আটক
‘ছাগলে গাছের পাতা খাওয়ায়’ বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ১
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ছাগলের সজনে গাছের পাতা খাওয়াকে কেন্দ্র করে মাহাবুল হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নর সাহাপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাহাবুল হোসেন ওই এলাকার মৃত আজিজুল প্রামাণিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে মাহাবুল হোসেনের একটি ছাগল প্রতিবেশী বাশার মুন্সি ও তার বড় ভাই তসলিম মুন্সির সজনে গাছের পাতা খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন তারা।
এ সময় বাশার ও তসলিম মুন্সি গাছের ডাল দিয়ে বানানো লাঠি দিয়ে মাহাবুল হোসেনের ঘাড়, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। পরে তার স্বজনরা ও স্থানীয় লোকজন তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত বাশার মুন্সিকে আটক করেছে। অপর আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
৫ দিন আগে
শেরপুরে পৃথক ধর্ষণের অভিযোগ: যুবককে পিটুনি, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর গর্ভপাতের ঘটনায় আটক ১
শেরপুর শহরে গৃহবধু ও পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
সজবরখিলা এলাকার ঘটনায় গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে এনামুল হোসেন নামে এক যুবককে স্থানীয় আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা।
অপরদিকে, শহরের ঢাকলহাটি মহল্লায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় গর্ভপাতের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। ওই ঘটনায় মুল অভিযুক্তকে আটক করতে না পারলেও মামলার অপর আসামি সুন্নত আলী সন্তু (৬০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) শহরের সজবরখিলা ও ঢাকলহাটি এলাকায় এ ঘটনা দুটি ঘটে। ধর্ষণের এসব ঘটনায় শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (শনিবার) রাত ১০টার দিকে শহরের সজবরখিলা এলাকার মোবারক মিয়ার ছেলে এনামুল হোসেনকে স্থানীয় জনতা এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক করে পিটুনি দেয়। সংবাদ পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে এনামুলকে হেফাজতে নেয়। পরে তার শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভও করে এলাকাবাসী।
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ স্বামীর সঙ্গে এনামুলের বাসায় গত ৫ মাস ধরে ভাড়া রয়েছেন। বেশ কিছুদিন ধরে এনামুল ওই গৃহবধূকে মেসেঞ্জারে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি তিনি তার স্বামীকে জানালে পরিবার ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে এনামুলকে সতর্কও করা হয়। এরপর থেকেই এনামুল ওই গৃহবধুর প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এর জেরেই গতকাল দুপুরে বাড়িতে ওই গৃহবধূর স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে এনামুল ঘরে প্রবেশ করে মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি গৃহবধু তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের জানান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এনামুলকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দেয়।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার বলেছেন, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অভিযুক্তকে থানায় নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, জনতার কাছ থেকে এনামুলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, শহরের ঢাকলহাটি মহল্লায় পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় গর্ভপাতের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল (শনিবার) নির্যাতনের শিকার ওই শিশুর পরিবার বাদী হয়ে স্থানীয় যুবক কাউছার ওরফে কায়েস (২৪), সুন্নত আলী সন্তুসহ (৬০) আরও কয়েকজনের নামে সদর থানায় মামলা করেছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, শিশুটিকে বিভিন্ন সময় স্থানীয় কাউছার মিয়া ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন। একাধিকবার এমন নিপীড়নে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে শিশুটি। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক গঠনে পরিবর্তন এলে কাউসার মিয়া অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় তার গর্ভপাত করান। এ সময় শিশুটির ব্যাপক রক্তক্ষরণ হলে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এদিকে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে একটি মহল চাপ প্রয়োগ করে। পরে গত শুক্রবার শিশুটির মা আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করান।
ভুক্তভোগী শিশুর মা বলেন, আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে, এরপর গর্ভপাত করানোর ফলে মেয়ের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। এখন আমার মেয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধীর শাস্তি চাই।
শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তাহেরাতুল আশরাফী বলেন, ১২ বছরের একটি কন্যাশিশু স্ত্রীরোগ-সংক্রান্ত জটিলতায় গাইনি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। শিশুটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এবং চিকিৎসা চলছে। যেহেতু এটি পুলিশ কেস, সে কারণে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, শেরপুর পৌর শহরের একটি মহল্লায় শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে গতকাল বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক তাকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।
৬ দিন আগে
সিলেটে দেড় বছরের কন্যাশিশুকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগে মা আটক
সিলেটে দেড় বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুবিনা বেগমকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২২ মে) ভোরে সদর উপজেলার জালালাবাদ থানাধীন কালারুকা এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম মাইমুনা জান্নাত তোহা। তার বাবার নাম আমির আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ (শুক্রবার) ভোরে শিশুটির বাবা ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা দা দিয়ে নিজের মেয়েকে গলাকেটে হত্যা করেন মা সুবিনা বেগম। নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে শিশুটির বাবা আমির আলী ঘরে ঢুকে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান।
পরে খবর পেয়ে জালালাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। একইসঙ্গে অভিযুক্ত মাকেও আটক করে পুলিশ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (উত্তর) সাইফুল ইসলাম বলেন, সুবিনা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি। তিনি স্বাভাবিক হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তখন জানা যাবে, এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত আছে কি না।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এ ঘটনায় আটক সুবিনার বিরুদ্ধে তার স্বামী বাদী হয়ে মামলা করলে তা হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করবে পুলিশ।
শিশুটির বাবা আমীর আলী জানান, ‘ফজরের আজানের সময় শিশু তোহা ঘুম থেকে উঠলে তিনি তার স্ত্রীকে উঠে নামাজ পড়তে বলে মসজিদে যান। নামাজ শেষে তার ছোট ছেলে গিয়ে তাকে তোহার গলা কেটে ফেলার খবর জানায়। তিনি আসার আগে প্রতিবেশীদের জড়ো করে তাদের বড় ছেলে।
আমীর আলী আরও বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল হাবিব জানান, সুবিনা বেগম মানসিক রোগে আক্রান্ত বলে দাবি করেন তার পরিবারের সদস্যরা। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৭ দিন আগে
মাদরাসা সুপারের ছেলের জন্য পরীক্ষা দিতে গিয়ে র্যাবের জালে তিন শিক্ষক
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চুয়ামল্লিকপাড়া রেজওয়ানুল উলুম দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রে তখন চলছে এসএসসি (দাখিল) স্তরের জীববিজ্ঞান পরীক্ষা। হলের ভেতরে পরীক্ষার্থীরা যখন প্রশ্নের উত্তর মেলাতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই হলের বাইরে চলছিল এক অবিশ্বাস্য ও অভিনব জালিয়াতির উৎসব। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। খোদ শিক্ষকদের দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানোর এই সাজানো নাটকটি মাঝপথেই ভেঙে দেয় র্যাবের একটি দল।
বুধবার (২০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যখন তারা বাইরে বসে খাতা লিখছিলেন, তখনই হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলে র্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল।
গল্পের মূল চরিত্র মো. নাসিরুল্লাহ (১৬)। সে মহিষকুন্ডি মুসলিম নগর দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী। তবে তার আরও একটি পরিচয় রয়েছে, সে ওই মাদরাসারই সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল ওহাব বিশ্বাসের ছেলে।
বাবার ক্ষমতার দাপট আর অবৈধ অর্থের জোরে পরীক্ষায় পাসের এক অদ্ভুত ছক কষা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নাসিরুল্লাহর জীববিজ্ঞান পরীক্ষার খাতা হলের ভেতরে নয়, বরং কেন্দ্রের বাইরে বসে লিখে দিচ্ছিলেন তিন শিক্ষক।
আটক হওয়া শিক্ষকরা হলেন— মো. বজলুর রহমান (৪৮), মো. নুরুল ইসলাম (৪৫) এবং মোছা. মাতোয়ারা খাতুন মায়া (৪০)। এই তিন শিক্ষকের কেউই ওই কেন্দ্রের অফিশিয়াল ডিউটিতে ছিলেন না। তারা কেবল তাদের সুপারের ছেলের খাতা লিখে দিতেই অবৈধভাবে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই অর্থের বিনিময়ে তারা এমন অনৈতিক কাজ করে আসছিলেন বলে জানা গেছে।
শিক্ষকদের এই ‘কীর্তি’ফাঁসের পর পরীক্ষা কেন্দ্র ও এর আশেপাশে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রভাবশালীদের একটি মহল তড়িঘড়ি করে এসে অভিযুক্ত শিক্ষকদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাস।
তদন্তে নেমে বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাস জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও বাইরে থেকে খাতায় লিখে এনে জমা দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়ম এখানে ঘটেছে। বুধবারে র্যাবের হাতে তিন শিক্ষক আটক হওয়ার বিষয়টি সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নাসিরুল্লাহকে বহিষ্কার করা হয়। তবে শিক্ষকরা কেন্দ্রের বাইরে আটক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া না গেলেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এদিকে, আটকের পর ওই তিন শিক্ষক নিজেদের বাঁচাতে সব দোষ চাপিয়েছেন মাদরাসা সুপারের ঘাড়ে। তাদের দাবি, তারা স্বেচ্ছায় এই জালিয়াতি করেননি; মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল ওহাব বিশ্বাস তার ছেলের জন্য এই কাজ করতে তাদের বাধ্য করেছিলেন।
নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষকদের জালিয়াতিতে বাধ্য করা এবং ছেলের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া সেই ‘সুপার’ বাবা এখন পলাতক রয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
বর্তমানে আটক তিন শিক্ষক র্যাবের হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
৮ দিন আগে
রংপুরে নারীকে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, আটক ৪
রংপুর নগরীর ধাপ কটকিপাড়া এলাকায় কর্মজীবী এক নারীকে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে জমি বিক্রির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ। এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন— মিনহাজ আহমেদ (২৮), মহিম হাসান (২৫), শাহরিয়ার সরকার (২৮) ও আব্দুল মজিদ (২০)। তাদের সবার বাড়ি নগরীর ধাপ কটকিপাড়া এলাকায়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ওই নারী নগরীর একটি কারুপণ্য প্রতিষ্ঠানের আলমনগর কারখানায় কর্মরত। সম্প্রতি তিনি তিন লাখ ৬০ হাজার টাকায় একটি জমি বিক্রি করেছেন। গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে সেই টাকা ব্যাংকে জমা রেখে তিনি তার ধাপ কটকিপাড়ার ভাড়া বাসায় ফেরেন।
রাত ৮টার পর স্থানীয় কয়েকজন যুবক জোরপূর্বক তার বাসায় প্রবেশ করে ঘরে মাদক আছে এমন দাবি করে তল্লাশি চালান। একপর্যায়ে তারা বিছানার তোষকের নিচে ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন। এরপর তারা বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হলে ওই নারীকে মারধর করেন তারা। পাশাপাশি তার ব্যাংকের চেক বইয়ের পাতাও নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জমি বিক্রির টাকার সন্ধানে তারা ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তছনছ করে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বাড়ির মালিক গোপনে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ও ধাপ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তদন্তে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা-সদৃশ বস্তুগুলো ভুয়া বলে প্রতীয়মান হয়। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ।
এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ বলেন, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে, মাদক দিয়ে ফাঁসানোর নাটক সাজিয়ে কিংবা প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানি করার বিরুদ্ধে আরএমপি সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নগরবাসীকে যেকোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৯ দিন আগে
পটুয়াখালীতে হানি ট্র্যাপে ব্ল্যাকমেইল, আটক ৩
হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে এক ঔষধ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বাউফল উপজেলার বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আজাহার খান, কবির হোসেন ও যুবলীগ নেতা রাসেল তালুকদারসহ তিনজনকে আটক করেছে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ।
বুধবার (১৩ মে) রাতে পটুয়াখালী শহরের বনানী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে এক ঔষধ ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইল করে তার কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা আদায় করেন। পরবর্তীতে আরও টাকা দাবি করলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে হানি ট্র্যাপ চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হানি ট্র্যাপ-সংক্রান্ত বিভিন্ন আলামত ও তথ্য-প্রমাণ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিরা একজন চাকরিজীবীর কাছ থেকেও বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৫ দিন আগে
ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’
নিজের আপন ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে এক অভিনব ও লোমহর্ষক ‘ছিনতাই নাটক’ সাজিয়েছিলেন ভাতিজা লিটন শেখ। তবে সিসিটিভি ফুটেজ আর প্রযুক্তির দক্ষতায় পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন সেই ভাতিজাসহ ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাই হওয়া পুরো ৬ লাখ টাকা। এই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, গতকাল (সোমবার) দুপুরে মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের সেলিনা বেগম চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের জনতা ব্যাংক থেকে ৬ লাখ টাকা উত্তোলন করে আপন ভাতিজা লিটন শেখের মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে দত্তনগর ফার্ম-সংলগ্ন মথুরা বীজ উৎপাদন খামারের সামনে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ছিনতাইকারীরা চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে টাকার ব্যাগটি হ্যাঁচকা টান দিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে সেলিনা বেগম আহত হন।
ওসির ভাষ্যমতে, ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী নারী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মহেশপুর থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করে। এর সূত্র ধরেই একে একে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
পুলিশ সোমবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে। আটকরা হলেন— ভুক্তভোগী সেলিনা বেগমের আপন ভাতিজা এবং ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী লিটন শেখ (৪০), জলিলপুর গ্রামের আমিনুর রহমান খান (২৪) ও একই গ্রামের মোস্তফা জামান ওরফে বরকত বিশ্বাস (৪৭)। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত শাওন বদ্দি (২৩) নামে আরও এক যুবক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
ওসি মেহেদি হাসান আরও জানান, সেলিনা বেগমের ভাতিজা লিটন শেখই ছিলেন এই সাজানো ছিনতাইয়ের ‘মাস্টারমাইন্ড’। তিনি শাওন বদ্দির সঙ্গে মিলে এই পরিকল্পনাটি করেছিলেন। পুলিশের তৎপরতায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১৭ দিন আগে
নাটোরে পার্কে দুই রুশ নাগরিককে হেনস্তা, ২ টিকটকার আটক
নাটোরের লালপুর উপজেলার গ্রীনভ্যালী পার্কে দুই রুশ নাগরিককে হেনস্তার ঘটনায় আমিনুল ইসলাম ও রাসেল ইসলাম নামে ২ টিকটকারকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে রাজশাহীর আড়ানি ও তানোর থেকে তাদের আটক করা হয়।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত দুই রুশ নাগরিক গত শুক্রবার লালপুর উপজেলার গ্রীনভ্যালী পার্কে বেড়াতে যান। সেখানে পিকনিকে অংশ নিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন কথিত টিকটকার। এ সময় টিকটকাররা ওই দুই রুশ নাগরিককে ঘিরে ধরে অশালীন ভাষায় হেনস্তা করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরবর্তী সময়ে গ্রীনভ্যালী পার্কের ব্যবস্থাপক ওয়াজেদুর রহমান বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার পর এ ঘটনায় জড়িত ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বিদেশি নাগরিক হয়রানির ব্যাপারে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও দেখে অন্য অভিযুক্তদের ধরতে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
১৯ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে বাসে ‘র্যাব’ পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জগামী একটি বিআরটিসি বাসে ‘র্যাব’ পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে ব্যর্থ হয়েছে একটি চক্র । এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনাস্থল থেকে তাদের আরও কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে গেছেন।
শনিবার (৯ মে) রাতে নারায়ণগঞ্জের মাতুয়াইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন— কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আক্তারুজ্জামান (৪৭) এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমিরুল ইসলাম (৩০)।
যাত্রীরা জানান, মুন্সীগঞ্জের ব্যবসায়ী শেখ মাসুম প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা নিয়ে বিআরটিসি বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাসটি নারায়ণগঞ্জের মাতুয়াইল এলাকায় পৌঁছালে পথে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের র্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে বাসটির গতিরোধ করেন।
এ সময় তারা ব্যবসায়ী শেখ মাসুমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে দাবি করে তাকে বাস থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে শেখ মাসুম বাসের ভেতরেই চিৎকার করে যাত্রীদের উদ্দেশে জানান, তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা রয়েছে। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ভুয়া পরিচয়ে এসব ব্যক্তি ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছেন।
তার চিৎকারে বাসের অন্য যাত্রীরা সতর্ক হয়ে ওঠেন। সে সময় তারা সংঘবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এতে ‘র্যাব’ পরিচয়দানকারী চক্রের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। একপর্যায়ে তাদের কয়েকজন দ্রুত পালিয়ে যান।
পরে যাত্রীদের সহায়তায় চক্রটির আক্তারুজ্জামান ও আমিরুল ইসলামকে আটক করা হয়। এরপর বাসের যাত্রীরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমান জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি পলাতক অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২০ দিন আগে
ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গাঁজাসহ আসামি আটক
ভোলার সদর উপজেলার ইলিশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও গাঁজাসহ মো. জাকির হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
আটক মো. জাকির হোসেন কোরালিয়া খায়েরহাট এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে ভোলা দক্ষিণ জোন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, জাকির হোসেন একাধিক মামলার আসামি। তিনি ঢাকা থেকে কর্ণফুলী-১৩ লঞ্চে করে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক নিয়ে ভোলায় আসছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (সোমবার) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কোস্ট গার্ড বেস ভোলা ইলিশা তুলাতুলি মোহনা-সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় লঞ্চে তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি এবং আনুমানিক ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ২ কেজি গাঁজাসহ জাকির হোসেনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন।
সাব্বির আলম বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
২৫ দিন আগে