মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের কর্মপন্থা নির্ধারণে কমিটি
অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সরকার।
রবিবার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে কর্মপন্থা নির্ধারণসংক্রান্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান।
কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে সংবিধান ও জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কর্মপন্থা নির্ধারণ করা।
কমিটি প্রয়োজনে সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে। কমিটির সভা প্রয়োজন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। অর্থ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হবে ১ এপ্রিল এবং শেষ হবে ৩১ মার্চ। এর আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করে নয় মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে শেষ করা হবে।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য ৬ কমিটি গঠন
নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে ছয়টি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটিগুলো গঠন করে রবিবার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত দিন, তারিখ, সময় ও স্থানে মহামান্য রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। অনুষ্ঠানটি যথাযথ মর্যাদায় সুচারু ও সফলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এ কমিটিগুলো গঠন করা হলো।
কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মীর নেতৃত্বে সমন্বয় কমিটি; প্রশাসন ও বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শামীম সোহেলের নেতৃত্বে ডকুমেন্টেশন ও রেকর্ড সংরক্ষণ কমিটি এবং অতিথি তালিকা প্রণয়ন ও আমন্ত্রণপত্র মুদ্রণ কমিটি; সমন্বয় অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানের নেতৃত্বে আমন্ত্রণপত্র বিতরণ ও প্রাপ্তি যাচাই কমিটি; কমিটি ও অর্থনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে আসন ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইয়াসমিন বেগমের নেতৃত্বে অভ্যর্থনা কমিটি।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, কমিটিগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। পত্র পাওয়ার পর কমিটিগুলো দ্রুত সভা আহ্বান করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে।
এছাড়া উপকমিটির আহ্বায়করা তাদের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে (সমন্বয় ও সংস্কার) অবহিত করবেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নেবেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
১৭ দিন আগে
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা বরখাস্ত
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বরখাস্তের এই সিদ্ধান্ত তিনি যেদিন থেকে অনুপস্থিত ছিলেন, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ সেবা-১ অধিশাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকে বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এ বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তার জবাব সন্তোষজনক হয়নি।
পরবর্তীতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগটি চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবও সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার ৪(৩)(ঘ) বিধি অনুযায়ী ‘চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ’-এর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) প্রস্তাবিত এই গুরুদণ্ড আরোপের পক্ষে তাদের মতামত দিলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তাকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
৩৭ দিন আগে
চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন শুরু হবে ৩ মে
আগামী ৩ থেকে ৬ মে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি স্মারক সব সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্মারকে জানানো হয়,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় শাখা সোমবার (৯ মার্চ) ডিসি সম্মেলনের পূর্ব প্রস্তুতি নিতে সব সচিব এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের একান্ত সচিবদের চিঠি পাঠিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩ থেকে ৬ মে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের উদ্বোধন করতে সম্মতি দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক সম্মেম্মলন চলাকালে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবেরা বিভিন্ন অধিবেশনে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মূল্যবান উপদেশ ও দিকনির্দেশনা দেবেন।
১৭০ দিন আগে
জ্বালানির বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়ার সই করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে মূলত তেলের অবৈধ মজুদ গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি প্রতিহত করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার রোধে কড়া নজরদারির মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে গত ৮ মার্চ একটি সূত্রের মাধ্যমে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই জনস্বার্থে এবং তেলের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে মাঠ প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই নির্দেশের পর সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের তদারকিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজার মনিটরিং এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা শুরু করবেন। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, জনস্বার্থে এই কার্যক্রম দ্রুত কার্যকর করতে হবে।
১৭০ দিন আগে
খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং ৫ প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দিচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পদক দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া অন্যরা হলেন— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভূমিকার জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা বা জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
পদকপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা বা জনসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
১৭৪ দিন আগে
আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে সরকারের আটজন প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি (আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়েছে।
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. নুরুল হককে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল।
১৭৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার কে কোন দায়িত্ব পেলেন
প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচ জন উপদেষ্টার মধ্যে তিন জনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জনপ্রশাসন ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে; ডা. জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্রাটেজি; মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেহান আসিফ আসাদকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সরকার গঠন করে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
এর মাধ্যমে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ওইদিনই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
১৮৩ দিন আগে
বিগত ৩ নির্বাচন পর্যালোচনার কমিটিকে কমিশনে রুপান্তর, বাড়লো সময়
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিতর্কিত তিনটি নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়ার সুপারিশ করতে গঠিত কমিটি বাতিল করে নতুন করে একটি কমিশন গঠন করেছে সরকার। কমিশন গঠনের পর প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বাড়ানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে গত ২৬ জুন এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রজ্ঞাপনের তথ্যমতে, কমিটি ও কমিশনের সদস্যরা একই রয়েছে। কেবল নাম পরিবর্তন করে কমিশন হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়েছে, কর্মপরিধিও অপরিবর্তিত রয়েছে।
এর আগে কমিটিকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এখন কমিশনকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। এসব নির্বাচনে নানা কৌশলে জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করে সাজানো প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ দলকে বিজয়ী করার জোরালো অভিযোগ রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ‘দ্য কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬’-এর আওতায় সরকার কমিশন গঠন করেছে, যাতে বিগত তিনটি নির্বাচনে উত্থাপিত অভিযোগ পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সুপারিশ করা যায়।
হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইনকে কমিশনের সভাপতি করা হয়েছে। কমিশনের অন্য চার সদস্য হলেন— সাবেক অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-১) শামীম আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক (সুপণ), ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হোসাইন ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আব্দুল আলীম।
আরও পড়ুন: তিন শ্রেণির আরও ১৭৫৭ জুলাই যোদ্ধার গেজেট প্রকাশ
কমিশনের কার্যপরিধি
২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, নাগরিক সংগঠন ও গণমাধ্যমে উত্থাপিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা। এসব নির্বাচনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা।
রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ সীমিতকরণ ও জনগণের ভোটাধিকার খর্বে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের ভূমিকা বিশ্লেষণ। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ভূমিকা বিশ্লেষণ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকাও বিশ্লেষণ।
এ ছাড়া তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ যাচাই ও অনুসন্ধান। এরপর এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতের জন্য সুপরিকল্পিত সুপারিশ প্রদান। প্রয়োজনে যে কোনো দপ্তরের নথিপত্র তলব ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিশন দেশের যে কোনো স্থান পরিদর্শন, যে কোনো সরকারি দপ্তরের নথি তলব এবং সন্দেহভাজন যেকোনো ব্যক্তিকে তলব ও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন লজিস্টিক ও তথ্য সহায়তা দেবে।
৩৯২ দিন আগে
জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বুধবার রাষ্ট্রীয় শোক
‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, 'জুলাই শহীদ দিবস' উপলক্ষে বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
এ উপলক্ষে বুধবার বাংলাদেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
পড়ুন: ৯৬ জন বাংলাদেশিসহ ১৩১ জনকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশে বাধা
শহীদদের মাগফিরাতের জন্য বুধবার সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
কোটাবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ নিহত হন। এরইমধ্যে এই দিনটিকে সরকার ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
৪০৭ দিন আগে