বাগেরহাট
বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল আইনজীবীর
বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪৮) নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাগেরহাট শহরের হাড়িখালী তেঁতুলতলা এলাকায় ওই আইনজীবীর মোটরসাইকেল গতিরোধ করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।
নিহত নিজাম উদ্দিন শান্ত বাগেরহাট সদর উপজেলার পশ্চিমবাগ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বাগেরহাট আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) ছিলেন।
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ওহিদুজ্জামান দিপু জানান, বাগেরহাট শহরে চেম্বারে কাজ শেষ করে প্রতিদিনের মতো নিজাম উদ্দিন মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তেঁতুলতলা এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেল গাতিরোধ করে হামলা চালায়। এ সময় তিনি দৌড়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা তাকে ধরে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
তিনি আরও জানান, মৎস্য ঘের নিয়ে এলাকায় নিজামের সঙ্গে বিরোধ আছে বলে শোনা যাচ্ছে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এরেই মধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। হত্যাকারীদের আটক করতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে। তবে এখনও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
আজ (শনিবার) সকালে আইনজীবী নেতারা বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল মর্গের সামনে জড়ো হন। তারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
৪ দিন আগে
জমে উঠেছে বাগেরহাটের ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা
বাগেরহাটের লাউপালায় ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা জমে উঠেছে। শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষের ঢল নেমেছে মেলায়। মাসব্যাপী এই মেলায় গ্রামবাংলার নানা ধরনের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানিরা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে থাকে মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডস, নানা ধরনের খেলনা, প্রসাধন সামগ্রী, গৃহস্থালী সামগ্রী, আসবাপত্র, বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগোরদোলাসহ নানা জিনিস এসেছে মেলায়। মেলায় ‘বালিশ মিষ্টি’ নামে পরিচিত বড় বড় মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে একেকটি ৫০০ টাকায়। মেলা ঘিরে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ রীতিমতো উৎসবে মেতে উঠেছে। মেলা প্রাঙ্গন ছড়াচ্ছে উচ্ছাস আর আনন্দ।
মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, দূরদূরান্ত থেকে ভক্ত, পূণ্যার্থী আর দর্শনার্থীরা এসেছেন মেলা প্রাঙ্গণে। বাবা-মায়ের কোলে চড়ে শিশুরা যেমন এসেছে, তেমনি বৃদ্ধরা এসেছেন লাঠি ভর করে। বিভিন্ন বয়সের মানুষ মেলায় এসেছেন। মেলায় বাগেরহাট জেলার বাসিন্দা ছাড়াও খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল এবং গোপালগঞ্জ থেকে আসা দর্শনার্থীদেরও দেখা মিলেছে।
মেলায় মানুষের ঘোরাঘুরি আর কেনাকাটায় কোনো কমতি নেই। বিক্রি ভালো হওয়ায় দোকানিরা প্রচুর পরিমাণ পসরা সাজিয়ে বসেছেন। মন্দিরের প্রবেশপথ থেকে শুরু করে মূল সড়কের দুই পাশজুড়ে দোকানিদের হরেক রকমের পণ্য শোভা পাচ্ছে। মানুষের মধ্যে উৎসাহ আর উদ্দীপনা মেলা প্রাঙ্গণ ছাপিয়ে আশপাশে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।
১০ দিন আগে
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবী সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যেদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আইনজীবী সমাজ সবসময় ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমরা মনে করি দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাস বা চেতনার কারণে অনেককে নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার থেকে অনেক মানুষ বঞ্চিত ছিল। অনেক রাজনৈতিক-কর্মী মিথ্যা মামলাকে আলিঙ্গন করে যখন সংগ্রাম করেছিলেন, তাদের নাজেহাল করা হয়েছে। তারা যেন আইনি সুবিধা না পায়, সে জন্য বিধিব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছিল।
জুলাই শহিদদের প্রতি গভীর জানিয়ে করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ২৪-এর মহান গণঅভ্যুত্থ্যান, রক্তক্ষয়ী যে গণঅভ্যুত্থ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি, যে প্রত্যাশা নিয়ে আমার ভাই-আপনার ভাই রক্ত দিয়েছেন, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, আমরা যাতে সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত দিনে অনেকেই আইনজীবী সমিতি ও আইনি কাঠামো ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন। ভবিষ্যতে যেন এসবের পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলাম। সেই আমরা যেন আইনি প্রথা নিজেরা ভঙ্গ না করি। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বার ও বেঞ্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বার এবং বেঞ্চ যখন শোল্ডার টু শোল্ডার (কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে) কাজ করবে, তখন দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।’
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সমিতির আহবায়ক এ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু, পিপি ও যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট মাহাবুব মোর্শেদ লালন প্রমুখ।
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু, পিপি ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহাবুব মোর্শেদ লালন প্রমুখ।
এর আগে, বেলা ১১টার দিকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতে ‘স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (স্কিল আইটি)’ নামে একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ডেপুটি স্পিকার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের প্রয়োজনে দক্ষ জনশক্তি তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব ও বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সভাপতি ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, আমেরিকা প্রবাসী সিপিএ রফিকুল ইসলাম, স্মার্ট ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ মিনা ওলিউজ্জামান প্রমুখ।
পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ডেপুটি স্পিকার স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই হাজার ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন।
এরপর বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার বেশরগাতি এলাকায় লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।
১১ দিন আগে
টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাটে সড়ক বিভাগের ৮০ কোটি টাকার ক্ষতি
টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সড়ক-মহাসড়কের কার্পেটিং (বিটুমিন) ধুয়ে গেছে, ধসে গেছে সড়কের ঢাল (হ্যাজিং) এবং ব্রিজ-কালভার্টের গাইড ওয়াল। একই সঙ্গে চারটি ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ সড়ক) ধসে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ৮০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে সড়ক বিভাগ।
ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে বাগেরহাট সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের কাছে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
বাগেরহাট-পিরোজপুর ও সাইনবোর্ড-শরণখোলা-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কসহ ফকিরহাট, চিতলমারী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে সড়কের কার্পেটিং ধুয়ে ইট ও পাথরের খোয়া বেরিয়ে গেছে। রাস্তার মধ্যে ছোটবড় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো খানাখন্দে পানি জমে আছে। এসব এলাকা দিয়ে যানবাহন চলাচলের সময় খানাখন্দে পড়ে যাচ্ছে। গাড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চালকরা ধীরগতিতে যানবাহন চালাচ্ছেন।
এছাড়া বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় সড়কের ঢাল (হ্যাজিং) ধসে যাওয়ায় কোনো কোনো স্থানে সড়কের অংশবিশেষ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
বাগেরহাট সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ৪৪২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ১০১ কিলোমিটার, ১১টি আঞ্চলিক মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ১১০ কিলোমিটার এবং ১৪টি জেলা মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২২৮ কিলোমিটার। টানা বৃষ্টির কারণে এর মধ্যে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সড়ক বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১২ দিন আগে
বাগেরহাটে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী লাউপালায় জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় পূণ্যার্থীদের ঢল
বাগেরহাটের প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রীপাট লাউপালায় শ্রী শ্রী গোপাল জিউর মন্দিরে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশাল কাঠের রথে জগন্নাথদেবের সঙ্গে তার ভাই বলরাম এবং বোন সুভদ্রাকে বসিয়ে সুসজ্জিত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে পূণ্যার্থীরা রথের দড়ি টেনে সামনের চত্ত্বরে নিয়ে আসেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, রথের দড়ি স্পর্শ করলে অসীম পূণ্যলাভ এবং জন্ম জন্মান্তরের সমস্ত পাপ নাশ হয়। এই বিশ্বাস নিয়ে নানা বয়সের শত শত নারী-পুরুষ রথ উৎসবে অংশ নেন। প্রতিবছরের মতো এ বছরও দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য পূণ্যার্থী এই রথযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
লাউপালায় রথযাত্রা উপলক্ষে মাসব্যাপী গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলা বসেছে। মেলায় হস্ত ও কুটির শিল্প, মৃৎশিল্পসহ রকমারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
এছাড়া বাগেরহাট শহরের রাধাগোবিন্দ মন্দির থেকে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা বের করা হয়। এরপর পূণ্যার্থীরা রথ টেনে শালতলাস্থ শ্রী শ্রী হরিসভা মন্দিরে নিয়ে আসেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
আগমী ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রার মধ্যে দিয়ে জগন্নাথদেব মন্দিরে ফিরে আসবেন। রথযাত্রা শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে যাতে অনুষ্ঠিত হয়, সেজন্য বাগেরহাট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
১৩ দিন আগে
বাগেরহাটে কৃষির জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বৃষ্টি
বাগেরহাটে একটানা বৃষ্টিপাতের কারণে মাটির লবণাক্ততা কমতে শুরু করেছে। বৃষ্টিপাত চলতি রোপা আমন ধানের বীজতলা, আউশ ধান এবং সবজির জন্য সুফল বয়ে এনেছে। বৃষ্টিপাত বাগেরহাটে কৃষির জন্য আর্শিবাদ হয়ে এসেছে।
জেলার ৬১ শতাংশ জমির মাটিতে লবণাক্ততা রয়েছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ। বৃষ্টি কমতে থাকায় সাধারণ মানুষ এবং ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এদিকে, উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে একটানা ৪দিন বৃষ্টির পর সূর্যের দেখা মিলেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত হালকা রোদ দেখা গেছে। এরপর আবার গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ঝরতে দেখা যায়। আকাশে মাঝেমধ্যে মেঘ দেখা যাচ্ছে। ভ্যাপসা গরম অনুভুত হচ্ছে।
আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় মোংলায় ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে।
বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার নির্মল দাস, আনোয়ার হোসেনসহ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, তারা এখন রোপা আমন ধানের বীজতলা তৈরি করছেন। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তাদের বীজতলা করতে সুবিধা হয়েছে। এছাড়া তাদের বিভিন্ন সবজির জন্যও বৃষ্টি উপকারে এসেছে। বৃষ্টি হলে তাদের ধান এবং সবিজর ভালো ফলন হয় বলে জানান তারা।
বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকার রতন দাস জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভ্যানে করে স্যান্ডেল নিয়ে ঘুরে ঘুরে তা বিক্রি করেন। যে টাকা লাভ হয়, তা দিয়ে কষ্টে তার সংসার চলে। কিন্তু একটানা চার দিন ধরে বৃষ্টিপাতের কারণে তার বিক্রি প্রায় বন্ধ ছিল। বিক্রি করতে না পারলে পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসারের খরচ চালাতে তার অনেক কষ্ট হয়। আজ সকালে বৃষ্টি না থাকায় ভ্যানে করে স্যান্ডেল বিক্রি করতে রাস্তায় নেমেছেন তিনি। দুপুর পর্যন্ত মোটামুটি ভালো বিক্রি হয়েছে। এতেই তিনি খুশি।
বাগেরহাট শহরে ভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে আম বিক্রেতা ইকরাম হোসেন এবং কলা বিক্রেতা করিম শেখসহ কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে তাদের আম ও কলা বিক্রি হয়নি। আজ দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি না থাকায় তা বিক্রি হচ্ছে।
বাগেরহাট শহরের ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকচালক আলমগীর হোসেন জানান, ইজিবাইক চালিয়ে দিনে যা আয় হয়, তা দিয়েই তাদের পাঁচজনের সংসার চলে। কিন্ত একটানা কয়েদিনের বৃষ্টিতে রাস্তায় যাত্রী কম থাকায় তার আয় অনেক কম হয়েছে। আজ সকালের দিকে বৃষ্টি না থাকায় রাস্তায় মানুষের চলচল ছিল। যাত্রী পরিবহন করে দুপুর পর্যন্ত তিনি ৪০০ টাকা আয় করেছেন।
বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন জানান, বাগেরহাটের ৬১ শতাংশ জমির মাটিতে লবণাক্তা রয়েছে। একটানা বৃষ্টিপাতের কারণে মাটির লবণ ধুয়ে যাচ্ছে। এতে করে রোপা আমন ধানের বীজতলা এবং সবজির জন্য উপকার হচ্ছে। এই বৃষ্টিপাত বাগেরহাটে কৃষির জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণ হলে, পানি জমে থাকলে রোপা আমন ধানের বীজতলা এবং বিভিন্ন সবজির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কৃষি বিভাগ বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ দশমিক ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করেছে বলে তিনি জানান।
মোংলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুন-অর রশীদ জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ক্রমান্বয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত মোংলায় ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়। মোংলা সমুদ্র বন্দরের জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সর্তকতা সংকেত বহাল রয়েছে। সাগর উত্তাল রয়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামি দুই থেকে তিনদিন পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানান তিনি।
২০ দিন আগে
নিম্নচাপের প্রভাবে বাগেরহাটে বৃষ্টি ঝরছে, দুর্ভোগে শিক্ষর্থীরা
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরছে। এতে সাধারণ মানুষসহ দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (৫ জুলাই) গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হলেও আজ (সোমবার) ভোর থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
সকাল থেকে বৃষ্টিপাতের কারণে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের পরীক্ষার্থীরা সব চেয়ে বেশি দুভোর্গে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বৃষ্টিতে ভিজে পরীক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
মোংলা সমুদ্র বন্দরকে আবাহওয়া বিভাগ ৩ নম্বর স্থানীয় সর্তকতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।
বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ জানান, বৃষ্টি উপেক্ষা করে তারা ঘর থেকে বের হয়েছেন। তবে দফায় দফায় মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় বৃষ্টিতে ভিজে কাজকর্ম করতে হচ্ছে।
বেশ কয়েকজন নিম্ন আয়ের মানুষের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, পেটের তাগিদে তারা রিকশা নিয়ে বের হয়েছেন। বৃষ্টির কারণে যাত্রী কম। এতে তাদের দুর্ভোগ হচ্ছে।
মোংলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুন-অর রশীদ জানান, মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে বাগেরহাটসহ দক্ষিণাঞ্চলে থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরছে। গতকার (রবিবার) সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোংলায় ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে। সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। নদ-নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
আগামী দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।
২৩ দিন আগে
খানজাহান আলী মাজারের কুমির ফিরিয়ে আনার দাবিতে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম
ঐতিহাসিক বাগেরহাট হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘির একমাত্র কুমিরটি পুনরায় ফিরিয়ে আনার দাবিতে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি সম্বলিত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে দিঘি থেকে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। সেইসঙ্গে বাগেরহাটের বাসিন্দারা হতাশ ও মর্মাহত বলে দাবি করা হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, শত শত বছর ধরে এই মাজার, দিঘি ও কুমির বাগেরহাটের ইতিহাস, ঐতিহ্য সাংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ ঐতিহাসিক এই নির্দশন ও কুমিরটি একনজর দেখার জন্য বাগেরহাটে আসেন। দিঘির এই কুমিরটি শুধুমাত্র একটি প্রাণী নয়, এটি বাগেরহাটের ঐতিহ্যের প্রতীক, মানুষের আবেগের অংশ এবং ইতিহাসের জীবন্ত স্মারক।
এ সময় দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে ফাতেমা নামে ৮ বছরের শিশু নিহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ এবং নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, প্রশাসন চাইলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে পারত। দর্শনার্থীদের জন্য সুরক্ষা বেষ্টনী, সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত পাহারার মাধ্যমে কুমিরটিকে দিঘিতে সংরক্ষণ করা সম্ভব ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, স্থানীয় জনগণ, মাজার কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্টদের মতামত যথাযথভাবে বিবেচনা না করেই দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। রাতে জরুরি বৈঠক করে ঐতিহাসিক দিঘির একমাত্র কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সম্মেলনে বলা হয়, ঐতিহাসিক এই দিঘির কুমিরটি বাগেরহাটের মানুষের সম্পদ। এটি আমাদের ইতিহাস,ঐতিহ্য ও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অনতিবিলম্বে কুমিরটিকে পুনরায় দিঘিতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কুমিরটিকে দিঘিতে ফিরিয়ে আনা না হলে নতুন করে কর্মসুচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয় এই সংবাদ সম্মেলনে।
৫২ দিন আগে
বাগেরহাটে ১ ঘণ্টার বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটুপানি, দুর্ভোগে জনজীবন
বাগেরহাটে এক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে শহরের ব্যস্ততম বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২ মে) দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা টানা বৃষ্টি ঝরতে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৃষ্টিতে শহরের সাধনার মোড়, রাহাতের মোড়, ফলপট্টি মেইন রোড, কাজী নজরুল ইসলাম রোডসহ বিভিন্ন ব্যস্ততম সড়কে হাঁটুপানি জমে আছে। জলাবদ্ধাতার কারণে মানুষ এবং রিকশা-ভ্যান, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েছে। নারী-শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ হাঁটু পানিতে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে।
এদিকে, বাগেরহাটের বিভিন্ন নদ-নদীতে জোয়ারে স্বাভাবিকের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। টানা বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জমিতে পাকা বোরো ধানের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা।
৮৮ দিন আগে
বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত একই পরিবারের ৪ জনের দাফন সম্পন্ন
বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের মধ্যে খুলনার কয়রা উপজেলার একই পরিবারের চার জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার নাকশা গ্রামের বাড়ির পাশের মাঠে মিতু, লামিয়া ও রাশিদা বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এছাড়া দাকোপে মিতুর নানী আনোয়ারা বেগমের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিহতরা হলেন— কয়রা উপজেলার নাকসা গ্রামের সালাম মোড়লের মেয়ে নববধু মার্জিয়া মিতু, তার ছোট বোন লামিয়া (১০), তাদের দাদী মৃত শামছুউদ্দিন মোড়লের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৭৫) ও নানী আনোয়ারা বেগম মারা গেছেন। মিতু নাকশা আলিম মাদ্রাসায় আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার দিকে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বোলাই সেতু এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার (১১ মার্চ) রাতে নাকশা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির হোসেনের সঙ্গে মিতুর বিয়ে হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বরযাত্রী নববধু মিতু, তার ছোট বোন লামিয়া, বৃদ্ধা দাদি রাশিদা ও নানী আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে মাইক্রোবাসে তাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।
পথে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি রামপাল বেলাই সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোংলা থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসে থাকা নববধু, বর ও তাদের স্বজনসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতদের গ্রাম নাকশাসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বাড়িতে স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
১৩৮ দিন আগে