আগুন
খুলনায় আ.লীগ কার্যালয়ে বিকেলে মাল্যদান, রাতে আগুন
খুলনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবিতে পুষ্পমাল্যদান ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার জেরে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা আ.লীগ কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নগরীর শঙ্খ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাটির একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিন বিকেলের দিকে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন নিষিদ্ধঘোষিত দলটির নেতা-কর্মীরা। এ সময় কার্যালয়ে তারা জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করেন। পরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।
এদিকে, আ.লীগের নেতা-কর্মীদের তৎপরতার প্রতিবাদে রবিবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ছাত্র খুলনার ওই কার্যালয়ে গিয়ে ভাঙচুর করেন। এছাড়া কার্যালয়ের কাঠের দরজা ও কাগজপত্রে আগুন জ্বালিয়ে দেন তারা। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে আগুন নেভান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আ.লীগের এক কর্মী বলেন, দলীয় নির্দেশনা নয়, তৃণমূলের কর্মীদের উদ্যোগেই রবিবার বিকেল ৪টার দিকে আমরা কার্যালয়ে গিয়েছি। আমরা কোনো আলাদা আয়োজন করে কার্যালয়ে যাইনি। দেখলাম আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছবিতে পুষ্পমালা দেওয়া হয়েছে, তাই খুলনাতেও আমরা দিয়েছি। কার্যালয় তালা মারা ছিল, সেটা ভেঙে ওপরে উঠে জাতীয় পতাকা টাঙিয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবিতে মালা দিয়েছি। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে নিচে নেমে কার্যালয়ে নতুন একটা তালা লাগিয়ে চলে আসি, যাতে পরে আমরা ঢুকতে পারি। কেউ আমাদের বাধা দেয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, রবিবার বিকেলে আ.লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে। এরপর তারা শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনার ছবিতে পুষ্পমালা দিয়ে অফিস ত্যাগ করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে কয়েকজন ছাত্র ওই কার্যালয়ে গিয়ে অগ্নিসংযোগ করে।
খুলনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি বিকেলের দিকে কয়েকজন ব্যক্তি খুলেছিল। এটি আমরা জানতে পেরে আশপাশের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করছি। তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বিকেলের ওই ঘটনার পর রাতে কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ছাত্র কার্যালয়ে এসে আগ্নিসংযোগ করে। টাঙানো দুটি ছবি ভেঙে ফেলে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন
চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ফের আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে চাঁদপুর আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভবনের তৃতীয় তলায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
আগুনের খবর শুনে অনেক মানুষ ভিড় করে। একপাশে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অন্যপাশে মানুষ থাকায় ওই সড়কে প্রায় ৩০/৪০ মিনিট যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টার দিকে হঠাৎ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ওপরে কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল। পরে তৃতীয় তলায় গিয়ে দেখা যায় আগুন জ্বলছে। আগুনের প্রচণ্ড তাপে কাছে যাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ৫ আগস্টের ঠিক আগে ও পরে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছিল। এতে অফিসের সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এখন কে বা কারা এ অগ্নিসংযোগ করেছে তা জানা যায়নি।
চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহাম্মদ ।
চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসেরর সহকারি উপপরিচালক সৈয়দ মোরশেদ আলম জানান, আগুনের খবর শুনে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। আগুন নিয়ন্ত্রনণ আনা হয়েছে। তবে কীভাবে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনও বলা যাচ্ছে না।
২ দিন আগে
যশোরে পার্কিং করা বাসে আগুন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ
যশোর শহরের বাহাদুরপুরের নিমতলা এলাকায় পার্কিং করা একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, আগুনে বাসটি পুড়ে গেছে এবং ভেতরে থাকা অধিকাংশ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সেটির পাশের আরেকটি বাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বাসটির মালিক আবু বক্কর সিদ্দিকি বেলাল।
বেলাল জানান, আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ভোটের সময় বাসটি দলীয় বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি বাসটির ভেতরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা রুহুল হোসেনসহ অন্য নেতা-কর্মীরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও জামায়াত সমর্থকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ অগ্নিসংযোগ করেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কেউ পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে, নাকি সিগারেট বা মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
২ দিন আগে
পটুয়াখালীর একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তবে কে বা কারা আগুন লাগায় তা জানা যায়নি।
আগুন দেখে স্থানীয়রা তা নেভানোর চেষ্টা করে। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় রাত সোয়া ৯টার দিকে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বিদ্যালয় কক্ষের বেঞ্চ ও টিনের বেড়া পুড়ে গেছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক জানান, কে বা কারা আগুন লাগিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। নিচের একটি রুমে টাঢার জ্বালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থলে এসেছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
৫ দিন আগে
গাজীপুরে ভয়াবহ আগুনে ৩৬ বসতঘর ভস্মীভূত
গাজীপুরের শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে একটি কলোনির ৩৬টি বসতঘর পুড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর মুহূর্তেই তা আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনে নগদ টাকা, টেলিভিশন, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভাড়াটিয়াদের সব মালামাল পুড়ে যায়। খবর পেয়ে মাওনা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের বেশিরভাগই নিম্ন আয়ের পোশাক শ্রমিক। ঘটনার সময় তারা কর্মস্থলে থাকায় ঘর থেকে কোনো কিছুই বের করতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনায় প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. নুরুল করিম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।
১১ দিন আগে
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, পুড়ে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিসহ শত শত ঘর
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ভোরে সংঘটিত এই আগুনে শত শত ঘর (শেল্টার) ছাড়াও বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর ৪টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকায় অবস্থিত ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ আনিছ রাত পৌনে ৩টার দিকে গ্যাসের চুলায় পানি গরম করতে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এতে চুলা থেকে আগুন ধরে দ্রুত পাশের ঘনবসতিপূর্ণ শেল্টারগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নেন। দীর্ঘ পৌনে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-ব্লকের হেড মাঝি মোহাম্মদ রিয়াজ জানান, আগুনে ৪৪৮টি ঘর, ২টি মসজিদ, ১০টি স্কুল ও ১টি মাদ্রাসা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আগুন অন্য ব্লকে ছড়াতে পারেনি।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। পাশাপাশি জরুরি মানবিক সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অগ্নিকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এর আগে, গত ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর ক্যাম্পে একটি হাসপাতাল এবং ২৫ ডিসেম্বর কুতুপালং ক্যাম্পে আগুনে বেশ কিছু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২৭ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে আগুন, পুড়ে গেছে ৬টি বসতঘর
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কাছমালদা গ্রামে আগুনে ৬টি বসতঘর পুড়ে গেছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, সকালে আগুন লাগার খবর পেয়ে টঙ্গীবাড়ি ও সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরও জানান, আগুনে ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র পুড়ে ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত করে বলা যাবে।
আগুন লাগার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত অভিযানে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
৩৬ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে চুল্লি বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৭ জন
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার আকিজ কোম্পানির একটি সিমেন্ট কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে ৭ জন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দগ্ধ শ্রমিকদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন- ফেরদৌস (৩৮), রাকিব (২৫), মঞ্জু (২৮), তারেক (২১), বাবুল (৩০), খোরশেদ (২৮) ও হাবিব ( ৩৫)।
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গতকাল (শনিবার) রাত ১০টায় নারায়ণগঞ্জ থেকে দগ্ধ অবস্থায় ৭ জনকে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে হাবিবের শরীরের ১৪ শতাংশ, খোরশেদের শরীরের ১২ শতাংশ , রাকিবের ১০ শতাংশ, মঞ্জুরের ৭ শতাংশ, তারেকের ৪ শতাংশ, ফেরদৌসের ২ শতাংশ এবং বাবুলের শরীরের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি থাকায় তিনজনকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ড. শাওন আরও জানান, আমরা দগ্ধদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি নারায়ণগঞ্জে আকিজ সিমেন্ট কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে তারা দগ্ধ হয়েছেন।
৩৬ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে স মিলে অগ্নিকাণ্ড
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার এলাকায় একটি স মিলে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুনে মিলের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও কাঠসহ অন্যান্য মালামাল পুড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে পঞ্চসার এলাকার জিসান স মিলে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুন লাগার সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
৪৯ দিন আগে
কক্সবাজারে নোঙর করা সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে আগুন, নিহত ১
কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনগামী একটি জাহাজে আগুন লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডে জাহাজের এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন।
যাত্রী তোলার জন্য কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে নোঙর করা দ্য আটলান্টিক ক্রজ নামের জাহাজে শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন লাগে।
নিহত নূর কামাল (২৫) টেকনাফের বাসিন্দা ও জাহাজটির স্টাফ ছিলেন। তিনি জাহাজে ঘুমন্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বাঁকখালী নদীতে ‘দ্য আটলান্টিক ক্রুজ’ নামের জাহাজটিতে আগুন লাগে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মোরশেদ বলেন, ‘সকাল ৭টার দিকে আমরা খবর পেয়ে এখানে আসি। তিনটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।’
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা তাসনিম বলেন, নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটিতে আগুন লাগে। সেটি তখন সেন্টমার্টিন যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে জাহাজে কোনো পর্যটক ছিল না।
সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, ওই জাহাজে করে সেন্টমার্টিন যাওয়ার কথা থাকা ছিল প্রায় ১৮০ জন যাত্রীর। তারা বোর্ডিং শুরুর আগেই আগুনের সূত্রপাত হয়। যাত্রীদের নিরাপদে অন্যান্য জাহাজে স্থানান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম বলেন, আগুনের সূত্রপাত জানতে কাজ চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
৫১ দিন আগে