবার র্যাব-১-এর সহায়তায় ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে হারাগাছ থানায় নিয়ে এসে আজ (বুধবার) দুপুরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সিলেটে ১৪ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রায় ১৪ বছর ধরে পরিচয় গোপন করে আত্মগোপনে থাকা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গোয়াইনঘাট থানার হরুখেল এলাকার খাটারীগাংয়ে পাথর শ্রমিক আব্দুল জলিলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় হত্যা মামলা করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এজাহারভুক্ত আসামি জৈন্তাপুর উপজেলার জীবন বক্তারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার পর থেকেই জীবন বক্তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে নিজের পরিচয় পরিবর্তন করে ‘মো. আল-আমিন’ নামে নতুন পরিচয় গ্রহণ করেন। এমনকি ভোটার তালিকায়ও নাম পরিবর্তন করে বাঘছড়া চা বাগান এলাকায় বসবাস শুরু করেন। ভুয়া পরিচয় ব্যবহারের কারণে দীর্ঘদিন তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লার সার্বিক দিকনির্দেশনায় গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিটে এসআই (নিরস্ত্র) সজল দাস ফোর্সসহ বাঘছড়া চা বাগান এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন এবং জীবন বক্তার ওরফে আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
গ্রেপ্তার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, আইনের হাত থেকে কেউ চিরদিন পালিয়ে থাকতে পারে না। পরিচয় পরিবর্তন করে দীর্ঘ ১৪ বছর আত্মগোপনে থাকলেও পুলিশের ধারাবাহিক গোয়েন্দা তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সাজাপ্রাপ্ত এই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। জৈন্তাপুর মডেল থানা অপরাধ দমনে এবং সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
৬ দিন আগে
চট্টগ্রামে সিকিউরিটি গার্ডকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ৭ আসামি গ্রেপ্তার
চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিংয়ে গ্যারেজে ঢুকে এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) ও পেয়ার আহাম্মদ (৫৫)।
নিহত নিরাপত্তাকর্মীর নাম আবু সিদ্দিক। গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে ডবলমুরিং এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ফয়সাল আহম্মেদ জানান, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের একজন গ্যারেজে থাকা রিকশার চাকার লোহার রিং দিয়ে সিদ্দিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে গ্যারেজের ভেতরে থাকা একটি মিনি পিকআপে মরদেহ রেখে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার বাদী মো. আসলাম (৩৪) এজাহারে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় আজ সকালে ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা করা হয়।
মামলা করার পর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিংয়ে গ্যারেজে ঢুকে এক নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা করার মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) ও পেয়ার আহাম্মদ (৫৫)।
নিহত নিরাপত্তাকর্মীর নাম আবু সিদ্দিক। গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে ডবলমুরিং এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ফয়সাল আহম্মেদ জানান, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
একপর্যায়ে হামলাকারীদের একজন গ্যারেজে থাকা রিকশার চাকার লোহার রিং দিয়ে সিদ্দিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করেন। হামলার একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে গ্যারেজের ভেতরে থাকা একটি মিনি পিকআপে মরদেহ রেখে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে মামলার বাদী মো. আসলাম (৩৪) এজাহারে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় আজ সকালে ডবলমুরিং মডেল থানায় মামলা করা হয়।
মামলা করার পর ডবলমুরিং মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
১২ দিন আগে
জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মেজর মোজাফফর গ্রেপ্তার
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট মার্শাল সম্পন্ন করার জন্য তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বিহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে হামলা চালিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেন। এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন অন্যতম।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও মামলাসংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর তিনিই চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোন করে জানান, ‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিল্ড’, অর্থ্যাৎ, রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর সামরিক ট্রাইবুনালে জিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ১৮ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়। এদের মধ্যে ১৩ জন মৃত্যুদণ্ড এবং বাকি ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরবর্তী সময়ে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর নিহত হন। ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেজর মোজাফফর হোসেন দীর্ঘ সময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন।
অবশেষে ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তার গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত একটি অধ্যায়ে নতুন অগ্রগতি এসেছে।
সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
১৩ দিন আগে
‘হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়’ পাবনার সেই কিশোরীকে, বস্তায় ভরে ফেলা হয় পদ্মায়
নবম শ্রেণির কিশেীর রিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার চাচাতো ভাই নাইমের। মঙ্গলবার রাতে নাইমের বাসায় তার সঙ্গে রিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করেন নাইম। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে প্রাইভেটকারে করে সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারার পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টার পর রহস্য উদঘাটন করে বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান।
রেজিনুর রহমান জানান, সকালে এই অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের পরপরই পুলিশের সব ইউনিট কাজ শুরু করে। এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এখনও ভুক্তভোগীর পরিবারের থেকে মামলা দেওয়া হয়নি। লিখিত এজাহার দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণ করা হবে। ঘটনাটির আরও কিছু বিষয় পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রমের পর জানানো হবে।
নিহত রিয়া (১৫) পাবনার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘপুর এলাকার প্রামানিকের মেয়ে এবং মাওলানা কসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
আটকরা হলেন—প্রধান অভিযুক্ত পূর্ব রাঘপুর এলাকার বাসিন্দা নাইম, একই এলাকার ইয়াসিন শেখ ও তুহিন প্রামানিক। তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এর আগে, গতকাল (বুধবার) সকালে পাবনা সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মার চরে কৃষকেরা কাজে যাওয়ার সময় নদীর তীরে ঠেকানো নৌকার পাশে একটি বস্তা ভাসতে দেখতে পান। বস্তা খুলেই কিশোরীর মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি হাত বাঁধা এবং গলায় বাজারের ব্যাগ প্যাঁচানো অবস্থায় বস্তাবন্দি ছিল।
৫৫ দিন আগে
কুমিল্লায় হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লার তিতাসে হত্যা মামলার এক আসামিকে পেটানোর পর কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (১১ মে) রাতে উপজেলার মানিককান্দি গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতের কাছ থেকে পুলিশ একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আব্দুল লতিফ ভূইয়া (৪৫) তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামের মৃত ধনু ভুঁইয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার সঙ্গে সাইফুল মেম্বারের লোকজনের আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম মোল্লাকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলায় লতিফ আসামি ছিলেন। জামিনে মুক্ত হয়ে ৩ দিন আগে তিনি এলাকায় ফেরেন।
এরপর গতকাল (সোমবার) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া বাড়ির পাশেই দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক বলেন, ৯৯৯ খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় লতিফকে উদ্ধার করি। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি জব্দ করি। তাকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ঘটনা জানতে পুলিশের একাধিক সংস্থা মাঠে কাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও থানায় মামলা করা হয়নি।
৭৮ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যা: রাজশাহী থেকে আরেক আসামি গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম ওরফে জাহাঙ্গীর (৬৫) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাজীব মিস্ত্রিকে (৩২) রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাজীব ফিলিপনগর ইউনিয়নের পশ্চিম-দক্ষিণ ফিলিপনগর গ্রামের গাজী মিস্ত্রির ছেলে এবং মামলার ৩ নম্বর আসামি।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া র্যাব-১২-এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, র্যাব-৫ রাজশাহী ও র্যাব-১২ কুষ্টিয়ার যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, পীর হত্যা, আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলা এবং বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার রাজিবকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত রবিবার ও সোমবার রাতে একই ইউনিয়নের পশ্চিম-দক্ষিণ ফিলিপনগর ও ইসলামপুর এলাকা থেকে বিপ্লব হোসেন (২৬), আলিফ ইসলাম (২৩) এবং দশম শ্রেণির ছাত্র আলঙ্গীর হোসেনকে (১৬) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে আব্দুর রহমান শামীমকে তার আস্তানার ভেতরে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় এবং দরবার শরিফ ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল নিহতের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
৮৯ দিন আগে
এএসপি ফজলুল করিম খান হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
রাজধানীর রামপুরা থানার আলোচিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) ফজলুল করিম খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. শফিকুল ইসলাম বাদশা ওরফে গুজা বাদশাকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে র্যাব-৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সনদ বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ এপ্রিল সকাল ৯টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ডেমরা থানার মাতুয়াইল এলাকার নিউ টাউন আবাসিক এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে হাজী বাদশা মিয়া রোডের ‘ড্রিম হাউজ-১৮’ ভবনের আটতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে বাদশাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার বাদশা রাজধানীর পশ্চিম রামপুরার বাসিন্দা এবং তিনি ‘গুজা বাদশা’ নামে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তার বাবা মৃত ওয়াজেদ আলী।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৯ আগস্ট পশ্চিম রামপুরার ওয়াপদা রোডের নিজ বাসার তৃতীয় তলায় সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলুল করিম খানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন গুজা বাদশা।
র্যাব আরও জানায়, হাতিরঝিল ও রামপুরা এলাকায় গুজা বাদশার নাম শুনলেই মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী অপরাধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ঘটনায় র্যাব-৩-এর গোয়েন্দা টিম তদন্ত শুরু করে এবং অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে রামপুরা ও হাতিরঝিল থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে মোট ১৪টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১০৫ দিন আগে
গাজীপুরে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, ৭ পুলিশ আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার অভিযানে গিয়ে অপহরণকারীর স্বজনদের হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৭ পুলিশ সদস্য আহত হন। হামলাকারীরা হাতকড়াসহ দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিলেও পরে অভিযান চালিয়ে তাদের পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নিজমাওনা গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে আদিল (২২) ও তার বাবা মনির হোসেন (৫০)।
মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, টাঙ্গাইল সদর থানার একটি অপহরণ মামলার আসামি ও অপহৃত এক কিশোরীকে উদ্ধারে টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ ও শ্রীপুর থানার পুলিশ রবিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় শ্রীপুরের নিজমাওনা গ্রামে অভিযান চালায়। ওই সময় পুলিশ অপহরণকারী আদিল ও তার বাবা মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আসামিদের স্বজনেরা ও আশপাশের লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেন। হামলায় ৭জন পুলিশ সদস্য আহত হন।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে হ্যান্ডকাফ ছিনিয়ে নেওয়া দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
১৪৯ দিন আগে
ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি দুই ভাই বেনাপোলে গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জ জেলার হত্যা মামলার আসামি আপন দুই ভাই সাদিকুর রহমান শামিম (৩৬) ও সাজিদুর রহমানকে (৩২) ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাদিকুর রহমান শামিম ও সাজিদুর হালুরগাঁন এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
শামিম হোসেন বলেন, তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পারিবারিক মারামারির একটি মামলা রয়েছে তাদের নামে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, গ্রেপ্তার দুই ভাই বেনাপোল ইমিগ্রেশন ডেস্কে তাদের পাসপোর্ট জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাদের নামে হত্যা মামলা পাওয়া যায়। এছাড়া কালো তালিকায় তাদের দুই ভাইয়েরই নাম রয়েছে। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম জানান, সুনামগঞ্জ জেলা থেকে আসা দুই ভাইকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তারা দুই ভাই হত্যা মামলার আসামি। সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে আসামিদের তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১৬১ দিন আগে