মনোনয়নপত্র
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে পাঁচ দলের ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্রগুলো বৈধ ঘোষণা করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ, ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন এবং তারা সবাই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। আজ (মঙ্গলবার) তফসিল অনুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ ছিল।
এ সময় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি দলের প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবার প্রতি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ৭ অক্টোবর। এরপর ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
৬ দিন আগে
দ্বিতীয় দিনের শুনানির প্রথমার্ধে ২৭ আপিল মঞ্জুর, নামঞ্জুর ৫টি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের পর গতকাল শনিবার থেকে শুনানি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুনানির দ্বিতীয় দিনের প্রথমার্ধে মোট ৩৫ জন প্রার্থীর আপিল নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ জন তাদের প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন, ৫ জনের আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে, এছাড়া ৩ জন প্রার্থীর আপিল বিবেচনাধীন রয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে শুনানি চলছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানিতে অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও অংশ নিয়েছেন।
আজ (রবিবার) দুপুর ১টা পর্যন্ত মোট ৩৫টি আপিল শুনানি হয়। এর মধ্যে ২৭টি মঞ্জুর, ৭টি বাতিল এবং বাকি ৩টি বিবেচনাধীন রাখা হয়েছে। ইসি দিনের বাকি অংশে আরও ৭০টি আপিল শুনানি করবে।
আজকের শুনানিতে জামালপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুজিবুর রহমান আজাদ এবং বগুড়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী শরীফুল ইসলাম জিন্নাহ মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন।
এর আগে, গতকাল (শনিবার) শুনানির প্রথম দিন ৬৭ জন আপিলকারীর মধ্যে ৫১ জন তাদের প্রার্থিতা ফেরত পান। গতকালের শুনানিতে প্রার্থিতা ফেরত পাওয়া নামগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা এবং কক্সবাজার-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছিল। আপিল গ্রহণ শুরু হয় ৫ জানুয়ারি এবং ৯ জানুয়ারি শেষ হয়।
২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৩০০টি আসনে মোট ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই প্রক্রিয়ায় ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন এবং ৭২৩টি বাতিল করেছেন।
এরপর মনোনয়নপত্র বাতিল নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সময় ছিল গত ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। তারপর গতকাল (১০ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে আপিল শুনানি, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, যা চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। এরপর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
২৬৭ দিন আগে
ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন তাসনিম জারা
ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আপিল শুনানি শেষে জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে আজ (শনিবার) আপিল শুনানি নিচ্ছে কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুনানিতে অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও অংশ নিয়েছেন।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর তাসনিম জারা বলেন, ‘ইসিতে আমাদের যে আপিল সেটা মঞ্জুর হয়েছে। আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে আসলে খুব একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। দেশে-বিদেশে সবাই অনেক শুভকামনা জানিয়েছেন, অনেক দোয়া করেছেন। যখন রাস্তায় মানুষের সঙ্গে কথা বলছিলাম অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছেন, কষ্ট পেয়েছেন, বলছেন দোয়া করছেন। তাদের সকলকে ধন্যবাদ।’
পছন্দের মার্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে যে মার্কা সেটার জন্য আবেদন করতে পারব। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় আমাদের পছন্দ ফুটবল মার্কা নিয়ে আবেদন করব। তারপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত থাকবে। নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ। উনারা আমাদের যুক্তিগুলো শুনেছেন।’
সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বেশ জনপ্রিয় তাসনিম জারা। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপিতে যোগ দেন তিনি, পান জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদ। দলটি থেকেই নির্বাচন করার কথা ছিল এই চিকিৎসকের। তবে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির জোট ঘোষণার পরপরই তিনি দল ছাড়েন। এরপর স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দেন এই নারী।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরও বড় ধাক্কা খান এই নেত্রী। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এরপর আপিল করেছিলেন জারা।
মনোনয়নপত্র বাতিল নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সময় ছিল গত ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর আজ (১০ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে আপিল শুনানি, যা চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। শুনানির প্রথম দিনেই প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন তাসনিম জারা।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, যা চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। এরপর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
২৬৮ দিন আগে
যশোরের ৬টি আসনে ১৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ জনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ছয়টি আসনে মোট ৭১টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে ৪৬টি মনোনয়নপত্র জমা করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ২৭টি মনোনয়নপত্র বৈধ ও ১৯টি মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
আসনভিত্তিক হিসাবে— যশোর-১ (শার্শা) আসনে জমা দেওয়া ৭টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৪টি বৈধ ও ৩টি বাতিল, যশোর-২ (ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনে ১০টি মনোনয়নপত্র জমাদানের বিপরীতে ৫টি বৈধ ও ৫টি বাতিল, যশোর-৩ (সদর) আসনে জমা হওয়া ৬টির মধ্যে ৫টি বৈধ ও ১টি বাতিল, যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে ১০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৬টি বৈধ ও ৪টি বাতিল, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে জমাদানকৃত ৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৪টি বৈধ ও ৪টি বাতিল এবং যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৫টি মনোনয়নপত্র জমার পর ৩টি বৈধ ও ২টি বাতিল করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় আরও জানিয়েছে, নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
২৭৩ দিন আগে
কুষ্টিয়ার চারটি আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া ৬ জনের পাঁচজনই স্বতন্ত্র
কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে জমা পড়া ৩৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৬টি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং একজন দলীয় প্রার্থী রয়েছেন।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু করে ১২টা পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকালে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা ও জেএসডির গিয়াস উদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে হাবলু মোল্লার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আল আহসানুল হকের মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কুমারখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির খাইরুল ইসলাম—এ তিনজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানান, খাইরুল ইসলাম সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। বিধি অনুযায়ী চাকরি থেকে অব্যাহতি না থাকায় তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর শেখ সাদী ও আনসার প্রামাণিকের মনোনয়নপত্রে ভুল থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে। তবে বড় দলের মনোনীত কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি।
বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা ও নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।
২৭৪ দিন আগে
ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের মনোনয়নপত্র জমা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জামায়াত আমিরের পক্ষে তিন সদস্যের একটি দল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অবস্থিত ঢাকা-১৩ ও ১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলীর হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও এবার ঢাকা-১৫ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ডা. শফিকুর রহমান।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আজ (সোমবার) বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এরপর গত ১৮ ডিসেম্বর তফসিল-সংক্রান্ত সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। সেখানে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় দুদিন কমিয়ে আপিল নিষ্পত্তির সময় দুদিন বাড়ানো হয়।
সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময়সূচি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে, আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।
২৮০ দিন আগে
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তার প্রধান নির্বাচনি সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম এবং অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের বাইরে রাখা হয়েছে। তাকে অত্যাচার-নিপীড়ন করা হয়েছে। আমরা আপনাদের সবার কাছে তার জন্য দোয়া চাই। আগামী নির্বাচনে আমরা বিশ্বাস করি, উনি এ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন এবং দেশের সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দেশের যে আজকে একটা ক্রাইসিস, সংকট চলছে, সেটা থেকে উত্তরণ ঘটাতে সচেষ্ট হবেন।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার।
এছাড়া, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে আজ বগুড়া-৭ আসনের মনোনয়নপত্রও জমা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনুর নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ফেনী-১ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।
এর আগে, রবিবার বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে দিনাজপুর-৩ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শয়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং দলের সব প্রার্থী নিজ নিজ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আজ (সোমবার) বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এরপর গত ১৮ ডিসেম্বর তফসিল-সংক্রান্ত সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। সেখানে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় দুদিন কমিয়ে আপিল নিষ্পত্তির সময় দুদিন বাড়ানো হয়।
সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময়সূচি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে, আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।
২৮০ দিন আগে
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ইউএনবিকে বলেছিলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানকে ঢাকা-১৭ আসনটি ছেড়ে দিয়ে ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
২৮১ দিন আগে
জাকসু নির্বাচন: দ্বিতীয় দিন শেষে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন ৩২৮ প্রার্থী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন উপলক্ষে দ্বিতীয় দিনের মতো মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দিন শেষে ৩২৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছে জাকসু নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পড়ুন: জাকসু নির্বাচন সামনে রেখে ১৬ আগস্টের মধ্যে অছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশ
তিনি জানান, দ্বিতীয় দিনে কেন্দ্রীয় সংসদের বিভিন্ন পদে ৪৭ জন এবং হল সংসদের জন্য ১৫৫ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৪৭টি ও হল সংসদের জন্য ৮৬টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। ফলে দুই দিনে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৩২৮টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মনোনয়ন সংগ্রহের সময় একদিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রার্থীরা স্বচ্ছভাবে মনোনয়ন নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৮ ও ১৯ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমার সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সময় একদিন বৃদ্ধি করে আগামী ২১ আগষ্ট দুপুর ২টা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাকসু নির্বাচন কমিশন।
৪১২ দিন আগে
চট্টগ্রাম ১৬: আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ইসির মামলা
মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং সাংবাদিকদের মারধর ও নাজেহালের ঘটনায় চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ইসির নির্দেশে বাঁশখালীর নির্বাচনী কর্মকর্তা হারুন মোল্লা বাদী হয়ে নির্বাচনী আচরন বিধি আইনের ৮(খ) ধারায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল দেবের আদালতে মামলাটি করেন।
আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা পিপি আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী।
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আদালত ফৌজদারী কার্যবিধি ২০০ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পাশাপাশি রির্টানিং অপরাধ আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন এবং আগামী ৩ জানুয়ারির মধ্যে তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে আসামি মোস্তাফিজুর রহমান গত ৩০ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে অবৈধভাবে শোডাউন দিয়ে পাঁচ জনের বেশি অর্থাৎ ১০০-২০০ লোক সমাগম করে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেন। ওইদিন দুপুর ১২টার সময় মনোনয়নপত্র জমা শেষে বেরিয়ে এলে উপস্থিত সাংবাদিকরা আসামির এমন নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করার বিষয় জানতে চান।
এ সময় ইনডিপেন্ডেন্ট টিভির সাংবাদিক রাকিব উদ্দিন তাকে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্ন করতেই তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ কিল ঘুষি মারেন ওই সাংবাদিককে। এরপর ওই সাংবাদিককে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এই সময়ে আসামির সঙ্গে থাকা ২০-৩০ জন সমর্থক গণমাধ্যম কর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারমুখী আচরণ করেন এবং সিনিয়র সাংবাদিকদের হাতে থাকা মাইক্রোফোন ও ভিডিও ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন।
একপর্যায়ে সিনিয়র সাংবাদিকরা আসামির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি ও তার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আসামিরা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি চৌধুরী ফরিদসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিককে গলা ধাক্কা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দ্রুত চলে যান। আসামি ও তার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতনামা আসামিরা চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি দেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় ইনডিপেন্ডেন্ট টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো ইনচার্জ অনুপম শীল ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে। এরপর গত ৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১৬ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান আবু সালেম মোহাম্মদ নোমান মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে তদন্ত প্রতিবেদন দেন এবং ওই আসামির বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করেন।
১০১৪ দিন আগে