ক্রসফায়ার
আইনি কাঠামোর বাইরে পদক্ষেপ বা ক্রসফায়ারের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আইনের কাঠামোর বাইরে কোনো পদক্ষেপ বা ‘ক্রসফায়ার’-এর সুযোগ নেই।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
খুলনা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে খুলনা জেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইনের কাঠামোর বাইরে কোনো পদক্ষেপ বা ক্রসফায়ারের সুযোগ নেই। সন্ত্রাস দমনের জন্য ক্রসফায়ারের কোনো প্রয়োজন নেই এবং প্রচলিত আইনই এর জন্য যথেষ্ট।’
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে এবং বিচারপ্রার্থী জনগণ যেন দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা পান, সেদিকে প্রশাসনকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’
সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা খুলনা জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত বর্তমান চিত্র মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।
খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ ও সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল, আমির এজাজ খান, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী, খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি।
খুলনা বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল ৯টায় খুলনা জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার সব পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন আইনমন্ত্রী। এ সময় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করে আদালতে মামলা জট কমানোর জন্য বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভায় জেলা ও দায়রা জজ চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজীসহ অন্য বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন।
২১ দিন আগে
ক্রসফায়ার ও গুম-খুনের অভিযোগ নিয়ে ট্রাইব্যুনালে বিএনপি
গেল সতেরো বছরে দুই হাজার ২৭৬ জন নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ার ও ১৫৩ জনকে গুম-খুনের অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দাখিল করেছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় আলাদা দুটি অভিযোগ জমা দেন দলটির মামলা সংগ্রহ তথ্য সেলের সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন খান।
এতে বলা হয়, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে দুই হাজার ২৭৬ জন নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। আর গুম-খুনের শিকার হয়েছেন ১৫৩ জন।
এই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মাইকেল চাকমার অভিযোগ
সালাহউদ্দিন জানান, আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপিকে নির্মূল করতে দলটির নেতাকর্মীদের ক্রসফায়ার করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপির সাবেক নেতা ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ ১৫৩ জনকে গুম করা হয়ছে। সেই ঘটনায় আলাদা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এই অপকর্মে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যারা জড়িত ছিল, তাদের নামও এখানে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬৩৫ দিন আগে
একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যার অভিযোগে ওসি প্রদীপসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
টেকনাফের একই পরিবারের দুই ভাই ও ভাগিনাকে হত্যার অভিযোগে ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
২২২৬ দিন আগে
‘ক্রসফায়ারের ভয়’: চট্টগ্রামে পুলিশের ৮ সদস্যসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি এবং ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আট সদস্যসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
২২৩৮ দিন আগে
সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনা ‘ক্রসফায়ার’ সংস্কৃতির উদাহরণ মাত্র: টিআইবি
কক্সবাজারে সম্প্রতি পুলিশের গুলিতে একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনাকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই, বরং তা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংস্কৃতিকে স্বাভাবিকতায় রূপান্তরের একটি উদাহরণ মাত্র বলে মনে করে টিআইবি।
২২৫২ দিন আগে
ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়: ডিবির ৭ সদস্য বরখাস্ত
ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ঢাকা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাত সদস্যকে বৃহস্পতিবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
২৪৩৯ দিন আগে
‘ক্রসফায়ারের’ হুমকি, লক্ষ্মীপুরে ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
চাঁদাবাজি, অপহরণ অভিযোগে লক্ষ্মীপুর সদর থানার তিন পুলিশ কর্মকর্তা ও এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্রস ফায়ারে ভুক্তভোগীকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছেও বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
২৪৪২ দিন আগে