দাম বৃদ্ধি
১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা
সৌদি আরামকোর ঘোষিত কনট্রাক্ট প্রাইস (সৌদি সিপি) সমন্বয়ের ফলে আগস্ট মাসের জন্য বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন দরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫২৮ টাকা থেকে ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, এই নতুন দর আজ (রবিবার) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৩৩ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাইয়ে এ দাম ছিল ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৫ টাকা ৮৫ পয়সা।
মূল্য সমন্বয় করে বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের মধ্যে সাড়ে ৫ কেজির দাম ৭৩২ টাকা, ১২ কেজির ১ হাজার ৫৯৮ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির ১ হাজার ৬৬৪ টাকা, ১৫ কেজির ১ হাজার ৯৯৭ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ১৩০ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৩৯৭ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৬৬৩ টাকা, ২২ কেজির ২ হাজার ৯২৯ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৩২৯ টাকা, ৩০ কেজির ৩ হাজার ৯৯৫ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা, ৩৫ কেজির ৪ হাজার ৬৬০ টাকা এবং ৪৫ কেজির দাম ৫ হাজার ৯৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরামকো আগস্ট মাসের জন্য প্রতি টন প্রোপেনের দাম ৬২০ ডলার এবং বিউটেনের দাম ৬৪০ ডলার নির্ধারণ করেছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি প্রতি টন ৬৩৩ ডলার বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
জুলাইয়ে গড় সৌদি সিপি ধরা হয়েছিল প্রতি টন ৫৯৩ ডলার। সে হিসাবে আগস্টে গড় সৌদি সিপি প্রতি টনে ৪০ ডলার বেড়েছে।
এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১২৯ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহকৃত এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৭ টাকা ৫০ পয়সা বা প্রতি লিটার ২৮ পয়সা ৭৫ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।
তবে সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা আদেশ অনুযায়ী সরকারি এলপিজির ডিলার ও রিটেইলার পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সাই বহাল থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, বিতরণ ও খুচরা বিক্রির কোনো পর্যায়েই কমিশন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। কমিশনের আগের অন্যান্য নির্দেশনাও বহাল থাকবে।
৪ দিন আগে
কাল থেকেই কাঁচামরিচ আমদানি, ২-৫ দিনের মধ্যে দাম কমার আশা কৃষিমন্ত্রীর
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, আগামীকাল থেকেই কাঁচামরিচ আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। এর ফলে আগামী দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রবিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
বাজার পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীরা বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, মূল্য এবং সার্বিক বাজার পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, কাঁচামরিচের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, কাঁচামরিচ আমদানির ওপর বিদ্যমান কর (ট্যাক্স) কমানো হচ্ছে এবং কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল থেকেই আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। এর ফলে আগামী দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
৪ দিন আগে
সুগন্ধি আতপ চাল ‘রপ্তানির অনুমতিতে’ নওগাঁয় চালের বাজার লাগামহীন
ধান চাল উৎপাদনে বরাবরই শীর্ষে উত্তরের জেলা নওগাঁ। এখানকার উৎপাদিত সুগন্ধি চালের বিশেষ কদর রয়েছে সারা দেশের খুচরা এবং পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে। তবে গেল এক সপ্তাহ ধরে চাল বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। কেজিতে এবার ২-৪ টাকা নয়, বেড়েছে ৯০ টাকা।
নওগাঁর বাজারে এক কেজি সুগন্ধি আতপ চালে ৯০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। শুধু তাই নয়, সুগন্ধি চালের পাশাপাশি বেড়েছে কাটারিসহ সব ধরনের সরু চালের দামও।
ক্রেতা এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় কিছু মিল আর করপোরেট কোম্পানিগুলোর মজুত সিন্ডিকেটের কারণেই বাড়ছে চালের দাম। তবে মিল মালিক আর ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, সরকারিভাবে বিদেশে আতপ চাল রপ্তানি আর হাটে ধানের বাড়তি দামের কারণে চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। পরিরিস্থি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিংয়ের কথা বললেও বাস্তবে কারোরই দেখা মেলেনি।
নওগাঁ শহরের সবচেয়ে বড় খুচরা চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গেল ৩ সপ্তাহের ব্যবধানে সকল প্রকার সরু চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত। বাজারে মোট বিক্রির ৮০ শতাংশই হয় কাটারি চাল। শর্টার ও নন শর্টারসহ সব ধরনের কাটারি চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা। ৭৬ টাকা কেজির চাল ৩ সপ্তাহের ব্যবধানে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। স্বর্ণা-৫ জাতের চাল ২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫১ টাকায়। বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি, কয়েকদিন আগেও যার দাম ছিল ৫৮ টাকা।
তবে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সুগন্ধি (আতপ) চাল। দুই সপ্তাহ আগেও এই চাল বাজারে বিক্রি হচ্ছিল ১২০ টাকা কেজিতে। কিন্তু প্রতিদিনই বৃদ্ধি পেতে পেতে এখন সেই চাল বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। অর্থাৎ কেজিতেই বেড়েছে ৯০ টাকা। চালের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে। বাজারে চাল কিনতে এসে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
নওগাঁ সদর উপজেলার ডাক্তারের মোড় এলাকা থেকে পৌর চালের বাজারে আতপ চাল কিনতে এসেছিলেন মোসলেম উদ্দিন। তিনি বলেন, গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য ১৫ কেজি আতপ চাল কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু বাজারে এসে শুনি, সেই চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৯০ টাকা। এভাবে হঠাৎ করেই দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
উপজেলার বালুভরা গ্রামের কৃষক আল ফারুকের সঙ্গে কথা হয় নওগাঁর খুচরা বাজারে। ৫ কেজি ভাতের চাল কিনতে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎই দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন এই কৃষক। তিনি বলেন, এভাবে দাম বাড়লে যারা দিন এনে দিন খান, তাদের জন্য চাল কেনা কঠিন হয়ে পড়ছে।
৫ দিন আগে
বাড়ছে সব স্তরের সিগারেটের দাম
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য নিকোটিন পাউচের ওপর প্রথমবারের মতো কর আরোপ ও মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ ঘোষণা দেন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকার ন্যূনতম মূল্য ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চ স্তরে ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই হিসাবে প্রতি শলাকার দাম দাঁড়ায় যথাক্রমে ৬.২ টাকা, ৯.২ টাকা, ১৬ টাকা এবং ২১ টাকা।
এছাড়া নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোবাকো পণ্যের ক্ষেত্রেও নতুন কর কাঠামোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী নিকোটিন পাউচে প্রতি ১০ গ্রামে ৫০০ টাকার ভিত্তিতে ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং হিটেড টোবাকোতে প্রতি ১০ শলাকায় ২১০ টাকার ভিত্তিতে ৬৭ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
অবৈধ তামাক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে বাজেটে ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস পদ্ধতি চালুর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো সরবরাহ চেইন নজরদারির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
৫৬ দিন আগে
বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে বাড়ল ১ টাকা ৫২ পয়সা
খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর ফলে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় কমিশনের শুনানিকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। সেই সঙ্গে সঞ্চালন চার্জ বাড়ানো হয়েছে ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। আর সঞ্চালন চার্জ ৩১ দশমিক ৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩৮ দশমিক ৮৬ পয়সা করা হয়েছে।
নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।
এর আগে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছিল।
বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। একই সময়ে পাইকারি দাম ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।
৬৪ দিন আগে
কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের তুলনায় ২ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ঢাকার বাইরে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।
বুধবার (১৩ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ কমিটির’ সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে, খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সমানভাবে কার্যকর হবে।
সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চামড়া সংরক্ষণের জন্য এবারও সরকার ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ বিনামূল্যে বিতরণ করবে। প্রতিটি এলাকায় ব্যবসায়ী এবং মসজিদ-মাদরাসার মাধ্যমে চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আগামী কোরবানির ঈদে কোনো চামড়া যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য আমরা কাজ করছি। প্রতিটি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট মসজিদ-মাদরাসার প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দেবে। তারা কোরবানির পর চামড়া সংরক্ষণ করবেন।
এর আগে, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম অংশ নেন।
৮৫ দিন আগে
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ইউরোপে মুদ্রাস্ফীতি পৌঁছেছে ৩ শতাংশে
ইরান যুদ্ধে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে গোটা ইউরোপ। এই সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকায় ভোক্তা ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারকদের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাট জানায়, জ্বালানি তেলের দাম শতকরা ১০.৯ শতাংশ বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ।
সংস্থাটির জরিপ মতে, ইউরো ব্যবহারকারী ২১টি দেশের বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি মার্চে ২ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে চলতি মাসে ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অপরিশোধিত তেলের দাম বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে, ৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে যা ছিল ৭৩ ডলারে কাছাকাছি। এছাড়া চলতি বছরের প্রথম থেকেই ইউরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল হতাশাজনক।
গোটা বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল পরিবহনকারী হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। এই জলপথ দিয়ে আগে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সারা বিশ্বে তেল সরবরাহ করা হতো। তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি দ্রুতই পেট্রোল পাম্প এবং বিমান জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
মুদ্রাস্ফীতির এই সমস্যা ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ সৃষ্টি করতে পারে বলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ হলো এমন একটি বিরল ও জটিল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, যেখানে একইসঙ্গে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি (দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি) ও ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেখা দেয়।
ইউরোপে মুদ্রাস্ফীতির এই বৃদ্ধি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ এটি এমন সময়ে ঘটছে যখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধীর। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ায়, কিন্তু এতে ঋণের খরচ বেড়ে গিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও কমে যেতে পারে। যদি মুদ্রাস্ফীতি সাময়িক বলে মনে হয়, তবে সাধারণত এটিকে উপেক্ষা করা হয়, কারণ সুদের হার পরিবর্তনের প্রভাব অর্থনীতিতে পড়তে কয়েক মাস সময় লাগে।
অন্যদিকে, যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেরি করে এবং মুদ্রাস্ফীতি খাদ্য, শিল্পপণ্য ও মজুরি বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিতে স্থায়ীভাবে ঢুকে যায়, তাহলে পরে কঠোর সুদবৃদ্ধির মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
এই সপ্তাহে জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ উভয়ই তাদের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডও আজ (বৃহস্পতিবার) একই সিদ্ধান্ত নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফলে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ অন্যান্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন একপ্রকার স্থবির অবস্থায় রয়েছে। তারা মুদ্রাস্ফীতির এই ঢেউ অর্থনীতিতে কীভাবে প্রভাব ফেলছে, তা সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।
৯৮ দিন আগে
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়ল ৪ টাকা
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও আমদানিকারক-পরিশোধনকারীদের ধারাবাহিক লোকসানের প্রেক্ষাপটে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঈদুল আজহার আগে বাজার স্থিতিশীল রাখার আশ্বাস দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেলের বাজারমূল্য নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
নতুন দাম অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, আগে যা ছিল ১৯৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দামও লিটারপ্রতি চার টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা থেকে ১৭৯ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৫৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৭৫ টাকা করা হয়েছে। তবে পাম অয়েলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বেই পণ্যের উৎসে মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা আশা করি আমাদের ভোক্তা বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখবেন। এতে বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতিও আগের চেয়ে স্বাভাবিক হবে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উৎস পর্যায়ে পণ্যের দাম বেড়েছে। যেসব পণ্য আমরা আমদানি করি, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই প্রভাব সরাসরি পড়ে। সয়াবিন তেল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর হওয়ায় এর মূল্যবৃদ্ধির চাপ দেশীয় বাজারেও এসেছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, রমজান মাস থেকেই আমদানিকারক ও রিফাইনাররা মূল্য সমন্বয়ের অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন। আমরা আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানি ব্যয় ও সংশ্লিষ্ট খরচ যাচাই করে দেখেছি, তাদের দাবির যৌক্তিকতা রয়েছে। তবে তাদের প্রস্তাবিত পুরো পরিমাণ বৃদ্ধি না করে আংশিক সমন্বয় করা হয়েছে।
এই মূল্য সমন্বয়ের ফলে একদিকে যেমন রিফাইনারদের লোকসান কমবে, অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন নির্ধারিত মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। একইসঙ্গে বাজারে খুচরা পর্যায়ে মূল্য বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মনিটরিং জোরদার করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
৯৯ দিন আগে
মুরগির দাম বেড়েছে, গিলা-কলিজায় সাধ মেটাচ্ছেন খুলনার নিম্ন আয়ের মানুষেরা
খুলনার বাজারগুলোতে শাকসবজির দাম কমলেও সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। দাম বাড়ায় নিম্ন আয়ের অনেকে ঝুঁকছেন মুরগির গলা, গিলা, কলিজা ও পা কেনার দিকে।
খুলনার কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সপ্তাহখানেক ধরেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রোটিনের সস্তা উৎস ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়তি। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি এখন ১৭০ টাকা, সাদা লেয়ার মুরগি ২৫০ টাকা এবং সোনালী ২৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২০ টাকা। অন্যদিকে দেশি মুরগি ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাঝেমধ্যেই দাম বাড়ার কারণে নগরীর কয়েকটি বাজারে গত দুই-তিন বছরে জনপ্রিয়তা বেড়েছে মুরগির গলা, গিলা, কলিজা ও পায়ের। দামে তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় নগরীর নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের নজর এখন এগুলোর দিকে।
মিস্ত্রীপাড়া বাজারে কথা হয় শিউলী বেগম নামের এক নারীর সঙ্গে। তিনি জানান, তার স্বামী একজন দিনমজুর। প্রতিদিন আয় করেন ৪০০ টাকা। ঘরভাড়া ও অনুসঙ্গিক খরচের কারণে সঞ্চয় বলতে কিছুই থাকে না। তাছাড়া অনেকদিন ভালোমন্দও খাওয়া হয় না তাদের। এদিন তিনি বাজার-সদাই শেষে যান মুরগির গিলা, গলা, কলিজা ও পা (সেট) কেনার জন্য।
তিনি বলেন, ‘প্রতি কেজি সেটের দাম একমাস আগেও ১০০ টাকা ছিল। বর্তমানে এর দামও বেড়ে গিয়ে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আজকে দোকানদারের সাথে ঝগড়া করে ১১০ টাকায় কিনেছি।’
শিউলী বেগম বলেন, ‘এক বছরের বেশি হয়ে গেল, গরুর মাংস তো দূরের কথা, মুরগিই কিনতে পারি না। গরুর মাংসের দাম বর্তমানে ৭৫০ টাকা। আমাদের মতো গরীব মানুষের পক্ষে কিনে খাওয়া সম্ভব না।’
রিকশাচালক হামিদ আলী বলেন, ‘আগে কখনো গিলা-কলিজা কিনতাম না। মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় মুরগির স্বাদ এখন গিলা-কলিজা দিয়ে পূরণ করছি।’
ওই বাজারের গিলা-কলিজা ব্যবসায়ী ইয়াসিন হাওলাদার বলেন, গত কয়েক বছর ধরে তিনি এ ব্যাবসা করেন। করোনা মহামারীর পর থেকে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে মুরগির সেটের প্রতি চাহিদা বেড়েছে। প্রতিদিন ‘একশ থেকে দেড়শ’ মুরগির সেট বিক্রি করেন তিনি।
সাধারণ ক্রেতারা বলেন, বর্তমানে শাকসবজির দাম নিম্নমুখি হলেও মাছ, মাংসসহ অন্যান্য পণ্য ঊর্ধ্বমুখী। এতে এক ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে। বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভোক্তা অধিকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খুব একটা তদারকিমূলক অভিযান নেই বলে জানান সাধারণ ক্রেতারা।
২০০ দিন আগে
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণেই সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ: বাণিজ্য উপদেষ্টা
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কারণেই সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আশাকরি এখন থেকে বাজারে আর তেলের ঘাটতি হবে না।
উপদেষ্টা বলেন, কিছুদিন ধরে তেলের ঘাটতি থাকায় প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তর্বর্তী সরকারের অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভোক্তারাও অস্বস্তিতে রয়েছেন। আমরা তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছি।
আরও পড়ুন: বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, গত এপ্রিলে ১৬৭ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর এখন পর্যন্ত বিশ্ববাজারে দাম অনেকটাই বেড়েছে। যেকারণে দেশে স্থানীয় মজুদদারি বেড়েছে। তেলের পর্যাপ্ত মজুদও রয়েছে।
তিনি বলেন, অনেকে তেল কিনে মজুদ করেছে। ভোক্তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে আমরা সেটা মনিটরিং করছি। কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কথা বলে এখন একটি যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। আর সমস্যা হবে না বলে মনে হয়।
উপদেষ্টা আরও বলেন, যদিও এখন আমাদের প্রতি টন তেল ১ হাজার ২০০ ডলারে খালাস হচ্ছে। এছাড়া আরও দাম বাড়তে পারে। সে উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে। কারণ বিশ্ববাজার এখনও স্থিতিশীল নয়।
তিনি বলেন, অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা স্থিতিশীল হচ্ছে। তবে আলুর দামে অস্থিরতা এখনও আছে। নতুন আলু উঠলে দাম কমে আসবে।
আরও পড়ুন: বাণিজ্য সহযোগিতায় বাংলাদেশের বড় অগ্রাধিকার চীন: বাণিজ্য উপদেষ্টা
ভোজ্যতেল সরবরাহকারী কোম্পানিরগুলোর সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা হায়দার বলেন, এখন প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হবে ১৭৫ টাকা, খোলা সয়াবিন বিক্রি হবে ১৫৭ টাকা। আগে বোতলজাত তেল ১৬৭ টাকা ও খোলা তেল ১৪৯ টাকা ছিল।
এছাড়া গত এপ্রিলে সরকার যখন তেলের দাম নির্ধারণ করে, তখন বিশ্ববাজারে প্রতি টন তেলের দাম ছিল ১ হাজার ৩৫ ডলার। এখন আমরা ১ হাজার ১০০ ডলার ধরে লিটারে ৮ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
৬০৪ দিন আগে