ওয়ারেন্টি
গ্রামীণ সড়কের মান নিশ্চিতে ৩ বছরের ওয়ারেন্টির সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট নির্মাণকাজের গুণগত মান, স্থায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঠিকাদারদের কাছ থেকে তিন বছরের ওয়ারেন্টি হিসেবে জামানত গ্রহণের সুপারিশ করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদের স্থায়ী কমিটি।
পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে উপস্থাপনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সরকারের ১৮০ দিনে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।
দেশের বিভিন্ন স্থানে আর্সেনিকযুক্ত এলাকা চিহ্নিত করে নিরাপদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি।
এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান তদারকি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশও করা হয়।
এছাড়া কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত আচরণ ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে অনলাইনভিত্তিক হাজিরা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশি-বিদেশি অর্থায়নে গৃহীত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলোর অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও সুপারিশ করে কমিটি।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব। কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, জসীম উদ্দীন আহমেদ, শেখ ফরিদ আহমেদ, সেলিনা সুলতানা, এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও মো. রফিকুল ইসলাম খান বৈঠকে অংশ নেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব, বিভিন্ন সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
১০ বছরের ওয়ারেন্টি নিয়ে স্যামসাং এর স্পেসম্যাক্স সিরিজের রেফ্রিজারেটর
গরমকালে রেফ্রিজারেটরের ওপর অধিক চাপ পড়ে, ফলে ফ্রিজে সংরক্ষিত খাবার ঠান্ডা রাখতে ফ্রিজকে বেশি কাজ করতে হয়। এই চাপের ফলে, খাদ্যদ্রব্য ও পচনশীল খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং খাবার অপচয় হতে পারে।
গ্রাহকদের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে স্যামসাং কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ নিয়ে এসেছে স্পেসম্যাক্স সিরিজের টু-ডোর ও থ্রি-ডোর বিশিষ্ট সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটরের লাইন-আপ।
এই লাইন-আপের রেফ্রিজারেটরে রয়েছে অল-অ্যারাউন্ড কুলিং সিস্টেম। এর ব্যতিক্রমী কৌশলে ডিজাইন করা একাধিক ভেন্টের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হয়। এটি ফ্রিজের সকল জায়গা সমানভাবে ঠাণ্ডা করে। টুইন কুলিং প্লাস প্রযুক্তি নিশ্চিত করে ’১৫ দিনের সতেজতা’।
আরও পড়ুন: বিশেষ শিশুদের জন্য স্যামসাং-ফেয়ার ইলেকট্রনিকসের আর্ট ক্যাম্প
ফ্রিজ ও ফ্রিজার উভয় কম্পার্টমেন্টের জন্য এতে রয়েছে ডাবল ইভাপোরেটর এবং ডাবল কুলিং ফ্যান ফলে দুই কম্পার্টমেন্ট আলাদাভাবে ঠাণ্ডা হয় এবং ফ্রিজার থেকে ফ্রিজে গন্ধ ছড়ায় না। এছাড়া, দীর্ঘস্থায়ী স্যামসাং ডিজিটাল ইনভার্টার কম্প্রেসার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। এই কম্প্রেসার তাপমাত্রার প্রয়োজনীয়তা অনুসারে সাতটি কুলিং লেভেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর গতি সামঞ্জস্য করে এবং এটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। সার্টিফিকেশন অনুযায়ী কম্প্রেসরটি ২১ বছর চলবে এবং সাথে থাকছে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি।
গ্রাহকরা স্যামসাং আউটলেট বা ওয়েবসাইট (www.samsung.com/bd) ভিজিট করে গ্রীষ্মের উপযোগী রেফ্রিজারেটরের বিশেষ লাইন-আপ থেকে তাদের পছন্দের মডেলটি বেছে নিতে পারবেন।
আরও পড়ুন: বাজারে উন্মোচিত ‘স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২২ আল্ট্রা’
১৫৯১ দিন আগে