বিএনপি নেতা
কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি (পদ স্থগিত) জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে (৫৮) প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের অভিযানে ঢাকা থেকে ভাড়া করে আনা তিনজন ‘পেশাদার খুনিকে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলা সদরের কামালপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহত হয়েছেন জাহাঙ্গীরের সহযোগী মোহাম্মদ আলীর ছেলে বিএনপি নেতা হাদিস মিয়া (৩৮)।
গ্রেপ্তাররা হলেন— বরগুনা জেলার বামনা থানার চালিতাবুনিয়া গ্রামের হেলাল এবং মহিউদ্দিন ও জাকির।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (বুধবার) রাত ১০টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর কামালপুর এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে পৌঁছালে জাহাঙ্গীরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় তিন দুর্বৃত্ত। ধারালো চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। হামলার সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে স্থানীয় বিএনপি নেতা হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে আহত দুজনকে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বাছেদ শিকদার জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পরপরই তিনজন হামলাকারী জাহাঙ্গীরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি তাকে কোপাতে থাকে। হামলা ঠেকাতে গেলে হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঢাকা থেকে মিঠামইনে এসেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পুরো এলাকায় জেলা পুলিশের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তা উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
১১ দিন আগে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিএনপি নেতা মো. নুরুল ইসলামকে (৫৫) নিজ বাসার নিচে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে মোহাম্মদপুরের সাতমসজিদ হাউজিংয়ের ৪ নম্বর সড়কের ৩১ নম্বর বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. নুরুল ইসলাম মোহাম্মদপুর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানায়, হেলমেট পরা অবস্থায় দুটি মোটরসাইকেলে ছয়জন লোক তার বাসার নিচে এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যান। এতে তার মুখের বাঁ পাশ, কাঁধ ও বাম হাতে গুরুতর জখম হয়েছে।
পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত নুরুল ইসলামের ভাতিজা ইয়াসিন জানান, জুমার নামাজ শেষে চাচা বাসার সামনে দোকানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে চড়ে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে তিনি সেখান থেকে দৌড়ে বাসার নিচে গেলে সেখানেও তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এরপর তারা পালিয়ে যায়। কে বা কারা কী কারণে তাকে কুপিয়েছে সে বিষয়টি এখন বলতে পারছি না।
এ বিষয়ে ডিএমপির মোহাম্মদপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নুরুল ইসলামকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে।
৩৮ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ওসমান গণি নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে আড়াইহাজার-ভুলতা সড়কের বড় বিনাইর চর এলাকার সড়ক অবরোধ করেন।
বুধবার (২০ মে) রাতে স্থানীয় দুপ্তারা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া এলাকার কাউন্দা এলাকার চকে সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহত ওসমান গণি স্থানীয় ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলার বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি স্থানীয় বড় বিনাইর চর এলাকার মৃত আব্দুর রশীদের ছেলে ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে আড়াইহাজার-ভুলতা সড়কের বড় বিনাইর চর এলাকায় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করে। এ সময় তারা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় অবরোধকারীরা রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল করেন।
বিক্ষোভকারীরা জানান, গতকাল (বুধবার) রাতে দুপ্তারা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া এলাকার কাউন্দা এলাকার চকে সন্ত্রাসীরা ওসমানকে কুপিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা জবেদ আলী মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে নিহতের পরিবারের দাবি ছিল, ওসমান ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক সিফাত মিয়া বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলেই ছিলাম। সন্ত্রাসীরা প্রথমেই আমাকে এসে হুমকি দেয়। পরে তারা আমার সামনে ওসমান ভাইকে কুপিয়ে নির্মমভাবে খুন করে।
তিনি আরও বলেন, তারা সংখ্যায় অনেক ছিল, তাদের বাধা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি আমার ছিল না।
প্রত্যক্ষদর্শী মাহফুজ ভূঁইয়া বাবুল বলেন, ‘কাউন্দার চকে একটি জমি কিনে সেখান থেকে শ্রমিকরা মাটি কেটে ড্রাম ট্রাকে ভর্তি করতেছিল, আমি গাড়িতেই বসা ছিলাম। হঠাৎ একদল অস্ত্রধারী মুখোশ পরিহিত লোক ওসমান ভাইয়ের ওপর হামলা চালায়। তারা তাকে এলাপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে একটি চক্র আমাদের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করছিল, তাতে রাজি না হওয়ায় তারা ওসমান গণিকে নৃসংশভাবে খুন করা হয়েছে।
বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃটান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত রয়েছে, তাদের খুব দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে। এরই মধ্যে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৬৭ দিন আগে
কুমিল্লায় বিএনপি নেতা আটকের ঘটনায় থানা ঘেরাও
কুমিল্লার সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন তার নেতা-কর্মীরা।
রবিবার (৩ মে) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে, রেজাউল কাইয়ুমের আটকের খবরে তার অনুসারী নেতা-কর্মীরা থানা ঘেরাও করেছেন। তার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে তাদের।
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ ঘটনাকে ঘিরে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় পুলিশের বাড়তি সতর্কতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে।
তবে তাকে কী কারণে আটক করা হয়েছে, পুলিশের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে তা প্রকাশ করা হয়নি।
৮৫ দিন আগে
রাজশাহীতে বিএনপির দুপক্ষের বিরোধে এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যা
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় বিএনপির কর্মীরা নিজ দলের এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের সিপাইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম এরশাদ আলী (৬৫)। তিনি সিপাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ইউসুফপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের অনুসারী ছিলেন।
অভিযুক্তরা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী। তিনি এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চারঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজুল ইসলাম জানান, গতকাল (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর স্থানীয়রা মসজিদে বসে একটি ইসলামি জলসা আয়োজন করার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। এ সময় একপক্ষ বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলকে প্রধান অতিথি করতে চান। আর অপরপক্ষ স্থানীয় এমপি আবু সাঈদ চাঁদকেই প্রধান অতিথি করতে চান। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কিতে আলোচনা ভেস্তে যায়।
ঘটনার বিবরণে তিনি আরও জানান, তর্কাতর্কির পর রাতে এরশাদ আলী তারাবির নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই সময় চায়ের দোকানে বসে ছিলেন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের অনুসারী সাইদুর রহমান, গাজী, সুমন আলী, সাব্বির, আশাদুল, জোয়াদসহ কয়েকজন। তারা এরশাদ আলীকে দেখতে পেয়ে লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে তাকে পেটাতে থাকেন। এ সময় ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। তার বাড়ির পাশেই ঘটনাটি ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়ি নিয়ে যান।
এসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা ঘটনার পরই পালিয়েছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে। আর নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
১৪৯ দিন আগে
গালাগালকাণ্ডে হবিগঞ্জের সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ওসির মামলা, আদালতে সোপর্দ
হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী তুষারকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৮৯/ ৫০৪ ও টেলিকমিউনিকেশন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর ৬৯ ধারায় বাহুবল থানায় মামলা করেছেন। আদালত পরিদর্শক সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, বাহুবল থানার ওসিকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে গতকাল (রবিবার) দুপুর ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তুষারকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
এর আগে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।
১৫৪ দিন আগে
ওসিকে গালাগাল করার অভিযোগে হবিগঞ্জে বিএনপি নেতা আটক
হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তুষারকে আটক করেছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি শামীম ইকবাল।
এর আগে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্তে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
আজ (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তুষার চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি গত দুই মাসের মধ্যে কোনোদিন ওসিকে ফোনও দেইনি। আমি আমার ম্যানেজারকে গালাগাল করেছি, সেটাকে এডিট করে কেউ ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে।
সর্বশেষ, তুষারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কি না জানতে বাহুবল থানার ওসি, সহকারী পুলিশ সুপার বাহুবল সার্কেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) ও হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে কেউ কল ধরেননি।
১৫৫ দিন আগে
নরসিংদীতে বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ মোল্লার মৃত্যু
নরসিংদী জেলা বিএনপির উপদেষ্টা, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ মোল্লা ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইন্তেকাল করেন।
তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে, ১ মেয়ে, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গে
আজ (শনিবার) আসরের নামাজের পর নরসিংদী কালেক্টরেট মসজিদ প্রাঙ্গণে তার প্রথম জানাজা এবং এশার নামাজের পর গ্রামের বাড়ি শিবপুর উপজেলার জয়নগর গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।
আব্দুর রশিদের মৃত্যুতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী, নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাখন দাস, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল হক পলাশ, নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নান ভূঁইয়া গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকাহত পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন তারা।
১৭০ দিন আগে
ময়মনসিংহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নজরুল ইসলাম (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সমর্থকদের মাঝে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল ইসলাম উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামসিংহপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী রুবেলের কর্মী ছিলেন।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যার পর ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যান সালমান ওমর রুবেল। উদ্বোধন শেষে ফিরে আসার সময় এমরান সালেহ প্রিন্সের সমর্থকরা হঠাৎ রুবেলের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করেন। এ সময় নজরুলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সালমান ওমর রুবেল বলেন, আমাদের অফিস উদ্ধোধন করে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে অতর্কিত হামলা করে প্রিন্স ভাইয়ের লোকজন। আমার কর্মী নজরুল হত্যার সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তারে দাবি জানাচ্ছি।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আমি হালুয়াঘাটে আছি। এই ব্যাপার নিয়ে আমি পুরোপুরি অবগত নই। তবে প্রাথমিকভাবে যেটুকু শুনেছি এটা তাদের পারিবারিক কোনো একটা সমস্যা নিয়ে ঝামেলা। এটাকে রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা করছে তারা। যে মেরেছে তিনি আমাদের দলের সাবেক কর্মী। তবে এটা যদি এরকম হয়ে থাকে, আমরা ব্যবস্থা নেব।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শুনেছি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমরান সালেহ প্রিন্স ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী সালসান ওমর রুবেলের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের হয়েছে। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। পরে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৯১ দিন আগে
পাবনায় চাচাতো ভাইয়ের গুলিতে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় চাচাতো ভাইয়ের গুলিতে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ৯টায় উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত বীরু মোল্লা (৬০) লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল মোল্লা ও নিহত বীরু মোল্লা আপন চাচাতো ভাই।
বীরু মোল্লার ছেলে প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব মোল্লা জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে আল আমিন মোল্লা বাবার জমি থেকে ইটভাটার জন্য জোরপূর্বক মাটি কেটে নেন। এ বিষয়ে আজকে (বুধবার) সকাল সোয়া ৯টার দিকে জহুরুল মোল্লাকে মাটি কাটার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে গেলে তাৎক্ষণিক ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ও তার ছেলে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে আমার বাবার মাথায় গুলি করেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাটিতে লুটে পড়লে এলাকাবাসী তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাসনিম তামান্না তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজন বলেন, আমার দলের নেতাকে যারা হত্যা করেছে, তাদের দ্রত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, এটা কোনো দলীয় বিষয় নয়। বীরু মোল্লা অভিযুক্ত জহুরুল মোল্লার আপন চাচাতো ভাই। এই হত্যাকাণ্ড মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে ঘটেছে।
ঈশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান বলেন, বীরু মোল্লা নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুপুর সাড়ে ৩টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো মামলা করা হয়নি বলে জানান ওসি।
২২২ দিন আগে