চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ যুবক নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ) ভোর ও দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের মুসলিমপুর ও কানসাট এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: উপজেলার বালিয়াদিঘি গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান (২০) ও জমির উদ্দিনের ছেলে আবুল হায়াত (৩৫) এবং একই উপজেলার শেখটোলা এলাকার এরফান আলীর ছেলে আসাদ (১৯) ও জাফর আলীর ছেলে জাবের আলী (১৯)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আজ (মঙ্গলবার) ভোর সোয়া ৫টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের মুসলিমপুর এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কে একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নির্মাণাধীন একটি কালভার্টের নিচে পড়ে যায়। এতে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র জানান, হাবিবুর রহমান ও আবুল হায়াত কানসাট এলাকা থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ি বালিয়াদিঘিতে ফিরছিলেন। পথে অসাবধানতাবশত মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নির্মাণাধীন কালভার্টের নিচে পড়ে যায়। পরে পথচারী ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিন দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কানসাট এলাকায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলআরোহী আরও দুই যুবক নিহত হন।
শিবগঞ্জ থানার পরিদর্শক আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিবগঞ্জ থেকে কানসাটগামী একটি ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলআরোহী আসাদ নিহত হন। এত অপর মোটরসাইকেলআরোহী জাবের আলী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালক এখনও পলাতক রয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্মাণাধীন কালভার্টে পড়ে মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি কালভাটে পড়ে মোটরসাইকেলআরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোরে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের মুসলিমপুর এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— একই ইউনিয়নের বালিয়াদিঘি গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান (২০) ও জমির উদ্দিনের ছেলে আবুল হায়াত (৩৫)। তারা দুজনেই ট্রাকের শ্রমিক ছিলেন।
শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসআই খোকন চন্দ্র জানান, কানসাট থেকে মোটরসাইকেলযোগে ভোর সোয়া ৫টার দিকে নিজ বাড়ি বালিয়াদিঘি ফিরছিলেন হাবিবুর রহমান ও আবুল হায়াত। এ সময় অসাবধানতাবসত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের মুসলিমপুর এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নির্মাণাধীন কালভার্টের নিচে পড়ে পড়ে যায়। এতে দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে পথচারী ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, পরিবারের অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
২৩ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাখি শিকারের দায়ে যুবককে জরিমানা, টিয়া পাখি অবমুক্ত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ভুট্টাখেত থেকে টিয়াপাখি শিকারের সময় মিনার আলী (২০) নামে এক যুবককে আটক করে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরে উদ্ধার করা টিয়াপাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়েছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের পারচৌকা গ্রামের একটি ভুট্টাখেতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে মিনার আলীকে টিয়াপাখিসহ আটক করা হয়। পরে ভবিষ্যতে পাখি শিকার করবেন না—এ মর্মে মুচলেকা নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ছেড়ে দেয়।
মিনার আলী শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের ১৫ রশিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পরে উদ্ধার করা টিয়াপাখিগুলো উপজেলা চত্বরে অবমুক্ত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পাখি শিকার ও বন্যপ্রাণী ক্রয়-বিক্রয় দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বন্যপ্রাণী ও পাখি রক্ষা অত্যন্ত জরুরি।
পাখি শিকার বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
২ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রলিচালক নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় মহানন্দা ট্রেনের ধাক্কায় একটি ছাগলবোঝাই ট্রলির চালক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সোয়া ৬টার দিকে নাচোল রেলওয়ে স্টেশনের কাছে নাচোল-খলসি সড়কের দেওপাড়া রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ (৩৫)। তিনি উপজেলার বান্দ্রা গ্রামের মহিবুর রহমানের ছেলে ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আবুল কালাম আজাদ একটি ট্রলিতে ছাগল নিয়ে দেওপাড়া এলাকা থেকে নিজ বাড়ি বান্দ্রায় ফিরছিলেন। পথে দেওপাড়া রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় রহনপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী মহানন্দা ট্রেনের সঙ্গে ট্রলিটির সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
১২ দিন আগে
চাঁপাই সীমান্তে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চকপাড়া সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর যৌথ সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে বিএসএফ ওই ১২ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
শনিবার (৪ জুলাই) সকালে বিজিবির মহানন্দা ৫৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গতকাল (শুক্রবার) রাত ১১টার দিকে চকপাড়া সীমান্তের ১৮৩/৩-এস নম্বর সীমান্ত পিলার-সংলগ্ন এলাকায় ভারতের বিএসএফের ১১৯ ব্যাটালিয়নের মল্লিক-সুলতানপুর ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তের ফ্লাডলাইট (বর্ডার সিকিউরিটি লাইট) বন্ধ করে দেয়। এরপর ১২ জনকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় তারা।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজিবির টহল দল। এ সময় সীমান্ত পাহারায় বিজিবির সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন স্থানীয় গ্রামবাসীরাও। পুশইনের জন্য আনা ১২ জন সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ভারতের ৬০০ গজ অভ্যন্তরে মুসলিমপাড়া এলাকায় অবস্থান করছিল। তবে বিজিবির কড়া অবস্থান এবং গ্রামবাসীর উপস্থিতির কারণে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে পারেনি বিএসএফ।
একপর্যায়ে আজ (শনিবার) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিএসএফ ওই ১২ জনকে ভারতের মালদা হোল্ডিং সেন্টারে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
৪৫ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় গোসল করতে নেমে দুই কিশোর নিখোঁজ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই কিশোর নিখোঁজ হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার আলীনগর ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ দুই কিশোর হলেন— সদর উপজেলার সুন্দরপুর এলাকার আলমাসের ছেলে রাসেল (১৫) এবং একই এলাকার জেমের ছেলে রিফাত (১৬)। তারা দুজনই এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে তারা কয়েকজন বন্ধু মিলে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে রাসেল ও রিফাত নদীর পানিতে তলিয়ে যায়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই কিশোর নিখোঁজ হয়েছে। তাদের উদ্ধারে স্থানীয়দের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন।
৪৯ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক-সংক্রান্ত বিরোধে সালিশে সংঘর্ষ, নিহত ১
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় সালিশ চলাকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক চোরাকারবারিদের বিজিবির কাছে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে আজ (বুধবার) দুর্লভপুর এলাকায় সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন চর দুর্লভপুর এলাকার বাসিন্দা শওকত আলীর ছেলে ইব্রাহিম আলী (৩৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আহতদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৬৯ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের রেল লাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদহ উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় রেল লাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে নেজামপুর রেলস্টেশনের প্লাটফরমের উত্তরে রেললাইনের ৩০৮/২ নম্বর পিলারের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নাচোল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রহনপুর থেকে ছেড়ে আসা মহানন্দা ট্রেনের এক টিকিট পরীক্ষক (টিটি) রেললাইনের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে নাচোল থানা পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আশীষ সরকার জানান, নেজামপুর রেলস্টেশনের প্লাটফর্মের অদূরে রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৭০ দিন আগে
ঈদের পর চাঙা হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাজার
বরেন্দ্রভূমির প্রখর রোদ, আমবাগানের ছায়া আর গাছভর্তি পাকা ফলের সুবাস—সব মিলিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুরু হয়েছে বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। দেশের ‘আমের রাজধানী’ খ্যাত এ জেলায় বাজারে উঠতে শুরু করেছে মৌসুমের প্রথম দিকের গোপালভোগ, খিরসাপাত ও গুটি আম। তবে আমের মৌসুম শুরু হলেও এখনও পুরোপুরি প্রাণ ফিরে পায়নি জেলার ঐতিহ্যবাহী আম বাজারগুলো।
বর্তমানে মানভেদে গোপালভোগ ও খিরসাপাত আম প্রতি মণ ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা এবং গুটি আম ৭০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু মৌসুমের শুরুতে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় কিছুটা উদ্বেগে রয়েছেন চাষিরা। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে অন্যান্য জেলা থেকে পাইকারদের আগমন বাড়লে আমের সরবরাহ ও বেচাকেনা দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
আমই চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান অর্থকরী ফসল। জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। এখানে ফজলি, খিরসাপাত, গোপালভোগ, লক্ষ্মণভোগ, ল্যাংড়া, আম্রপালি, আশ্বিনা, বারি-৪ ও গুটি আমসহ প্রায় আড়াইশ’ জাতের আম উৎপাদিত হয়। জেলার আম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক চাহিদা পূরণ করে, পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হয়।
প্রতি বছর আমের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিড় করেন। তখন জেলার আম বাজারগুলো হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। জেলা শহরের পুরাতন আম বাজার, কানসাট, রহনপুর ও ভোলাহাটের বাজারগুলোকে কেন্দ্র করে জমে ওঠে কোটি টাকার বাণিজ্য। এর মধ্যে কানসাট আম বাজারকে জেলার সবচেয়ে বড় আম বাজার হিসেবে ধরা হয়।
তবে মৌসুমের শুরুতে সেই চেনা ব্যস্ততা এখনও চোখে পড়ছে না। বর্তমানে বাজারে গোপালভোগ, খিরসাপাত ও গুটি আমের সরবরাহ থাকলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বড় পাইকারদের উপস্থিতি সীমিত। ফলে খুচরা ও পাইকারি—২ বাজারেই বেচাকেনা তুলনামূলক কম।
সদর উপজেলার আম চাষি আব্দুর রাকিব বলেন, ‘এবার মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া ভালো থাকায় প্রচুর মুকুল এসেছিল। পরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু গুটি ঝরে গেলেও ফলন ভালো হয়েছে। বর্তমানে মানভেদে গোপালভোগ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা, খিরসাপাত ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা এবং গুটি আম ৬০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। বেচাকেনা বাড়লে দামও বাড়বে বলে আশা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর বাগান পরিচর্যার জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব উপকরণের দাম বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়েছে। আমের দাম না বাড়লে খরচ তোলা কঠিন হবে। এ নিয়ে চাষিদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।’
আরেক আম চাষি কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারের অবস্থা ভালো না। এভাবে দাম থাকলে উৎপাদন খরচই উঠবে না।’
৭২ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর শওকত আলী (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) মধ্যরাতে উপজেলার পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান।
নিহত শওকত আলী শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঁঠাপাড়া এলাকার মৃত মিজানের ছেলে ছিলেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত ৯ মে অন্যদের সঙ্গে গরু আনার জন্য ভারতের দিকে যান শওকত আলী। তবে তার সঙ্গীরা ফিরে এলেও নিখোঁজ ছিলেন তিনি। গতরাতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে গোপনে দাফনের প্রস্ততি নিলে খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
তবে স্থানীয়দের দাবি, গরু নিয়ে ফেরার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ হত্যা করে শওকতের মরদেহ নদীতে ফেলে দিয়েছে। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বিএসএফ।
ওসি মতিউর রহমান বলেন, মরদেহটি অর্ধগলিত থাকায় মৃত্যুর কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
গোদাগাড়ী নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জীবন রায় বলেন, মরদেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। বিশেষ করে হাত, পা ও বুকের জখম গুরুতর। ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না। ঘটনাটি তদন্তে বিজিবি কাজ করছে বলে জানান তিনি।
৯৩ দিন আগে