নিহত
চীনে ঝড়ে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯, ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’
দক্ষিণ চীনে ক্রান্তীয় ঝড় ‘মেসাক’-এর প্রভাবে টানা বৃষ্টি ও ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনও ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে এর মধ্যেই ‘বাভি’ নামে আরেকটি টাইফুন আঘাত হানার পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। নতুন ঝড়ের আঙ্কায় তাইওয়ান ও চীনের পূর্ব উপকূলে সতর্কতা ও প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
নানিং শহরের ভাইস মেয়র ডিং ওয়েই এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই ঝড়ে নানিংয়ের পূর্বাঞ্চলের একটি এলাকায় বাঁধ ভেঙে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ২৬ জন মারা গেছেন। তিনি বলেন, গুয়াংসি অঞ্চলে এখনও ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে মৃতের সংখ্যা ৬ জন ছিল বলে জানিয়েছিল দক্ষিণ চীনের কর্তৃপক্ষ।
মেসাকের প্রভাবে গত শনিবার থেকে গুয়াংসিতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে একাধিক জলাধারের বাঁধ ভেঙে যায়। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর সেখান থেকে নেমে আসা প্রবল পানির তোড়ে বিভিন্ন শহর ও জনপদ প্লাবিত হয়েছে। বহু মানুষ কয়েক দিন ধরে নিজেদের বাড়ি ও বিভিন্ন ভবনে আটকা পড়ে ছিলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরে অটোরিকশার ওপর গাছ উপড়ে পড়ে চালক নিহত
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে রাস্তার পাশের একটি মরা গাছ উপড়ে চলন্ত অটোরিকশার ওপর পড়ে আব্দুল গফুর নামে এক চালক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কাঁচদহ-খালাশপীর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আব্দুল গফুর অটোরিকশা চালিয়ে কাঁচদহ থেকে খালাশপীরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে রাস্তার পাশের একটি মরা গাছ হঠাৎ অটোরিকশার উপড়ে ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
রংপুরের পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা নাজমুল সরকার বলেন, আজ (বুধবার) সকাল ১০টার দিকে রাস্তার পাশের একটি মরা গাছ উপড়ে পড়ায় অটোরিকশার চালক নিহত হন। পরে গাছটি অপসারণ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দম্পতি নিহত
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক দম্পতি নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উলিপুর পৌরসভার বলদিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— বলদিপাড়া গ্রামের আবু সাইয়েদ (৬৮) ও তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৬০)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আজ (বুধবার) দুপুরে নিজেদের বাড়িতে আবু সাইয়েদ বৈদ্যুতিক বোর্ডের একটি সুইচে অসাবধানতাবশত হাত দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় স্বামীকে ছটফট করতে দেখে তাকে উদ্ধার করতে দ্রুত এগিয়ে যান স্ত্রী রাবেয়া বেগম। কিন্তু কোনো নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না নিয়ে সরাসরি স্বামীকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। ফলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই প্রথমে আবু সাইয়েদ ও এর কিছুক্ষণ পর রাবেয়া বেগমের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে উলিপুর থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখতে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের খবর দেয় পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দম্পতির মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। নিহতদের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এমন আকস্মিক মৃত্যুতে বলদিপাড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অসচেতনতার কারণেই দুটি প্রাণ ঝরে গেল। বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
১ দিন আগে
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থী নিহত
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ধসে একটি মাদরাসার ৫ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাব-ব্লক এ-৩ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৫ জন আহত। উদ্ধারকাজ চলছে।
রোহিঙ্গা মাঝি ইলিয়াস মিয়া জানান, আজ সকাল থেকেই টানা ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর একটি সাব-ব্লকে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় একটি মাদরাসার অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আটকা পড়েছিল। স্থানীয় রোহিঙ্গারা তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, পাহাড় ধসে আটকা পড়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উদ্ধারকাজ চলছে। উদ্ধার অভিযান শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
১ দিন আগে
জয়পুরহাটে ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার ধাক্কায় নিহত ২
জয়পুরহাটে যাত্রীবাহী একটি অটোরিকশায় দ্রুতগামী একটি ট্রাকের ধাক্কায় চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ নারী যাত্রী। এ ঘটনায় ট্রাকটির চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে জয়পুরহাটের সদর উপজেলার জয়পুরহাট-হিলি আঞ্চলিক সড়কের বনখুর ওয়াপদা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন—জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নের কাদেরপাড়া মহল্লার অটোরিকশাচালক তৌহিদ হোসেন (৩৩) এবং একই উপজেলার বীরনগর আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দা ফুলমনি রাণী (৪৪)।
আহত ৫ যাত্রীর মধ্যে আশঙ্কাজনক ৪ জনকে জয়পুরহাটের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন—একই এলাকার বীরনগর আদিবাসী পল্লীর বাসিন্দা বাসন্তী, কেশমনি, শেফালী ও অঞ্জনা রাণী।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে পাঁচবিবির বীরনগর এলাকা থেকে একটি অটোরিকশায় করে ৫ জন নারী যাত্রী জয়পুরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে অটোরিকশাটি সদর উপজেলার বনখুর ওয়াপদা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দিনাজপুরগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক তৌহিদ ও আরোহী ফুলমনি রাণী মারা যান। এ সময় অপর ৫ যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুত্বর আহত ৪ নারী যাত্রীকে উদ্ধার করে। তাদের জয়পুরহাটের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিক বলেন, ‘নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
২ দিন আগে
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে প্রাণ গেল নারীর, আহত ২
কক্সবাজারে টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসে একটি বসতঘর চাপা পড়ে নাসিমা আক্তার (২৭) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার স্বামী জসিম উদ্দিন (৪০) ও সন্তান গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দরিয়ানগর বড়ছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার।
ইউএনও বলেন, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে একটি বসতঘর চাপা পড়ে। এতে নাসিমা আক্তার, তার স্বামী ও সন্তান আটকা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তিনজনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসিমা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের আগেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু অনেকেই সেই নির্দেশনা মানেননি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসতঘর উচ্ছেদ ও নিরাপদ স্থানে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার অভিযান পরিচালনা করা হবে।
২ দিন আগে
দিনাজপুরে পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেলআরোহী মা-ছেলে নিহত
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে একটি পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে মা ও তার ৩ বছর বয়সী ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলচালক গৃহকর্তা নাজমুল হোসেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কের বীরগঞ্জ উপজেলার কবিরাজহাট পাঁচপীর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: কাহারোল উপজেলার মালগ্রাম গ্রামের নাজমুল হোসেনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২৮) এবং তাদের ৩ বছর বয়সী ছেলে নাস আব্দুল্লাহ।
বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, আজ (মঙ্গলবার) ভোরে স্ত্রী ও সন্তানকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকার এক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে কাহারোল উপজেলার মালগ্রাম গ্রামের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে রওনা দেন নাজমুল হোসেন।
পথিমধ্যে বীরগঞ্জ উপজেলার কবিরাজহাট পাঁচপীর মোড়ে মোটরসাইকেলটির পেছনে ধাক্কা দেয় একটি মাছ বহনকারী পিকআপ ভ্যান। এ সময় ফাহিমা আক্তার ও তার ছেলে রাস্তায় ছিটকে পড়ে পিকআপ ভ্যানের চাকায় পিষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তারা।
ওসি আরও জানান, মোটরসাইকেলচালক নাজমুল হোসেন দূরে ছিটকে পড়ায় আহত হয়ে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। তাকে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
২ দিন আগে
ময়মনসিংহে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত ১
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের বয়ড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মজনু মুন্সি ওই ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে। তার ছেলে জহরুল ইসলাম আকন্দ কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন।
নিহতের ছেলে জানান, গতকাল (রবিবার) রাতে স্থানীয় বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে একদল কিশোর গ্যাং তার বাবার পথরোধ করে। তাদের চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তার বাবা দুর্বারচর পশ্চিমপাড়ার তিনজনের নাম উল্লেখ করে গেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তার বাবা বয়ড়া বাজার থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা অন্য কাউকে ছিনতাই বা হত্যার উদ্দেশ্যে ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় ভুলবশত তারা তার বাবার পথরোধ করে। পরে তাকে বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়।
নিহতের ছেলের অভিযোগ, হামলার পর দুর্বৃত্তদের একজন তার বাবার মোবাইল ফোন থেকে তাকে ফোন দেয়। এ সময় প্রায় ১৩ সেকেন্ড কলটিতে সংযোগ থাকলেও তারা কোনো কথা বলেনি। পরে একই নম্বর থেকে তার বোন মাহিয়া আক্তার বৃষ্টিকে ফোন করে একজন বলেন, আপনার বাবাকে আমি মারিনি, আরেকজন ছুরি মেরেছে।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩ দিন আগে
ইউক্রেনে ফের রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, নিহত অন্তত ১৮
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে আবারও দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে এ হামলা চালানো হয়।
এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই অবশ্য রাজধানীতে রাশিয়ার আরেকটি বড় ধরনের হামলা হতে পারে সতর্ক করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, এ হামলায় কিয়েভের একাধিক আবাসিক বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপে জীবিত কাউকে খুঁজে পেতে অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো এক টেলিগ্রাম পোস্টে বলেন, রাশিয়া আবাসিক ভবনগুলোতে হামলা চালিয়েছে। এসব ভবনে মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাত। এখানে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করত।
তিনি জানান, পোদিলস্কি জেলায় একটি আবাসিক ভবনের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া দারনিৎসিয়া জেলায় কয়েকটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকে পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, এ হামলায় ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে। দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দে পুরো কিয়েভ শহর কেঁপে উঠেছিল। এ সময় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অনেক মানুষ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন।
গত সপ্তাহে কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছে। তার কয়েক দিনের পরেই আবারও সোমবার এই হামলা করল রাশিয়া।
গত রবিবার গভীর রাতে টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ইউক্রেনে আরও বেশি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের কাছে এসব ক্ষেপণাস্ত্র পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকলে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করা কঠিন হবে। এতে রাশিয়া আরও হামলা চালাতে উৎসাহিত হবে। এর ফলে চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হবে।
৩ দিন আগে
শ্রীলঙ্কায় কারাগারে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২৫
শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর উপকণ্ঠে একটি কারাগারের ভেতরে ভয়াবহ সংঘর্ষে হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন নিহত এবং শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বন্দি ও কারারক্ষী উভয়ই রয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) কলম্বো থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে নেগোম্বোর কারাগারে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়, যা আজ সোমবারও অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম ও পুলিশের প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে।
কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল হিরু জানিয়েছে, সংঘর্ষে ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ১০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
পুলিশের মুখপাত্র চন্দনা হেরাথ কারাগারের ভেতরে সংঘর্ষ এবং হতাহতের ঘটনা নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সংঘর্ষের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এলাকার প্রধান সরকারি হাসপাতালের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কারাগারের সংঘর্ষে আহত শতাধিক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আহতদের আঘাতের ধরন সম্পর্কে তিনিও কোনো তথ্য দেননি।
শ্রীলঙ্কার কারাগারগুলো দীর্ঘদিন ধরে তীব্র ধারণক্ষমতা সংকটে ভুগছে। দেশটির কারা ব্যবস্থার মোট ধারণক্ষমতা ১০ হাজার হলেও বর্তমানে সেখানে ৩৯ হাজারের বেশি বন্দি রয়েছেন।
৩ দিন আগে