জাটকা
মধ্যরাত থেকে জাটকা আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে শনিবার দিবাগত রাত থেকে সাগর ও নদীতে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক বার্তায় বলেছে, মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে মৎস্য অধিদপ্তর এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ২৫ সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, বাজারজাত, কেনাবেচা ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
এর আগে মা ইলিশ রক্ষায় গত ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ পরিচালনা করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ডিমওয়ালা ইলিশের ছাড়া ডিম থেকে ফোটা পোনা পাঁচ থেকে আট মাস বয়স পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনায় অবস্থান করে।
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো এবং এর টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে এ সময়ে পোনা রক্ষা করা জরুরি বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
পোনাগুলো নিরাপদে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে দেশে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়।
মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে বলে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় মৎস্য অধিদপ্তর সারা দেশে কঠোরভাবে এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে।
৭ দিন আগে
পহেলা বৈশাখে ইলিশ না খাওয়ার আহ্বান মৎস্য উপদেষ্টার
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের সময় ইলিশ জাটকা অবস্থায় থাকবে, সে কারণে এ সময় ইলিশ না খাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
সোমবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ- ২০২৫’ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন এসব কথা জানান উপদেষ্টা। এ সময় জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এ বছর প্রাথমিকভাবে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১১ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ফরিদা আখতার বলেন, ‘ইলিশের জাটকা যেন নিরাপদে বাড়তে পারে, সেজন্য ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৮ মাস দেশব্যাপী জাটকা ধরা, পরিবহন, মজুদ ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
ইলিশ সম্পদ রক্ষা ও উন্নয়নে জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার সচেতনতামূলক প্রচারসহ নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: মুগ্ধকে নিয়ে কথা বললে গর্বে মাথা উঁচু হয়ে যায়: ফরিদা আখতার
উপদেষ্টা বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান অন্তরায় হচ্ছে কারেন্ট জাল, বেহুন্দি জালসহ অন্যান্য অবৈধ জাল ব্যবহার। এসব জালের ব্যবহার বন্ধে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিশেষ চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ সময় পহেলা বৈশাখে পান্থা ইলিশে না খাওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘পহেলা বৈশাখে যে ইলিশ থাকবে, সেটি জাটকা ইলিশ হিসেবে গণ্য হবে। এটি না খাওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।‘
এই উদ্যোগের আওতায় প্রতি বছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদযাপনের বিষয়টি উল্লেখ করে ফরিদা আখতার বলেন, ইলিশের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজনন সময় নির্ধারণ করে মা ইলিশ আহরণের নিষিদ্ধ সময় ২২ দিন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দেশের ইলিশসমৃদ্ধ প্রধান প্রধান নদ-নদীতে ছয়টি ইলিশ অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়েছে। এসব অভয়াশ্রমে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশসহ সব প্রকার মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘মা ইলিশ এবং জাটকা আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জীবনধারণের জন্য প্রতিবছর ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নানা চাহিদামাফিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: শিল্প রক্ষা করতে হলে শিল্পীকে মর্যাদা দিতে হবে: ফরিদা আখতার
ইলিশসহ উপকলীয় অন্যান্য মৎস্য প্রজাতি ও জলজ জীব রক্ষায় ২০১৯ সালে নিঝুম দ্বীপ ও আশপাশের ৩ হাজার ১৮৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে ‘সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা (এমপিএ) ‘ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
ফরিদা আখতার বলেন, ‘সামুদ্রিক মৎস্য বিধিমালা-২০২৩ এর ৩(১) বিধি অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রতি বছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের মাছ ও ক্রাস্টাশিয়ান্স (কাঁকড়া, চিংড়ি ইত্যাদি) নিষিদ্ধ থাকে। এতে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ আহরণ ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়েছে বলে সরকারি তথ্যে জানা গেছে।
৫৭৯ দিন আগে
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনায় জাটকা ধরায় ৩৩ জেলে আটক
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আধাঁরে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রমে জাটকা ধরায় ৩৩ জেলেকে আটক করেছে টাস্কফোর্স।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া হোসেন।
তাদের মধ্যে ১৮ জনকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড ৬ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় ৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আরও পড়ুন: পাবনায় র্যাবের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৮ সদস্য আটক
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন- মো. নুরু সরকার, খোরশেদ বন্দুকশী, মো. রাসেল ঢালী, মো. হোসেন, মো. আরিফ আব্দুল করিম, আব্দুল শাহজাহান, আব্দুল কাশেম, রবিউল গাজী, বিল্লাল হোসেন, রুবেল বেপারী, রাজিব শুক্কুর দেওয়ান, আব্দুর রহিম, খাজা বেপারী, ইব্রাহীম খলিল তালুকদার, জাকির রাঢ়ি, হাকিম খান এবং আরও দুইজন।
নিয়মিত মামলার আসামিরা হলেন- মিন্টুন খান, শরীফ মিজি, আল-আমিন হোসেন, আমিন খাঁ, সোহাগ ও মো. নোমান।
এরা সবাই চাঁদপুর ও শরিয়তপুরসহ আশপাশের এলাকার।
চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, অভয়াশ্রম এলাকায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) একরামুল ছিদ্দিকের নেতৃত্বে মৎস্য দপ্তর, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এ সময় জেলেদের সঙ্গে থাকা তিনটি বেহুন্দিজাল, ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, পাঁচটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও পাঁচ হাজার মিটার সুতার জাল জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং জব্দকৃত নৌকা মামলার আলামত হিসেবে কোস্ট গার্ড হেফাজতে রয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে সীমান্ত থেকে অস্ত্র ও গাঁজা জব্দ; আটক ১
রূপগঞ্জে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ যুবক আটক
৯৫৫ দিন আগে
মেঘনায় জাটকা ধরায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ জাল দিয়ে জাটকা ধরার দায়ে ১৫ জেলেকে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজাহান।
দণ্ডপ্রাপ্ত সব জেলের বাড়ি মতলব উত্তর থানায়।
বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
একমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলে মো. রুবেল সরদার মতলব উত্তর উপজেলার বাসিন্দা।
অপর ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন- মতলব উত্তর উপজেলার মো. হুমায়ুন মৃধা, আক্তার হোসেন, ইয়াকুব ব্যাপারী, ইয়াজল চোকদার, সাইদুল রহমান, আরিফুল ইসলাম, লিটন বর্মন, মো. হোসেন, আবুল হোসেন, মনির হোসেন, ছৈয়দ হোসেন, মো. সাদেক, মাদব চন্দ্র বর্মন ও মো. আলী নুর।আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিপ ইয়ার্ড পরিচালনা: ৫ জনকে কারাদণ্ড
সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান আরও বলেন, বুধবার বিকাল ৩টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ৩টি হাইস্পিড বোট নিয়ে পদ্মা-মেঘনার মোহনা এলাকা, মিনি কক্সবাজার, রাজরাজেশ্বর, মতলব উত্তরের মোহনপুর এলাকায় পদ্মা ও মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় কাচিকাঠা নামক স্থান থেকে জাটকা ধরা অবস্থায় ১৫ জেলেকে আটক করা হয়। এসময় ১ লাখ মিটার কারেন্টজাল, ৫টি বেহুন্দি জাল, ৫ কেজি জাটকা জব্দ এবং একটি মাছ ধরার নৌকা আটক করা হয়।
অভিযান শেষে রাতেই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে জেলেদের কারাদণ্ড এবং জব্দকৃত জালগুলো কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। জব্দকৃত জাটকা দুস্থদের মাঝে বিতরণ এবং নৌকা কোস্টগার্ড হেফাজতে রয়েছে।আরও পড়ুন: গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ, সহকারী পোস্টমাস্টারসহ ৬ জনের কারাদণ্ড
৯৮৩ দিন আগে
চাঁদপুরে মেঘনায় জাটকা ধরায় ১০ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরায় ১২ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে ১০ জেলেকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বাকি দুই জেলের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় (অপ্রাপ্ত বয়স্ক) তাদের পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরায় ২৩ জেলেকে কারাদণ্ড
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন- জাহাঙ্গীর বেপারী (৩০), মো. আলমগীর (২৫), মাইনুদ্দীন (৩৬), মনসুর (২৯), আবুল সরদার (৫০), আক্কাছ আলী প্রধানিয়া (৩৫), সুমন পাটওয়ারী (২৩), আবুল হোসেন (২৩), মো. সালমান (৩০) ও জাহাঙ্গীর (৪৫)।
রবিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এসব তথ্য জানান, চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
এর আগে শনিবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মেঘনা মোহনা এলাকায় এ অভিযান চালায় টাস্কফোর্স।
অভিযান শেষে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান মানিক।
সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, অভিযানের সময় ৪০ হাজার মিটার কারেন্টজাল ও তিনটি মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়। রাতেই জব্দকৃত কারেন্টজাল কোস্টগার্ড স্টেশন এলাকায় আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
আর নৌকা তিনটি মামলার আলামত হিসেবে কোস্টগার্ড হেফাজতে রয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে মেঘনায় জাটকা ধরায় ২৫ জেলে আটক, ১৯ জনকে কারাদণ্ড
মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অভিযোগে ২৩ জেলের কারাদণ্ড
১৩০১ দিন আগে
চাঁদপুরে মেঘনায় জাটকা ধরায় ২৫ জেলে আটক, ১৯ জনকে কারাদণ্ড
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ২৫ জেলেকে আটক করেছে টাস্কফোর্স টীম। এ সময় ১৯ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং কিশোর ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৬ জেলেকে শাসন করে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত মেঘনা নদীর সদর উপজেলার দাসাদী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জাটকা ধরা অবস্থায় হাতেনাতে তাদেরকে আটক করা হয়।
অভিযানকালে সাতটি মাছ ধরার নৌকা, এক লাখ ২০ হাজার মিটার কারেন্টজাল, চারটি বেহুন্দি জাল ও ২০ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় অভিযানে অংশগ্রহণকারী চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
অভিযান শেষে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেদায়েত উল্লাহ।
আরও পড়ুন: মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অভিযোগে ২৩ জেলের কারাদণ্ড
কারাদণ্ড প্রাপ্ত জেলেদের মধ্যে এক বছর কারাদণ্ড প্রাপ্ত জেলে হলেন-মো. সোহেল (২০)। এক মাস করে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন- লক্ষণ চন্দ্র বর্মন (৩০), রতন চন্দ্র বর্মন (৩৫), নুরুল হক দেওয়ান (৬৫), বাসুদেব চন্দ্র বর্মন (৪০), স্বপন চন্দ্র বর্মন (৪৮), ইকবাল হোসেন বেপারী (৩৫), বিশ্বজিৎ চন্দ্র বর্মন (৩৫), আরিফ হোসেন (১৪), বিল্লাল হোসেন (৩০), মো. সেলিম হোসেন (২৪), সাইফুল ইসলাম (২২), শিপন (২০), সুকান্ত চন্দ্র বর্মন (২০), বাদল চন্দ্র বর্মন (২২), মো. আল-আমিন হোসেন (২০), অপু চন্দ্র বর্মন (২০), হৃদয় চন্দ্র বর্মন, (২২) ও মো. মেহেদী হাসান (২৫)। এরা সবাই শরিয়তপুর ও চাঁদপুর সদরের নদীর পাড় এলাকার বাসিন্দা।
কিশোর ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক জেলেরা হলেন-নিত্য চন্দ্র বর্মন (১৪), মো. সাকিল (১৫), রাজন (১৪), মো. সিয়াম (১৪), মো. ইয়াছিন (১৭) ও রাব্বি (১২)।
সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, জব্দকৃত কারেন্ট ও বেহুন্দি জাল আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে। জব্দকৃত মাছ ধরার নৌকা কোস্টগার্ড হেফাজতে এবং জাটকাগুলো স্থানীয় গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কোস্টগার্ড জেটি অফিসার মনিরুজ্জামান ও সঙ্গীয় ফোর্স, চাঁদপুর নৌ থানার এএসআই মো. শামীম ও সঙ্গীয় ফোর্স ও জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তছলিম বেপারী।
প্রসঙ্গত, জাতীয় সম্পদ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা রক্ষায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস দেশের পাঁচটি অভয়াশ্রম এলাকায় জাটকাসহ সব ধরণের মাছ আহরণ, বেচা-কেনা, মওজুদ ও পরিবহন নিষিদ্ধ। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
আরও পড়ুন: মেঘনায় মাছ শিকারে দায়ে ১৩ জেলে আটক
১৩০৩ দিন আগে
চাঁদপুরে মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরায় ২৩ জেলেকে কারাদণ্ড
চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরা অবস্থায় ২৮ জেলেকে আটক করা হয়েছে।
আটক জেলেদের মধ্যে ২৩ জনকে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড এবং পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় জরিমানা করে ছেড়ে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (৮ এপ্রিল) রাতে এসব তথ্য জানান অভিযানে অংশগ্রহনকারী হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব রশীদ।
তিনি বলেন, জাটকা রক্ষা সপ্তাহের শেষ দিনে (৭ এপ্রিল) জাটকা রক্ষায় সমন্বিত বিশেষ অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও কোস্টগার্ড সন্ধ্যা ৭টা হতে রাত দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার মেঘনা নদীর কাটাখালি, আখনের হাট, মনিপুর, সাহেবগঞ্জ, বারতহবিল, চরভৈরবী এলাকায় মোবাইল কোর্ট-এর আওতায় অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ সময়ে কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা আহরণ অবস্থায় ২৮ জেলেকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ২৪ জেলেকে কারাদণ্ড-জরিমানা
তিনি আরও বলেন যে এর মধ্যে ২১ জেলেকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, দুই জেলেকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং বয়স বিবেচনায় অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পাঁচ জেলের জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও অভিযানে জব্দ এক লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট এবং ২৫ কেজি জাটকা স্থানীয় গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
সমন্বিত বিশেষ অভিযানে নেতৃত্ব দেন হাজীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান মানিক।
অভিযানে অংশগ্রহণ করেন হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব রশীদ, শাহরাস্তি উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ, কোস্ট গার্ড হাইমচর নয়ানি আউটপোস্ট কন্টিনজেন্ট কমান্ডার ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় ৪ জেলেকে কারাদণ্ড
১৩০৯ দিন আগে
চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরায় ১৭ জেলের বিরুদ্ধে মামলা
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ১৯ জেলেকে আটক করেছে নৌপুলিশ।
আটক জেলেদের মধ্যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অন্য দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের সতর্ক করে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।
আটক জেলেদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে, ১০ জনের কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে, একজনের মতলব উত্তরে এবং একজনের ভোলায়।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ২৪ জেলেকে কারাদণ্ড-জরিমানা
মঙ্গলবার সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর নৌপুলিশ থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান।
ওসি জানান, জাটকা রক্ষায় চাঁদপুর পদ্মা-মেঘনায় গত ২৪ ঘন্টায় (রবিবার গভীর রাত থেকে সোমবার গভীররাত পর্যন্ত) সদরের মিনি কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, আনন্দ বাজার, চিরারচর, হরিণা, রাজ রাজেশ্বর, বহরিয়া, সফরমালী, পুরানবাজার ও আশপাশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, এ সময় ১৯ জন জেলে আটক এবং সাত লাখ ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। ১৩টি বলগেটও আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে জাটকা ধরায় ৮ জেলের কারাদণ্ড
১৩১৩ দিন আগে
চাঁদপুরে জাটকা ধরায় ২৪ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভয়াশ্রম এলাকায় জাটকা ধরায় শুক্রবার ২৭ জেলেকে আটক করেছে নৌপুলিশ। আটকদের মধ্যে ২৪ জনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তিনজনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তদের ৬ জন শরিয়তপুরের, ৮জন চাঁদপুরের, চারজন মতলব উত্তরের এবং ৬ জন মুন্সীগঞ্জের।
নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরায় ৩৩ জেলে আটক
তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় অভিযানে অভয়াশ্রম এলাকায় জাটকা আহরণকালে ২৭ জনকে আটক করা হয়। কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মতলব উত্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল ইমরান খান।
তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত ২টি মাছ ধরার নৌকা নষ্ট করা হয়। ৩টি কোস্টগার্ড হেফাজতে এবং ৩টি নৌ থানার হেফাজতে রয়েছে। জব্দকৃত কারেন্ট জাল প্রায় ৫ লাখ মিটার আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। জব্দকৃত ৩৯ কেজি জাটকা দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
অভিযানে চাঁদপুর সদর মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলো।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে জাটকা ধরার অভিযোগে আটক ৯
জাটকা ধরার অপরাধে চাঁদপুর-শরীয়তপুরের ১৭ জেলে গ্রেপ্তার
১৩২৪ দিন আগে
চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরায় ৩৩ জেলে আটক
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা রক্ষায় চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ৩৩ জেলেকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ।
এরা প্রায় সবাই চাঁদপুর ও হাইমচরের।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের জলসীমা থেকে ৩১ ভারতীয় জেলে আটক
ওদিকে সদরের আনন্দ বাজার থেকেও পাঁচ জেলেকে মাছ ধরার সময় হাতে নাতে জালসহ আটক করা হয়। বয়স বিবেচনায় ওই পাঁচ কিশোরকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ সময় জেলেদের কাছ থেকে এবং নদীতে পেতে রাখা ১২ লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্টজাল, তিনটি মাছ ধরার নৌকা ও ১৭৭ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়।
জব্দ ১১৭ কেজি জাটকা দু:স্থ ও এতিমদের মাঝে বিতরন করা হয়।
চাঁদপুর সদর নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান রবিবার সকালে ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান সরকার।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন-কোস্ট গার্ড, সদর নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, হাইমচর উপজেলা ও চাঁদপুর সদরের মৎস্য অফিসার মাহবুবে আলম ও মিজানুর রহমান।
আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনায় মাছ শিকার, ৪ জেলে আটক
শরীয়তপুরে ইলিশ রক্ষা অভিযানে ৭২ জেলে আটক
১৩২৯ দিন আগে