লালমনিরহাট
সীমান্তহত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। দয়িত্ব পালন না করতে পারলে আমাদের দায়িত্ব দিন। আমরা সরকারে এলে ইনশাআল্লাহ সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করব।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত খাদেমুলের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সীমান্ত হত্যা বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, সীমান্তে মানুষ মরলেও সরকার নিশ্চুপ থাকছে। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। তারা যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তবে আমাদের দায়িত্ব দিক; আমরা সরকারে এলে ইনশাআল্লাহ সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করব। অস্ত্র না থাকলেও আমরা বাঁশ হাতে নিয়ে রেডি হব সীমান্তে।
তিনি বলেন, বিএসএফ গুলি করে বাংলাদেশি হত্যা করে আর বিজিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভারতীয় বয়ান উল্লেখ করে। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ চোরাচালান করতে পারে না। বাংলাদেশের সকল মানুষ অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার। আমরা সীমান্তের শহিদদের পাশে থাকব। আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি, এ মানুষগুলোর জন্য ফাউন্ডেশন গঠন করে দেব। সীমান্তে শহিদদের সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মাছ ধরতে যাওয়া বাংলাদেশি খাদেমুলকে বিএসএফ গুলি করে শহিদ করেছে বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
এই রাজনীতিক বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্যের সীমান্তে অস্থিতিরতা বিরাজ করছে। সে জায়গা থেকে আমরা সরকারকে বলব, রেড এলার্টে যাওয়ার জন্য, সীমান্তবাসীকে বলব সংঘবদ্ধ হওয়ার জন্য।
এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক বলেন, ইতিহাস থেকে চিন্তা করলে দেখা যায়, জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন, তখন ওই সময় শেখ মুজিবের সঙ্গে ‘গুন্ডা বাহিনী’ ভারতে পলাতক ছিলেন। সেখান থেকে তারা জিয়াউর রহমান সরকারকে বিরক্ত করেছিলেন। একই কায়দায় শেখ হাসিনা ভারতে থেকে বাংলাশেদের মানুষকে বিরক্ত করে যাচ্ছে এবং তারা ওই দেশের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে মিলে সীমান্তে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। সরকারকে বলব, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ‘লিয়াজোঁ’ করবেন না। বরং আমরা এসে শেখ হাসিনাকে যদি ফাঁসির দড়িতে ঝুলাইতে পারি, তাহলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়ে যাবে এবং সীমান্তের মানুষ নিরাপদ থাকবে।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, সরকারকে বলব সকল ধরনের পুশ-ইন বন্ধ করার জন্য। সীমান্তবাসীকে সজাগ থাকার জন্য, রাতে বাঁশ নিয়ে পাহারা দেওয়ার জন্য, যাতে ভারত থেকে তারা কাউকে পুশ-ইন করাতে না পারে। রোহিঙ্গা নিয়ে আমরা ঝামেলায় আছি, নতুন করে ঝামেলা নিতে চাই না।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন, আপনারাও ভালো, আমরাও ভালো। আর গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এ সরকার থাকতে পারবে না। এ সরকার নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারছে না।
সাংবাদিক নিপীড়ন প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এখনও নিপীড়ন চলছে। আগে করত শেখ হাসিনা সরকার, এখন করছে বর্তমান সরকার। সকল সাংবাদিককে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিতে হবে। যারা সত্য সাংবাদিক আমরা তাদের পক্ষে। ভারতে পক্ষের ও মিথ্যা সাংবাদিকদের আমরা ছাড় দিব না।
এ সময় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক রাসেল আহমেদসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী প্রথমে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত খাদেমুলের বাড়িতে যান। তাদের খোঁজখবর নেন। পরে তার কবর জিয়ারত করে হাতীবান্ধা ত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মে হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে খাদেমুল নামে এক স্থানীয় যুবক নিহত হন।
৭ দিন আগে
লালমনিরহাটে পানিতে ডুবে আপন দুই ভাই নিহত
লালমনিরহাটে তিস্তা নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের সলেডি স্প্যার বাঁধ এলাকায় তিস্তা নদীতে ডুবে তারা নিহত হন।
নিহতরা হলেন— লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের খলাইঘাট নিম্ন মাধ্যমিকের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলামের ছেলে কলেজছাত্র সিফাত আহমেদ (১৮) ও নবম শ্রেণির ছাত্র স্বচ্ছ আহমেদ (১৪)। তারা দুই ভাই লালমনিরহাট ক্যান্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বাড়ির পাশে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে অন্যান্য দিনের মতো আজ (শনিবার) সকালে গ্রামের সহপাঠীদের সঙ্গে খেলতে যান দুই ভাই সিফাত ও স্বচ্ছ। খেলা শেষে স্বচ্ছ তিস্তা নদীতে গোসলে নেমে গভীর পানিতে ডুবে যায়। ছোট ভাইকে বাঁচাতে নদীতে লাফ দিলে বড় ভাই সিফাতও ডুবে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ডাব্লু অধিকারী তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
লালমনিরহাট সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১০ দিন আগে
লালমনিরহাটে বিএসএফের গুলিতে ঝরল আরও এক বাংলাদেশির প্রাণ
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফের গুলিতে মো. খাদেমুল (২৫) নামে আরও এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে উপজেলার বনচৌকি বিওপির আমঝোল সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খাদেমুল ওই গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৫/৬ এস নম্বর পিলার এলাকা হয়ে কয়েকজন বাংলাদেশি চোরাকারবারির সঙ্গে ভারতের ১৫০ গজ ভেতরে অনুপ্রবেশ করেন খাদেমুল হক। এ সময় বিএসএফের ৭৮ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে খাদেমুলের মুখ, বুক ও মাথায় আঘাত লাগে।
সহযোগীদের সহায়তায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে ফিরে আসেন খাদেমুল। পরে স্থানীয় ও তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
লালমনিরহাট বিজিবির ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুলির কথা প্রাথমিকভাবে বিএসএফ অস্বীকার করেছে। এ ঘটনায় কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। বৈঠকে বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।
১৩ দিন আগে
বজ্রপাতে তিন জেলায় ৫ প্রাণহানির খবর
সারা দেশে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে আকস্মিক বজ্রপাতে পৃথক স্থানে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই মাঠে ধান কাটা ও কৃষিকাজে নিয়োজিত ছিলেন।
বুধবার (৬ মে) দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে নওগাঁ, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলায় এ ঘটনাগুলো ঘটে বলে ইউএনবির জেলা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
নওগাঁয় তিন কৃষক নিহত
নওগাঁর মহাদেবপুর ও নিয়ামতপুর উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তিন কৃষক নিহত হয়েছেন।
আজ (বুধবার) বিকেলে ধান কাটার সময় এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, উপজেলার কুড়াপাড়া গ্রামে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দিলীপ চন্দ্র বর্মন নামে এক কৃষক নিহত হন।
অন্যদিকে, নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান জানান, এ উপজেলায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে হাজিনগর ইউনিয়নে ধান কাটার সময় রফিকুল ইসলাম নামে এক শ্রমিক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থেকে শ্রমিকের কাজ করতে এসেছিলেন।
এছাড়া চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে ধান ঘরে তোলার সময় বজ্রপাতে অনুকূল চন্দ্র মোহন্ত নামে এক ব্যক্তি মারা যান।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহত এই তিন ব্যক্তির পরিবারকে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
কুড়িগ্রামে ধান কাটতে গিয়ে প্রাণহানি
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে মো. ওবাইদুল হক (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
আজ দুপুরে উপজেলার বদিজামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে নিজের জমিতে ধান কাটার সময় বৃষ্টির সঙ্গে আকস্মিক বজ্রপাত হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
নাগেশ্বরী থানার ওসি আব্দুল্লাহ হীল জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, এ বিষয়ে এখনও থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
লালমনিরহাটে ভুট্টাখেত থেকে ফেরার পথে কৃষকের মৃত্যু
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ভুট্টাখেত থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে ইউসুফ আলী (৩৫) নামে এক কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন।
বুধবার দুপুরে উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়নের ভুল্লারহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ইউসুফ আলী ওই এলাকার আকবর আলীর ছেলে ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, কাজ শেষে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে দ্রুত বাড়ি ফেরার সময় পথে বজ্রপাতের শিকার হন তিনি। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চলতি মৌসুমে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় কৃষি-সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় প্রশাসন মাঠে কর্মরত কৃষকদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
২০ দিন আগে
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে: ত্রাণমন্ত্রী
হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বড় ধরনের সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি জানিয়েছেন, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস খাদ্য সহায়তা দেবে সরকার।
রবিবার (৩ মে) লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহিদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে ‘বিদ্যানন্দ আত্ম-কর্মসংস্থান প্রকল্প ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় লাখ লাখ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এই খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ।
তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে। তালিকাভুক্ত কৃষকদের বিশেষ কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা প্রতি মাসে সহায়তা পাবেন।
আগামী ৬ মে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের জন্য সুনামগঞ্জ সফরে যাবেন মন্ত্রী।
এদিকে, অনুষ্ঠানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০১টি অসহায় পরিবারের মাঝে আয়বর্ধক উপকরণ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল দোকানের মালামাল, ভ্যানগাড়ি, গরু এবং সেলাই মেশিন।
২৩ দিন আগে
লালমনিরহাটে পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে কৃষক নিহত
লালমনিরহাটে পণ্যবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মরিচ খেতে উল্টে পড়ে মনছের আলী (৬৩) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১ মে) সকালে লালমনিরহাট-রংপুর মহাসড়কে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের চিনিপাড়া এয়ারপোর্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মনছের আলী ওই এলাকার পয়ের উল্ল্যাহর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কৃষক মনছের আলী নিজ বাড়ির পাশে মরিচ খেত দেখতে বের হয়েছিলেন। এ সময় রংপুর থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাটগামী একটি পণ্যবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে পড়ে। মনছের তখন ট্রাকটির নিচে চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত স্থানীয় জনতা চালক ও সহকারীকে আটক করে। এরপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। আটক চালক ও সহকারীকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
২৬ দিন আগে
লালমনিরহাটে মাদকের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ বছরের জেল
লালমনিরহাটে মাদকের মামলায় হুমায়ুন আহমেদ কবির নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রওশন আলম এ আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত হুমায়ুন আহমেদ কবির জেলার আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন আহমেদ কবির ২০১২ সালের ১৬ মে একটি পিকআপ ভ্যানে ভুট্টা বোঝাই করে লালমনিরহাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা শহরের পুরান বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ ওই পিকাপটি তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৩৪৪টি নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের বোতল উদ্ধার করে।
এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন আহমেদ কবির এবং তার সহযোগী সেকেন্দার আলীকে (৪৫) আটক করে পুলিশ। পরে লালমনিরহাট সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাদের জেলহাজতে পাঠান।
ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ (বুধবার) আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট জিন্নাত আরা ফেরদৌসী রোজি জানান, আদালত ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন আহমেদ কবিরকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, আনাদায়ে আরও ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলেই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
২৭ দিন আগে
মোটরসাইকেলচালককে ‘থাপ্পড় মারার’ পর সেই ইউএনওর ‘লাঠি হাতে’ ভিডিও ভাইরাল
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানকে ঘিরে একের পর এক বিতর্কিত ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পাম্পে তেল নিতে আসা এক মোটরসাইকেলচালককে থাপ্পড় মারার অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তার লাঠি হাতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে চাপারহাট বাজারের লুবানা ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা নদী নামে এক গ্যারেজ কর্মচারীকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে ইউএনও শামীমার বিরুদ্ধে। অসুস্থ এক কলেজ শিক্ষকের ফুয়েল কার্ড ব্যবহার করে নদী তেল নিতে গেলে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান স্থানীয়রা।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, গত ২১ এপ্রিল কালীগঞ্জের ভুল্যারহাট এলাকায় অবস্থিত মোজাহার ফিলিং স্টেশনে শামীমা আক্তার জাহান লাঠি হাতে তদারকি করছেন। ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে তার আক্রমণাত্মক ভঙ্গি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে অপেশাদার আচরণ স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কালীগঞ্জে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউএনওর বিরুদ্ধে বিভিন্ন হাটবাজার ইজারা ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে মনে করছেন তারা।
ভুক্তভোগী নদীর দাবি, কোনো ধরনের অপরাধ ছাড়াই তাকে মারধর করা হয়েছে। তিনি জানান, গ্যারেজ মালিকের নির্দেশে একজন অসুস্থ শিক্ষকের কার্ড নিয়ে তিনি তেল নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ইউএনও কোনো কথা না বলেই তাকে থাপ্পড় মারেন।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান। তার দাবি, তিনি কাউকে মারেননি, বরং নিয়ম না মানায় মোটরসাইকেলের চাবি জব্দ করেছিলেন। পরবর্তীতে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে চাবি ফেরত দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমান কর্মস্থলের পাশাপাশি পূর্ববর্তী কর্মস্থল জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর একটি প্রকল্পে ভুয়া শিক্ষাকেন্দ্র দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে।
৩৩ দিন আগে
জালিয়াতি ও অর্থ কেলেঙ্কারি: রেলওয়ের দুই কর্মচারীর ‘গুরুদণ্ড’
পরস্পরের যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে একই ঠিকাদারি কাজের বিল দুইবার উত্তোলন করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের দুই কর্মচারীকে চাকরিবিধি অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— তারিকুল ইসলাম ও রইছ উদ্দিন। তারা দুজনই লালমনিরহাট রেলওয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ডিইএন) দপ্তরের অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
লালমনিরহাট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, শাস্তির অংশ হিসেবে তাদের দুজনকেই পাঁচ বছরের জন্য বেতন গ্রেডের সর্বনিম্ন ধাপে অবনমিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।
রেলওয়ের একাধিক সূত্র জানায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লালমনিরহাট স্টেশন থেকে আদিতমারী পর্যন্ত রেললাইনের ‘প্রোটেকশন ওয়াল’ নির্মাণ কাজ পায় মেসার্স রিচ ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান। কাজ শেষে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি একটি অর্থনৈতিক কোডের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫৫ টাকা ২৭ পয়সা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর ভিন্ন অর্থনৈতিক কোড ব্যবহার করে একই পরিমাণ অর্থ পুনরায় উত্তোলন করে ওই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান যা গুরুতর অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির শামিল।
বিষয়টি উদঘাটন করেন লালমনিরহাটের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ডিইএন) মো. শিপন আলী। এরপর ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলা করা হয়। এ ঘটনা তদন্তের জন্য সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলীকে (এইএন) আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্তে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও তার প্রতিনিধি দ্বিতীয়বার বিল উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তারা জানান, তারিকুল ইসলাম ও রইছ উদ্দিনের পরামর্শে প্রলুব্ধ হয়ে তারা এ কাজ করেছেন। তবে ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর দ্বিতীয়বার উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, প্রথম বিল প্রক্রিয়াকরণে তারিকুল ইসলাম জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও দ্বিতীয়বার বিল প্রদানের সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না বলে দাবি করেন। কিন্তু নথিপত্রে দেখা যায়, দ্বিতীয়বার বিল পাঠানোর ক্ষেত্রেও তার সই রয়েছে।
অন্যদিকে, রইছ উদ্দিন নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলেও তদন্তে প্রমাণিত হয় যে বিল প্রক্রিয়াকরণ, রেজিস্টার সংরক্ষণ, অগ্রায়ন পত্র প্রেরণ এবং হিসাব বিভাগের প্রত্যয়ন সংগ্রহসহ পুরো প্রক্রিয়ায় তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, রইছ উদ্দিন রেলওয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী দপ্তরে কর্মরত অবস্থায়ই নিজের ভাইয়ের নামে লাইসেন্স ব্যবহার করে ঠিকাদারি কাজ করতেন এবং গত পাঁচ বছরে একাধিক টেন্ডার লাভ করেন। এসব কাজ তিনি অন্যের মাধ্যমে সম্পন্ন করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত কমিটি সাক্ষ্য, জবানবন্দি ও দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে দেয়, একই কাজের বিল পুনরায় উত্তোলনের ক্ষেত্রে তারিকুল ইসলাম ও রইছ উদ্দিনই মূল পরিকল্পনাকারী এবং অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। ফলে ‘রেলওয়ে কর্মচারী (দক্ষতা ও শৃঙ্খলা) বিধি, ১৯৬১’ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ‘গুরুদণ্ড’ প্রদানের সুপারিশ করা হয়।
তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা প্রায় আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছি। সব তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হয়েছি যে অভিযুক্তরা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শিপন আলী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম রোধে এবং দৃষ্টান্ত স্থাপনের লক্ষ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৩৪ দিন আগে
ভারতে নির্বাচন: ৪ দিন বন্ধ থাকছে বুড়িমারী স্থলবন্দর
ভারতের বিধান সভার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টানা ৪দিন বন্ধ থাকছে ‘ত্রিদেশীয় বাণিজ্যিক কেন্দ্র’ খ্যাত লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এএসএম নিয়াজ নাহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের বিধান সভার নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভারতের পশ্মিমবঙ্গের কুচবিহার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একটি আদেশ জারি করে গতকাল (সোমবার) পত্র পাঠান।
পত্রে বলা হয়েছে, বিধান সভার নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পর্যন্ত ভারতের চ্যাংরাবান্ধা ও বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
বিধান সভার নির্বাচনের ছুটির সঙ্গে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় স্থলবন্দর টানা ৪ দিন বন্ধ থাকবে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে বন্দরের সকল কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে।
এ ব্যাপারে এএসএম নিয়াজ নাহিদ বলেন, ভারতের বিধান সভা নির্বাচন ঘিরে মঙ্গলবার থেকে টানা ৪ দিন বুড়িমারী স্থলবন্দরে সকল ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই নোটিশটি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পাঠানো হয়েছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান বলেন, এই অবরুদ্ধ সময়ে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করতে পারবেন না। তবে যারা চিকিৎসাসেবা নিতে যাতায়াত করবেন, তাদের জন্য শিথিল করা হবে। এর মধ্যে ভুটান ও নেপালগামীরাও অর্ন্তভুক্ত বলে জানান তিনি।
৩৬ দিন আগে