আত্নহত্যা
রাজধানীতে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর রামপুরা থানার বনশ্রী এলাকায় লাইকা মিলিন (১৭) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) সকাল পৌনে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কিশোরির বাবা শাহাদাত হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আমাদের ভাড়া বাসার চার তলায় জানালার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আমার মেয়ে ঝুলে ছিল। পরে আমরা দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে কী কারণে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে বিষয়টি বলতে পারছি না।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি রামপুরা থানা পুলিশকে জানিয়েছি।
৫ দিন আগে
লালমনিরহাটে চুরির অপবাদে নির্যাতন করায় যুবকের আত্নহত্যা
লালমনিরহাট কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অপবাদে নির্যাতনের শিকার হওয়ায় অভিমানে বিষপানে নুর আলম নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার তুষভাণ্ডার ইউনিয়নের কাঞ্চনশ্বর দুল্লার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুর আলম ওই এলাকার মৃত নওশের আলীর ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে সেলুনের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির পাশে দুল্লারবাজারে একটি মোটরসাইকেল দেখতে পান। সেখানে কাউকে না পেয়ে গাড়িটি তার বাড়ির সামনে এনে রাখেন।
আরও পড়ুন: গলায় ফাঁস দিয়ে রাজশাহীতে তরুণীর ‘আত্নহত্যা’
পরে রবিবার সকালে মোটরসাইকেলের মালিক আসাদুল মোটরসাইকেল রক্ষা করার জন্য তাকে মিষ্টি খেতে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল নেয়। মোটরসাইকেল পাওয়ার পর নুর আলমকে কৌশলে দুল্লারবাজার ক্লিনিকের সামনে নিয়ে মোটরসাইকেল চুরির অপবাদে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
এসময় আসাদুলের পিতা আজিজুল, চাচা নাজুল্লা কিল-ঘুষিসহ বুকের উপর উঠে মারধর করেন। একপর্যায়ে অভিমানে ওই যুবক বাজার থেকে বিষ নিয়ে বাড়িতে এসে সবার অজান্তে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন।
নিহত যুবকের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী রাতে মোটরসাইকেল বাজারে পেয়ে বাড়ির সামনে এনে রেখেছিল। সে মোটরসাইকেল চালাতেও পারে না। রবিবার সকালে তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে চুরির অপবাদে মারধর করে। সেই অভিমানে আমার স্বামী আত্মহত্যা করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবীর বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। আমাদের পুলিশ সেখানে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ শুনে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: নানা-নানীর নির্যাতন সইতে না পেরে নাতনীর আত্নহত্যা!
নানা-নানীর নির্যাতন সইতে না পেরে নাতনীর আত্নহত্যা!
৭৬৮ দিন আগে
নানা-নানীর নির্যাতন সইতে না পেরে নাতনীর আত্নহত্যা!
নাটোর শহরের চৌকিরপাড় এলাকায় নানা-নানীর নির্যাতন সইতে না পেরে পালক নাতনীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যার খবর পাওয়া গেছে। রবিবার দুপুরে বাড়ির তৃতীয় তলার টিনশেড ঘরের বাঁশের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জান্নাত স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন: গলায় ফাঁস দিয়ে রাজশাহীতে তরুণীর ‘আত্নহত্যা’
নানী লাইলী বেগম জানান, নিঃসন্তান মেয়ে মাসুমা আক্তার ও জামাই মতিউর রহমান তাদের বারান্দায় ফেলে যাওয়া শিশু জান্নাতকে নিজেদের সন্তানের মতো লালন পালন করেন।
ছয় বছর আগে আমেরিকায় যাওয়ার আগে তাদের পালিত কন্যাকে মাসুমার বাবা সুলতান মাহমুদের বাসায় রেখে যান। আমেরিকা থেকে তারা তাদের কন্যা জান্নাতের জন্য নিয়মিত সকল খরচ পাঠাতেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তার পালক নানা নানী ওই শিশুর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। রবিবার দুপুরে নির্যাতন সইতে না পেরে শিশু জান্নাত বাড়ির তৃতীয় তলার টিনশেড ঘরের বাঁশের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়।
টের পেয়ে ওই পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন নানী লাইলী বেগম।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ জানান, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে দম্পতির আত্নহত্যা!
১২৩০ দিন আগে
বাগেরহাটে দম্পতির আত্নহত্যা!
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে এক দম্পতি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চর-গাড়ফা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ওই দম্পতির নাম জনি শেখ (২২) ও নাহিদা আক্তার (১৮)। জনি শেখ বাগেরহাট জেলা মোল্লাহাট উপজেলার চর-গাড়ফা গ্রামের কালাম শেখের ছেলে এবং নাহিদা আক্তার একই উপজেলার পাশ্ববর্তী সরালিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে। জনি শেখ পেশায় একজন কৃষক।
নিহত জনি শেখের বড় ভাই রনি শেখ স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, জনি ও তার স্ত্রী একটি ঘরে বসবাস করতো। সকালে স্বজনরা ঘরে গিয়ে দেখতে পায় গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তারা দু’জন ঝুলছে। এসময় তাদের চিকিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। কয়েক মাস আগে নাহিদাকে তার ভাই বিয়ে করে বলে রনি জানায়।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাশ জানান, বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই দম্পতি আত্নহত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য তাদের মৃতদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তবে কি কারণে ওই দম্পতি আত্নহত্যা করেছে তার কারণ জানতে পারেনি ওসি।
আরও পড়ুন: দুই কন্যাশিশুকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা!
টিভি দেখতে না করায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিশুর আত্মহত্যা!
প্রেমিকাকে দায়ী করে স্ট্যাটাস দিয়ে প্রেমিকের আত্মহত্যা!
১৫৭৮ দিন আগে
গলায় ফাঁস দিয়ে রাজশাহীতে তরুণীর ‘আত্নহত্যা’
দুর্গাপুর পৌর এলাকার হরিপুর গ্রামে শনিবার সকালে গলায় ফাঁস দিয়ে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন।
১৯৮০ দিন আগে