ফলাফল
ভিপি-জিএসসহ জকসুর বেশিরভাগ পদে শিবিরের জয়জয়কার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছেন। ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদকসহ (এজিএস) ২১টি পদের বেশিরভাগ পদেই তারা জয়লাভ করেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তাফা হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ পরিষদের ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শিবির–সমর্থিত প্রার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভোটকেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বিজয়ী হন।
ভিপি পদে শিবির–সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল–সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের এ কে এম রাকিব পান ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। এতে রিয়াজুল ইসলাম ৮৮০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।
জিএস পদে আরও বড় ব্যবধানে জয় পান ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ পরিষদের আব্দুল আলিম আরিফ। তিনি ৫ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল–সমর্থিত প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পান ২ হাজার ২০৩ ভোট। এ পদে আরিফের জয়ের ব্যবধান ছিল ৩ হাজার ২৬৭ ভোট।
এজিএস পদে ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ পরিষদের মাসুদ রানা ৫ হাজার ২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএম আতিকুর তানজিল পান ৩ হাজার ৮৬৮ ভোট।
নির্বাচন কমিশনার জুলফিকার মাহমুদ জানান, জকসু নির্বাচনে মোট নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। ভোটার উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৬৫ শতাংশ। এটি প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।
একই দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হল নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হল শিক্ষার্থী সংসদের নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই হলে নিবন্ধিত ১ হাজার ২৪২ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৭৭ শতাংশ ছাত্রী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
৩ দিন আগে
জকসুর ৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা: ভিপি পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে আটটি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ছয় ভোটের ব্যবধান রয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, সহ-সভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এ তিনটি শীর্ষ পদেই শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ পরিষদ এগিয়ে রয়েছে।
ভিপি পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৮১০ ভোট পেয়েছেন। তবে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী একেএম রকিব মাত্র ৬ ভোট কম পেয়ে ৮০৪ ভোট পেয়েছেন।
জিএস পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ ৮২৫ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৪২২ ভোট । এজিএস পদে শিবির প্রার্থী মাসুদ রানা ৭৯৯ ভোট নিয়ে এগিয়ে আছেন, ছাত্রদলের প্রার্থী আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৬৯০ ভোট।
শীর্ষ তিনটি পদ ও বেশিরভাগ সম্পাদক পদে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল পাঠাগার সম্পাদক ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে এগিয়ে রয়েছে। কার্যনির্বাহী সদস্য পদেও ছাত্রদলের কিছু প্রার্থীও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন।
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জকসু নির্বাচনের ভোট গণনা দীর্ঘ সময় স্থগিত রাখা হয়েছিল । পরে ম্যানুয়াল ও মেশিন উভয় পদ্ধতিতে গণনা পুনরায় শুরু হয়।
পাঁচ ঘণ্টার বিরতির পর গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে গণনা আবার শুরু হয়, তবে আজ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শুধু ৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৩১টি ভোটকেন্দ্রের ভোট গণনা এখনও চলছে।
এখন পর্যন্ত নৃবিজ্ঞান বিভাগ, লোক প্রশাসন, ভূগোল ও পরিবেশ, ফার্মেসি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, মাইক্রোবায়োলজি, ফাইন্যান্স এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
জাবির তিন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের (৫৫তম ব্যাচ) ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ই’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ফল ঘোষণা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শিফটভিত্তিক মেধাতালিকার আলোকে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। পূর্বের বছরগুলোর মতো এবারও প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে শিফটভিত্তিক মেধাক্রম অনুসরণ করে ভর্তি ও মাইগ্রেশন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত সব ধরনের বিস্তারিত তথ্য ও ফলাফল জাবির ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ju-admission.org’–এ পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষে জাবির প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ ডিসেম্বর এবং তা চলবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
১৮ দিন আগে
ইউনূস-তারেকের সাক্ষাৎ: আলোচনার এজেন্ডা ও ফলাফল কী হতে পারে?
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে একটি আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দুই নেতার এই বহুল আলোচিত বৈঠকটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
এই সাক্ষাৎ ডর্চেস্টার হোটেলে লন্ডনে স্থানীয় সময় শুক্রবার(১৩ জুন) সকাল ৯টা থেকে ১১টা (স্থানীয় সময়) পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এই বৈঠককে ঘিরে এরই মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী লন্ডনে পৌঁছেছেন, তবে এটি স্পষ্ট নয় যে আলোচনা একান্তভাবে হবে কিনা।
এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ ইতোমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। সবাই এখন লন্ডনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। কারণ অনেকেই মনে করছেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনের আগে এই সাক্ষাতের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।
বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল আশা করছে, আলোচনাটি চলমান রাজনৈতিক সংকট ও নির্বাচন সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়গুলো সমাধানে সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন: ইউনূস-তারেকের বৈঠক থেকে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইবে: রিজভী
যদিও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, এজেন্ডা উভয় নেতাই নির্ধারণ করবেন, বিএনপির শীর্ষ নেতারা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে কয়েকটি মূল বিষয় আলোচ্য সূচিতে স্থান পেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে-
• নির্বাচন সময়সূচি,• সংস্কার,• জুলাই ঘোষণা,• জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকারীদের বিচার,• শক্তিশালী এবং সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তর,• অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর অনুমোদন,• অন্তর্বর্তী প্রশাসনের জন্য মর্যাদাপূর্ণ প্রস্তানের কৌশল, ও• তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরত আসার সম্ভাবনা।
এই সাক্ষাৎ অধ্যাপক ইউনূসের সাম্প্রতিক জাতীয় ভাষণে দেওয়া ঘোষণার পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিএনপি নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে একে একপেশে এবং বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেছে দলটি।
বিএনপি নেতারা মনে করেন, এই সাক্ষাৎ নির্বাচন সময়সূচি নিয়ে সংকট সমাধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে, এবং আলোচনার কেন্দ্রে এই সময়সূচি সমন্বয় একটি প্রধান বিষয় হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সাক্ষাতে তারেক রহমান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করবেন কেন এপ্রিল নির্বাচন করার জন্য উপযুক্ত সময় নয় এবং কেন ডিসেম্বর আরও বেশি উপযুক্ত হবে। তবে, যদি প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারি সময় হিসেবে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হন, তবে নমনীয়তার কিছু সুযোগ থাকতে পারে।’
তিনি আরও জানান, তারেক রহমান জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হলে, রমজানের আগে, তাতে কোনো আপত্তি নাও থাকতে পারে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টিও আলোচনায় উঠতে পারে, যা ১৭ বছর পর তার লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পথ সুগম করতে পারে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি জানিয়েছেন তারেক রহমান ‘শিগগিরই’ দেশে ফিরবেন।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান শিগগিরিই দেশে ফিরবেন: মির্জা ফখরুল
এদিকে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই। বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশে নাগরিক এবং যেকোনো সময় দেশে ফিরে আসতে পারেন।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক সংকট আরও তীব্র হতে পারে। তারা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, সাক্ষাতের বিস্তারিত—যেমন আলোচনা, মতবিরোধ এবং ফলাফল—খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশ না করার জন্য—যাতে এটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এবং জনস্বার্থে গৃহীত উদ্যোগগুলোকে ব্যাহত না করে।
এছাড়া, তারা সুপারিশ করেছেন যে, সিদ্ধান্তগুলো ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যকর করা উচিত।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি উচ্চ পর্যায়ের সাক্ষাৎ, যেখানে জাতীয় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে, বিশেষ করে সাধারণ নির্বাচনের জন্য একটি উপযুক্ত তারিখ নির্ধারণ নিয়ে।’
তিনি বলেন, ‘একটি নিরপেক্ষ সরকারের গুরুত্ব, আইনের শাসন, আদালতের রায়, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক বিষয়গুলোও গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হবে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সংস্কারগুলোও একটি আলোচনার বিষয় হতে পারে। আমরা এটি একটি ইতিবাচক মানসিকতার সঙ্গে দেখছি। আমরা আশা করছি, এই উচ্চ পর্যায়ের সাক্ষাৎ থেকে একটি জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান বা সিদ্ধান্ত বের হবে।’
তিনি আরও বলেন, সাক্ষাৎ রাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে এবং প্রধান মতবিরোধগুলোর সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে।প্রধান উপদেষ্টা এপ্রিল থেকে নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আনার জন্য রাজি হতে পারেন কিনা—এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা আশা করি, যখন দুই নেতা দেখা করবেন, তখন এই বিষয়টি—এবং আরও অনেক বিষয়—গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।’
তিনি আশাবাদী যে, অধ্যাপক ইউনূস প্রস্তাবিত সময়সূচি সংশোধন করবেন এবং আবহাওয়া, রমজান এবং পাবলিক পরীক্ষাগুলোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একটি বাস্তবসম্মত সময়সূচি গ্রহণ করবেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. এ.জেড.এম. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং নির্বাচন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা এবং বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে—যে অন্ধকার মেঘগুলো জমেছিল—এই সাক্ষাতের মাধ্যমে তা পরিষ্কার হতে শুরু করবে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সাক্ষাৎ ন্যায়বিচার, জরুরি সংস্কার, দ্রুত নির্বাচন এবং দেশের পুনর্গঠন ও পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার ভিত্তি তৈরি করবে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণ গভীরভাবে এই আলোচনার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে এবং নির্বাচনের সময়সূচি, সংস্কার এবং এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে দুই নেতার অবস্থান এবং যে কোনো সমঝোতার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বাচনের সময়সূচি পুনঃবিবেচনার আহ্বান ফখরুলের
তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে আলোচনা থেকে ইতিবাচক ফলাফল আসবে, যা শান্তি এবং স্থিতিশীলতা তৈরি করতে সাহায্য করবে।
বিএনপি নেতা আরও আশা করেছেন, এই সাক্ষাৎ দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য গঠনমূলক সমাধান খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে ফলাফল ইতিবাচক হবে। বলেন ‘আমি আশা করি উভয় পক্ষ আলোচনা করে একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে।’ তিনি বলেন।
তিনি আরও বলে, ‘ব্যর্থতার জন্য কোনো জায়গা নেই। যদি আলোচনা ব্যর্থ হয়—তাহলে একাধিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, যদিও আলোচনা চলাকালীন মতপার্থক্য স্বাভাবিক, উভয় পক্ষই অবশেষে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে, কিছু ছাড় দিয়ে সমঝোতা পৌঁছবে। পুরো জাতি এমন একটি সমাধানের জন্য আশাবাদী।’
২১২ দিন আগে
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৬০ হাজার ৯৫ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এবারের পাশের হার ৪৫ দশমিক ৬২ শতাংশ।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় এই ফল প্রকাশ করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর ৩৭ টি সরকারি মেডিকেল কলেজের ৫ হাজার ৩৮০টি আসনে এবং ৬৭টি অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ৬ হাজার ২৯৩টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল প্রণীত নীতিমালার শর্তানুসারে ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএর নম্বর যোগ করে অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে মেধা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী ৫ হাজার ৩৭২ জন পরীক্ষার্থীকে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।
এছাড়া, পার্বত্য অঞ্চলব্যতীত দেশের সমতল অঞ্চলের উপজাতীয় কোটার শিক্ষার্থীদের তালিকা কোটার স্বপক্ষে সনদ ও প্রমাণ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে যাচাই করে পরে প্রকাশ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৫টি আবেদন জমা পড়ে। তার মধ্যে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ভর্তি পরীক্ষার পাসের নম্বর ছিল ৪০।
ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৬০ হাজার ৯৫ জন (৪৫.৬২ শতাংশ) উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ পরীক্ষার্থী ছিলেন ২২ হাজার ১৫৯ জন যা মোট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর ৩৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ। উত্তীর্ণ নারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ৯৩৬ জন যা মোট উত্তীর্ণের ৬৩ দশমিক ১৩ শতাংশ।
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৯০ দশমিক ৭৫।
আগামী ২ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজের জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে হবে।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির অনলাইন আবেদন গ্রহণের বিজ্ঞপ্তি আগামী ২৩ জানুয়ারি প্রকাশ করা হবে।
৩৫৬ দিন আগে
এইচএসসির ফলাফলে চমক দেখালো সিলেটের শিক্ষার্থীরা
চলতি বছরে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাসের হার সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে। সিলেটের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৭ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমানের প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিন বেলা ১১টার দিকে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে ফল প্রকাশ করেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জাকির আহমদ।
পরে বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন চন্দ্র পাল।
আরও পড়ুন: এইচএসসির ফলাফলে এগিয়ে আছে মেয়েরা
ফলাফলে দেখা যায়, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসির পরীক্ষায় এবার অংশ নিয়েছে ৮৩ হাজার ১৫৬ জন অংশ নিয়ে ৭১ হাজার ১২ জন পাস করেছে।
এর মধ্যে ছাত্রী ৪৯ হাজার ৩৫৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৪২ হাজার ৬৬১ জন। পাসের হার ৮৬ দশমিক শূন্য ৪৪। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮২৯ জন।
অন্যদিকে ছাত্রদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩৩ হাজার ৮১১ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২৮ হাজার ৩৫১ জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৫। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৮৬৯ জন।
এছাড়াও গত বছরের তুলনায় সিলেটে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই বেড়েছে। এবার সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৯। যা গত বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। গত বছর পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ৬২। গত কয়েক বছর সিলেটে জিপিএ কম থাকলেও এবছর রেকর্ড ৬ হাজার ৬৯৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৬৯৯ জন শিক্ষার্থী।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, পাসের হারে এ বছর শীর্ষে থাকা সিলেট বোর্ডের পরেই রয়েছে বরিশাল বোর্ড। বরিশালে পাসের হার ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। তার কাছাকাছি অবস্থানে রাজশাহী বোর্ডও। রাজশাহীতে পাসের হার ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ।
পাসের হারে এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে ঢাকা বোর্ড ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যশোরে ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।
এদিকে, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদরাসা ও কারিগরি মিলিয়ে ১১টি বোর্ডের হিসাবে পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। এ বছর এ বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। এরপরই অবস্থান করছে কারিগরি বোর্ড, সেখানে পাসের হার ৮৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে স্থগিত পরীক্ষাগুলো না নিতে আন্দোলনে নামেন একদল পরীক্ষার্থী।
তাদের দাবি ছিল, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরীক্ষা বন্ধ থাকার বিষয়টি তাদের মানসিক চাপে ফেলেছে। তাই অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে হবে। একপর্যায়ে পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়।
বাতিল পরীক্ষাগুলোতে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতেও একই নম্বর দিয়ে ফল তৈরি করে শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া বিভাগ ও বিষয়ে মিল না থাকলে সেক্ষেত্রে সাবজেক্ট ম্যাপিং নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৭.৭৮ শতাংশ, ১ লাখ ৪৫ হাজার জিপিএ-৫
৪৫২ দিন আগে
এইচএসসির ফলাফলে এগিয়ে আছে মেয়েরা
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে আছে মেয়েরা।
৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৭৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ।
মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে রয়েছে। ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রী ৮০ হাজার ৯৩৩ জন আর ছাত্র ৬৪ হাজার ৯৭৮ জন।
এবছর পাসের হার কিছুটা কমেছে। গত বছর ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ যা এ বছর ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
আরও পড়ুন: এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৭.৭৮ শতাংশ, ১ লাখ ৪৫ হাজার জিপিএ-৫
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ ও ৮৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সব বোর্ডের ওয়েবসাইট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়।
পাসের হারের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে সিলেট আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ।
পাসের হার সিলেট বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, বরিশালে ৮১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ, ঢাকায় ৭৯ দশমিক ২১ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ, যশোরে ৬৪ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ।
চলতি বছরে ২ হাজার ৬৯৫টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৯৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৮ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল, যার মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ জন।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী- ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটাসংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার
বাতিল পরীক্ষাগুলোতে এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতেও একই নম্বর দিয়ে ফল তৈরি করেছে শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া বিভাগ ও বিষয়ে মিল না থাকলে সেক্ষেত্রে সাবজেক্ট ম্যাপিং নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আগামীকাল যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল
৪৫২ দিন আগে
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
এদিকে মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন তানজিম মুনতাকা সর্বা। পেয়েছেন ৯২ দশমিক ৫ নম্বর। এছাড়া এবার ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৯ হাজার ৯২৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২০ হাজার ৪৫৭ জন ও নারী ২৯ হাজার ৪৬৬ জন।
আরও পড়ুন: যশোরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এমবিবিএস ডাক্তার গ্রেপ্তার
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এবারের ফলাফল অত্যন্ত সুচারুভাবে তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষায় পাস নম্বর আগের বছরের মতো ৪০ শতাংশ নির্ধারিত ছিল। এ বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন পড়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জনের। সেখান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ২ হাজার ৩৬৯ জন প্রার্থী। অনুপস্থিতির হার ছিল ১ দশমিক ৯২ শতাংশ।
মন্ত্রী বলেন, ‘এবারের পরীক্ষায় ছেলেদের থেকে মেয়েদের পাসের হার বেশি। এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলেও নারীর অগ্রযাত্রা লক্ষ্য করা গেল।’
আরও পড়ুন: এমবিবিএস-বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ সচিব আজিজুর রহমান, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়াসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময়সীমা সরকারি মেডিকেল কলেজে ১৮-২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন গ্রহনের বিজ্ঞপ্তি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে।
আরও পড়ুন: এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৬৯৯ দিন আগে
সিলেট-৩ আসনে ফলাফল প্রত্যাখান দুলালের
নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, সন্ত্রাসী হামলা ও জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন সিলেট-৩ আসনের সতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল।
তিনি রবিবার (৭ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর পূর্ব জিন্দাবাজার এলাকায় একটি অভিজাত হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন।
আরও পড়ুন: সিলেটে বিএনপির ৪৬ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
পাশাপাশি ভোটের দিন বিকাল পৌনে ৪টায় সামগ্রিক অনিয়ম বিবেচনায় তিনি নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রত্যাহার করে নেন বলেও দাবি করেন।
ডা. দুলালের অভিযোগ, তার নির্বাচনি এলাকার প্রায় ৪৭টি ভোটকেন্দ্র থেকে ট্রাক প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। বিকাল ৩টার দিকে নৌকার এজেন্টরা নির্বাচন পরিচালনাকারীদের সহায়তায় জাল ভোট প্রদানের উৎসব শুরু করেন।
তাছাড়া ট্রাক প্রতীকের কর্মীদের মারধর, হুমকি প্রদান ও পেশীশক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এসব বিষয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করলেও তারা তা আমলে নেয়নি।
আরও পড়ুন: সিলেট-২ আসন: পুনঃনির্বাচনের দাবি চার প্রার্থীর
লিখিত বক্তব্যে ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করে বলেন, নির্বাচনি প্রচারকালে তার কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। পোস্টার, লিফলেট ছিঁড়ে ফেলা হয়। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে নৌকার প্রার্থীর কম্বল বিতরণ, স্কুলে অনুদানের ঘোষণা, তোরণ নির্মাণসহ নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ছিল স্বাভাবিক ব্যাপার।
নির্বাচনের দিন দুপুর থেকেই শুরু হয় সন্ত্রাস আর জাল ভোটের উৎসব। সকাল থেকেই তার বিভিন্ন এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় ও কোনো কোনো জায়গায় ঢুকার পর বের করে দেওয়া হয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় বালাগঞ্জের বোয়ালজুর বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানে বাধা দিলে তার একজন কর্মীকে নৌকার সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে মারাত্মক জখম করে।
শুধু তাই নয় আক্রান্ত ব্যক্তিকে আটকে রেখে অন্যান্য এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। একই সময় বালাগঞ্জের বোয়ালজুড় ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে হামলা, ট্রাক এজেন্টদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও কেন্দ্র্র থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: সিলেট-৪ আসনে তৃণমূল বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন
সোনাপুর কেন্দ্রে সব এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়। নির্বাচন পরবর্তী এখন পর্যন্ত তার নির্বাচনি এলাকায় বিভিন্ন কর্মীদের মারধর ও বাড়ি ছাড়া করার ঘটনা ঘটেছে। তিনি স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে ফলাফল প্রত্যাখান করেন।
তিনি আরও বলেন, কামালবাজার জালালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রটি নৌকার প্রার্থীর জন্য সকাল সাড়ে ৯টা থেকে উক্ত কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। কারণ নৌকার প্রার্থী নিজে প্রথম ভোট প্রদানের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম শুরু করবেন সেজন্য এই অনিয়ম।
আরও পড়ুন: সিলেটে ভোটকেন্দ্রের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আগুন
৭৩৩ দিন আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনের ফলাফল অনুমান করতে যাচ্ছি না: মার্কিন মুখপাত্র
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অনুমান করতে চায় না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার ৪ ডিসেম্বর নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কোনো অনুমান করতে যাচ্ছি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এর আগে বেশ কয়েকবার যা বলেছি, আমি তাই বলব।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ নিয়ে বাইডেনকে দেওয়া ৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠি সম্পর্কে অবগত নই: মার্কিন মুখপাত্র
মিলার বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে একযোগে কাজ করতে সরকার, বিরোধী দল, সুশীল সমাজ এবং অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: আইপিইএফ নিয়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করছে ওয়াশিংটন: মার্কিন মুখপাত্র
৭৬৭ দিন আগে