নিহত
জাপানে ছয় দশকের রেকর্ড বৃষ্টি ও বন্যায় নিহত ৯
জাপানের পূর্বাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। নজিরবিহীন বৃষ্টিতে সহস্রাধিক বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে এবং সড়ক ও রেল যোগাযোগে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, গেল বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় ভূমিধসের সতর্কতা জারি করা হয় এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়।
চিবা প্রদেশে প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ মাত্রার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়। সেখানকার একটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে ২৪ ঘণ্টায় ৩০০ মিলিমিটার (প্রায় ১২ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি ওই এলাকায় ছয় দশকের মধ্যে আগস্ট মাসের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
জাপানের ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল নাগাদ চিবা শহরে আগস্ট মাসে সাধারণত যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, তার তিন গুণেরও বেশি বৃষ্টি হয়েছে।
এনএইচকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী, আজ রবিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টিতে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
চিবা প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের শনিবার সন্ধ্যার হিসাব অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা ছিল আটজন। তাদের কয়েকজন পানিতে ডুবে যাওয়া গাড়ির ভেতরে আটকা পড়ে এবং অন্যদের প্লাবিত সড়ক থেকে উদ্ধার করা হয়।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চিবা অঞ্চলে বৃষ্টির কারণে ৭০টির বেশি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এক হাজারের বেশি পরিবার জানিয়েছে, তাদের বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০০টি বাড়িতে মেঝের ওপর দিয়ে পানি উঠে গেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ১ হাজার ২০০টি গাড়ি এখনও বিভিন্ন সড়কে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ গাড়িগুলো সরিয়ে নিতে টেনে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জ্যাক ব্যবহার করে সরানোর কাজ করছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার এক কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পরিস্থিতি ‘নজিরবিহীন মাত্রার ভারী বৃষ্টিতে রূপ নিচ্ছে’।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটছে এবং এগুলো দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হয়ে উঠছে।
২ দিন আগে
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫১, বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার একদিন পর আর রবিবার উদ্ধারকারীরা আরও চারটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। এতে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৫টা ৫৮ মিনিটে দেশটির পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।
ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি করা হলে আতঙ্কে বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটে যান। পরে ওই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের পর অন্তত ২৩৫টি পরাঘাত (আফটার শক) অনুভূত হয়েছে।
রবিবার উদ্ধারকারীরা ফ্লোরেসের ছয়টি এলাকায় ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে ধসে পড়া স্থাপনা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের সন্ধানে অভিযান চালান। ভূমিকম্পের কারণে ভূমিধসে বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম হয়ে পড়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি অঞ্চল—মাংগারাই, পূর্ব মাংগারাই ও নাগেকেওকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মাউমেরে শহরভিত্তিক সিক্কা অঞ্চলের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অফিসের প্রধান ফাতুর রহমান বলেন, ‘আমরা বেশিরভাগ ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া গ্রামগুলোর সড়ক আবার খুলে দিয়েছি। তবে যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা উদ্ধার তৎপরতায় এখনও বাধা সৃষ্টি করছে।’
দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ১০১ জন আহত হয়েছেন। ৯০০টির বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ৪৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে হয়েছে।
২ দিন আগে
ডেমরায় শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর ডেমরায় শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে ফাহাদ (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডেমরার সারুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ফাহাদের বাড়ি ডেমরার সারুলিয়ায়। তার বাবার নাম ফারুক।
নিহতের দাদা মো. জাহাঙ্গীর জানান, ফাহাদ আমার সঙ্গে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমেছিল। এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অনেকে খোঁজার পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ফাহাদকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, বর্তমানে মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
নরসিংদীতে ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
নরসিংদী রেলস্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে দুই বগির মাঝে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম মো. আমীর হোসেন (২৮)। তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার নগর বানিয়াদী গ্রামের মৃত সামসুল হকের ছেলে।
রেলওয়ে পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে দুই বন্ধুর সঙ্গে আমীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় কেল্লা শাহের মাজারে গিয়েছিলেন। তারা রাতভর সেখানে থেকে শুক্রবার সকালে তিতাস কমিউটারের ছাদে উঠে নরসিংদী ফিরছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ট্রেনটি নরসিংদী রেলস্টেশনে পৌছায়।
এ সময় ভিড়ের মধ্যেই ছাদে উঠা লোকজন স্টেশনে নামছিল। ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কোথাও টান লেগে আমীর নিয়ন্ত্রণ হারান এবং ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে পড়ে যান। এ সময় ট্রেনটি তাকে অন্তত ৩০ গজ দূরে টেনে নিয়ে যায়।
রেলস্টেশনে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবির জানান, ট্রেনে কাটা পড়া ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার মরদেহ রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আমীরের ঠিক আগে ট্রেনের ছাদ থেকে নেমেছেন তার বন্ধু আক্রাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গেই আমরা তিন বন্ধু কেল্লা শাহর মাজারে গিয়েছিলাম। ভোরে ট্রেনে উঠার সময় ভিড়ের কারণে ভেতরে যেতে না পেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠি। নরসিংদী আসার পর দুজন ছাদ থেকে নামতে পারলেও আমীর পারেনি। চলতে শুরু করা ট্রেনের দুই বগির মাঝে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।’
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার বলেন, আমীরের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
ঝিনাইদহে নেশার টাকার জন্য মাকে গলা কেটে ‘হত্যা’, ছেলে আটক
ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার টাকা না পেয়ে ঘুমন্ত মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে ইখলাসের (৩২) বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শকের বানু (৬০) ওই এলাকার মৃত জেকের আলীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, ইখলাস দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাতেন।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতেও নেশার টাকা নিয়ে মা শকের বানুর সঙ্গে তার প্রচণ্ড কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইখলাস মায়ের ওপর ক্ষিপ্ত হন। পরে ভোরে ঘরে ঢুকে তার ঘুমন্ত মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন ইখলাস। এরপর তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
সকালে নিহতের ছোট ছেলের স্ত্রী শাশুড়ির ঘরে খাবার দিতে গিয়ে বিছানায় রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মহেশপুর থানা-পুলিশে খবর দেন।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। অন্যদিকে, ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ইখলাসকে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, মাদকের টাকার জন্য মা ও ছেলের মধ্যে বিরোধের জের ধরেই এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্ত ইখলাসকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৪ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙ্গা কারখানায় গ্যাস লিকেজে বিষক্রিয়ায় নিহত বেড়ে ৯
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীর সাগর উপকূলে অবস্থিত একটি জাহাজ ভাঙ্গার কারখানায় গ্যাস লিকেজ থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে দুই ভাইসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। এতে কমপক্ষে আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ভাটিয়ারী রেলস্টেশনের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত ‘ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে’ জাহাজ ভাঙ্গার সময় অসাবধানতাবশত একটি গ্যাসের পাইপলাইন কেটে যায়।
নিহতরা হলেন— সানি জলদাস, পলাশ জলদাস এবং আপন দুই ভাই মনসুর আলী ও নাসির উদ্দিন। তারা সবাই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা।
নিহত বাকিরা হলেন— খোকন, আব্দুল আলিম, রানা, হাবিবুর রহমান এবং মতিউর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, মুহূর্তের মধ্যে লিক হওয়া বিষাক্ত গ্যাস পুরো ইয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়লে কর্মরত অনেক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষাক্ত গ্যাসে ঘটনাস্থলেই দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও ২০ জন।
আক্রান্ত শ্রমিকদের উদ্ধার করে প্রথমে ভাটিয়ারী বিএসবিএ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এর আগে, জিয়া সুবেদার গ্রুপের মালিকানাধীন এই জাহাজভাঙ্গা কারখানায় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বরও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে তেলের ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়েছিলেন আটজন শ্রমিক।
এছাড়া, ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ডের এসএন করপোরেশন কারখানায় বিস্ফোরণে ১২ শ্রমিক আহত হন, পরে তাদের মধ্যে ৬ জন মারা যান।
৪ দিন আগে
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৪ হাজারের বেশি
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তবে সময় যত যাচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ততই কমে আসছে।
স্থানীয় সময় সোমবার ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি শহরে ভবন ধসে পড়ে, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু মানুষ হতাহত হন। এ ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত অন্তত ২৬৫ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ।
এই পরিস্থিতিতে নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলারদো দে লা এসপ্রিয়েইয়ার সরকারকে একদিকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে, অন্যদিকে গৃহহীন হয়ে পড়া হাজারো মানুষের আশয়, খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দিতে নাগরিক সমাজও কাজ করছে।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েইয়া জানান, সোমবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২৬৫ জন নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারি হিসেবে এতে প্রায় ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে বেসামরিকভাবে পরিচালিত ডাটাবেসের হিসেবে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা সংখ্যা ৪ হাজার ১০০ এর বেশি। সব মিলিয়ে এ ভূমিকম্পে ২৫ হাজার ৮০০টির বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
কলম্বিয়ার রাজধানীতে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘নিখোঁজদের উদ্ধারের জন্য আমারা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।’
এদিকে, সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কালি, পেরেইরা, মানিসালেস ও কিবদো শহরে উদ্ধারকর্মীরা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খুঁজছেন।
উদ্ধার ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর মতে, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষকে জীবিত উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে আটকে থাকা মানুষদের কাছে খাবার ও পানি পৌঁছে দিতে পারলে এই সময়ের পরও তাদের জীবিত উদ্ধারের সুযোগ থাকে।
বুধবার বিকেলে কালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের সাংবাদিকদের বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও জীবিত মানুষের উপস্থিতির আলামত পাওয়া যাচ্ছে। তাদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত কাজ করছেন।
তিনি বলেন, ‘এখনও জীবিত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পরবর্তী ২০ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ।’
৫ দিন আগে
ঢামেকে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ ফেলে পালাল ২ ব্যক্তি
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ট্রলির ওপর অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়েছে দুই ব্যক্তি।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৫ বছর।
হাসপাতালের ট্রলিম্যান আব্দুর রউফ জানান, ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী দুই পুরুষ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে ওই কিশোরীকে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। তাদের দেখে তিনি ট্রলি নিয়ে এগিয়ে গেলে ওই দুই ব্যক্তি মেয়েটিকে ট্রলিতে তোলেন এবং জরুরি বিভাগের টিকিট কাটার কথা বলে কৌশলে সেখান থেকে সরে পড়েন। পরে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগার স্পষ্ট দাগ এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাত ও গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, বা অন্য কী কারণে মারা যেতে পারে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পরিদর্শক মো. ফারুক আরও বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় ওই কিশোরীর নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অটোরিকশাসহ পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৬ দিন আগে
কলম্বিয়ার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৮১, নিখোঁজ ১৯৫
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ২ হাজার ৫৯৫ জন। সরকারি হিসাবে ভূমিকম্পের পর এখনও অন্তত ১৯৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার।
শক্তিশালী এ ভূমিকম্পের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটির সরকার ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধারে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। এ সময়সীমা দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উদ্ধারকারীরা জীবিতদের সন্ধানে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
এই দুর্যোগ কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলারদো দে লা এসপ্রিয়েইয়া সরকারকে বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। দেশটিতে ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার হিমশিম খাচ্ছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় দেশটির নাগরিক সমাজও একযোগে কাজ করছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েইয়া জানান, ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে অন্তত ১৮১ জন নিহত এবং আরও ২ হাজার ৫৯৫ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, এখনও অন্তত ১৯৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে বেসামরিকভাবে পরিচালিত বিভিন্ন ডেটাবেসের হিসেবে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার।
এদিকে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কালি, পেরেইরা, মানিসালেস ও কিবদো শহরে রাতভর ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সময় যত গড়াচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের খুঁজে বের করে উদ্ধারের সম্ভাবনাও তত কঠিন হয়ে পড়ছে।
ত্রাণ সংস্থাগুলোর মতে, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে আটকে পড়াদের কাছে খাবার ও পানি পৌঁছানোর সুযোগ করা গেলে এই সময়সীমা আরও বাড়তে পারে।
এই পরিস্থিতেও ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধারের কিছু ঘটনায় উদ্ধারকারীরা এখনও আশা রাখছেন। একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারকারীরা কংক্রিটের দেওয়ালের সরু ফাঁক দিয়ে একটি শিশুকে বের করে আনেন। শিশুটির পুরো শরীর ধুলোয় ঢাকা ছিল। আরেক স্থানে ধ্বংসস্তূপ আটকে পড়া এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করে স্ট্রেচারে তুলতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা।
৬ দিন আগে
কঙ্গোয় ইবোলা মহামারিতে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়াল
কঙ্গোয় ইবোলা মহামারিতে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটিতে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ইবোলায় নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৩৮১ জন এবং মারা গেছেন ২ হাজার ১১ জন।
দুর্বল সড়ক যোগাযোগ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অর্থ পরিশোধ নিয়ে কর্মবিরতির কারণে দেশটির দুর্গম এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রকাশিত দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কঙ্গোয় ইবোলায় নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৮১ জনে। এর মধ্যে মারা গেছেন ২ হাজার ১১ জন। বর্তমানে সেখানে ৭০৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি ও আইসোলেশনে রয়েছেন।
কঙ্গোতে গত ১৫ মে থেকে ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়। এরপর তিন মাসের মধ্যেই এমন ভয়াবহর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইবোলা প্রাদুর্ভাব শুরুর পর প্রথম ৯ সপ্তাহে ১ হাজার মানুষ মারা যান। পরে মাত্র ৩ সপ্তাহেই ১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই স্বাস্থ্য সংকট ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। এটি ক্রমশ স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
কঙ্গোতে চলমান এই ইবোলা প্রাদুর্ভাব ইতোমধ্যে আফ্রিকার ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম ইবোলা প্রাদুর্ভাবে রূপ নিয়েছে। এর আগে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলার সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল। ওই সময় ২৮ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত এবং ১১ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান।
এ ব্যাপারে সহায়তা সংস্থাগুলোর কর্মীরা বলছেন, ইবোলা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েও এর প্রাদুর্ভাব ঠেকানো যাচ্ছে না। রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। দেশটির আক্রান্ত ৫টি প্রদেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাড়ানো হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।
এদিকে, ইবোলা প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে দেশটির বহু স্বাস্থ্যকর্মীর পারিশ্রমিক না পাওয়ার প্রতিবাদে ধর্মঘট করেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের পর্যবেক্ষণে থাকা সংক্রমিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা মানুষেরও তালিকা করেছেন। তবে নতুন করে যারা ইবোলা আক্রান্তদের বেশিরভাগই এই তালিকায় ছিলেন না। তবুও তারা ইবোলা আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ, সংক্রমিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে না এসেও মানুষ ইবোলায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে বোঝা যায়, রোগটির প্রাদুর্ভাব স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চরে গেছে।
আগের বেশিরভাগ ইবোলা প্রাদুর্ভাবের তুলনায় এবারের পরিস্থিতি আলাদা। কারণ এবারের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বিরল ‘বান্দিবুগিও ভাইরাস’। এ ভাইরাসের অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই।
তবে এরই মধ্যে সাম্প্রতিক ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল ইতুরি প্রদেশে এ রোগের টিকা ও চিকিৎসা নিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে ।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, সম্ভবত ফেব্রুয়ারিতে এবারের ইবোলার প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছিল। অর্থাৎ কঙ্গোর কর্তৃপক্ষ এটি শনাক্ত করার অনেক আগেই দেশটির সবচেয়ে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর একটিতে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছিল।
ডব্লিউএইচও আরও জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু আক্রান্ত রোগীকে ভুলভাবে ম্যালেরিয়া ও টাইফয়েডে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছিল। এছাড়া রোগটির শুরুর দিকে ইবোলার আরও প্রচলিত ধরন শনাক্তের জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছিল।
ডব্লিউএইচওর আফ্রিকার আঞ্চলিক পরিচালক ডা. মোহামেদ ইয়াকুব জানাবি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ভাইরাসটি ঠেকাতে এর পেছনে ছুটছি, কিন্তু ভাইরাসটি আমাদের চেয়ে দ্রুত ছুটছে।’
১৯৭৬ সালে কঙ্গোতে ইবোলা নদীর কাছাকাছি এলাকায় প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল। মধ্য আফ্রিকার এই দেশে এটি ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব। এবারের প্রাদুর্ভাব দেশটিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব।
৭ দিন আগে