ঝুলন্ত মরদেহ
রাজধানীতে বাসায় ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ
রাজধানীর ডেমরার একটি ভাড়া বাসা থেকে মারিয়া আক্তার শ্রাবণী (২৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত মারিয়া আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সৈয়দ টোলা গ্রামের মৃত সুবেদ মিয়ার মেয়ে ছিলেন। বর্তমানে পরিবারের সাথে ডেমরার ৪৩৬/১০ নম্বর বাঁশেরপুল এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
নিহতের খালা জাহানারা বেগম বলেন, মারিয়া আমার একমাত্র ভাগ্নি ছিলেন। আড়াই বছর আগে তার বিয়ে হয়েছিল, কিন্তু স্বামী কোনো কাজকর্ম করত না। তাই গত চার মাস আগে স্বামীর সঙ্গে রাগ করে সে বাপের বাড়ি চলে যায়। গতকাল স্বামী ইমনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা কাটাকাটি হয় তার। এরপর কাউকে কোনো কিছু না বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখে। তারপর বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখি, সে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। পরে আমরা বিষয়টি ডেমরা থানা পুলিশকে জানাই।
নিহত ওই নারীর দুই বছরের একটি ছেলে রয়েছে বলে জানান তিনি।
ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, গতরাতে আমিনবাগের আনোয়ার নামের এক ব্যক্তির বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি বাসার শয়নকক্ষ থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি জানান, নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
১ দিন আগে
রাজধানীতে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর রামপুরা থানা এলাকায় হাসান ভূঁইয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তির হাতবাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার স্ত্রী মিলাকে (২৮) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত হাসানের বড় ভাই নাসির ভূইয়ার অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মিলা তাকে হত্যা করেছে। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্রেম করে ৬ বছর আগে মিলাকে বিয়ে করে আমার ছোট ভাই। বিয়ের পর থেকে আমাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাদের ৫ বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।
‘গতকাল সকালে জানতে পারি, ভাই আমার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি গলায় ফাঁস লাগানো আছে ঠিকই, কিন্তু তার পেছনে হাত বাঁধা রয়েছে। বাসার ছাদের পানির ট্যাংকির পাইপের সঙ্গে গলায় রশি ও হাত বেঁধে আমার ভাইকে তার স্ত্রী মিলা হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে ঝামেলার কারণে তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে সে। এ ঘটনার পর মিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। আমি বাদী হয়ে রামপুরায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আল আমিন জানান, গতকাল হাসান ভূঁইয়া নামে একজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু মরদেহ উদ্ধার করার সময় তার হাত শরীরের পেছনে বাঁধা অবস্থায় ছিল। এতে মনে হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
নিহতের বড় ভাই অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন বিষয়ে মাথায় রেখে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।
৬ দিন আগে
খিলগাঁওয়ে বাসা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নিজ বাসায় শাহানুর রহমান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি সোনালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় খিলগাঁওয়ের নিজ বাসার তৃতীয় তলায় এ ঘটনাটি ঘটে।
পরে অচেতন অবস্থায় শাহানুরকে রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ি ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক মো. ফারুক।
নিহত শাহানুর রহমান রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বিল গজারিয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
নিহতের ভাই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাই সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি পারিবারিক কারণে কিছুদিন যাবত মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। আজ সন্ধ্যার দিকে কাউকে কিছু না বলে ঘরে গিয়ে তিনি দরজা বন্ধ করে রাখেন। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমরা পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভেঙে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে প্যান্টের কাপড় গলায় পেঁচিয়ে তিনি ঝুলে আছেন। পরে আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান আমার ভাই আর বেঁচে নেই।’
মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি খিলগাঁও থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
কুমিল্লায় থানা থেকে নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লায় সতীনের ছেলেকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আটক এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হোমনা থানা হেফাজতে থাকা ববিতা নামের ওই নারী আসামির মরদেহ থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কের একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোরে ওই কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ববিতার মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহত ববিতা হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্শেদুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বুধবার সকালে ববিতা তার সতীনের ১১ বছর বয়সী ছেলে সায়মনকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এ সময় শিশুটির নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সায়মনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা ববিতাকে আটক করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতে হোমনা থানায় একটি মামলা করেন।
ওসি বলেন, ‘ববিতাকে রাতে থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়েছিল। ওই কক্ষে তার সঙ্গে আরও একজন নারী আসামি ও একজন নারী গ্রাম পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। ভোরের দিকে স্টাফ রুমে যাওয়ার সুযোগে ববিতা আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, সকালে বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫০ দিন আগে
রাজশাহীতে আবাসিক হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ
রাজশাহীর নিউমার্কেট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে সবুজ কুমার অধিকারী (২৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ওয়ে হোম নামের ওই হোটেলের একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছিল তার দেহ।
সবুজের বাড়ি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার আটঘরিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম বিমল চন্দ্র অধিকারী। তিনি বগুড়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, এদ দিন আগে (শুক্রবার) ওই হোটেলের একটি কক্ষে উঠেছিলেন সবুজ। শনিবারই তার চেক-আউট করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি কক্ষ ত্যাগ না করায় হোটেলের কর্মীরা ডাকাডাকি করেন। সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে তারা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
বোয়ালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ফায়ার সার্ভিস গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে করা হলেও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তিনি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন। পরিবারের সদস্যরা এলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
৬৮ দিন আগে
গোয়াইনঘাটে স্কুল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সিলেটের গোয়াইনঘাটে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার পূর্ব জাফলংয়ের সোনাটিলা এলাকার নিজ বসতঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাদিয়া আক্তার (১০) উপজেলার সোনাটিলা গ্রামের শাহনআলম মিয়ার মেয়ে ও স্থানীয় গুচ্ছগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটির মা তাদের সন্তানদের রেখে বাবার বাড়িতে চলে যায়। এরপর শিশুটিকে একা ঘরে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম নজরুল জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পড়ুন: চট্টগ্রামে দুই যুবকের আত্মহত্যা
ধামরাইয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের গর্তের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
সড়কের পাশ থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
১২৫৩ দিন আগে
আশুলিয়ায় দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সাভারের আশুলিয়ার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুরে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকার শামসুল হকের বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃতরা হলেন-নওগাঁর বান্দা থানার চককেশবপুর মন্ডলপাড়া এলাকার সামাদ মন্ডলের ছেলে সাইদুল মন্ডল (৩২) ও তার স্ত্রী শাহনাজ পারভীন ববিতা (২৪)।
পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সাইদুল বিদেশে থাকতেন। কিছু দিন আগে তিনি দেশে এসেছেন। তার স্ত্রী ববিতা শামসুল হকের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
আশুলিয়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী নাছের বলেন, খবর পেয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তারা আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
পড়ুন: চাঁদপুরে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
১৪০৯ দিন আগে