নিহত
রংপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত
রংপুরে আইডিয়াল মোড়-সংলগ্ন মহাসড়কে বাসচাপায় জুয়েল হোসেন নামে এক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন। অপরদিকে, নগরীর পীরগঞ্জে ট্রাকচাপায় আব্দুর রহিম নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে এই সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান ও পীরগঞ্জ থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, জুয়েল হোসেন মোটরসাইকেল নিয়ে টার্মিনাল থেকে মহাসড়ক ধরে মেডিকেল কলেজ মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার মোটরসাইকেলটি সড়ক বিভাজকে ধাক্কা লেগে সড়কের মাঝে পড়ে যায়। এরই মধ্যে একটি চলন্ত বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
নিহত জুয়েল হোসেন নগরীর কেল্লাবন্দ এলাকার মৃত জহুরুল হকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ঠিকাদার ছিলেন। কেল্লাবন্দ এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে শাপলা আদর্শপাড়ায় বসবাস করতেন তিনি।
অপরদিকে, পীরগঞ্জ থেকে মিঠাপুকুরের দিকে যাচ্ছিলেন আব্দুর রহিম। এ সময় পেছন থেকে একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
নিহত আব্দুর রহিম পীরগঞ্জের চতরা গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন মুদি ব্যবসায়ী ছিলেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩
কুষ্টিয়ায় ট্রাক-পিকআপভ্যানের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এতে পিকআপের চালকসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় পিকআপে থাকা তিনটি ঘোড়াও মারা গেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টায় কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের বিত্তিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নড়াইল জেলা সদর উপজেলার বাঙালিপাড়া এলাকার আব্দুল হকের ছেলে সিফায়েত (৩৫) ও সাধুখালী এলাকার বিমলের ছেলে বিকাশ (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আজ সকালে ঘোড়া বহনকারী একটি পিকআপভ্যান নড়াইলের দিকে যাওয়ার পথে সদর উপজেলার বিত্তিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিফায়েত নিহন হন। আহত অবস্থায় বিকাশকে হাসপাতালে নিলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় পিকআপে থাকা তিনটি ঘোড়াও মারা গেছে।
দুর্ঘটনায় আহত পিকআপের চালক নাজমুল (৩৭) এবং দুই আরোহী তামিম (১৪) ও জিয়াকে (৪৫) কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ জানান, নিহতদের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২ দিন আগে
মানিকগঞ্জে শিশুকে হত্যার অভিযোগে ‘গণপিটুনি’, নিহত ২
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ৮ বছর বয়সি এক এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে গণপিটুনিতে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরেকজন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে হাটিপাড়া ইউনিয়নের বনপারিল (কান্দুরপার ব্রিজ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টার দিকে ওই এলাকার দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা হঠাৎ নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দেন এবং এলাকায় মাইকিং করে খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আতিকার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ দৃশ্য মুহূর্তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে, সৃষ্টি হয় তীব্র ক্ষোভের। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির পরনে থাকা স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই জড়িত সন্দেহে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা পান্নু মিয়া, তার ভাই ফজলুর রহমান ও ছেলে নাজমুলকে আটক করে ধোলাই দেয়। এতে পান্নু (৩৫) ও ফজলু (২৮) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় নাজমুলকে (২০) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এলাকাবাসী জানায়, নাজমুল মাদকাসক্ত ছিল। নেশার জন্য মেয়েটিকে হত্যা করে তার কানে থাকা স্বর্ণালংকার লুটে নেয় বলে অভিযোগ তাদের।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে গণধোলাইয়ের ঘটনাতেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থেকে থানায় মামলা হয়নি।
পুলিশ সুপার মো. সারওয়ার আলম বলেন, ঘটনা তদন্তে মাঠে কাজ করছে পুলিশ। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর অধিকতর তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২ দিন আগে
খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
খুলনার ফুলতলায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সাব্বির (২৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় অপর এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাব্বির ফুলতলা উপজেলার দামোদর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোস্তফার ছেলে সাব্বির। আহত নিরব একই এলাকার বাসিন্দা। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবীর সিদ্দিকী শুভ্র জানান, হামলাকারী এবং যারা হতাহত হয়েছেন তারা একে অপরের বন্ধু। ৪–৫ দিন আগে তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। এ বিরোধের জের ধরে আজ এ ঘটনাটি ঘটেছে। তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো যাবে বলে জানান তিনি।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় বাসচাপায় পথচারী নিহত
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে গিয়ে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মাধাইয়া এলাকার দোতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৬০ বছর বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহাসড়ক পারাপারের সময় দ্রুতগতিতে আসা স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাসের সামনে পড়ে যান ওই পথচারী।
তাকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বাসটি সড়কের পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে পথচারী বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দুর্ঘটনায় বাসটির সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে পড়ে যায়।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩ দিন আগে
বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিক নিহত
রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় একটি নির্মাণাধীন পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মো. নাজমুল (২৭) নামে এক নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। ভবনটির রড মিস্ত্রী হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে সহকর্মীরা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর দেড়টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল থেকে নিহতের খালাতো ভাই জয়নাল আবেদীন জানান, আমার ভাই ওই নির্মাণাধীন ভবনে রড মিস্ত্রীর কাজ করছিলেন। আজ (বুধবার) দুপুরে অসাবধানতাবশত পাঁচতলা তলার ছাদ থেকে নিচে পড়ে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে বিষয়টি আমরা জানতে পেরে দ্রুত তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বাড্ডা থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৪ দিন আগে
বাহরাইনে নিহত প্রবাসী গিরিশ চন্দ্রের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ আজ সকালে দেশে পৌঁছেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর নিহতের ছোট ভাই সমর চন্দ্র সূত্রধরের কাছে তিনি মরদেহটি হস্তান্তর করেন।
এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সরকারের পক্ষ থেকে গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ সৎকারের জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, ওয়ারিশ সনদ প্রাপ্তি সাপেক্ষে নিহতের পরিবারকে আরও ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বিদেশগামী সকল কর্মীকে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মাধ্যমে নিবন্ধন করে বিদেশ যাওয়ার আহ্বান জানান, যাতে তারা সরকারের আনুষ্ঠানিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন এবং প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা পেতে পারেন। তিনি প্রবাসে কর্মরত সকল বাংলাদেশির নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করেন এবং নিহত গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের আত্মার শান্তি কামনা করেন।
উল্লেখ্য, গিরিশ চন্দ্র সূত্রধর সিলেট জেলার সদর উপজেলার পূর্ব মাছপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কিছুদিন আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইনক কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
৪ দিন আগে
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপচালক নিহত
নাটোরের বড়াইগ্রামে বাসের ধাক্কায় ডিমবাহী পিকআপ উল্টে গিয়ে খাদে পড়ে এর চালক রাহুল নিহত হন।
মঙ্গবার (১৪ এপ্রিল) সকালে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি এলাকায় দুর্টনাটি ঘটে।
রাহুলের বাড়ি শেরপুর জেলার গৌরীপুর গ্রামে।
পুলিশ জানায়, শেরপুর থেকে একটি ডিমবোঝাই পিকআপ সাতক্ষীরা যাচ্ছিল। নাটোরের গড়মাটি এলাকা অতিক্রমকালে একটি বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে পিকআপটির। ফলে এটি রাস্তার পাশের খাদে উল্টে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপচালক রাহুল নিহত হন এবং সহকারী আহত হন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৫ দিন আগে
যাত্রাবাড়ীতে একই পরিবারে ৪ জনকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে বাসায় ঢুকে একই পরিবারের ৪ জনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে পাওনাদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দিয়া আক্তার (২০) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এতে পাওনাদারসহ আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে যাত্রাবাড়ী থানার কাজলার ভাঙ্গাপ্রেস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দিয়া নবুউল্লাহার মেয়ে। তিনি শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
আহতরা হলেন— মৌসুমী (৩৫), মোয়াজ (১৫) ও জয়া (১২)। তারা যাত্রাবাড়ীর কাজলার ভাঙ্গাপ্রেস এলাকায় থাকেন। বর্তমানে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এই ঘটনায় পাওনাদার আবু মুসাও গুরুতর আহত অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা বিল্লাল হোসেন জানান, ‘আবু মুসা পেশায় একজন ঠিকাদার। তিনি নবুউল্লাহার কাছে টাকা পেতেন। সেই টাকা নেওয়ার জন্য ভোরে নবুউল্লাহার বাসায় যান তিনি। পাওনা টাকা নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নবুউল্লাহ উত্তেজিত হয়ে মুসাকে কুপিয়ে জখম করেন। পরে আবু মুসা উত্তেজিত হয়ে ওই বাসার নবুউল্লার স্ত্রী মৌসুমী আক্তারকে কুপিয়ে বাম হাতের কব্জি দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেন।
‘এ সময় নবুউল্লাহর মেয়ে দিয়া এগিয়ে এলে মুসা তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এরপর তার আরেক মেয়ে জয়া এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করেন তিনি। সে সময় নবুউল্লাহর ছেলে মোয়াজকেও কুপিয়ে জখম করেন মুসা। পরে আমরা তাদেরকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। হাসপাতালে আনার পর দিয়াকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাদের পরিবারের বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় মুসাকেও উদ্ধার করে এখানে আনা হয়। পুলিশের পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।’
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
৫ দিন আগে
কুমিল্লায় চালবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে ৭ শ্রমিক নিহত, আহত ৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চালবোঝাইে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৭ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে দাউদকান্দির হাসানপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার খালিবপুর গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে সোহরাব হোসেন, আজাদ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আফজাল হোসেন ও ফজলুর রহমানের ছেলে সালেক; বিরামপুর উপজেলার ভাইঘর গ্রামের পলাশ মিয়ার ছেলে সুমন, একই গ্রামের বাসিন্দা বিষু, মাজহারুল ইসলামের ছেলে আবুল হোসেন ও রকিবুল্লার ছেলে আব্দুর রশিদ।
পুলিশ জানায়, আজ (মঙ্গলবার) ভোরে দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী চালবোঝাই একটি ট্রাক মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনের দাউদকান্দির হাসানপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের ওপরে থাকা ১৩ জন শ্রমিক ট্রাক উল্টে এর নিচে চাপা পড়ে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, দুর্ঘটনার খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকের নিচ থেকে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করি। এছাড়া আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মরদেহগুলো দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। দুর্ঘটনার শিকার ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ঘটনার পর ট্রাকচালক বা সহকারী কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. এরশাদ হোসেন বলেন, আমরা রাত পৌনে ৩টার দিকে খবর পেয়ে আমাদের টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। সেখানে ট্রাকের নিচ থেকে ৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় আমরা ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছি।
৫ দিন আগে