শিশু মৃত্যু
মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ৩২ শিশুর মৃত্যু হলো।
এছাড়া এই সময়ে নতুন করে আরও ২৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ১০২ শিশু। আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যা সংকট থাকায় রোগীরা হাসপাতালের মেঝেতে ও বারান্দায় স্থান নিয়েছে।
হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
ডা. গোলাম মাওলা জানান, গত ৫ মে গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মে রাতে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত জটিলতায় শিশুটি মারা যায়।
তিনি আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১ হাজার ৩১৭টি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৮৩টি শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং ৩২টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
তিনি বলেন, সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। তবে হাসপাতালে ৩ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
এ বিষয়ে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সব রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি । তবে বর্তমানে বাবল সিপ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৩ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে।
বুধবার (১৩ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মারা যাওয়া শিশুরা হলো— সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ২ বছর ৩ মাস বয়সী হাফিজা আক্তার, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ১ বছর ৪ মাস বয়সী রাইসা জান্নাত এবং ছাতকের ৮ মাস বয়সী আরিয়া জান্নাত। এদের মধ্যে দুজন এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অপরজন ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় জানিয়েছে, গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৮টা থেকে আজ (বুধবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সিলেট বিভাগের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২১৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি আছে ১১০ জন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে ৫০ জন। এছাড়া সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালেও হামে আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে।
কেবল গত ২৪ ঘণ্টায় শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ২৬ জন রোগী।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৭ জনে।
হাম রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এমএ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গত ১১ মে থেকে ৩২ শয্যার বিশিষ্ট ‘হাম আইসোলেশন ইউনিট’ চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে ৫ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)। সবমিলিয়ে বর্তমানে সিলেটে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২টিতে।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর মুনীর রাশেদ বলেন, ‘হামের প্রকোপ বাড়তে থাকায় হাসপাতালে রোগীদের স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। এজন্য শিশু ওয়ার্ডে বিশেষ হাম আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়েছে এবং আইসিইউ সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে।’
এদিকে, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ২৭টি শিশু।
৪ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫২৪
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫২৪টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৭৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৭টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩৩৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২৮৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৩৮। এই সময়ে ১ হাজার ২৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৫ হাজার ৪৯৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ২০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩১ হাজার ৯১২ রোগী, যাদের মধ্যে ২৮ হাজার ২৩৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১০ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৪৫
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৪৫টি শিশু।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৬৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩১৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২৫৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৬। এই সময়ে ৯৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২১৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪২ হাজার ৯৭৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৭২৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২৯ হাজার ৮৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ২৬ হাজার ৩৬৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১২ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক দিনে সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৪৫৬টি শিশু।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৫৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩১১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৫৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩০২। এই সময়ে ১ হাজার ২৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৬১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৪৬৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২৮ হাজার ৮৪২ রোগী, যাদের মধ্যে ২৫ হাজার ১৫১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৩ দিন আগে
হাম: আরও ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩৫
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩৫টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২২৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ২৭৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫১। এই সময়ে ৮৪৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৩৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ১৩১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ২৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২৫ হাজার ১৫৮ রোগী, যাদের মধ্যে ২১ হাজার ৭৫৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৭ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৪৮
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৪৮টি শিশু।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২২০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ২৬৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৫৮। এই সময়ে ১ হাজার ৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৬৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৮৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৬৯৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২২ হাজার ৪৪২ রোগী, যাদের মধ্যে ১৯ হাজার ১৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২০ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ঢাকাতেই ৫
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কেবল ঢাকা বিভাগেই মৃত্যু হয়েছে ৫টি শিশুর। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৬৪টি শিশু।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২১৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ২৫৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৪৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪২১। এই সময়ে ৯৫৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৩২ হাজার ২৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৬০৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২১ হাজার ৪৩৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১৭ হাজার ৯৫৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৮৭
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮৭টি শিশু।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২০৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ২৫১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২২৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৫৮। এই সময়ে ৭৭০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৫৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৬০৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৪৬০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২০ হাজার ৪৭৫ রোগী, যাদের মধ্যে ১৭ হাজার ৮১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২২ দিন আগে
নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
নড়াইলের কালিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে শাকিব শেখ (৫) ও মানিক ইসলাম (৪) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাতে উপজেলার খাশিয়াল ইউনিয়নের উত্তর খাশিয়াল গ্রামের পুকুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো ভাই।
স্থানীয় খাশিয়াল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম বরকত উল্লাহ দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশু শাকিব উত্তর খাশিয়াল গ্রামের জাকাত শেখের ছেলে এবং মানিক তার ভাগ্নে। মানিকের বাবার নাম আরিফুল ইসলাম। তার বাবার বাড়ি বরিশালে হলেও সে তার মায়ের সঙ্গে মামাবাড়ি উত্তর খাশিয়াল গ্রামে বসবাস করত।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য দিনের মত শনিবার বিকালে বাড়ির আঙিনায় একসঙ্গে খেলা করছিল শাকিব ও মানিক। এ সময় পরিবারের লোকজন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। খেলতে খেলতে কোনো একসময় বাড়ির পাশে থাকা একটি ছোট পুকুরে পড়ে যায় তারা। সন্ধ্যা হলে বাড়ির লোকজন তাদের দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
আরও পড়ুন: মাগুরায় পানিতে ডুবে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু
একপর্যায়ে ওই পুকুরে একজনের লাশ ভাসতে দেখা যায়। পরে খোঁজ করে পুকুর থেকে আরেকজনের লাশও উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন।
এ বিষয়ে নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘দুই শিশু বাড়ির আঙ্গিনায় খেলা করছিল। পরিবারের সদস্যদের চোখের আড়ালে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে লাশদুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৩০৮ দিন আগে