সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানি আগামীকাল
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগের কার্যক্রম বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি আগামীকাল ৩ মার্চ।
রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২ মার্চ) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বিভাগ বিষয়টি আগামীকাল শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ রুল যথাযথ ঘোষণা (অ্যাবসোলুট) করে রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ে আপিল বিভাগের কোটাসংক্রান্ত সর্বশেষ রায় অনুসরণ করে নতুন ফলাফল প্রকাশ করতে নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আপিল বিভাগে আবেদন করলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের বিচারপতি রেজাউল হক আবেদনটির ওপর ২ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেন। সে অনুযায়ী বিষয়টি আজ বিষয়টি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আজকের পরিবর্তে বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল শুনানি করতে চান। এরপর আদালত আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করেন।
আরও পড়ুন: আইনি প্রক্রিয়া মেনেই সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল ঘোষণা হয়েছিল: উপদেষ্টা
২০২৩ সালের ১৪ জুন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নির্বাচন করে গত ৩১ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৩১ অক্টোবরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়।
১১ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়োগ আদেশ সংবলিত নির্দেশনা জারি করে। এ সংক্রান্ত আদেশ অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীদের অনুকূলে ২০ নভেম্বর নিয়োগপত্র ইস্যু করার কথা ছিল।
ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা অনুসরণের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগ বঞ্চিতরা হাইকোর্টে রিট করেন।
এ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। রুলে ৩১ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ও নিয়োগ বিষয়ে ১১ নভেম্বরের নির্দেশনা সংবলিত স্মারক কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়। আদেশে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। ফলে ছয় হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর নিয়োগ আটকে যায়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সেই রুলের ওপর রায় দেওয়া হয়।
১৮ দিন আগে
প্রাথমিকের সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জন সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিলের রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মেধার ভিত্তিতে নতুন করে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি করে বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে, ৩০ চাকরিপ্রার্থীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। আদেশে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। ফলে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর নিয়োগ আটকে যায়। বৃহস্পতিবার সেই রুলের ওপর রায় দেওয়া হলো।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফয়েজ উদ্দিন আহমদ। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান ভূইয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী ও আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব।
জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৪ জুন ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নির্বাচন করে গত ৩১ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৩১ অক্টোবরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়।
১১ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়োগ আদেশ সংবলিত নির্দেশনা জারি করে। এ-সংক্রান্ত আদেশ অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীদের অনুকূলে ২০ নভেম্বর নিয়োগপত্র ইস্যু করার কথা ছিল।
আরও পড়ুন: ইবতেদায়ি শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান চরমোনাই পীরের
ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা অনুসরণের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগবঞ্চিত ৩০ প্রার্থী গত নভেম্বরে রিটটি করেন।
রিটে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ২৩ জুলাই কোটাপদ্ধতি সংশোধনের পর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের জারি করা পরিপত্রসহ আগের এ-সংক্রান্ত সব পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন বা আদেশ রহিত করা হলো।
ফলে আগের কোনো আদেশ বহাল থাকছে না। অথচ ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুসরণ করা হয়েছে। এ অনুসারে নারী কোটা ৬০ শতাংশ, পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ, ৪ শতাংশ অন্যান্য কোটা ছিল। এ রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল দিয়ে নিয়োগের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন।
রুলে ৩১ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ও নিয়োগ বিষয়ে ১১ নভেম্বরের নির্দেশনা-সংবলিত স্মারক কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ মাসের জন্য স্থগিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম: হাইকোর্ট
পরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পক্ষে করা আবেদনের (লিভ টু আপিল) শুনানি নিয়ে গত ৯ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেয়া আদেশ আপাতত বহাল রাখেন। একইসঙ্গে এ-সংক্রান্ত রুল ২৫ জানুয়ারির মধ্যে হাইকোর্টে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। সে অনৃযায়ী বৃহস্পতিবার এই রুলের চূড়ান্ত শুনানি করে রায় দেন হাইকোর্ট।
৪২ দিন আগে
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভূক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার- ২০২৩’ -এর ফল প্রকাশিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গণশিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
১ম গ্রুপের (বরিশাল, সিলেট, রংপুর বিভাগ) লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বমোট দুই হাজার ৪৯৭ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, ৯৩৩৭ জন উত্তীর্ণ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে www.dpe.gov.bd ফলাফল পাওয়া যাবে।
উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও ফলাফলের মেসেজ পাবেন।
এর আগে ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর তিন বিভাগের ১৮ জেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় ৯ হাজার ৩৩৭ জন।
আরও পড়ুন: এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
৩৮৭ দিন আগে
ঝুঁকিপূর্ণ টেংরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুর্ঘটনার আশঙ্কা
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ৪৭ নম্বর টেংরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খোলা আকাশের নিচে পাঠ নিচ্ছে। কারণ জয়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি ফাটল, জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তাই শিক্ষার্থীদের কখনও খোলা মাঠে আবার কখনও গাছ তলায় ক্লাস নেয়া হচ্ছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শ্রেণি কার্যক্রম। আর এ কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
এছাড়া হরিপুর উপজেলায় বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন হলেও ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ৪৭নং টেংরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পড়ে রয়েছে অবহেলায় আর অব্যবস্থাপনায়।
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৮৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর জন্য ১৯৯৩ সালে একটি ভবন নির্মিত হয়। এরপর বিদ্যালয়টিতে ৩৪ বছর ধরে কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রখর রোদে সীমাহীন কষ্ট সহ্য করে খোলা আকাশের নিচে ধুলাবালির মধ্যে ক্লাস করে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বৃষ্টির দিনে বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখলে আরও দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়া আখড়ায় শনিবার শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী সাধুরহাট
৭৪৭ দিন আগে
কোটার ভিত্তিতে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোটার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক পদে ৩৭ হাজার ৫৭৪ জনকে নিয়োগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না ও কোটা প্রথা কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রুলে রিটকারীদের মেধার ভিত্তিতে কেন নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
এক রিটের প্রাথমিক শুনানি করে বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষা সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শামীম সরদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
পরে আইনজীবী শামীম সরদার সাংবাদিকদের জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ৩৭ হাজার ৫৭৪ জনকে নিয়োগ দিয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বরাদ্দ রেখে ২০১৯ সালে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুসরণ করা হয়। যেখানে মহিলা ৬০ শতাংশ, পোষ্য ২০ শতাংশ এবং অবশিষ্ট পুরুষ ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে মাইগ্রেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
অথচ সংবিধানের ২৯ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যা অসাংবিধানিক। দেশে শত শত শিক্ষিত বেকার যুবক ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেখানে মাত্র ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা রেখে এ নিয়োগ হতে পারে না। এ কারণে বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন।
রুলে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ এর ৮(২)(গ) এবং (ঘ) বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় কেন তা বাতিল ও আইনগত কর্তৃত্ব বর্হিভূত হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।
একইসঙ্গে ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর জারি করা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং মেধা তালিক অনুসারে নিজস্ব জেলা/উপজেলায় শূন্যপদে রিট আবেদনকারীদের নিয়োগ দিতে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছেন।
চার সপ্তাহের মধ্য আইন সচিব, শিক্ষা সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষা সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কালাবাড়ীর সঞ্জিত সরকার, পাবনার চাটমোহর উপজেলার নতুন বাজারের আনোয়ার হোসেন, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পানিঘাটার হাফিজুর মোল্লাসহ ১৫২ জন চাকরি প্রাথী যারা উত্তীর্ণ হননি কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেহ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন। বৃহস্পতিবার এই রিটের শুনানি হয়।
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০২০ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির অনুমোদিত পদ অনুসারে ৩২ হাজার ৫৭৭ পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার কথা থাকলেও এটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।
চলতি বছরের মার্চে মন্ত্রণালয়ের এক সভায় সাংবাদিকদের বলা হয়েছিল, ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নেয়া হবে। অবসরের কারণে ১০ হাজারের বেশি পদ খালি হওয়ায় পদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। পরে বিজ্ঞপ্তির অনুমোদিত পদের সঙ্গে পাঁচ হাজার পদ বাড়ানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: খুবির ৩ শিক্ষকের বরখাস্ত-অপসারণ অবৈধ: হাইকোর্ট
হাইকোর্টে জামিন পেলেন দণ্ডিত এনামুল বাছির
৮১২ দিন আগে
রাস্তায় ক্লাস করলো শিক্ষার্থীরা!
করোনা মহামারির কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে বিদ্যালয় খোলা হলেও শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। তাদের পাঠদান হয়েছে রাস্তায় পাটি বিছিয়ে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ১৩০নং দক্ষিণ ভুতেরদিয়া নব আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে ডুবে থাকায় শিক্ষার্থীদের রবিবার এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। খবর পেয়ে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রোমান্স আহমেদ।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আকবর কবির বলেন, দক্ষিণ ভুতের দিয়া এলাকাটি অত্যন্ত নিচু। পানিতে ডুবে থাকে। খবর পেয়ে আমি সেখানে সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তাকে পরিদর্শনের জন্য পাঠিয়েছি। আজ বিদ্যালয় চালুর দিনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে উঁচু একটি স্থানে ক্লাস নেয়া হয়েছে। তবে বিদ্যালয় ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ হওয়ায় মন্ত্রণালয়ে ভবন পুনরায় নির্মাণের জন্য আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। তাছাড়া ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, পরিবেশ প্রতিকূল হলে তারা আপতত বিদ্যালয় বন্ধ রাখবে।
আরও পড়ুন: প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরল শিক্ষার্থীরা
এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম খান বলেন, অবহেলিত চর এলাকার শিশুদের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সীমাবদ্ধতা অনেক। বিদ্যালয় ভবন নেই। শৌচাগার নেই। শিক্ষার্থীদের আসতে যেতে কষ্ট হয়। তারপরও আজ সরকার নির্ধারিত দিনে স্কুলে ক্লাস নিয়েছি। যেহেতু সন্ধ্যা নদী বিধৌত এলাকা; তাই অনেক অঞ্চলই পানিতে নিমজ্জিত। বাঁশ-কাঠের তৈরি আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি পানিতে ডুবে থাকায় পাটি বিছিয়ে রাস্তায় ক্লাস নিয়েছি। তারপরও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিমুখ করিনি।
সেলিম খান আরও বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে শতাধিক শিক্ষার্থী ও পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত দক্ষিণ ভূতেরদিয়া নতুন চর এলাকায় সন্ধ্যা নদীর কোল ঘেঁষে ৭৪ শতাংশ জমির ওপর ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠা করা বিদ্যালয়টি। ২০১৩ সালের ১ জুলাই ২য় ধাপে জাতীয় করণের পর বিদ্যালয়টির নাম দেয়া হয় ১৩০ নং দক্ষিণ ভূতেরদিয়া নব আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কিন্তু জাতীয় করণের আট বছর পার হলেও এখনও বিদ্যালয়টির পাকা কোন একাডেমিক ভবন নেই।
আরও পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মানায় অনিয়ম দেখলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
১২৮৪ দিন আগে
ভূরুঙ্গামারীতে ভেঙে পড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, দুর্ভোগে এলাকাবাসী
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের ভূরুঙ্গামারী বাগভান্ডার সড়কের পূর্ব বাগভান্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সেতুটি ভেঙে গিয়ে জনচলাচল ব্যাহত হওয়ায় দূর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী।
১৫১৩ দিন আগে
কক্সবাজারে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
১৬২১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে ধরলার ভাঙনে বিলীনের পথে বিদ্যালয়
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র রুপ নিয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে বিলীনের পথে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার মেখলির চর খন্দকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
১৬৫৪ দিন আগে
সুনামগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।
১৭২২ দিন আগে