দোকান
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল ৯৫ দোকান
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের প্রধান বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ঈদুল আজহার মাত্র কয়েক দিন পরে এমন বিপর্যয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেমে এসেছে হতাশা ও অনিশ্চয়তা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভূরুঙ্গামারী বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ীদের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে দাহ্য সামগ্রীর কারণে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অধিকাংশই কাপড় ব্যবসায়ী। আগুনে ৮০টি কাপড়ের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এছাড়া পাশের জাকের পার্টির কার্যালয়সহ আরও ১৫টি ফল, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান ভস্মীভূত হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে কয়েক ঘণ্টা আগেও ব্যবসার কোলাহল ছিল, সেখানে এখন শুধু পোড়া টিন, ছাই আর ধ্বংসস্তূপ। অনেক ব্যবসায়ী নিজেদের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কেউ কেউ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অবশিষ্ট মালামাল খুঁজে ফেরেন।
ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া বলেন, ‘এখানকার অধিকাংশ ব্যবসায়ী ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই নতুন করে মালামাল তুলেছিলেন। আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে। আমরা এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।’
নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খলিলুর রহমান বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।’
ঘটনার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তথ্যমতে ৯৫টি দোকান পুড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য বিকেল ৩টায় একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পুনর্বাসনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ঈদের মাত্র কয়েকদিন পরে এমন অগ্নিকাণ্ডে শুধু ব্যবসায়ীরাই নয়, তাদের ওপর নির্ভরশীল অসংখ্য পরিবারের জীবিকাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
১৪ দিন আগে
বাগেরহাটে উঠতে শুরু করেছে তরমুজ, কেজি ৫০ টাকা
বাগেরহাটে উঠতে শুরু করেছে তরমুজ। ফলের দোকানে পসরা সাজিয়ে কিংবা ভ্যান করে বিক্রি হচ্ছে রসালো এই ফল। প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা।
বিভিন্ন জাত ও নানা সাইজের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে বাগেরহাট বাজারে। ক্রেতাদের কাছে যেকোনো ফলের চেয়ে তরমুজের চাহিদা বেশি। ইফতারিতে তরমুজের প্রাধান্য বেশি। এছাড়া এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।
বাগেরহাট শহরের মিঠাপুকুর পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে আলদাভাবে তরমুজ স্তূপ করে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সাইজের তরমুজ পথচারীদের নজর কাড়ে। পথচারী থেকে শুরু করে করে অনেকে যানবাহন থামিয়ে তরমুজ ক্রয় করছেন। তিন কেজি থেকে শুরু করে আট কেজি ওজনের তরমুজ দেখা গেছে সেখানে।
আরও পড়ুন: চাষ না হলেও দক্ষিণের তরমুজে ভরপুর চাঁদপুর
পথচারী হালিম শেখ বলেন, ‘রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা এত তরমুজ এই মৌসুমে প্রথম দেখা গেলো। ৫০ টাকা কেজি দরে ৬ কেজি ওজনের একটি ক্রয় করে সে।
মিল্টন, আলম, তৌহিদ, অমলসহ বেশ কয়েকজন ক্রেতারা জানান, তরমুজ তাদের অনেক পছন্দ। একারণে দাম যাই হোক; তারা তরমুজ ক্রয় করে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন।
তবে কয়েকজন সাধারণ ক্রেতা জানান, ৫০ টাকা তরমুজের কেজি তাদের কাছে বেশি হয়ে গেছে। মৌসুমের প্রথম ফল ও তরমুজ তাদের সবার পছন্দ থাকায় প্রয়োজনের তুলনায় ছোট সাইজের তরমুজ ক্রয় করেছেন।
হাবিব হোসেন পটুয়াখালী চাষিদের জমি থেকে প্রায় দেড় হাজার তরমুজ ক্রয় করে ট্রাকবোঝাই করে বাগেরহাট মিঠাপুকুর পাড়ে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, ‘তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ব্যবসা করছি। মিঠাপুকুর পাড়ে বিক্রি জন্য স্তূপ করে তরমুজ রাখা হয়েছে। ট্রাক থেকে তরমুজ নামানোর পর থেকে ক্রেতারা আসছেন তরমুজ ক্রয় করতে। খুচরা প্রতি কেজি তরমুজ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করছে। এভাবে তরমুজ বিক্রি করতে পারলে বেশ টাকা লাভ হবে।’
এছাড়া এই মৌসুমে তরমুজ বাজারে প্রথম উঠছে। এ কারণে দাম একটু বেশি বলেও জানান তিনি। কয়েকদিন পরে তরমুজের দাম কমে আসবে বলেও জানান হাবিব হোসেন।
বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শঙ্কর কুমার মজুমদার বলেন, ‘সারাবছরজুড়ে কমবেশি তরমুজ পাওয়া যায়। তরমুজের প্রধান মৌসুম মার্চ মাস।’
আরও পড়ুন: জৈন্তাপুরে তরমুজের বাম্পার ফলন, সেচ-পরিবহন সমস্যায় কৃষকরা
তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন এলাকায় নানা জাতের হাইব্রিড তরমুজ চাষ হচ্ছে। এ বছর তরমুজের ফলনও ভালো। তরমুজ হাট-বাজারে নতুন আসায় এর দামও বেশি।’
উপ-পরিচালক শঙ্কর কুমার মজুমদার আরও বলেন, ‘গ্রীষ্ম ও শীতকালে বেশি তরমুজ চাষ হয়। গ্রীষ্মকালের তরমুজের চারা নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে রোপণ করা হয়।’ এছাড়া ড্রাগন কিং, পাকিজা, বিগফ্যামিলি, এশিয়ান ও বাংললিংকসহ বিভিন্ন নামে হাইব্রিড তরমুজ চাষ করা হয়েছে বলে এই কৃষি কর্মকর্তা জানান।
৪৬৯ দিন আগে
রাজশাহীতে তেলের দোকানে আগুন, ৮ দোকান পুড়ে ছাই
রাজশাহীর বাগমারায় তেলের দোকানে আগুন লেগে ৮টি দোকান পুড়ে গেছে।
রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার বাছিয়া পাড়ায় পদ্মা ওয়েলের লরি বিস্ফোরণে এ আগুন লাগে। এ সময় আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে, আগুনে সেখানকার ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট এসে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা যায়নি বলেন তেলের ব্যবসায়ী আলিফ হোসেন।
স্থানীয়রা জানায়, তাহেরপুর বাজারে আলিফ হোসেনের তেলের দোকান আছে। তিনি ব্যারেলে জ্বালানি তেল রেখে বিক্রি করেন। বিকালে এই দোকানে তেল দিচ্ছিল পদ্মা অয়েলের একটি ট্যাংকার ট্রাক। এ সময় ট্রাকটিতে আগুন লেগে যায়। এক পর্যায়ে ট্রাকে বিস্ফোরণ হয়। এরপর তেলের ডিপোসহ আরও সাতটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বাগমারা ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ মো. ইব্রাহিম জানান, খবর পেয়ে বাগমারা ও দুর্গাপুর ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে তার আগেই ট্যাংকার ট্রাকটি আগুনে পুড়ে যায়। এছাড়া আগুনে তেলের ডিপোসহ মোট আটটি দোকান পুড়ে গেছে।
তিনি জানান, পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে খাবারের হোটেল, মুদি দোকান ও ওয়ার্কশপ ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি। তবে শুধু তেলের দোকানেরই প্রায় ৪০০ ব্যারেল তেল পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ধারণা করছেন, ট্যাংকার ট্রাক থেকে ব্যারেলে তেল দেওয়ার সময় সিগারেটের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
৫৪৩ দিন আগে
গাইবান্ধায় আগুনে পুড়ে গেছে ১০ দোকান
গাইবান্ধা শহরের স্টেশন রোডে অগ্নিকাণ্ডে ১০টি দোকান পুড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, রাত ১১টা ৪০ মিনিটে খবর পেয়ে শহরের স্টেশন রোডের চুড়ি পট্টি (সান্দার পট্টি) মার্কেটের দোকানে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ শুরু করা হয়। একটি আতশবাজির দোকান থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট রাত ২টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে আগুনে পুড়ে গেছে ২৫ দোকান
৭৬৩ দিন আগে
মানিকগঞ্জে আগুনে ১৫টি দোকান পুড়ে ছাই
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেছে বেশ কয়েকটি দোকান। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।
সোমবার (২৫ মার্চ) রাত চারটার দিকে উপজেলায় আরিচা বন্দর এলাকায় কাঠপট্টিতে আগুনের এই ঘটনাটি ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানায়, রাত ৪টার দিকে একটি কাঠের ফার্নিচারের দোকানে আগুন লাগে। ধীরে ধীরে সেই আগুন অন্যান্য দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে সেখানে থাকা ছোট বড় ১৫টা ফার্নিচারের দোকান, একটি স’ মিল ও পাশে থাকা একটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।আরও পড়ুন: রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে আগুন
শিবালয় উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. নাদির হোসেন জানান, আমরা রাত ৪টার দিকে সংবাদ পাই আরিচা বন্দর এলাকায় কাঠপট্টিতে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে দুইটি ইউনিট নিয়ে কাজ শুরু করি। পরে ঘিওরের আরও একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। তার আগেই আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগতে পারে।
প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
আরও পড়ুন: বনানী বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে
৮১৬ দিন আগে
ফরিদগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: বাড়িঘর ও দোকান পুড়ে ছাই
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পৃথক দুইটি অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর ও একটি মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকালে ৮টার দিকে উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ঘোড়াশালা গ্রামের হাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো একেবারেই খোলা আকাশের নিছে বসবাস করছে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অগ্নিকাণ্ড: ১৪ পরিবারের ১৭ বসতঘর পুড়ে ছাই
ক্ষতিগ্রস্ত লিলু বেগম, বিল্লাল হোসেন ও খোরশেদ আলম জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। কোনো জিনিসপত্র সরাতে পারেননি।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয়দের নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিভাতে গিয়ে চার থেকে পাঁচজন আহত হন বলে জানা যায়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো একেবারেই নিঃস্ব হয়ে গেছে।
রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাউসারুল আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে সাহায্য চাওয়া হবে।
ফরিদগঞ্জ ফায়ার সর্ভিসের দলনেতা মো. বিল্লাল হোসেন ইউএনবিকে জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওদিকে দিবাগত রাত ২টার দিকে অন্য একটি আগুনের ঘটনায় দক্ষিণ লাড়ুয়া গ্রামে দুলাল বেপারির মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্টেশন অফিসার বিল্লাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দমকল বাহিনী আগুন নেভায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। তদন্তের পর জানা যাবে।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ২৫টি দোকান পুড়ে গেছে
মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে কর্তৃপক্ষকে দায়ী করতে হবে: দোকান মালিক সমিতি
৮২৬ দিন আগে
বাগেরহাটের যাত্রাপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ৮ দোকান
বাগেরহাটের সদর উপজেলার যাত্রাপুর বাজারে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে ৮টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বাগেরহাট ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট এবং স্থানীয়রা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ততক্ষণে আগুনে ৮টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া আরো একটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের দাবি।
বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র অফিসার মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে খবর পেয়ে বাগেরহাট ফায়ার স্টেশনের দু’টি ইউনিট দ্রুত সেখানে ছুটে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
তিনি বলেন, প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে ৮টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
শাহাবুদ্দিন বলেন, বাজারের আতিয়ারের জুতার দোকানে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ৬ দোকান
নাটোরে পৌর মেয়রেরসহ পুড়েছে ১১টি গাড়ি
৮৬১ দিন আগে
স্বচ্ছতা-জবাবদিহি বজায় রেখে দোকান বরাদ্দ দিচ্ছে ডিএসসিসি: তাপস
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্তমানে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।
মেয়র তাপস বলেন, বর্তমানে আমরা নিয়মিতভাবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বরাদ্দ গ্রহীতাদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় দোকান বরাদ্দ দিচ্ছি। এই বরাদ্দ প্রক্রিয়া নিয়ে আগে বিভিন্ন বিষয়ের অবতারণা হতো।
আরও পড়ুন: সকল পরিছন্নতাকর্মীকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হবে: মেয়র তাপস
সোমবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত সিদ্দিক বাজার আধুনিক নগর মার্কেটে বরাদ্দপ্রাপ্ত দোকানিদের মধ্যে বরাদ্দপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে সেসব বিষয়কে আমরা কঠোরভাবে দমন করেছি। এখন এই প্রক্রিয়ায় আমরা পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করেছি।
ক্ষতিগ্রস্তদেরও যথাযথভাবে পুনর্বাসন করা হচ্ছে উল্লেখ করে মেয়র তাপস বলেন, শুধু নতুন নির্মাণের ক্ষেত্রেই নয় বরং পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমে যেসব ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমরা তাদেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসন করছি।
অনুষ্ঠানে ৩০৩ জন বরাদ্দ গ্রহীতাকে দোকান বরাদ্দের কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: যারা উন্নয়ন করেনি, তারাই উন্নয়ন দেখতে পায় না: মেয়র তাপস
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল সার্ভিস কাঁচপুরে স্থানান্তর করা হবে: মেয়র তাপস
৯৮৪ দিন আগে
ঝিনাইদহে গোডাউনসহ ২ দোকান আগুনে পুড়ে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দুটি দোকানে আগুন লেগে ৪০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। সোমবার (৯ অক্টোবর) সকালে কালীগঞ্জ শহরের পুরাতন ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে আগুনে পুড়ে গেছে গুদাম ও বাসা-বাড়ি
স্থানীয়রা জানায়, সকাল ৬টার দিকে রাজধানী ক্রোকারিজ নামে একটি দোকানে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভে।
কিন্তু ততক্ষণে পুড়ে যায় রাজধানী ক্রোকারিজ ও পাশের মিজানুর অ্যালুমিনিয়ামের দোকান ও গোডাউনে থাকা সব মালামাল। এতে তাদের প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
৯৮৪ দিন আগে
কুড়িগ্রামে হাসপাতাল-দোকান কোথাও মিলছে না ডিএনএস স্যালাইন
বেশ কিছুদিন ধরে কুড়িগ্রামে ডিএনএস স্যালাইনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালেও মিলছে না এ স্যালাইন। শুধু সরকারি হাসপাতাল নয় বাইরের ওষুধের দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না। দু একটি দোকানে পাওয়া গেলেও ১০০ টাকা মূল্যের ডিএনএস স্যালাইন কিনতে হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা। ফলে রোগীসহ স্বজনরাও পড়ছে চরম বিপাকে।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন শিশু বাদে হাসপাতালে দুই শতাধিক নতুন রোগী ভর্তি হন। ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন চার শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। এসব রোগীর জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন প্রকারের কমপক্ষে ২০০ স্যালাইন প্রয়োজন হয়। কিন্তু এসব স্যালাইনের সরবরাহ নেই। এসেনশিয়াল ড্রাগ কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) সরকারি হাসপাতালে এসব স্যালাইন সরবরাহ করে। কিন্তু কয়েক মাস ধরে চাহিদা অনুযায়ী তারা স্যালাইন দিচ্ছেন না। ফলে হাসপাতালে স্যালাইনের তীব্র সংকটে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু: স্যালাইন সংকটের আশঙ্কায় রোগী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
কুড়িগ্রাম সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন মো. ইউনুস আলী বলেন, আমি ও আমার ছেলে গত ২ দিন ধরে পেট ব্যাথা ও জ্বরে ভুগছি। ছেলেকে সকালে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। হাসপাতালের ডিএনএস স্যালাইন না থাকায় বাইরে থেকে আনতে বলে। আমি শহরের অনেক ফার্মেসি খুঁজে ১০০ টাকা স্যালাইন ২০০ টাকা দামে কিনলাম। স্যালাইনের এমন সংকট কোনো দিন শুনিনি।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স আঁখি তারা বলেন, হাসপাতালে স্যালাইনের সংকট চলছে। রোগীরা বাইরে গিয়েও স্যালাইন পাচ্ছেন না। অথচ কোনো দুর্ঘটনা, পেটব্যথা, রক্তক্ষরণ কিংবা অপারেশনের রোগীর জন্য স্যালাইন অত্যাবশ্যক।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাহীনুর রহমান সরদার বলেন, স্যালাইনের সংকট চলছে। আমরা হিমশিম খাচ্ছি। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। আমরা চাহিদা পাঠাই। কিন্তু খুবই নগণ্য পরিমাণ সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে সংকট কেটে যাবে।
গাড়িয়াল পাড়া মোড়ের ওষুধ ব্যবসায়ী মো. এমদাদুল হক বলেন, ডিএনএস স্যালাইনের সাপ্লাই নেই। কোম্পানি স্যালাইন না দিলে আমরা কী করব। যে দু-চারটা স্যালাইন দেয় তা এক ঘণ্টাও দোকানে থাকে না। দিনভর রোগীর স্বজনরা দোকানে এসে ফেরত যান।
আরও পড়ুন: স্যালাইন উৎপাদনে হিমশিম খাচ্ছে ওষুধ কোম্পানিগুলো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১০১৫ দিন আগে