জরিমানা
নিরাপদ খাদ্য আইনে এক সপ্তাহে ২০ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ১৬ মামলা
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ লঙ্ঘনের দায়ে গত এক সপ্তাহে রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই সময়ে এসব ঘটনায় ১৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গত ২৩ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত অভিযান, মোবাইল কোর্ট ও সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে এসব জরিমানা ও মামলা করা হয় বলে রবিবার (৩০ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বিএফএসএ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, পচা ও বাসি খাবার বিক্রি এবং ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ার মতো অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এসব ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পঞ্চগড় ও সিলেট জেলায় ১২টি প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অনুমোদনহীন রং ব্যবহার, পণ্যের গায়ে লেবেল না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ বা বিক্রি, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন এবং পোড়া তেল ব্যবহারের মতো অপরাধে এসব প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ঘটনায় ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পাশাপাশি গত ২৬ আগস্ট পাবনার চাটমোহর ও সদর উপজেলায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা, পাবনার উপস্থিতিতে সামারি ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়।
এ সময় নিবন্ধন ছাড়া পনির উৎপাদন এবং স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অন্যটির বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিএফএসএ জানায়, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সারাদেশে খাদ্যস্থাপনা তদারকি কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ ২৬৪টি খাদ্যস্থাপনায় তদারকি করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবেশন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে নিরাপদ খাদ্যবিধি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
৬ দিন আগে
সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অটোরিকশা চার্জ দিলে জরিমানার বিধান হচ্ছে, বাতিল হবে নিবন্ধন
ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা বা অটোরিকশা সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে চার্জ দিলে জরিমানার বিধান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ করলে এসব অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না। নিবন্ধনের পর এ কাজ করলে পরবর্তী সময়ে নবায়নও করা হবে না।
সোমবার (১৭ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। প্রণয়নাধীন বিধিমালায় এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিধান রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশাগুলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার আওতায় নিবন্ধনের আওতায় আনা হচ্ছে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে শর্ত থাকবে, সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে এসব যানবাহন চার্জ দিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সৌরবিদ্যুতের বাইরে রিচার্জ করলে এই ব্যাটারিচালিত বা ই-রিকশাগুলোকে আমরা রেজিস্ট্রেশন দেব না এবং নবায়ন করব না।’
সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করলে জরিমানার বিধানও রাখা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য বিদ্যুৎ দিয়ে রিচার্জ করতে গেলে তাদের যে জরিমানা হবে, সেটাও আমাদের আইনে থাকবে।’
১৯ দিন আগে
নিরাপদ খাদ্য আইনে এক সপ্তাহে ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
জনস্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সারা দেশে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। ৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এক সপ্তাহে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বাজার ও খাদ্য প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং কার্যক্রম, জনসচেতনতামূলক টেলিভিশন ও বেতার প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর যথাযথ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকা, বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে (৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত) নিরাপদ খাদ্য আইনে ঢাকা মেট্রোপলিটনে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানের মাধ্যমে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা ও তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটনের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায়ও ভ্রাম্যমাণ আদালত র্কাযক্রম চলমান রয়েছে। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও মানিকগঞ্জে মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৪টি মামলা করা হয়।
অর্থাৎ, ঢাকা মেট্রোপলিটন এবং বিভিন্ন জেলা মিলে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইনে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ৭টি মামলা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ কোর্টের পাশাপাশি খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং কার্যক্রমও চলমান। বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সারা দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের জন্য ১৩০টি খাদ্যস্থাপনায় মনিটরিং করা হয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ১৪ আগস্ট ‘খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধের লক্ষ্যে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকা’ সংক্রান্ত একটি সেমিনার জয়পুরহাটে আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আব্দুল বারী। এ সময় তিনি কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরি ভ্যানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্রান্সফ্যাট-বিষয়ক বার্তা বাংলাদেশ টেলিভিশন ১৪ মিনিট এবং নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক ভিন্ন ভিন্ন তিনটি বার্তা বাংলাদেশ বেতারে ৩৫ মিনিট প্রচার করা হয়েছে।
এসব প্রচারণার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন এবং ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি, রিলস ও ভিডিওর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বার্তা ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপদতা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঝুঁকি নিরূপণ এবং নীতিনির্ধারণে সহায়ক তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আইন প্রয়োগ, নিয়মিত মনিটরিং, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, গবেষণা, গণসচেতনতামূলক প্রচারণা এবং অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার, ব্যবসায়ী, উৎপাদক, ভোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষের এ ধরনের কার্যক্রম আরও ব্যাপক ও কার্যকরভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানান মো. শফিকুল ইসলাম।
২০ দিন আগে
আমদানিকৃত চালানে ৫৪০ কেজি অতিরিক্ত পণ্য, শুল্ক-জরিমানাসহ ১৯ লক্ষাধিক টাকা আদায়
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
৩৮ দিন আগে
যশোরে অনুমোদনহীন রঙ ব্যবহার করে শিশুখাদ্য বিক্রি, ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা
যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন রঙ ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলার নাভারণ বাজারের ব্যবসায়ী বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক বিল্লাল হোসেনকে এ জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, নাভারণ বাজারের ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ঠিকানাবিহীন একটি কারখানায় তৈরি এসব খাদ্যপণ্য বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করছিলেন। পণ্যের মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকায় এবং অনুমোদনহীন কেমিক্যাল ও রঙ ব্যবহারের অভিযোগে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এসব খাদ্য শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন এ ধরনের খাদ্য গ্রহণে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি কিডনি জটিলতাসহ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে জরিমানা করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় তাকে। একইসঙ্গে জব্দ করা খাদ্যপণ্য নষ্ট করা হয়।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান খান ও পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মো. সেলিমুজ্জামান খান।
১২১ দিন আগে
নাটোরে জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
নাটোরে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ১ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে তেলের ডিলার মুকুল হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.আশিকুর রহমান গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহায়তায় নলডাঙ্গা উপজেলার পীরগাছা বাজারে এ অভিযান চালান।
অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৫০০ লিটার ডিজেল ও ৫০০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় জ্বালানি তেলের ডিলার মুকুল হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি।
পরে উদ্ধার করা তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষক ও মোটরসাইকেলচালকদের মাঝে বিক্রির নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমান আদালত।
১৩৪ দিন আগে
রংপুরে পেট্রোল মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
রংপুরের গংগাচড়ায় অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গংগাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার। এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে উপজেলার বেতগাড়ি, আলমবিদিতর ও বড়বিল ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে উপজেলা প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গংগাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের ‘সবুজ স্টোর’-এর মালিক প্লাস্টিকের ড্রামে পেট্রোল মজুদ করে নিজ বাসায় লুকিয়ে রাখতেন। পরে চলমান জ্বালানি সংকটকে কাজে লাগিয়ে সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে মোটরসাইকেল-চালকদের কাছে বিক্রি করতেন তিনি।
এ খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে মজুদ করা জ্বালানি তেল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি বন্ধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১৬০ দিন আগে
যাত্রীবেশে কাউন্টারে ইউএনও, সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে জরিমানা
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ঈদ-পরবর্তী ফিরতি যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে বাস কাউন্টারের এক প্রতিনিধিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সোনামুখী বাজারের বাস কাউন্টারে ছদ্মবেশে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই কাউন্টারে ঈদ-পরবর্তী যাত্রায় ৩৫০ টাকার ভাড়া বাড়িয়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এমন অভিযোগ থাকলেও প্রমাণের অভাব ছিল। পরে ইউএনও নিজেই মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ পরে টিকিট কাউন্টারে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা পান।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়ায় কাউন্টার প্রতিনিধি রুবেল হোসেন তার অপরাধ স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে আর এমন অপরাধ করবেন না বলে মুচলেকা দেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান।
১৬১ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেল মজুদ রেখে বিক্রি না করায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি না করার অভিযোগে একটি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের বড়দাদপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি। অভিযানে মেসার্স ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার্স ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে জ্বালানি তেল বিক্রি না করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি জানান, প্রতিষ্ঠানটি জ্বালানি তেল মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে অনিয়মে জড়িত ছিল। পাশাপাশি তারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করেছে। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ফিলিং স্টেশনটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেল বিক্রি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৬২ দিন আগে
শেরপুরে আবাসিক ভবনে মজুদ ১৮ হাজার লিটার ডিজেল, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলা শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। একইসঙ্গে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুদ রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করেছেন। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রাখা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলা শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। একইসঙ্গে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুদ রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করেছেন। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রাখা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৬২ দিন আগে