ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ডিএসসিসির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকায় কোরবানির পশু ও অস্থায়ী হাটের বর্জ্য দ্রুত অপসারণে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে করপোরেশন।
নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দিতে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি চলমান বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত কাজ শেষ করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণের প্রতিশ্রুতি
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ঈদুল আজহার প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও কোরবানির পশুর বর্জ্য এবং অস্থায়ী হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম অত্যন্ত জোরদারভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নগরবাসীর স্বস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব বর্জ্য অপসারণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি জানান, ঈদের দ্বিতীয় দিনে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৬ টন। পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পরিবহন কর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
ডিএসসিসির তথ্যমতে, ঈদের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ডাম্প করা হয়েছে।
অবৈধ হাট পরিচালনায় কঠোর ব্যবস্থা
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট নির্ধারিত স্থানের বাইরে সম্প্রসারণ কিংবা অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে তাদের জরিমানা আরোপসহ কালোতালিকাভুক্ত করা হবে।’
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান
ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে কোরবানি সম্পন্ন করা, পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আন্তরিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে অতিরিক্ত জনবল, যানবাহন, কনটেইনার ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো কার্যক্রম তদারকিতে একটি বিশেষ মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
১ দিন আগে
নগর ভবনে ইসরাক সমর্থকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৮
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে, শ্রমিক দলের উভয় পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এরপরেই তারা নগরভবন এলাকা ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন, ডিএসসিসির শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্য মনির হোসেন (৪৫), মহিদুল ইসলাম (৩৫), জসিম (৩২), জুয়েল (৪০), কাইয়ুম (৪০), জনি (৩৬), দিদার (৪২) ও রাসেল (৪২)।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানোর দাবিতে টানা ৩৯ দিন নগর ভবনে তালা দিয়ে রেখেছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নেতা আরিফ চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। এ ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়ে তালা খুলে দিতে নির্দেশ দেন ইশরাক।
পরে সোমবার (২৩ জুন) নগর ভবনের তালা খুলে দেন আরিফ চৌধুরীরা। কিন্তু প্রশাসক ও প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তাদের কক্ষগুলোতে তারা তালা লাগিয়ে রাখেন। ওই কর্মকর্তারা যাতে অফিসে ঢুকতে না পারেন সেজন্য সারাদিন নগর ভবনে মহড়া দেন আরিফ চৌধুরী। ফলে গতকাল তাদের কেউ অফিস করতে পারেননি।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ভালো থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) সকাল ৯টার পর নগর ভবনে অবস্থান নেন আরিফ চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। এ সময় তারা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে শপথ পড়ানো ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।
এমন সময়, তাদের ধাওয়া করেন শ্রমিক দলের অন্য পক্ষের নেতা আরিফুজ্জামান প্রিন্সের অনুসারীরা। তখন তাদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে নগর ভবন থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান আরিফ চৌধুরী। এ সময় তার সঙ্গে ইশরাক সমর্থক বহিরাগত ব্যক্তিরাও ছিলেন।
ডিএসসিসির শ্রমিকদলের নেতারা জানান, আগে শ্রমিকদলের দুটি পক্ষই বিএনপি নেতা ইশরাকের অনুসারী ছিলেন। কিন্তু ইশরাকের শপথ কেন্দ্র করে আরিফুজ্জামান প্রিন্স একটু দূরেই থাকছেন। তিনি নগর ভবনে তালা দিয়ে নাগরিকদের ভোগান্তির বিরোধিতা করেন।
জানা যায়, নগর ভবনে শ্রমিক দলের দুই পক্ষের দুটি কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে আরিফুজ্জামান প্রিন্সের কমিটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর রয়েছে। তিনি এ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
বর্তমানে নগর ভবনের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা যায়।
৩৩৯ দিন আগে
আর চুপ থাকার পরিবেশ-পরিস্থিতি নেই, ডিএসসিসির বিষয়ে উপদেষ্টা আসিফ
নিজেকে মেয়র ঘোষণা করে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দখলের বিষয়ে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আর চুপ থাকার মতো পরিবেশ ও পরিস্থিতি নেই। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে এটা নিয় আলোচনার ভিত্তিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে পাবলিক লাইব্রেরির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ কথা জানান।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, এখন ডেঙ্গুর সময়। যেখানে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা। সেখানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
কতদিন এভাবে চলবে—দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে উপদেষ্টা বলেন, 'ডেঙ্গুর বিষয়টি নিয়ে আমরা কনসার্ন আছি উচ্চপর্যায়ে থেকে। এটা নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব একাধিক বৈঠক করেছেন। সিটি করপোরেশনগুলো কনসার্ন আছে। সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম সারফেসে আপনারা হয়তো দেখছেন না। এটা নিয়ে ডেডিকেটেডলি আমরা আপনাদেরকে ব্রিফ করব। কী কী উদ্যোগ আমরা নিচ্ছি, কী কী উদ্যোগ আমরা নেব। একই সঙ্গে এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাটা জরুরি।'
আরও পড়ুন: ঢাকা দক্ষিণ সিটির বিষয়ে দ্রুতই ব্যবস্থা: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
তিনি বলেন, 'এক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। সেখানে স্বাভাবিক কার্যক্রম স্বভাবতই ব্যাহত হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি, যতটা সম্ভব বাইরে থেকে হলেও নাগরিক সেবা স্বাভাবিক (কন্টিনিউ) রাখা এবং সেটা দেওয়া (কাভার করা)।'
আমরা দেখলাম একজন স্বঘোষিত মেয়র। নগর ভবন তার দখলে, নাগরিক সেবা বন্ধ। আপনারা সরকার নতজানু হয়ে আছেন। সরকার সমস্যা সমাধান করছে না, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিচ্ছে না- এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা বলেন, 'এ বিষয়ে সরকার কনসার্ন আছে। এটি এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। এই সরকার গুড কো-অর্ডিনেশনের মাধ্যমে কাজ করে থাকে। একই সঙ্গে আমরা যখন রাজনৈতিক দলগুলো সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা বলি, সেটা রক্ষা করতে গেলে প্রত্যেকের কাছ থেকেই দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করার চেষ্টা করছি। তবে যেভাবে নাগরিক সেবা ডেডলকের দিকে যাচ্ছে, আর চুপ থাকার মতো পরিবেশ পরিস্থিতি নেই। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে এটা নিয়ে কনসার্ন আছে। সেখানে আলোচনার ভিত্তিতে যেটা সিদ্ধান্ত আসে, আমি সেটাই বাস্তবায়ন করব।'
কতদিনে সিদ্ধান্ত হবে জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন, 'খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে।'
৩৪৪ দিন আগে
ঢাকা দক্ষিণ সিটির বিষয়ে দ্রুতই ব্যবস্থা: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নিয়ে একটু সমস্যা চলছে৷ আমরা এ বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন৷ সেখানে নাগরিক সেবা যেভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এখন আর বসে থাকার সুযোগ নেই৷ খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷’
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন সভাকক্ষে 'উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে নির্মাণাধীন পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধন' অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি৷
আরও পড়ুন: সরকার দুটি পিএসসি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে: আসিফ মাহমুদ
তিনি বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ে আমরা সতর্ক আছি৷ এ নিয়ে আমরা খুব দ্রুত বিস্তারিত আলোচনা করব৷ আপনারা জানেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কিছু সমস্যা চলছে৷ তারপরেও আমরা বাহিরে থেকে যতটুকু পারছি কাজ করছি
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, কিছু এলাকার প্রতি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বৈষম্যের শিকার হয়েছে৷ সেসব এলাকায় আমরা উন্নয়নে জোর দেব৷ শিক্ষা ও দারিদ্র্যের হার উত্তরবঙ্গের দিকে কিছুটা বেশি৷ তাদের প্রতি আমাদের কিছু প্রতিশ্রুতি রয়েছে৷ এসব এলাকায় গুদাম না থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন না ফসলের৷ ফলে আমরা সেসব এলাকায় গুদাম স্থাপন এবং প্রক্রিয়াকরণ জোনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করব৷ তিস্তা নদীর ভাঙ্গনের ফলে যারা গৃগহীন হয়েছেন তাদেরকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক প্রিভিলেজের কারণে কোনো এলাকায় বেশি উন্নয়ন আর কোনো এলাকায় কম উন্নয়ন যাতে না হয়— সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে৷ এমনটা যাতে আর না হয়৷ আমরা দেখেছি গোপালগঞ্জের একটি উপজেলায় গেলে দেখা যাচ্ছে কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে আর রংপুরের আরেকটি জেলায় কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে৷
উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার খুব অল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব নিয়েছে৷ সুতরাং এই অল্প সময়ে লাইব্রেরি স্থাপনের মতো এরকম উদ্যোগ নেওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং৷ আমরা মাত্র ২৩ কোটি টাকায় সারা দেশে ১১টি জেলার ৪৪টি পাবলিক লাইব্রেরি করছি৷ আমরা খুব দ্রুত দেশের সকল উপজেলায় পাবলিক লাইব্রেরি করার প্রকল্প হাতে নেব৷ আমরা এমন একটা লাইব্রেরি করতে চাই, যেখানে সবাইকে আসতে আগ্রহী করবে৷ অন্য সরকারি ভবনের মতো পড়ে থাকবে না৷
৩৪৫ দিন আগে
নগর ভবন আটকে ইশরাক সমর্থকদের ব্লকেড কর্মসূচি
বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে টানা বিক্ষোভ কর্মসূচির পঞ্চম দিনে নগর ভবন ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন ইশরাক সমর্থকরা।
এই কর্মসূচির কারণে সোমবার (১৯ মে) বেলা ১১টা থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সব ধরনের সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে টানা চার দিন বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের পর পঞ্চম দিনের মতো অবরুদ্ধ আছে নগর ভবন। এ নিয়ে টানা পাঁচ দিন ধরে নগরভবনের সব ধরনের সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এ দিন নগরভবনের মূল ফটকসহ অন্যান্য সব বিভাগের গেটে তালা লাগিয়ে দেন ডিএসসিসির ইশরাকপন্থী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাধারণ জনগণকে সেবা নিতে এসে ফিরে যেতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতা পরিহার করতে হবে: প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
নগরভবনের সামনে অবস্থানকারী বিক্ষোভকারীরা বলেন, এখন পর্যন্ত ইশরাকের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ইশরাককে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
৩৭৬ দিন আগে
স্ত্রী-ছেলেসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র তাপসের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। এছাড়াও তার স্ত্রী আফরিন তাপস শিউলী ও তাদের ছেলে শেখ ফজলে নওয়ানের ব্যাংক হিসাবও বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
সারাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠিতে এসব ব্যাংক হিসাব থেকে লেনদেন অবিলম্বে বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে বিএফআইইউ।
তাদের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের হিসাবও সাময়িক বরখাস্তের আদেশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিএসসিসির ২৯ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
নির্দেশ অনুসারে, এই স্থগিতাদেশ কমপক্ষে ৩০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে, এই সময়ে কোনো আর্থিক লেনদেনের অনুমতি দেওয়া হবে না।
প্রয়োজনে এই মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে উল্লেখ করে বিএফআইইউ জানিয়েছে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিধান অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বিএফআইইউ আরও বলেছে, চিঠি জারির দুই কার্যদিবসের মধ্যে হিসাব খোলার ফরম, নো ইয়োর কাস্টমার (কেওয়াইসি) বিস্তারিত বিবরণ এবং লেনদেনের ইতিহাসসহ জব্দ করা হিসাবের সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন: মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ১৪ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
৫৯৯ দিন আগে
ডিএসসিসির ২৯ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
মশা নিয়ন্ত্রণে দৈনন্দিন নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ২৯টি ওয়ার্ডে ‘বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন’ কার্যক্রম তথা চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন: মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ১৪ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
ডিএসসিসির সব ওয়ার্ডে দৈনন্দিন নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি সংস্থার স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে ০৭, ১৬, ২৭, ২৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৯, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৪, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে এসব চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সকালে লার্ভিসাইডিং, বিকালে অ্যাডাল্টিসাইডিংয়ে ২২৯ মশককর্মী এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২৬২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেয়।
এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঠানো ২৮ সেপ্টেম্বরের তালিকা অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগীর আবাসস্থল ও চারপাশে বিশেষ লার্ভিসাইডিং ও অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ৭ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
৬০৭ দিন আগে
রাজস্ব আদায়ে ফের নতুন মাইলফলক সৃষ্টি: ডিএসসিসি মেয়র
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ‘রাজস্ব আদায়ে আবারও নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে ডিএসসিসি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ হাজার ৬১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে নতুন এই মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে।’
সোমবার (১ জুলাই) মেয়রের কাছে ডিএসসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক ২০২৩-২৪ অর্থবছরের রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণী হস্তান্তর করেন।
আরও পড়ুন: নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভা পেলে নির্মাণকাজ বন্ধ: ডিএসসিসি মেয়র
এসময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গৃহ কর (হোল্ডিং ট্যাক্স) বাবদ ৪০৩ কোটি ১৮ লাখ, বাজার সালামি খাতে ১৪৮ কোটি ৪০ লাখ, বাণিজ্য অনুমতি (ট্রেড লাইসেন্স) ফি বাবদ ৭৭ কোটি ২৭ লাখ এবং স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর থেকে ১৩২ কোটি ২৬ লাখ টাকা আয় করেছে ডিএসসিসি।
এসময় করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘কোনো ধরনের কর বৃদ্ধি না করার যে ওয়াদা আমি করেছিলাম, তা সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করে এবং দুর্নীতি, অনিয়ম ও গাফিলতি রোধের মাধ্যমে আমরা ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ফলে রাজস্ব আদায়ে নতুন নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করে চলেছি।’
তিনি বলেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় ও সকলের কর্মতৎপরতায় এবার আমরা গত বছরের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। এর মাধ্যমে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে আগের চাইতে আরও বেশি উদ্যোগ গ্রহণ এবং কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করতে পারব।’
এর ফলে ঢাকাবাসীকে আরও বড় পরিসরে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও জানান মেয়র তাপস।
উল্লেখ্য, গত ২০১৯-২০, ২০২০-২১, ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৫১৩ কোটি ৯৬ লাখ, ৭০৩ কোটি ৩১ লাখ, ৮৭৯ কোটি ৬৬ লাখ এবং ১ হাজার ৩১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার আগেই পশুর বর্জ্য অপসারণে সক্ষম হব: ডিএসসিসি মেয়র
ডিএসসিসির কর্মচারীদের আবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: ডিএসসিসি মেয়র
৬৯৭ দিন আগে
এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ডিএসসিসির ১১ স্থাপনাকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা
এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ১১টি স্থাপনাকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ ও এডিস মশার প্রজননস্থল নিধনে করপোরেশন পরিচালিত ৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালত এই জরিমানা করে।
অভিযানে সর্বমোট ৪৪৯টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়। এ সময় ১১টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ১০ মামলায় সর্বমোট ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
ডিএসসিসির বাসাবো ও শাফিয়া এলাকার আশপাশ, নিউ পল্টন লাইন, ইরাকি গোরস্তান সংলগ্ন মাঠ, উত্তর যাত্রাবাড়ীর ডেমরা সড়ক ও বালুর মাঠ, দাসপাড়ার ১ ও ২ নম্বর রোড, বাসাবো দক্ষিণ গাঁও, যাত্রাবাড়ীর কোনাবাড়ি, মেরাজনগর এ ও বি ব্লক এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ ১ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসাবো এবং শাফিয়া পল্লী ও আশপাশ এলাকায় ১১৮টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং ৩টি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩টি মামলায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
তিন নম্বর অঞ্চলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. দেলোয়ার হোসেন ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ পল্টন লাইন ইরাকি গোরস্তান সংলগ্ন মাঠ এলাকায় ৬৪টি স্থাপনা ও বাসাবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। আদালত এ সময় ১টি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
পাঁচ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ ইভা ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর যাত্রাবাড়ীর ডেমরা সড়ক, বালুর মাঠ এলাকায় ৪৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করে ২টি স্থাপনায় লার্ভা পাওয়ায় ২ মামলায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
সাত অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়ার ১ ও ২ নম্বর রোড, বাসাবো দক্ষিণ গাঁও এলাকায় ৮৫টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং ৩টি স্থাপনায় লার্ভা পাওয়ায় ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। তাছাড়া আদালত আরও ১০টি বাড়িতে সামান্য পরিমাণে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকদের সতর্ক করেন।
নয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খৃষ্টফার হিমেল বিছিল ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডের যাত্রাবাড়ীর কোনাবাড়ি এলাকায় ১০৪টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং ১টি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ১টি মামলায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
দশ নম্বর অঞ্চলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেরাজনগর এ ও বি ব্লক এলাকায় ৩৫টি স্থাপনা ও বাসাবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন।
৭০১ দিন আগে
বর্জ্য অপসারণে ডিএসসিসির সক্ষমতা বেড়েছে: মেয়র তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, কোরবানির হাট ও জবাই করা পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজনীয় যান-যন্ত্রপাতির মানদণ্ডে ডিএসসিসি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে।
তিনি বলেন, আগে কোরবানির হাট ও কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত যান-যন্ত্রপাতিতে আমাদের কিছু দূর্বলতা ছিল। কিন্তু এবার আমরা পুরোপুরি সক্ষম।
আরও পড়ুন: ঈদের পর বঙ্গবাজার মার্কেটের নির্মাণ কাজ শুরু হবে: মেয়র তাপস
তিনি আরও বলেন, বর্জ্য অপসারণের জন্য আমরা নিজস্ব অর্থায়নে ইতোমধ্যে ১০ টন সক্ষমতার ২৫টি ডাম্প ট্রাক ও ১০টি পে-লোডার আমাদের বহরে সংযোজন করেছি। আরও ১৫টি ডাম্প ট্রাক সংযোজন করা হচ্ছে। সুতরাং, আমাদের যানবাহন ও যন্ত্রপাতির বহর এখন অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
বুধবার (১২ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ডিএসসিসি মেয়র এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কারো কোনো বিড়ম্বনা হবে না। এবার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের পাশাপাশি প্রতিটি হাটেও আলাদা আলাদা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। তাই, কোথাও যদি কোনোরকম কোনো বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়, আমাদের হাটের কিংবা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে জানলে আমরা অবশ্যই তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেব। এছাড়াও আমরা প্রতি বছরই আগের বছরের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করি।
এ সময় শেখ তাপস বলেন, গত বছরের ন্যায় এবারও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
তিনি গণমাধ্যমকে আরও বলেন, এছাড়াও জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন এবং অতি বৃষ্টি হলেও প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের সকল প্রস্তুতি রয়েছে ও মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের জামাত পড়তে পারবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসিম আহমেদ, অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন।
আরও পড়ুন: ২০১৯ সালের চেয়ে ২০২৩-এ ঢাকায় ডেঙ্গুরোগী ৪২ হাজার কম ছিল: মেয়র তাপস
প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার অভাবে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হার বেশি: মেয়র তাপস
৭১৬ দিন আগে