রোহিঙ্গা ইস্যু
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বৈশ্বিক সহযোগিতা জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংস্থাগুলোর জোরালো সহযোগিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও টেকসই রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি যেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক রাডারে সবসময় সক্রিয় থাকে এবং অন্য কোনো বৈশ্বিক রাজনৈতিক সংঘাত বা সংকটের আড়ালে চাপা পড়ে না যায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টা ও কার্যকর কূটনীতির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে দ্রুত মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশন (আইজিসিএফ) আয়োজিত ‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: ইমার্জিং চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিফ্রেমিং রেসপনসিবিলিটিজ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব রাজনীতির নেতৃস্থানীয় দেশসমূহ ও জাতিসংঘের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এ সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধান করা সম্ভব। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থাসহ (ইউএনএইচসিআর) সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই—আশ্রিত প্রায় ১.৫ মিলিয়ন (ইউএনএইচসিআরের হিসাবে ১.২ মিলিয়ন) বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে (এফডিএমএন) যেন আমরা পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারি। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তা ও নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর রাজনৈতিক ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।’
এছাড়া সংকটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ৯ বছর ধরে বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয়, খাদ্য, জমি, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় জীবনধারণের মৌলিক নিরাপত্তা দিয়ে আসছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলেও জানান তিনি।
ক্যাম্প সংলগ্ন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় নাগরিক—উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পের চারপাশে সীমান্ত বেড়া (ফেন্সিং) ও সুনিয়ন্ত্রিত যাতায়াত ব্যবস্থার মতো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সফল নেতৃত্বে এবং ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দূরদর্শী কূটনৈতিক উদ্যোগে বাংলাদেশ সফলভাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করেছিল। অতীতের সেই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আবারও শতভাগ সফল প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর্মুলেশন কমিটি অন রোহিঙ্গা অ্যাফেয়ার্স’ গঠিত হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক সমন্বয়ের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে আরেকটি উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি সক্রিয় রয়েছে। বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে সরকার একটি সর্বাত্মক ‘হোল-অব-গভর্নমেন্ট’ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা ছাড়া অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রদত্ত মানবিক সহায়তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সমাধানের তাগিদকে কমিয়ে দিতে পারে। তাই জরুরি ত্রাণ সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে দ্রুত একটি ‘ট্রানজিশনাল স্ট্র্যাটেজি’ বা রূপান্তরকালীন কৌশলে যেতে হবে, যার মূল লক্ষ্য হবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ ও ফিরে যাওয়ার উপযোগী উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, টেকসই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, জাতীয় ঐক্য ও শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামোর সমন্বয়ে বাংলাদেশ দ্রুতই রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনে সক্ষম হবে।
আইজিসিএফের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী আদনান রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে গোলটেবিল আলোচনাটি শুরু হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশাসনিক সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
গোলটেবিল আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি আইভো ফ্রেইসেন, বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শরণার্থী সেলের প্রধান ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নাজমুল আবেদীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, আইইউবির অধ্যাপক ড. কাজী মাহমুদুল রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নুরুল হুদা সাকিব, ইউল্যাবের সহকারী অধ্যাপক মিসেস অবন্তী হারুন, অ্যাকশন-এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রাহীদ এজাজসহ আরও অনেকে।
৯ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি হলেন ড. খলিলুর রহমান
রোহিঙ্গা ইস্যু ও অন্যান্য অগ্রাধিকার নির্ধারণে ড. খলিলুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের সম মর্যাদার সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
ড. রহমান ১৯৭৭ সালে প্রথম নিয়মিত বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে ১৯৭৯ সালে কূটনৈতিক জীবন শুরু করেন। একই বছর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ফরেন সার্ভিসে যোগদানের আগে আমেরিকান এক্সপ্রেস ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকে অল্প সময়ের জন্য কাজ করেন।
আরও পড়ুন: ইজতেমা: প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে সাদপন্থিদের মিছিল
তিনি ফ্লেচার স্কুল অফ ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি, টাফটস বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্ট, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও কূটনীতিতে এমএ এবং অর্থনীতিতে পিএইচডি অর্জন করেন।
তার কূটনৈতিক মেয়াদে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘে স্থায়ী মিশন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও আর্থিক কমিটির স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মুখপাত্র ছিলেন।
১৯৯১ সালে ড. রহমান জেনেভায় জাতিসংঘ সচিবালয়ে আঙ্কটাডের বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করেন। ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘ মহাসচিবের নির্বাহী কার্যালয়ের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান, এলডিসি প্রোগ্রামের প্রধান এবং বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা সম্পর্কিত জাতিসংঘের আন্তঃসংস্থা গ্রুপের সভাপতিসহ জ্যেষ্ঠ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
তিনি জাতিসংঘের প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলেন এবং ২০০১ সালের ব্রাসেলস এলডিসি সম্মেলনের জন্য কর্মসূচির খসড়া তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এলডিসি রপ্তানির জন্য শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারও প্রবর্তন করেছিলেন তিনি।
২০০১ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ড. রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আরও পড়ুন: তিতুমীর কলেজের ইস্যুটির দ্রুতই সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
জাকারিয়া পিন্টুর মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
৬৬৫ দিন আগে
রোহিঙ্গা ইস্যুতে অতিমাত্রায় গুরুত্ব আসিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে
সিঙ্গাপুরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ ইয়েও বলেছেন, বাংলাদেশ যদি অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান) সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে চায়, তাহলে রোহিঙ্গা ইস্যুকে আঞ্চলিক ব্লকের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। কারণ এখানে মিয়ানমার পূর্ণ সদস্য।
ঢাকায় এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, 'রোহিঙ্গা ইস্যুর গুরুত্বকে উপেক্ষা না করে এবং এটিকে প্রভাবশালী ইস্যুতে পরিণত হতে না দিয়ে, আসিয়ানের দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।’
সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে হোটেল রেনেসাঁয় 'বাংলাদেশ অ্যান্ড আসিয়ান ইন এ মাল্টিপোলার ওয়ার্ল্ড' শীর্ষক ডিস্টিংগুইশড স্পিকার সিরিজের অংশ হিসেবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে কসমস গ্রুপের জনকল্যাণমূলক সংস্থা কসমস ফাউন্ডেশন।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ইস্যুকে জাতিসংঘের আলোচ্যসূচির শীর্ষে রাখতে মহাসচিবের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ
জর্জ ইয়েও বলেন, এখন আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে চায় বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে একটি এজেন্ডাকে প্রাধান্য দিতে চায়।
কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিলে আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশকে তুলে ধরা সম্ভব। এক্ষেত্রে খুব বেশি অসুবিধা হবে বলেও মনে করেন না ইয়ো।
রোহিঙ্গা সংকটকে মানবিক ট্র্যাজেডি আখ্যা দিয়ে সিঙ্গাপুরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার মূল প্রবন্ধে বলেন, 'এর কোনো সহজ সমাধান নেই। কারণ এসব সমস্যার শিকড় ইতিহাসের মধ্যেই রয়েছে এবং এর সমাধানও ইতিহাসের গভীরেই থাকতে পারে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা গণহত্যা সংঘটিত হওয়ার পর আসিয়ান এর নিন্দা জানায়নি। কারণ তারা মনে করে এটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যা।
আসিয়ান তার সদস্য দেশগুলোর বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না উল্লেখ তিনি আরও বলেন, ‘আসিয়ান রাখাইন রাজ্যের মানবিক ইস্যুটিকে রাজনৈতিক ইস্যু থেকে আলাদা করার চেষ্টা করেছে।’
তিনি বলেন, আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তবে অন্যদের এরকম সহানুভূতি নেই। মিয়ানমারের সঙ্গে লাওসের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা মুখ্য ইস্যু হলেও মিয়ানমারে এটি গৌণ ইস্যু।
বাংলাদেশের উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরে বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে দেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন জর্জ ইয়ো।
আরও পড়ুন: ন্যাম সম্মেলন: রোহিঙ্গা ইস্যু মিয়ানমারের কাছে তুলবেন হাছান মাহমুদ
কসমস ফাউন্ডেশনের সভাপতি, প্রখ্যাত কূটনীতিক ও বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান।
ড. চৌধুরী বলেন, আসিয়ান ও বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা সময়োপযোগী এবং মূলত দুটি কারণে আলোচনার উপযুক্ত সময় এটি।
প্রথম কারণটি উত্থাপন করে তিনি বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ প্রক্রিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার দিকে নজর দেবে বাংলাদেশ; এর মধ্যে আসিয়ান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
অভিজ্ঞ এই কূটনীতিক বলেন, বিশেষ করে তারা আসিয়ান অর্থনৈতিক সম্প্রদায়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রশংসনীয় হিসেবে দেখছেন। ‘এটি এই অঞ্চলকে একক বাজার ও উৎপাদনের ভিত হিসেবে মনে করে। এটি এই অঞ্চলকে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে, ন্যায়সঙ্গত অর্থনৈতিক বিকাশ ঘটাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে সম্পূর্ণরূপে যুক্ত করবে।’
তিনি বলেন, আসিয়ান কানেক্টিভিটি সম্পর্কিত মহাপরিকল্পনাটিও প্রশংসনীয় লক্ষ্য। ‘তাই আঞ্চলিক সংলাপের অংশীদার হতে চাওয়া এবং সিঙ্গাপুরসহ বন্ধু দেশগুলোর সমর্থন চাওয়ায় অবাক হওয়ার কিছু নেই।’
ড. চৌধুরী বলেন, দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে আসিয়ানের সদস্য দেশ মিয়ানমারে ব্যাপক অস্থিরতা বিরাজ করছে। যেহেতু বিরোধী পক্ষগুলোর প্রধানরা বাংলাদেশকে নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে দেখছে, তাই বাংলাদেশেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার হুমকি রয়েছে।
আরও পড়ুন: খাদ্য, জ্বালানি ও রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো বিষয়ে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভের সঙ্গে আলোচনা করবে ঢাকা
৯৩৯ দিন আগে
ন্যাম সম্মেলন: রোহিঙ্গা ইস্যু মিয়ানমারের কাছে তুলবেন হাছান মাহমুদ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় আসন্ন ন্যাম সম্মেলনের ফাঁকে তিনি মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন।
তিনি বলেন, ‘দেখুন, আমরা সবসময় কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করছি। আমরা তাদের (মিয়ানমার) সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছি। আমি ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে যাচ্ছি। আমার মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমরা কূটনৈতিকভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে পারি।’
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বুধবার রাতে উগান্ডার উদ্দেশে রওনা দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: 'স্থিতিশীল, প্রগতিশীল ও সমৃদ্ধ' বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত ভারত: প্রণয় ভার্মা
কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কেসি আগামী ১৯ থেকে ২০ জানুয়ারি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন।
সোমবার প্রাথমিকভাবে শুরু হওয়া শীর্ষ সম্মেলনের জন্য বিশ্বের প্রায় ১২০টি দেশের নেতারা উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় জড়ো হয়েছেন।
বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের নেতারা সপ্তাহব্যাপী এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুগুলো সমাধান এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: হাছান মাহমুদকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন জয়শঙ্কর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকার গত বছর প্রায় এক হাজার শরণার্থী নিয়ে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন শুরু করতে চেয়েছিল।
বাংলাদেশ মিয়ানমারকে তিন হাজারের বেশি রোহিঙ্গার একটি তালিকা দিয়েছে এবং পরিবারগুলো যেন বিচ্ছিন্ন না হয় তাও নিশ্চিত করতে চেয়েছিল।
বাংলাদেশ সরকার বলছে, একদিকে এই নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা ব্যাপকভাবে হ্রাস অন্যদিকে প্রতি বছর আশ্রয় শিবিরে প্রায় ৩০ হাজার নবজাতক জন্মগ্রহণ করছে। যা এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।
নিরাপদ, স্বেচ্ছাসেবী ও টেকসই প্রত্যাবাসন শুরু করতে আরও বিলম্ব এবং মানবিক সহায়তার ঘাটতি পুরো অঞ্চলকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
এত দীর্ঘ সময় ধরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আর্থ-সামাজিক, জনতাত্ত্বিক ও পরিবেশগত ব্যয় বাংলাদেশকে সীমাবদ্ধতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের নিরাপদ ও টেকসই উপায়ে স্বদেশে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও অধিকার রয়েছে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ইইউ
৯৭৩ দিন আগে
‘বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে গুরুত্ব দেয় জাতিসংঘ’
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী (ইউএনআরসি) গুয়েন লুইস বলেছেন যে বিশ্বের অন্যান্য বড় ক্রমবর্ধণশীল সংকট সত্ত্বেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে মনোনিবেশ করে চলেছে জাতিসংঘ। একটি রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করছে।
‘এটি অবিশ্বাস্যভাবে চ্যালেঞ্জিং। সেখানে নজর রয়েছে।‘ তিনি বলেন, তারা মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য কাজ করছে। বর্তমানে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।
বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ ও সরকারের ওপর সিদ্ধান্ত নির্ভর করে।
তিনি বলেন, আয়োজক দেশ থেকে কোনও সুনির্দিষ্ট অনুরোধ থাকলেই জাতিসংঘ কাজ করবে।
আরও পড়ুন: ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ডিক্যাবের শ্রদ্ধা
ইউএনআরসি বলেছে যে সহিংসতা ‘একেবারে উদ্বেগের বিষয়’ এবং তারা জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলছে।
মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিক্যাব সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস ও সাধারণ সম্পাদক একেএম মঈনুদ্দিন।
আরও পড়ুন: ডিক্যাবের নতুন সভাপতি লোটাস, সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দিন
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করবে জাতিসংঘ ও এডিবি: পরিবেশমন্ত্রী
১৪০৭ দিন আগে
রোহিঙ্গা ইস্যুতে আশার বাণী শুনালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহে প্রকাশকে বাংলাদেশ আশার আলো দেখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, কিছু রোহিঙ্গাকে যুক্তরাষ্ট্র আশ্রয় দিতে চায়। তাছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন ইস্যুটি নিয়ে জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে উত্থাপন করা হয়েছিল। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সাড়া দিয়েছে।
শুক্রবার রাতে সিলেট জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বন্যা পরবর্তী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিতের লক্ষ্যে সিলেট সার্কিট হাউসে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত-বিনিময় সভা শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বার্মিজ সেনাদের নৃশংসতা মানবতার বিরোধী এবং গণহত্যার পর্যায়ে পড়ে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. মোমেন বলেন, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রকে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের ব্যাপারে আমরা অনুরোধ জানিয়েছিলাম। তারা এতদিন এই ব্যাপারে কিছু না বললেও সম্প্রতি আমরা তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। এটি আমাদের জন্য একটি ভালো খবর।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. মোশাররফ হোসেন, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান।
আরও পড়ুন: বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার সিলেটের উপ পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আনোয়ার সাদাত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অবস) শাহরিয়ারসহ সিলেটের সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১৪৮০ দিন আগে
রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন দেবে: মিয়া সেপ্পো
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো মঙ্গলবার বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে বিদায়ী সাক্ষাতকালে এ কথা বলেন মিয়া সেপ্পো।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
শেখ হাসিনা মিয়া সেপ্পোকে বলেন, মানবিক কারণে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। তাদের উচিত নিজ দেশে ফিরে যাওয়া।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ চাইলে জাতিসংঘ নির্বাচনী সহায়তা দেবে: মিয়া সেপ্পো
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যদি ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা এখানে বসবাস করতে থাকে তবে এটি বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা তৈরি করবে। তিনি আরও বলেন,যে এনজিওগুলো বাংলাদেশে তাদের জন্য কাজ করছে সেসব এনজিওগুলো রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের দেশে কাজ করতে পারে।
বৈঠকে তারা জলবায়ু পরিবর্তন ও নারীর ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সরকারি চাকরির প্রতিটি ক্ষেত্রে এমনকি সামাজিক রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
মিয়া সেপ্পো বাংলাদেশে অবস্থান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই সরকারের সাথে তার খুব ভালো সহযোগিতা রয়েছে।
বৈঠকে অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন ও মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সহিংসতা সীমান্তের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে: প্রধানমন্ত্রী
১৭৫০ দিন আগে
তাসখন্দের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রাধান্য পাবে রোহিঙ্গা ইস্যু
আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া: সংযুক্তির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জবিষয়ক’ সম্মেলনে অংশ নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বুধবার উজবেকিস্তানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।
সফরে ড. মোমেন উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিইয়োইয়েভের সাথে বৈঠক করবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানাবো।’
সম্মেলনের ফাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে বৈঠক করবেন।
আরও পড়ুন: টিকা নিয়ে ফেসবুকে ‘সুখবর’ দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তাসখন্দে রোহিঙ্গা ইস্যু, টিকা সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রাধান্য পাবে বলে ড. মোমেন জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।’
মন্ত্রী বলেন, ‘চীন বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে সিনোফার্মের আরও ১০ লাখ ডোজ দেবে এ বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠককালে ভ্যাকসিন বিষয়ে আলোচনা হবে। এটি ভালো সংবাদ।’
ড. মোমেন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা-তাসখন্দ সরাসরি বিমান চলাচলের জন্য উজবেকিস্তানের বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করবেন।
আরও পড়ুন: চলতি মাসে কোভ্যাক্সের ৩৫ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ আরও টিকা পাওয়ার ইঙ্গিত পেয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সংযুক্তির মাধ্যমে ঐতিহাসিক সম্পর্ক জোরদারের জন্য উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিইয়োইয়েভের দু'দিনের এই সম্মেলনের আয়োজন করছেন।
আগামী সোমবার (১৯ জুলাই) পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।
১৮৮৯ দিন আগে
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে না সৌদি আরব: শাহরিয়ার
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম বুধবার বলেছেন, সৌদি আরবে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর কথা দেশটির সরকার বলেনি।
২০১৫ দিন আগে
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বড় দেশগুলোর সিদ্ধান্ত কৌশলগত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন রবিবার বলেছেন, রোহিঙ্গা বিষয়ে জাতিসংঘের রেজুলেশনে যেসব দেশ ভোট দিয়েছে এবং যারা এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তাদের প্রতি কোনো অসন্তুষ্টি নেই। এটি দেশগুলোর কৌশলগত সিদ্ধান্ত।
২০৮১ দিন আগে