জরিমানা
রংপুরে পেট্রোল মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
রংপুরের গংগাচড়ায় অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গংগাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার। এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে উপজেলার বেতগাড়ি, আলমবিদিতর ও বড়বিল ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে উপজেলা প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গংগাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের ‘সবুজ স্টোর’-এর মালিক প্লাস্টিকের ড্রামে পেট্রোল মজুদ করে নিজ বাসায় লুকিয়ে রাখতেন। পরে চলমান জ্বালানি সংকটকে কাজে লাগিয়ে সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে মোটরসাইকেল-চালকদের কাছে বিক্রি করতেন তিনি।
এ খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে মজুদ করা জ্বালানি তেল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি বন্ধে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১৮ দিন আগে
যাত্রীবেশে কাউন্টারে ইউএনও, সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে জরিমানা
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ঈদ-পরবর্তী ফিরতি যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে বাস কাউন্টারের এক প্রতিনিধিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সোনামুখী বাজারের বাস কাউন্টারে ছদ্মবেশে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই কাউন্টারে ঈদ-পরবর্তী যাত্রায় ৩৫০ টাকার ভাড়া বাড়িয়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এমন অভিযোগ থাকলেও প্রমাণের অভাব ছিল। পরে ইউএনও নিজেই মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ পরে টিকিট কাউন্টারে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা পান।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়ায় কাউন্টার প্রতিনিধি রুবেল হোসেন তার অপরাধ স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে আর এমন অপরাধ করবেন না বলে মুচলেকা দেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান।
১৯ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেল মজুদ রেখে বিক্রি না করায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি না করার অভিযোগে একটি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের বড়দাদপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি। অভিযানে মেসার্স ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার্স ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে জ্বালানি তেল বিক্রি না করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি জানান, প্রতিষ্ঠানটি জ্বালানি তেল মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে অনিয়মে জড়িত ছিল। পাশাপাশি তারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করেছে। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ফিলিং স্টেশনটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেল বিক্রি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০ দিন আগে
শেরপুরে আবাসিক ভবনে মজুদ ১৮ হাজার লিটার ডিজেল, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলা শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। একইসঙ্গে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুদ রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করেছেন। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রাখা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলা শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। একইসঙ্গে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুদ রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করেছেন। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রাখা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০ দিন আগে
মাগুরায় দেশি পোশাকে ‘পাকিস্তানি’ ট্যাগ লাগিয়ে বিক্রি, জরিমানা
ঢাকা থেকে কেনা পোশাকে ‘পাকিস্তানি’ ট্যাগ লাগিয়ে উচ্চমূল্যে বিক্রির অভিযোগে মাগুরার ‘মেসার্স দেশি ভিনদেশি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের সৈয়দ আতর আলী সড়কের বকসী মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানটি পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন শার্ট, টি-শার্ট ও মেয়েদের পোশাক পাকিস্তানি ও অন্যান্য বিদেশি পণ্য বলে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি পাকিস্তানি পোশাকের কোনো বৈধ প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ভাউচার যাচাই করে দেখা যায়, পোশাকগুলো ঢাকার এলিফ্যান্ট রোড ও ইসলামপুরের বিভিন্ন দোকান থেকে কেনা। অথচ সেগুলো পাকিস্তানি ড্রেস হিসেবে প্রতিটি ৮ হাজার ৫০০ থেকে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল, যা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে আমদানিকারকের ট্যাগবিহীন বিভিন্ন বিদেশি প্রসাধনীও পাওয়া যায়। এসব পণ্যে নিজেদের ইচ্ছামতো উচ্চমূল্যের প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল।
এ ধরনের অপরাধের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের আইনবিরোধী কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ। এ অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা মার্কেটিং অফিসার মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম।
৩৫ দিন আগে
রংপুরে নকল কোমল পানীয়র কারখানার সন্ধান, লক্ষাধিক টাকা জরিমানা
রংপুরে পৃথক দুটি স্থানে দুটি কোমল পানীয়র কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ সময় মোজো, সেভেন আপ, ফ্রুটো ও টেন আপের নকল পণ্য উদ্ধার করা হয়। এ অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর কুটিরপাড়া ও কামালকাছনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার তমাল আজাদ ও নুসরাত আরা এ জরিমানা করেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নগরীর কুটিরপাড়া এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মেসার্স দানিস ট্রেডার্স ও মেসার্স রুমন ট্রেডার্সের গোডাউনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোজো, সেভেন আপ, টেন আপের নকল পণ্য উদ্ধার এবং বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়। শিশুদের জন্য ক্ষতিকর পণ্য তৈরি ও বাজারজাতের জন্য গুদামজাত করার অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার। পরে জব্দ করা বিপুল মালামাল বিনষ্ট করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ মালামাল সংরক্ষণ ও বাজারজাত না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ রংপুরের এফএসও মো. লোকমান হোসাইন বলেন, এনএসআইয়ের তথ্য অনুযায়ী দুটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণে শিশুদের জন্য ক্ষতিকর মোজো, সেভেন আপ, ফ্রুটো, টেন আপের নকল পণ্য উদ্ধার করা হয়। সেই সঙ্গে দুটি কারখানার মালিককে জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়। এ রকম অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এফএসও।
৩৭ দিন আগে
সিলেটে খাল ভরাট করায় কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা
সিলেট সদর উপজেলার কল্লাগ্রাম এলাকায় অবৈধভাবে খাল ভরাট করে পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করায় এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ড দেয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আবদুল হান্নান।
স্থানীয়রা জানান, হান্নান অবৈধভাবে কৃষিজমির উপরের মাটি কেটে পাশের হৈরখাল ভরাট করছিলেন। এতে কৃষি জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। খাল ভরাটের কারণে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে স্থানীয় পরিবেশ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছিল।
এ সময় জমির কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে ওই স্থানে কোনো বৈধ মালিকানা নেই এবং মাটি কাটার বা ভরাটেরও কোনো অনুমতিপত্র নেই। এছাড়া তিনি পাশের মালিকানাধীন জমির সীমানা পিলারও অপসারণ করেছেন বলে জানা যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
অভিযানকালে দুটি ড্রেজার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে একটি সিলেট সিটি করপোরেশন এবং অপরটি সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরকার মামুনুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউএনও খোশনূর রুবাইয়াত জানান, খালটি ভরাটের কারণে প্রায় ২০০ একর কৃষি জমিতে বোরো আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। অভিযান শেষে সিটি করপোরেশনকে দ্রুত খালটি পুনঃখননের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষিজমি রক্ষা এবং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
৩৭ দিন আগে
খেজুরে তেল মিশিয়ে বিক্রি, মানিকগঞ্জে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
মানিকগঞ্জে বাজারে খেজুরে সরিষার তেল মিশিয়ে বিক্রির অপরাধে কার্তিক চন্দ্র নামে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় বাজার মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করেন মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।
এ সময় কার্তিকের দোকানে খেজুরে সরিষার তেল মিশিয়ে বিক্রির বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে ওই ব্যবসায়ীকে ২০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া রোজায় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে শাকসবজি, মাছ ও মাংসের দোকানেও তদারকি করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মানিকগঞ্জ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, রোজায় নিত্যপণ্যসহ ফলফলাদি, তরকারি ও মাছ-মাংসের বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে এ ধরনের অভিযান চলবে।
৫৩ দিন আগে
ডালডার ভেতর ইঁদুর, চুয়াডাঙ্গায় এক মালিকের দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর মৌসুমী ফুড বেকারিতে অভিযান চালিয়ে ব্যবহৃত ডালডার ভেতর মৃত ইঁদুর পেয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরণ ব্যবহার ও পণ্য পুনরায় প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করার অভিযোগে এক মালিকের দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সমিতির (ক্যাব) প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, দৌলতদিয়াড়ে মেসার্স মৌসুমী ফুড প্রোডাক্টে অভিযানে গিয়ে বেকারিতে ব্যবহৃত ডালডার ভেতর মৃত ইঁদুর পাওয়া যায়। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ফ্লেভার ব্যবহার এবং আগাম বেকারি পণ্য প্রস্তুত করে পরবর্তীতে চলতি তারিখ উল্লেখ করার প্রমাণ মেলে। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. সাইদুর রহমানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, এদিন আরেকটি অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি নতুন মোড়কে পুনরায় প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করার দায়ে সাইদুল ইসলামের অপর প্রতিষ্ঠান অনন্যা ফুড প্রোডাক্টকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মোহাম্মদ মামুনুল হাসান বলেন, পবিত্র রমজান উপলক্ষে হোটেল, সেমাই ও মসলা মিলেও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ সময় ব্যবসায়ীদের মানসম্মত পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ও মানহীন পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
৫৩ দিন আগে
ফরিদপুরে ভোট কক্ষের ভেতরে টাকা বিতরণ, বিএনপির পোলিং এজেন্টকে জরিমানা
ফরিদপুরে ভোট কেন্দ্রের কক্ষের ভেতরে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে বিএনপি প্রার্থীর এক পোলিং এজেন্টকে জরিমানা করেছেন বিচারিক আদালত। তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ডের আাদেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ফরিদপুর-৩ আসনের বিসমিল্লাহ শাহ দরগাহ ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম তানজির ইসলাম। তিনি দেওরা এলাকার বাসিন্দা। বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদের ‘ধানের শীষের’ পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
বিচারিক আদালত সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রটিতে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাসুদুজ্জামানের অভিযোগ অনুযায়ী ওই পোলিং এজেন্টকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘ওই পোলিং এজেন্ট বিএনপির ধানের শীষের প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের মধ্যে টাকা দেয়ার অভিযোগ করেন জামায়াতের পোলিং এজেন্ট। পরে প্রশাসনকে জানানো হলে আমরা দ্রুত এসে ব্যবস্থা নিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে নির্ধারিত প্রতীকে ভোট দেয়ায় ভোটারদের প্ররোচিত করার অভিযোগ পাওয়া যায়। নির্বাচনী আইন-২০২৫ এর ১৩ (চ) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এবং দোষ স্বীকার করায় তাকে নির্বাচনি আইন ১৯৭২ এর ৯১(বি)(২) ধারা মোতাবেক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ আদেশ দেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি-২১৩ এর চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ মো. সালাউদ্দিন।
৬৩ দিন আগে