শৈত্যপ্রবাহ
তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা, ৭.৫ ডিগ্রিতে নেমেছে পারদ
হাড় কাঁপানো শীতের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ও ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দিনমজুর, শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৭ শতাংশ।
চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
তীব্র শীতের কারণে ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মোড়, বাস স্ট্যান্ড ও চায়ের দোকানের সামনে নিম্ন আয়ের মানুষদের আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না।
শ্রমজীবী মানুষেরা জানান, ভোরে কাজে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এক কৃষক বলেন, শীতের কারণে হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে। তারপরও জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়। অনেক সময় কাজ না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে।
শীতের প্রভাবে জেলার জনস্বাস্থ্যেও চাপ বেড়েছে। সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও সর্দিকাশিতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
শীতের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে। ভোরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া একদল শিক্ষার্থী জানায়, প্রচণ্ড শীত ও হিমেল বাতাসে যাতায়াত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
একই সঙ্গে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যেও ভাটা পড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বেলা বাড়ার আগে ক্রেতারা তেমন আসছেন না।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে আগামী ১১ বা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
১৬ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গায় শৈত্যপ্রবাহ, ৮ ডিগ্রিতে নেমেছে তাপমাত্রা
মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে হঠাৎ করেই তীব্র শীতের কবলে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিরও বেশি কমে গিয়ে সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আরও দু-একদিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যাওয়ায় মানুষের জীবনযাত্রায় হঠাৎ করেই বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
আজ ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমশীতল বাতাসে সড়কগুলো অনেকটাই ফাঁকা ছিল। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। তবে জীবিকার তাগিদে ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাজে বের হতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষদের। রাস্তায় বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে খড়কুটা, কাঠ ও পুরনো টায়ার জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অনেককে।
ভ্রাম্যমাণ মুরগি বিক্রেতা ইয়ারুল আলি বলেন, ভোরে শহরে বের হই, কিন্তু তীব্র শীতে মানুষ কম বের হওয়ায় মুরগির বিক্রি কমে গেছে।
দিনমজুর ও ভ্যানচালকেরা জানান, ঠান্ডায় কাজ করতে কষ্ট হলেও উপার্জনের জন্য বাইরে বের হতে হচ্ছে। সকালে যাত্রী ও কাজের চাপ কম থাকায় উপার্জনও কমে গেছে।
অন্যদিকে, শীতের প্রভাব পড়েছে জেলার জনস্বাস্থ্যেও। সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডাজনিত জ্বর ও নিউমোনিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি আরও দু-একদিন থাকতে পারে। এ সময় রাত ও ভোরে শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৬ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় কমেছে শীতের তীব্রতা
দু’দিন ধরে ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকলেও চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা কমেছে।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টা ও ৯টার দিকে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিন ছিল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এভাবে গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেছে। জানুয়ারি মাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল সর্বশেষ শৈত্যপ্রবাহের সময়।
এদিকে, তাপমাত্রার এই পরিবর্তনে সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। রাস্তায় হালকা পোশাক পরে চলাফেরা করা শ্রমিকরা জানান, আগের দিনের তীব্র শীতের কারণে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছিল, তবে বর্তমানে আবহাওয়া সহনীয় হওয়ায় কাজ করা সহজ হয়েছে।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে
কৃষকরা জানান, শীত কমে যাওয়ায় মাঠে কাজ করতে সুবিধা হচ্ছে, তবে আবার ঠান্ডা পড়বে কিনা, তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে।
শীতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় শীতের কাপড়ের বিক্রি কমে গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েকদিন আগে শীতের পোশাক বিক্রি হলেও বর্তমানে মানুষ হালকা পোশাকেই স্বস্তি পাচ্ছেন, যার ফলে বিক্রিতে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল ইসলাম জানান, আকাশে মেঘ থাকার কারণে তাপমাত্রা বেড়েছে। পশ্চিম দিক থেকে আসা মেঘের কারণে উত্তরের হিমেল বাতাস বাধাগ্রস্ত হয়ে শীতের তীব্রতা কমেছে। তবে, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মেঘ কেটে গিয়ে আবহাওয়া আবারও পরিবর্তিত হতে পারে এবং তাপমাত্রা কমে ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামবে।
আরও পড়ুন: সূর্যের দেখা নেই চুয়াডাঙ্গায়, আবারও শৈত্যপ্রবাহের আভাস
৩৩৮ দিন আগে
সূর্যের দেখা নেই চুয়াডাঙ্গায়, আবারও শৈত্যপ্রবাহের আভাস
গত তিনদিন ধরে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সূর্যের দেখা না মেলায় তীব্র ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায়ও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রকিবুল হাসান বলেন, ‘তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হলেও হিমেল বাতাসের কারণে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। এছাড়া আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।’
আরও পড়ুন: ৪ দিনেও সূর্যের দেখা নেই লালমনিরহাটে, বিপাকে শ্রমজীবীরা
এদিকে আরও ৩ থেকে ৪ দিন এই জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানান জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রকিবুল হাসান।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শীতের কারণে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগ ও রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া এই দুই ধরনের শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। প্রতিদিন বহির্বিভাগে শিশু রোগীর চাপ বেড়ে যাচ্ছে। আন্তঃবিভাগে শিশু ওয়ার্ডে গড়ে ৬০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। শিশু, ডায়রিয়া ও মেডিসিন বিভাগে রোগীদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে চিকিৎসক-নার্সদের হিমশিম অবস্থা।’
৩৪৭ দিন আগে
শৈত্যপ্রবাহের কবলে চুয়াডাঙ্গা, তাপমাত্রা কমেছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
চুয়াডাঙ্গায় একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় শৈত্যপ্রবাহ।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ।
এদিকে হাড় কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, বুধবার (৮ জানুয়ারি) এ জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে একদিনের ব্যবধানে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে জেলার তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রিতে।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে শীত। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এ অবস্থায় কষ্টে আছেন শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষেরা।
চুয়াডাঙ্গা শহরের চৌরাস্তার মোড়ের চা দোকানি আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘জব্বর (খুব) শীত পড়ছে। সবকিছু ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। সকাল-সন্ধ্যা কুয়াশা আর শীত। বেচা-কেনা নেই। খুব কষ্টে আছি।’
চুয়াডাঙ্গা শহরের কোর্ট মোড় এলাকার পুরোনো কাপড় বিক্রেতা হাবু মিয়া বলেন, ‘শীতের শুরুতে বেচা-কেনা তেমন ছিল না। এখন বিক্রি বাড়ছে।’
আরও পড়ুন: দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় বিশ্বে ‘দ্বিতীয়’ ঢাকা
শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মধ্যে কম্বলসহ শীতের গরম কাপড় বিতরণ অব্যাহত রয়েছে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জহিরুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, এ মৌসুমে এ জেলায় সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি এ যাবতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি।
৩৬২ দিন আগে
পঞ্চগড়ে আবারও শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ
পঞ্চগড়ে রবিবার (২২ ডিসেম্বর) থেকে আবারও শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। গত দুদিন ধরে এখানে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির উপরে থাকলেও আজ আবারও নিচে নেমে এসেছে।
রবিবার সকালে সূর্যের মুখ দেখা গেলেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ থাকার কারণে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। রোদের কারণে দিনের বেলা তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও বিকাল থেকেই ঠান্ডা লাগতে শুরু করছে। গরম কাপড় পরে লোকজন বের হচ্ছেন। রাতে কুয়াশা পড়ছে কোনো কোনো সময় শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছে। এ কারণে রাতের শীতে এই এলাকার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে শীত, বিপাকে হতদরিদ্ররা
পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, রবিবার সকাল ৬টায় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর সকাল ৯টায় কিছুটা তাপমাত্রা কমে রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ ভাগ। বাতাসের গতি ছিল ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে বলেও জানান তিনি।
৩৮০ দিন আগে
শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত দৈনন্দিন জীবনযাত্রা
দেশের বিভিন্ন জেলার উপর দিয়ে মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা দ্রুত কমে গেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পঞ্চগড়, রাজশাহী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গাসহ উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার এই ধারা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশাও থাকবে অনেক এলাকায়।
আবহাওয়া অফিস জানায়, উত্তরের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রবিবার সকালে ঢাকার বাতাসের মান 'খুব অস্বাস্থ্যকর'
পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় উপমহাদেশের উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে শৈত্যপ্রবাহ তৈরি হচ্ছে।
এদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে বিস্তৃত দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি স্থানীয় আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলছে।
আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে মৌসুমি গড় তাপমাত্রার চেয়ে কম রয়েছে বাংলাদেশে।
আগের আবহাওয়ার ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশে ডিসেম্বরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাধারণত ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। তবে বেশ কয়েকটি জেলায় বর্তমান তাপমাত্রা এক অংকে নেমে এসেছে। এরই মধ্যে তেঁতুলিয়া ও চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বিশেষ করে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ভোরের দিকে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবারের মধ্যে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। ডিসেম্বরে সাধারণত বছরের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়।
বাসিন্দাদের ঠান্ডা থেকে সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বিশেষত রাতে ও ভোরের দিকে।
আরও পড়ুন: সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া, কুয়াশা ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত
৩৮৭ দিন আগে
ঠাকুরগাঁওয়ে তীব্র শীতে বোরোর বীজতলা নষ্টের আশঙ্কা
ঠাকুরগাঁওয়ে টানা বেশ কিছুদিনের শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। এছাড়াও কুয়াশা পড়ার কারণে বীজতলায় ঠান্ডা পানি জমছে। এই পানির কারণে চারা তুলনামূলকভাবে বড় হচ্ছে না।
বেশ কিছু এলাকায় গিয়ে ইউএনবির এই প্রতিবেদক দেখতে পান, বীজতলা হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। মৌসুমের শুরুতেই এমন হওয়ায় কৃষকেরা পড়েছেন দুঃশ্চিন্তায়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এ বছর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কিছু কিছু স্থানে বীজতলা প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন কৃষকেরা। এতে করে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে ধারণা করছেন তারা। ঠাকুরগাঁওয়ে বেশ কয়েকদিন থেকে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাপমাত্রা ৮ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। এ অবস্থায় জেলার কৃষকেরা বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা রাসেল ইসলাম বলেন, ‘ইতোমধ্যে কৃষকদের শুকনো, ভেজা, ভাসমান- তিন ধরনের বীজতলার বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। বীজতলা তৈরিতে স্থান, জমি তৈরি, শেড তৈরি, সার প্রয়োগ, বীজ বপন, বীজ জাগ দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেন কৃষকদের।’
আরও পড়ুন: তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা ও সবজির ক্ষতির আশঙ্কায় যশোরের কৃষকরা
তিনি আরও বলেন, ‘শুকনো বীজ একটানা কত ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং কোন জায়গায় রাখতে হবে সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য তাদের দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভালো চারা উৎপাদনের জন্য বীজের ভ্রুণ জাগরিত বিষয়ে দিক নির্দেশনা নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে।’
সদর উপজেলার রুহিয়া রামনাথ এলাকার কৃষক সুধির রায় জানান, প্রত্যেক বছর তিনি কমপক্ষে দেড় একর (১৫০ শতক) জমিতে বোরো ধান লাগান। এ বছরও তিনি বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করেছেন। কিন্তু তীব্র শীতে বেশিরভাগ চারা গাছ মারা যাচ্ছে।
শীতের প্রকোপে চারাগুলো বড়ো হচ্ছে না বলে জানান তিনি। শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেলে চারা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ভেলাজান গ্রামের কৃষক সামশুল হক জানান, প্রত্যেক বছর তিনি প্রায় সোয়া দুই একর (২২৫ শতক) জমিতে বোরো ধান চাষ করে থাকেন। এ বছরও বোরো ধান রোপণের কাজ শুরু করবেন। আপাতত বোরো ধানের বীজতলা করেছেন, শীতের জন্য তিনিও সমস্যায় পড়েছেন বলে জানান তিনি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বোরো ধানের আবাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা রাসেল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার ৮০ হেক্টর জমির। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২ লাখ ৮০ হাজার ৬৩২ মেট্রিক টন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) পর্যন্ত জেলায় মোট ৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।
তিনি জানান, গত বছরে ৬০ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগ থেকে ইতোমধ্যে কৃষকদের বিভিন্ন তথ্য প্রদানসহ সহযোগিতা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত শীতের কারণে বেশ কিছু এলাকায় সামান্য কোল্ড ইনজুরিতে বোরো বীজতলার ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও, সেটি বড় সমস্যা নয়।
জেলার কৃষকদের প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দেওয়ার প্রশংসা করে জানান, বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমনের মতো বোরো ধানেরও বাম্পার ফলন হবে এবং লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন তিনি।
আরও পড়ুন: হাওরে ৭০ ভাগ বোরো ধান কাটা হয়ে গেছে: কৃষি মন্ত্রণালয়
৭১০ দিন আগে
শৈত্যপ্রবাহে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসের সূচি পরিবর্তন
সারাদেশে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে ক্লাস শুরু হবে। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এ নির্দেশনা জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
রবিবার উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সময়সূচির এ পরিবর্তন করা হয়।
আরও পড়ুন: মেঘনা থেকে রজনীগন্ধা ফেরির সহকারী মাস্টার হুমায়ুনের লাশ উদ্ধার
এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এর ফলে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কোনো জেলায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে আঞ্চলিক উপপরিচালকরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে পারবেন।’
আরও পড়ুন: রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করবে এস আলম গ্রুপ
নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, আহত ২
৭১৫ দিন আগে
রংপুর-রাজশাহী বিভাগসহ কয়েক জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে: আবহাওয়া অফিস
রংপুর ও রাজশাহী বিভাগসহ দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়ার নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলাসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নওগাঁওয়ের বদলগাছী উপজেলা ও দিনাজপুরে ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আরও পড়ুন: ২ দিন পর তাপমাত্রা বাড়তে পারে: আবহাওয়া অফিস
মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।
ঘন কুয়াশার কারণে আকাশপথে চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হতে পারে।
এছাড়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মানুষ গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীতের কবলে পড়ায় স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা: আবহাওয়া অফিস
৭১৫ দিন আগে