জরিমানা
চাঁদপুরে ইলিশ বিক্রি ও মজুদের দায়ে তিন হোটেল মালিককে জরিমানা, ১ মণ ইলিশ জব্দ
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরে ইলিশ বিক্রি ও মজুদের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনটি হোটেল মালিককে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসব হোটেলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ মণ ইলিশও জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে শহরের বড় স্টেশন মাছঘাট-সংলগ্ন রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদ রানা।
এ সময় হিলশা কিচেনকে ৩০ হাজার, মেজবান হোটেলকে ২০ হাজার ও দেলোয়ার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে এ অভিযান শেষে জব্দ ১ মণ ইলিশ স্থানীয় বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ বিক্রি ও মজুদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
৬ দিন আগে
সিলেটে শব্দদূষণের দায়ে ৮ ব্যক্তি ও যানবাহনকে জরিমানা
সিলেট সদর উপজেলার মুরাদপুর এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আট ব্যক্তি ও যানবাহনকে মোট সাড়ে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় অবৈধ ও উচ্চ শব্দযুক্ত ১০টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তারের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, শব্দদূষণকারী ও অবৈধ উচ্চ শব্দযুক্ত হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ, পাহাড়-টিলা কর্তন, অবৈধ ইটভাটা ও নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ টেকনিশিয়ান আল মামুন প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় পুলিশ সদস্য ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
৭ দিন আগে
সিলেটে শব্দ ও বায়ুদূষণের দায়ে ১৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
সিলেটে শব্দ ও বায়ুদূষণের দায়ে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট সাড়ে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ১৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।
এছাড়া পরিবেশ দূষণের দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়।
জেলার মুরাদপুর বাইপাস এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করে তাদের জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তার বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ৬(ক) ধারা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ৬(২) ধারা অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র টেকনিশিয়ান আল মামুন আইনি প্রক্রিয়ায় মামলার ব্যবস্থা করেন।
এ সময় কার্যালয়ের অন্য সদস্য ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি-৯) সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন জেলাগুলোতে শব্দদূষণকারী ও অবৈধ উচ্চ শব্দযুক্ত হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বায়ুদূষণ, পাহাড়-টিলা কর্তন, অবৈধ ইটভাটা ও নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।
১৪ দিন আগে
সাতক্ষীরায় নকল কীটনাশক কারখানায় র্যাবের অভিযান, ডিলারের কারাদণ্ড-জরিমানা
সাতক্ষীরার তালায় অনুমোদনহীনভাবে নকল কীটনাশক ও কৃষিপণ্য তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ লিটার কীটনাশক তৈরির তরল ও ৮৭০ কেজি নকল কৃষিপণ্য তৈরির উপকরণ উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় বিসিআইসির খুচরা সার ডিলার মশিয়ার রহমানকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার লাউতাড়া গ্রামে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মশিয়ার রহমানকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মশিয়ার রহমানের কারা ও অর্থদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা র্যাব জানায়, মশিয়ার রহমান দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে অনুমোদনহীনভাবে কীটনাশক তৈরি করে বিভিন্ন লেবেলে বাজারজাত করে আসছিলেন। অভিযানে কীটনাশক তৈরির ৯০০ লিটার তরল ছাড়াও ৮৭০ কেজি নকল কৃষিপণ্য তৈরির উপকরণ, বোতল ও লেবেল উদ্ধার করা হয়।
২৯ দিন আগে
নিরাপদ খাদ্য আইনে এক সপ্তাহে ২০ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ১৬ মামলা
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ লঙ্ঘনের দায়ে গত এক সপ্তাহে রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই সময়ে এসব ঘটনায় ১৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গত ২৩ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত অভিযান, মোবাইল কোর্ট ও সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে এসব জরিমানা ও মামলা করা হয় বলে রবিবার (৩০ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বিএফএসএ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, পচা ও বাসি খাবার বিক্রি এবং ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ার মতো অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এসব ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পঞ্চগড় ও সিলেট জেলায় ১২টি প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অনুমোদনহীন রং ব্যবহার, পণ্যের গায়ে লেবেল না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ বা বিক্রি, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন এবং পোড়া তেল ব্যবহারের মতো অপরাধে এসব প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ঘটনায় ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পাশাপাশি গত ২৬ আগস্ট পাবনার চাটমোহর ও সদর উপজেলায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা, পাবনার উপস্থিতিতে সামারি ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়।
এ সময় নিবন্ধন ছাড়া পনির উৎপাদন এবং স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অন্যটির বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিএফএসএ জানায়, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সারাদেশে খাদ্যস্থাপনা তদারকি কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ ২৬৪টি খাদ্যস্থাপনায় তদারকি করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবেশন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে নিরাপদ খাদ্যবিধি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
৪৬ দিন আগে
সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অটোরিকশা চার্জ দিলে জরিমানার বিধান হচ্ছে, বাতিল হবে নিবন্ধন
ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা বা অটোরিকশা সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে চার্জ দিলে জরিমানার বিধান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ করলে এসব অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না। নিবন্ধনের পর এ কাজ করলে পরবর্তী সময়ে নবায়নও করা হবে না।
সোমবার (১৭ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। প্রণয়নাধীন বিধিমালায় এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিধান রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশাগুলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার আওতায় নিবন্ধনের আওতায় আনা হচ্ছে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে শর্ত থাকবে, সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে এসব যানবাহন চার্জ দিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সৌরবিদ্যুতের বাইরে রিচার্জ করলে এই ব্যাটারিচালিত বা ই-রিকশাগুলোকে আমরা রেজিস্ট্রেশন দেব না এবং নবায়ন করব না।’
সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করলে জরিমানার বিধানও রাখা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য বিদ্যুৎ দিয়ে রিচার্জ করতে গেলে তাদের যে জরিমানা হবে, সেটাও আমাদের আইনে থাকবে।’
৬০ দিন আগে
নিরাপদ খাদ্য আইনে এক সপ্তাহে ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
জনস্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সারা দেশে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। ৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এক সপ্তাহে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বাজার ও খাদ্য প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং কার্যক্রম, জনসচেতনতামূলক টেলিভিশন ও বেতার প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর যথাযথ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকা, বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে (৯ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত) নিরাপদ খাদ্য আইনে ঢাকা মেট্রোপলিটনে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানের মাধ্যমে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা ও তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটনের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায়ও ভ্রাম্যমাণ আদালত র্কাযক্রম চলমান রয়েছে। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও মানিকগঞ্জে মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৪টি মামলা করা হয়।
অর্থাৎ, ঢাকা মেট্রোপলিটন এবং বিভিন্ন জেলা মিলে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইনে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ৭টি মামলা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ কোর্টের পাশাপাশি খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং কার্যক্রমও চলমান। বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সারা দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের জন্য ১৩০টি খাদ্যস্থাপনায় মনিটরিং করা হয়েছে।
এছাড়া, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ১৪ আগস্ট ‘খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধের লক্ষ্যে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকা’ সংক্রান্ত একটি সেমিনার জয়পুরহাটে আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আব্দুল বারী। এ সময় তিনি কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরি ভ্যানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্রান্সফ্যাট-বিষয়ক বার্তা বাংলাদেশ টেলিভিশন ১৪ মিনিট এবং নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক ভিন্ন ভিন্ন তিনটি বার্তা বাংলাদেশ বেতারে ৩৫ মিনিট প্রচার করা হয়েছে।
এসব প্রচারণার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন এবং ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি, রিলস ও ভিডিওর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বার্তা ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপদতা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঝুঁকি নিরূপণ এবং নীতিনির্ধারণে সহায়ক তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আইন প্রয়োগ, নিয়মিত মনিটরিং, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, গবেষণা, গণসচেতনতামূলক প্রচারণা এবং অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার, ব্যবসায়ী, উৎপাদক, ভোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষের এ ধরনের কার্যক্রম আরও ব্যাপক ও কার্যকরভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানান মো. শফিকুল ইসলাম।
৬০ দিন আগে
আমদানিকৃত চালানে ৫৪০ কেজি অতিরিক্ত পণ্য, শুল্ক-জরিমানাসহ ১৯ লক্ষাধিক টাকা আদায়
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
চট্টগ্রামে আমদানিকৃত একটি পণ্যচালানে ঘোষণার চেয়ে ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়ায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা আদায় করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
বুধবার (২৯ জুলাই) এক বার্তায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় চট্টগ্রাম রেইনবো করপোরেশনের (Rainbow Corporation) আমদানিকৃত একটি পণ্যচালান কায়িক পরীক্ষণ করে।
সি-১১৩৮৭০৬ নম্বরের, গত ৫ জুলাইয়ের বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা চালানটিতে আমদানিকারক ৬ হাজার ৭০৪ কেচি ৫৬০ গ্রাম চকলেট ঘোষণা করলেও পরীক্ষায় ৭ হাজার ১৩২ কেজি ২৫০ গ্রাম পণ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ২ হাজার ৫৭২ কেজি ১৬০ গ্রাম ওয়েফার ঘোষণা করা হলেও প্রকৃত ওজন পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৮৪ কেজি ৮৮০ গ্রাম।
বার্তায় বলা হয়েছে, পরীক্ষায় চালানটিতে ঘোষিত ওজনের তুলনায় মোট ৫৪০ কেজি ৪১০ গ্রাম বেশি পণ্য পাওয়া যায়, যা ঘোষিত নিট ওজনের প্রায় ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
এ ঘটনায় বিচারাদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাবদ ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা, অর্থদণ্ড হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং বিমোচন জরিমানা হিসেবে ১ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। ফলে মোট অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ টাকা ৫৭ পয়সা।
৭৮ দিন আগে
যশোরে অনুমোদনহীন রঙ ব্যবহার করে শিশুখাদ্য বিক্রি, ব্যবসায়ীকে লাখ টাকা জরিমানা
যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন রঙ ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলার নাভারণ বাজারের ব্যবসায়ী বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক বিল্লাল হোসেনকে এ জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, নাভারণ বাজারের ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ঠিকানাবিহীন একটি কারখানায় তৈরি এসব খাদ্যপণ্য বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করছিলেন। পণ্যের মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকায় এবং অনুমোদনহীন কেমিক্যাল ও রঙ ব্যবহারের অভিযোগে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এসব খাদ্য শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন এ ধরনের খাদ্য গ্রহণে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি কিডনি জটিলতাসহ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে জরিমানা করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় তাকে। একইসঙ্গে জব্দ করা খাদ্যপণ্য নষ্ট করা হয়।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান খান ও পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মো. সেলিমুজ্জামান খান।
১৬১ দিন আগে
নাটোরে জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
নাটোরে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ১ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে তেলের ডিলার মুকুল হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.আশিকুর রহমান গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহায়তায় নলডাঙ্গা উপজেলার পীরগাছা বাজারে এ অভিযান চালান।
অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৫০০ লিটার ডিজেল ও ৫০০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় জ্বালানি তেলের ডিলার মুকুল হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি।
পরে উদ্ধার করা তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষক ও মোটরসাইকেলচালকদের মাঝে বিক্রির নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমান আদালত।
১৭৪ দিন আগে