আটক
পঞ্চগড়ে নমুনা ব্যালটসহ যুবশক্তির আহ্বায়ক আটক
পঞ্চগড়-১ আসনের আটোয়ারি উপজেলায় নমুনা ব্যালট পেপারসহ উপজেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক সুকুমার দাস বাবুকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার আটোয়ারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোট চলাকালে কেন্দ্রের ফটকে অবস্থানকালে বাবুর কাছে নমুনা ব্যালট পেপার পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নজরে আনা হলে তারা তাকে আটক করেন। পরে ঘটনাস্থলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রানা পারভেজ সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
পঞ্চগড় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি কেন্দ্রে জাল ব্যালট পেপার রাখার অপরাধে একজনকে তাৎক্ষণিক বিচারিক প্রক্রিয়ায় ৩ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
সিলেটে জাল ভোট দিতে গিয়ে আটক ৩
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দেওয়ার সময় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ২টি ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, বর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন বর্ণি মাঝপাড়ার বাসিন্দা কাউসার ও ফাহিম আহমদ।
এছাড়া, রনিখাই হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে একই অভিযোগে আরও ১ জনকে আটক করা হয়।
এ তথ্যটি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, জাল ভোট দেওয়ার সময় মোট ৩ জনকে আটক করা হলেও রনিখাই হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আটক হওয়া ১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩ দিন আগে
কুমিল্লায় কেন্দ্রে ঢুকে ধানের শীষে ‘সিল মারার চেষ্টা’, আটক ৩
কুমিল্লা-১০ আসনের লালমাই উপজেলার চৌদ্দদোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে তারা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে সিল মারার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুপুরে একদল দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক কেন্দ্রে প্রবেশ করে ৩টি ভোটকক্ষে ঢুকে পড়ে। একপর্যায়ে তারা ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারার চেষ্টা করে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় কোনো সিল মারা ব্যালট বাক্সে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে সিল মারা ৩৮টি ব্যালট উদ্ধার করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো বাতিল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আমরা বাইরে থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য এসেছি। যারা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছিল, তাদের কাউকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত কেন্দ্রে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার কারণে দুপুর দেড়টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। পরে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এ বিষয়ে লালমাইয়ের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, উদ্ধার হওয়া সিল মারা ব্যালটগুলো ‘নষ্ট ব্যালট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের কাছে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৬
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলার মাকহাটি গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কাছে কয়েক দফা ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে কিছু সময়ের জন্য কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। এসব ঘটনায় সেনাবাহিনীর তৎপরতায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে প্রথম দফায় ককটেল বিস্ফোরণের পর সকাল সোয়া ১০টার দিকে মোল্লাকান্দির মহেশপুর থেকে নাহিদ নামের একজনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে ১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জুবায়ের আহমেদ অর্ণব জানান, প্রথমে সকাল সোয়া ১০টার দিকে এক যুবককে আটক করা হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আবারও দুই দফা ককটেল বিস্ফোরণ হয়। খবর পেয়ে কিছুটা দূরে থাকা সেনা সদস্যরা ছুটে আসেন। সেনাবাহিনী দেখে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ধাওয়া দিয়ে আরও ৫ জনকে আটক করা হয়। পরে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।
আটকরা হলেন— রহমত মাঝি (৪২), পারভেজ মাঝি (২৭), মো. কামাল (৩৭), আরশাদ মাঝি ও সালিম মাঝি। আর সকালে আটক হন নাহিদ।
কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তিতুমীর জানান, সকাল সোয়া ১০টা থেকে আবার কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এখনও ভোট গ্রহণ চলছে।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের শব্দে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, পরে কেন্দ্রের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছালে ৭-৮ মিনিট পর ফটক খুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ‘ফুটবল’ ও ‘ধানের শীষ’ সমর্থকদের মধ্যে কেন্দ্রের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
খবর শুনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ও পুলিশ সুপার মো মেনহাজুল আলম ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন আলী জানান, কেন্দ্রটিতে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় ভোটকেন্দ্রের সামনে টাকাসহ জামায়াত সভাপতি আটক
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের সভাপতি মো. শরীফকে ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে নগদ ৭৯ হাজার টাকাসহ আটক করা হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে তাকে আটক করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অর্থ জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে শহরের হাসপাতাল রোডের রিজিয়া খাতুন প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আটক মো. শরীফ পৌর এলাকার গুলশান পাড়ার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর কেন্দ্রের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন মো. শরীফ (৫০)। তিনি কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলছিলেন এবং নগদ টাকা দিচ্ছিলেন। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে তার কাছে থাকা নগদ ৭৯ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী পারভেজ খান বলেন, ‘জামায়াত নেতা শরীফ ভোটারদের নগদ টাকা বিতরণ করছিলেন। আমরা নিজের চোখে বিষয়টি দেখেছি।’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নেজারত শাখার ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দীন আল আজাদ। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি মো. শরীফ নামে একজনকে নগদ ৭৯ হাজার টাকাসহ কেন্দ্রের সামনে থেকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সকাল ১০টার দিকে ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফকে আটক করেন। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৯ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যক্তি বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা হাজতে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রিজিয়া খাতুন প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আব্দুস সবুর বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। তবে এটি আমার কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে।’
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
৪ দিন আগে
আশুলিয়ায় ভোটকেন্দ্র দখলচেষ্টার অভিযোগে বিএনপির ১৩ নেতা-কর্মী আটক
ঢাকার আশুলিয়ায় দুটি ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগে বিএনপির ১৩ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদের আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল দল ধামসোনা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন নগর নিউ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে আটক করে।
আটকরা হলেন— আশুলিয়া থানাধীন মধুপুর এলাকার আব্দুর রহমান (৪২), মো. শাহজাহান বেপারী (৬৪), মোহাম্মদ সরোয়ার (৫২), মো. জুলহাস উদ্দিন (২৪), মো. সুমন (২৩), মো. সুজন (২০), মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০), মো. সুমন (৩৬) এবং গোপিপাড়া এলাকার মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (৩৫)। তারা সবাই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর সমর্থক বলে জানা যায়।
অন্যদিকে, প্রায় একই সময়ে ধামসোনা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নলাম ভোটকেন্দ্রে পৃথক অভিযানে আরও ৪ জনকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন— নলাম বাগবাড়ি এলাকার মো. মন্টু মিয়া (৩৫), নলাম পানপাড়া এলাকার মো. জুয়েল মিয়া (৩৬), কবির হোসেন (৩৭) এবং রাকিব হোসেন (৩৯)। তারাও একই প্রার্থীর সমর্থক বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আশুলিয়া থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সায়মন শেখ বলেন, সেনাবাহিনী রাতেই ১৩ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে তারা থানা হেফাজতে রয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনি পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার রয়েছে বলে জানান তিনি।
৪ দিন আগে
শরীয়তপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ লাখ টাকাসহ জামাত নেতা আটক
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা ও একটি ল্যাপটপসহ স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নড়িয়া পৌরসভার বৈশাখীপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এ সময় ওই বাড়ি থেকে নগদ প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও একটি ল্যাপটপ, ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মাষ্টার গোলাম মোস্তফা নামে স্থানীয় এক জামায়াত নেতাকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে উদ্ধার হওয়া অর্থ ও অন্যান্য আলামতের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
৪ দিন আগে
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অর্ধকোটি টাকাসহ জামায়াত নেতা আটক
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিনকে প্রায় ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করেছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, বেলাল উদ্দিন নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে অবতরণ করেন। পরবর্তীতে তার ব্যাগ তল্লাশি করে এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সাত্তার জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
৫ দিন আগে
উখিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৫০০ রোহিঙ্গা আটক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কক্সবাজারের উখিয়ায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে সেনাবাহিনী নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী। অভিযানে শরণার্থী শিবিরের বাইরে অবৈধভাবে বসবাস করা অন্তত ১ হাজার ৫০০ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালীসহ আশপাশের এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। অভিযানটি এখনও চলমান থাকায় আটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
যৌথ বাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি বিশেষ গোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপব্যবহার করতে পারে এমন আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের জন্য নির্দিষ্ট ক্যাম্প নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা নিয়ম ভঙ্গ করে স্থানীয় বাঙালিদের জমি দখল করে ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান করছেন। এটি কেবল আইনের লঙ্ঘনই নয়, বরং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনি আবহে এই বিশাল অনিবন্ধিত জনগোষ্ঠীকে নাশকতামূলক কাজে ব্যবহারের ঝুঁকি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
আটক রোহিঙ্গাদের বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট স্থানে জড়ো করা হচ্ছে। সেখান থেকে সরাসরি ক্যাম্পে ফেরত না পাঠিয়ে প্রথমে নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে— তারা কেন এবং কাদের সহায়তায় ক্যাম্পের নির্ধারিত সীমানা থেকে বেরিয়ে এসেছে। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে কোনো রাজনৈতিক পক্ষ তাদের ভাড়াটে হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুনরায় নির্ধারিত শরণার্থী ক্যাম্পে তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
৮ দিন আগে
নাটোরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আটক ১
নাটোরের লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে লালপুর উপজেলার কচুয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ ও দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, নাটোর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকরা নির্বাচনি মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিএনপি প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনি ক্যাম্পের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়। এ নিয়ে বিএনপি কর্মীরা প্রতিবাদ জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খলিলুর রহমান নামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক সমর্থককে আটক করেন। এর প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানিয়েছেন, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
৯ দিন আগে