পর্যটনকেন্দ্র
চার দিন পর উন্মুক্ত সাজেক, প্রথম দিনেই প্রবেশ করল ৮০০ পর্যটক
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাঘাইছড়ির সাজেকে চার দিন ধরে চলা পর্যটক প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রথম দিনে এখানে প্রায় ৮০০ পর্যটক প্রবেশ করেছেন। দীর্ঘ চার দিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পর্যটকদের এই আগমন স্থানীয় অর্থনীতি, রিসোর্ট-রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অনিবার্য কারণে গত কয়েকদিন ধরে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক পর্যটকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং পর্যটকদের নিরবচ্ছিন্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। আর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর আজ সকাল থেকেই খাগড়াছড়ি হয়ে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ধরে সাজেকের দিকে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল শুরু হয়।
সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মন জানান, চার দিন বন্ধ থাকার পর আজ প্রথম দিনেই প্রায় ৮ শতাধিক পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন। পাহাড়ের বুক ঘেঁষে ভেসে যাওয়া মেঘের চাদর ও রূপসী সাজেকের রূপ উপভোগ করতে অসংখ্য পর্যটক ইতোমধ্যে তাদের অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করেছেন। পর্যটকদের বরণে স্থানীয় কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন মালিকরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি বা নিরাপত্তা ছাড়া স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে, সাজেকে পর্যটকদের এই নিরাপদ ও আনন্দঘন প্রত্যাবর্তনে স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে। সাজেক পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পর্যটকদের আগমন আরও বাড়বে। আর সব মিলিয়ে সাজেকে পর্যটকদের এই নিরাপদ প্রত্যাবর্তন স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন ব্যবসায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
২ দিন আগে
পর্যটকদের জন্য বৃহস্পতিবার থেকে খুলছে সাজেক ভ্যালি
আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পর্যটকদের জন্য রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিসহ জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে চলতি মৌসুমে ভ্রমণের সময় সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন এবং জেলা প্রশাসনের জারি করা নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৮ দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার থেকে এগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও আবহাওয়া পরিস্থিতির পূর্বাভাসের কারণে গত ৭ জুলাই সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় পর্যটক ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সাজেক রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন ও দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সাজেক পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। এখানের ব্যবসা-বাণিজ্য পর্যটননির্ভর। সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
৯৫ দিন আগে
১৫ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সকল পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
সম্প্রতিক সময়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঝুঁকির আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়ায় এবং বিদ্যমান আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় পর্যটক ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আগামী ১৫ই জুলাই পর্যন্ত সকল পর্যটন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, উক্ত সময়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সকল পর্যটনকেন্দ্র, ঝর্না, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটরসহ সর্বসাধারণের ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনসহ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে, গত চার দিনের টানা বর্ষণে বান্দরবান জেলার জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বর্ষণের কারণে বান্দরবান-চট্টগ্রাম, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান-কক্সবাজার সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও অভ্যন্তরীণ সড়কে যান চলাচল এবং নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সূত্র অনুযায়ী, বান্দরবানের ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ১০০ জন দূর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। দুর্গতদের জেলা প্রশাসন, বান্দরবান পৌরসভা, সেনাবাহিনী এবং বিজেবির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ সহায়তাসহ শুকনো ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।
৯৯ দিন আগে
সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি কমতে শুরু করায় সিলেটের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ‘সাদাপাথর’ পর্যটকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে।
একদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (২২ জুন) সকাল থেকে স্পটটি চালু হওয়ায় সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় বর্তমানে পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে গতকাল (রবিবার) সকাল থেকে সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে পানি কমে যাওয়ায় এবং পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পুনরায় পর্যটকদের জন্য পর্যটন কেন্দ্রটি উন্মুক্ত করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটকবাহী নৌকা চলাচল ও ভ্রমণ কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও নদীতে এখনও স্রোত রয়েছে। তাই ভ্রমণকালে সবাইকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। নৌযানে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করা, লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার ও নির্ধারিত নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
১১৮ দিন আগে
সিলেটের সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের বন্ধ ঘোষণা
টানা বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বিরূপ আবহাওয়ার প্রভাবে সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিন মিয়া।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশের দোকানপাট পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে পুরো এলাকাজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রশাসন।
কোম্পানীগঞ্জ ইউএনও মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের সাদাপাথরে যাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে। স্রোত কমে গেলে এবং আবহাওয়া স্থিতিশীল হলে পুনরায় পর্যটনকেন্দ্রটি খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, বর্তমান দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি ঘটলেই পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে সাদাপাথর।
১১৯ দিন আগে
ঈদের ছুটিতে খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্রে বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়
ঈদুল আজহার ছুটিতে ধীরে ধীরে বাড়ছে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ভিড়। জেলার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র আলুটিলা, জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক ও রিছাং ঝর্ণায় ঈদের দিন পর্যটক উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও ঈদের পরের দিন থেকে বাড়তে শুরু করেছে দর্শনার্থীর সংখ্যা।
তবে এখন পর্যন্ত স্থানীয় পর্যটকদের উপস্থিতিই বেশি দেখা গেছে।
পর্যটনসংশ্লিষ্টদের আশা, টানা ছুটির বাকি দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আরও বেশি পর্যটকের আগমন ঘটবে।
ঘুরতে আসা অনেক পর্যটক খাগড়াছড়ির পাহাড়ি সৌন্দর্য, আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ও রহস্যময় গুহা দেখে মুগ্ধতার কথা জানান।
বিশেষ করে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হওয়া গুহার ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের কাছে ছিল ভিন্নরকম রোমাঞ্চকর। অনেক পর্যটকের ভাষ্য, বিদেশে না গিয়ে দেশের ভেতরেই এমন মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা সম্ভব।
এদিকে, প্রত্যাশিত সংখ্যক পর্যটক না আসায় কিছুটা হতাশ হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘ ছুটি হলেও এখনো আশানুরূপ বুকিং হয়নি। তবে সামনে পরিস্থিতি বদলাবে বলে আশাবাদী তারা।
হোটেল অরণ্য বিলাসের সহকারী ম্যানেজার রাজিব দে বলেন, ছুটির বাকি দিনগুলোতে পর্যটক বাড়লে ব্যবসাও চাঙা হবে বলে তারা আশা করছেন।
ঈদে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি মোবাইল টিমও কাজ করছে।
কোনো পর্যটক সমস্যায় পড়লে দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে টুরিস্ট পুলিশ।
টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ পরিদর্শক নয়ন বড়ুয়া বলেন, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।
খাগড়াছড়ির উল্লেখযোগ্য পর্যটনকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রহস্যময় গুহা, জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক, ঝুলন্ত সেতু, নয়নাভিরাম লেক, মায়াবিনী লেক, হাতিমাথা পাহাড়, দেবতা পুকুর ও তৈদু ছড়া ঝর্ণা।
১৪২ দিন আগে
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সিলেটের জাফলং-রাতারগুল
ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটক বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে।
জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল ও পান্তুমাইসহ জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলোতে ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যটক কম থাকায় ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়েন। তবে ঈদকে কেন্দ্র করে এখন তারা নতুন করে আশাবাদী।
পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ঈদের ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা কয়েক কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা তৈরি করবে।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ঝরনা ও নদীগুলো নতুন রূপ ধারণ করায় পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কিছুটা ঝুঁকিও রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জাফলং পর্যটনকেন্দ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. হোসেন মিয়া বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ব্যাপক সমাগম হবে বলে তারা প্রস্তুত রয়েছেন।
জাফলং পর্যটন হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি বাবলু বখত জানান, ঈদের সময় প্রায় সব হোটেল আগেই বুকিং হয়ে যায় এবং পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বল্প খরচে থাকা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছেন।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় থানা পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও রোভার স্কাউট সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
১৪৪ দিন আগে
জেলে ও পর্যটকদের জন্য আজ খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবন
টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে জেলে, বনজীবী ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য খুলছে সুন্দরবনের দ্বার।
বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে আজ থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে কোলাহলপূর্ণ হয়ে উঠবে সুন্দরবন।
দীর্ঘ সময়ের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনের দ্বার খোলায় অপেক্ষার প্রহর গুনছেন পর্যটন ব্যবসায়ী ও জেলেরা। সেই লক্ষ্যে শরণখোলা উপজেলার জেলে পল্লীতে ফিরে এসেছে চিরচেনা রূপ। জেলে পল্লীতে ঠুকঠাক শব্দে নৌকা ও ট্রলার মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি শেষে প্রথম দিনেই সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য নিরলস পরিশ্রম করছেন তারা।
এদিকে, পর্যটন ব্যবসায়ীরাও তাদের ট্যুরিস্ট বোটগুলো মেরামত ও রঙ দিয়ে প্রস্তুত করে তুলেছেন। দীর্ঘ বিরতির পর তারা আশা করছেন, পর্যটকদের আগমন সুন্দরবনের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনবে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মৎস্য ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম হওয়ায় প্রতিবছরের মতো এবারও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
অন্যদিকে, টানা নিষেধাজ্ঞা থাকায় বিপাকে পড়েছেন সুন্দরবনের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল জেলেরা। বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় অনেকেই পাড়ি জমিয়েছেন শহরে।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা
কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ ও শরণখোলা উপজেলার খুড়িয়াখালী গ্রামের জেলেরা বলেন, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের চরম অভাব-অনটনে দিন কাটাতে হয়েছে। বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করলে জেলে পরিবারগুলোতে দারিদ্র্যতা থেকে যাবে। নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা তিন মাস থেকে কমিয়ে দুই মাসে আনা উচিত বলে দাবি করেন তারা।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি পাবেন জেলে ও পর্যটকরা। এ উপলক্ষে গত ২৭ আগস্ট বুধবার সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল পেশাজীবীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৪১২ দিন আগে
জাফলংয়ে নিখোঁজের তিন দিন পর পর্যটকের লাশ উদ্ধার
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং পর্যটনকেন্দ্রে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া মুকিত আহমদ (১৮) নামে এক পর্যটকের লাশ তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (২৭ জুলাই) সকালে জাফলংয়ের বল্লাঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মুকিত আহমদ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার রায়নগর এলাকার শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তারা সিলেট নগরীর মাছিমপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে জাফলংয়ের বল্লাঘাট এলাকায় একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন তারা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং নিখোঁজ পর্যটক মুকিত আহমদের লাশ হিসেবে শনাক্ত করে।
আরও পড়ুন: জাফলংয়ে পানিতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যু
প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা বলেন, ‘গত শুক্রবার (২৫ জুলাই) বন্ধুদের সঙ্গে জাফলংয়ে বেড়াতে আসে মুকিতসহ ২৮ জনের একটি দল। দুপুরের দিকে তারা সবাই নদীর পাড়ে ফুটবল খেলতে নামে। খেলা শেষে তারা তিনজন নদীর পানিতে নামলে স্রোতের টানে তলিয়ে যায়। বাকি দু'জন তীরে উঠলেও স্রোতের টানে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয় মুকিত।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার মো. তোফায়েল আহমদ জানান, আজ সকালে মুকিতের লাশ পানিতে ভেসে উঠলে তা উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৫ জুলাই) জাফলংয়ের পিয়াইন নদীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় পানিতে নামলে স্রোতের টানে তলিয়ে গিয়ে মুকিত নিখোঁজ হন। ঘটনার তিনদিন পর জাফলংয়ের বল্লাঘাট এলাকায় তার লাশ ভেসে উঠে।
৪৪৮ দিন আগে
সিলেটের সাদা পাথর পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
বৈরি আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাদা পাথর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
গত ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে সিলেট অঞ্চলে। এতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। ফলে পর্যটকদের নিরাপত্তা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (৩০ মে) সাদা পাথর বন্ধের আদেশে সই করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুন্নাহার। তবে এ আদেশ প্রকাশ করা হয় রবিবার (১ জুন)।
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন রোধে সরকারের কার্যক্রম শুরু
বিলম্বের কারণ সম্পর্কে ইউএনও আজিজুন্নাহার জানান, শুক্রবার দিনভর পাহাড়ি ঢল অব্যাহত ছিল। পরিস্থিতির তাৎক্ষণিক গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি জরুরি ভিত্তিতে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু শুক্রবার ও শনিবার (৩১ মে) সরকারি ছুটি থাকায় আদেশটি দ্রুত প্রচার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পর্যটকদের জন্য আবারও সাদা পাথর খুলে দেওয়া হবে।
সাদা পাথর পর্যটনকেন্দ্র সিলেটের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান, যা প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক পর্যটককে আকৃষ্ট করে।
৫০৩ দিন আগে