নীলফামারী
চরম জনবল সংকটে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, নষ্ট হচ্ছে ১৫৩ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি
দীর্ঘদিন ধরে জনবল-সংকটে ধুঁকছে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা। চার ভাগের এক ভাগ কর্মচারী দিয়ে চলছে দেশের বৃহত্তম এই রেলওয়ে কারখানার কার্যক্রম। জনবলের অভাবে পড়ে আছে ১৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে আমদানিকৃত আধুনিক যন্ত্রপাতি, যা ব্যবহারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় তীব্র কাঁচামাল-সংকট দেখা দিয়েছে। এসব কারণে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, আসাম–বেঙ্গল রেলপথকে ঘিরে ১৮৭০ সালে স্থাপিত হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা। ১১০ দশমিক ২৯ একর জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানায় রয়েছে ২৭টি শপ (উপকারখানা)। এখানে ব্রডগেজ ও মিটারগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ এবং মালবাহী যান (ওয়াগন) মেরামতের কাজ করা হয়। পাশাপাশি রেলওয়ের স্টিম রিলিফ ক্রেন এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্যারেজ ও ওয়াগন মেরামত করা হয়ে আসছে। এছাড়া ক্যারেজ, ওয়াগন ও লোকোমোটিভের প্রায় ১ হাজার ২০০ ধরনের খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরি হয় এই কারখানায়।
ক্ষমতা ও গুণগতমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৭ সালে ১৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কারখানাটির আধুনিকায়ন করা হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় ব্রডগেজ ও মিটারগেজ যাত্রীবাহী বগি এবং ওয়াগন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১৭টি ওয়ার্কশপের সংস্কার করা হয়। ৪৩ ধরনের যান্ত্রিক (মেকানিক্যাল) এবং ১৩ ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন করা হয়। এছাড়া গভীর নলকূপ স্থাপনসহ একটি ওভারহেড পানির ট্যাঙ্ক নির্মাণ করা হয়। তবে দক্ষ জনবল না থাকায় এই আধুনিকায়নের কোনো বাস্তব সুফলই মিলছে না।
সূত্র জানায়, বর্তমানে কারখানাটিতে কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীর মোট পদ ২ হাজার ৮৫৯টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৭১৬ জন। অর্থাৎ ২ হাজার ১৪৩টি পদই রয়েছে শূন্য। এই জনবল-সংকটের কারণে ক্যারেজ মেরামতের দৈনিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিন তিনটি কোচ মেরামতের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বাস্তবে হচ্ছে দুটি। ২৭টি শপে থাকা ৭৪০টি মেশিন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ শ্রমিকও নেই।
১২ দিন আগে
নীলফামারী ইপিজেডে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫
নীলফামারীর উত্তরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।
নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আবদুর রহিম জানান, একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং আরও ১৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষের সময় সেনাবাহিনীর দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তবে এই সংঘর্ষের কারণ ও বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১৬৭ দিন আগে
ডিমলায় নদীভাঙনে ঘরহারা শতাধিক পরিবার
তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করায় নীলফামারীর ডিমলায় নদীভাঙন শুরু হয়েছে। গত দু’দিনে উপজেলার খগা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের কিসামত ছাতনাই, বাইশপুকুর ও পূর্বখড়িবাড়ী এলাকায় শতাধিক পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
রবিবার (১৭ আগস্ট) ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ডিমলার পাঁচটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। এ সময় প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ১৫ আগস্ট থেকে নদীর পানি কমতে শুরু করলে সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙনও শুরু হয়।
ভাঙনের শিকার জয়নাল, কোরবান আলী, মজিবর রহমান, আবুল কাসেম, রায়হান, দুদু মন্ডল, আব্দুল কাদের, সিরাজুল, জাহিদুলসহ অনেকে জানান, গত দু’দিনে তাদের মতো অনেকের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাড়িঘর হারিয়ে সবাই পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গ্রোয়েন ও স্পার বাঁধসহ অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁপাইয়ে পদ্মার পানি সরলেও দুর্ভোগ কমেনি
খগা খড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘ভাঙন কবলিত এলাকায় ত্রাণ হিসেবে চাল, ডাল ও শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে।’
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান বলেন, ‘ভাঙন কবলিতদের তালিকা করা হচ্ছে। যে কোনো সরকারি সহায়তা পেলে তা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হবে।’
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া বিভাগীয় প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘ভাঙন ঠেকাতে ইতোমধ্যে কিছু কাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়াও যদি কোথাও তীব্র ভাঙন দেখা দেয়, তাহলে জরুরি ভিত্তিতে মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’
১৮৩ দিন আগে
দিনাজপুর ও নীলফামারীতে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২০
দিনাজপুর এবং সৈয়দপুরে পৃথকস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এতে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার(২৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে সৈয়দপুরের ওয়াপদা মোড়ে বাস ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৯ যাত্রী আহত এবং ৪টার দিকে বিরলের মঙ্গলপুরে পিকআপ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।
বিরল থানার উপপরিদর্শক সোহেল রানা জানান, বিকাল ৪টার দিকে বিরলের মঙ্গলপুরে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। নিহত মোটরসাইকেল চালক সোহেল রানা (৩৬) বিরলের কাটিগাড়ী গ্রামের বাবুলের ছেলে। এসময় পিকআপের হেলপার আহত হয়েছেন।
বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, পিকআপটি জব্দ করেছেন তারা।
এর আগে দিনাজপুর রংপুর মহাসড়কের সৈয়দপুর বাইপাসে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, যাদের বেশিরভাগই বাসযাত্রী।
আরও পড়ুন: নাটোরে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮
খবর পেয়ে তারাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করেন।
সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার হামিদুর রহমান জানান, রংপুর থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী একটি গেটলক বাস সৈয়দপুর বাইপাসের ওয়াবদা মোড় এলাকা পার হওয়ার পর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উল্টো দিক থেকে আসা ট্রাকের এক পাশের চাকা ফেটে গেলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বিপরিতগামী বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ১৯ যাত্রী আহত হয়েছেন।
২০৮ দিন আগে
নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
নীলফামারী-সৈয়দপুর রেলপথের ভাটিখানা নামক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে বিমল রায় নামের এক হোটেল ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
বিমল রায় নীলফামারী পৌরসভার বাড়াইপাড়া এলাকার বাতাসু রায়ের ছেলে। শহরের ডাইলপট্টি এলাকায় হোটেলের ব্যবসা করতেন তিনি।
আরও পড়ুন: শিশুকে কোলে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ, মা-শিশুর মৃত্যু
স্থানীয়রা জানায়, নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই স্থানে এলে বিমল লাফ দিয়ে সামনে পড়ে। এতে তার শরীর দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়।
নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৪৩৪ দিন আগে
নীলফামারী ইপিজেডে ১২ লাখ ৬০ হাজার ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা কোম্পানি
নীলফামারীর উত্তরা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইউইপিজেড) প্রিন্টেড ম্যাটেরিয়ালস ও প্যাকেজিং পণ্য উৎপাদন শিল্প স্থাপনে ১২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে চীনা কোম্পানি বাইদা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পানি লিমিটেড।
বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়। মঙ্গলবার ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে এই চুক্তি সই করা হয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০.৪২ শতাংশ
বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবির এবং বাইদা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝাং হু নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
বিদেশি মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৮ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের কার্টুন বক্স, পেপার ব্যাগ, বক্স ফাইল/স্টোরেজ বক্স, বিভিন্ন ধরনের বই ও ম্যাগাজিন, স্টিকার/লেবেল/হ্যাং ট্যাগ/বারকোড স্টিকার, ক্যালেন্ডার, ডায়েরি ও বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টেড কার্ড উৎপাদন করবে। এ কোম্পানিতে ১ হাজার ১৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুন: সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার-২০২৪
৫৬৬ দিন আগে
নীলফামারীতে বিআরটিএ’র অভিযানে ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা
নীলফামারীতে বিআরটিএ’র অভিযানে ১২টি যানবাবহন চালককে ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সৈয়দপুর উপজেলা শহরের রাবেয়া মোড় এলাকায় ওই অভিযান চালানো হয়।
আরও পড়ুন: অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
অভিযানকালে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ফিটনেস না থাকা, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ ও অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চালানো, মোটরসাইকেল আরোহীর হেলমেট না থাকা, সিটবেল্ট না বাঁধায় এসব যানবাহনের চালকের কাছ থেকে জরিমানার টাকা আদায় করা হয়।
নীলফামারী বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই এমন অভিযান চালানো হবে। এ সময় চলাচলরত যানবাহন চালক ও যাত্রীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নীলফামারী বিএরটিএর সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন যানবাহন পরিদর্শক হিমাদ্রী ঘটক, দিনাজপুরের দশমাইল হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে ডিমের বাজারে অভিযান, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
কুমিল্লায় নকল চিপস কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা
৬০৫ দিন আগে
নীলফামারীতে ‘হিট স্ট্রোকে’ ৪ জনের মৃত্যু
সারাদেশে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে ‘হিট স্ট্রোকে’ চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার লাল বাবু (৫২), বিমলা উপজেলার মনির হোসেন (৫২) এবং জলঢাকা উপজেলার মনসুর (৫৫) ও খোদেজা (৬৫)।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে হিট স্ট্রোকে ইজিবাইক চালকের মৃত্যু
জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল হক জানান, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় তারা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মারা যান।
মঙ্গলবার জেলায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।
যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও রাজশাহী জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং ঢাকা বিভাগসহ খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু অংশে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং ময়মনসিংহ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আর্দ্রতা বৃদ্ধির কারণে, ভ্যাপসা গরম অব্যাহত থাকতে পারে।
আরও পড়ুন: মেহেরপুরে ‘হিট স্ট্রোকে’ ব্যবসায়ীর মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে ‘হিট স্ট্রোকে’ দুই শিক্ষকের মৃত্যু
৬৫৭ দিন আগে
নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
নীলফামারীতে পিকআপ ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও একজন।
বুধবার (২০ মার্চ) নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কের জোড়দরগা মসজিদের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত নূরে আলম সিদ্দিকী মার্কেন্টাইল ব্যাংক নীলফামারী শাখার কর্মকর্তা। তিনি নওগাঁ জেলা সদরের খাস নওগাঁ গ্রামের আসাদ আলীর ছেলে।
আরও পড়ুন: বরিশালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যানসহ নিহত ৪
অপর নিহত জলঢাকা উপজেলার মৎস্য কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মো. আবু তাহের জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বাঙালীপুর নিজপড়া গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সিএনজি চালক মো. শাহাবুদ্দিন বর্তমানে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানান, সকালে সৈয়দপুর থেকে সিএনজিতে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তারা। এসময় জেলা শহরের জোরদারগা মসজিদের সামনে এলে পেছন থেকে একটি পিকআপ সিএনজিটিকে ধাক্কা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলে নূর আলম সিদ্দিকী ও আবু তাহের নামে দুই যাত্রী নিহত হন। গুরুতর আহত হন সিএনজি চালক শাহাবুদ্দিন।
পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার ও আহত সিএনজি চালককে হাসপাতালে ভর্তি করায়।
নীলফামারী সদর থানার পরিদর্শক মো. তানভীরুল ইসলাম জানান, ‘আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত পিকআপ ও চালকের অনুসন্ধান চলছে।’
আরও পড়ুন: সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবরোধ কর্মসূচি
যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসচালক নিহত
৬৯৮ দিন আগে
নীলফামারীর ডোমারে স্বাধীনতার পর থেকে নেই সেতু, ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোয় পারাপার
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সীমান্তঘেঁষা ইউনিয়ন ভোগডাবুড়ী। এখানে বুড়ি তিস্তা নদীর বুদুর ঘাটের অবস্থান। এই ঘাটে স্থায়ী কোনো সেতু নেই। ফলে ৬ গ্রামের ৪০ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন তারা।
গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ৫২ বছর ধরে তারা এই ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও চরম আকার ধারণ করে। বিশেষ করে শিশুরা সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় ঘটে দুর্ঘটনা। এজন্য ভয়ে থাকেন অভিভাবকরা।
জানা গেছে, ভোগডাবুরী ও বড়শশী ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে বুড়ি তিস্তা নদী। নদীর এপাড়ে শব্দিগঞ্জ, গোসাইগঞ্জ ও আনন্দবাজার এবং ওপাড়ে সর্দ্দারপাড়, জালিয়াপাড়া ও চিলাপাড়া। গ্রামের মানুষদের অন্য কোনো উপায় না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করেন।
আরও পড়ুন: ১৪ বছরেও হয়নি সেতু, ভেলায় চড়েই স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা
নদীর এপাড়ে রয়েছে শব্দিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোসাইগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কারেঙ্গাতলী উচ্চ বিদ্যালয়। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করে বুদুরঘাটের বাঁশের সাঁকো দিয়ে। ঝুঁকিপূর্ণ এ সাঁকোতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
ইউনিয়ন থেকে সংসদ নির্বাচনের সময় দেওয়া হয় আশ্বাস। বুদুরঘাটে সেতু নির্মাণ করা হবে- সেই বুকভরা আশা নিয়ে দুই পাড়ের মানুষ আজও দিন গুএনছেন।
শব্দিগঞ্জ গ্রামের হবিবর, অমিনুল ও তাইজদ্দনি বলেন, ‘নদীর ওপার থেকে ছেলে-মেয়েরা নড়বড়ে সেতু দিয়ে স্কুল কলেজে আসা-যাওয়া করে। প্রতিদিন শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।’
স্থানীয় সাংবাদিক কাজল বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এলাকাবাসী দাবি করে আসছে একটি সেতু নির্মাণের। ৫২ বছর পার হলেও কেউ শোনেননি তাদের কথা।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে ২০ হাজার মানুষ
বড়শশী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য মঞ্জু ইসলাম বলেন, ‘নদীর দুই পাড়ের হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি একটি সেতুর। ট্রেন-বাস ধরতে সেতু না থাকায় এলাকার মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’
চেয়ারম্যান রেয়াজুল ইসলাম কালুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ কারণে তার মন্তব্য জানা যায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ওই আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার জানান, ‘উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে তালিকা দেওয়া হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজটি করা হবে। আর নতুন চেয়ারম্যান এই বিষয়ে তালিকা করে পাঠালে বিষয়টি তিনি দেখবেন বলেও জানিয়েছেন।’
আরও পড়ুন: দীর্ঘ ৪৬ দিন পর ভেসে উঠল রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু
৭২৫ দিন আগে