পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
অবৈধ ইটভাটায় ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ
অবৈধ ইটভাটা বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থায়ন বন্ধ করার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছ এতে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে করণীয় নিয়ে সার্বিক আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্তের কারণে যাতে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় অবৈধ ইটভাটায় অর্থায়ন বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
এছাড়া সারাদেশের বৈধ ও অবৈধ ইটভাটার তালিকা প্রণয়নের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে সরকারের নির্মীয়মাণ অবকাঠামোর ক্ষেত্রে ইটের পরিবর্তে ব্লক ব্যবহারের সুপারিশ করে কমিটি।
বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত ১০১টি প্রকল্পের তথ্য-উপাত্ত কমিটির পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গত ১৬ বছরে মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ করা অর্থ কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়।
চলতি অর্থবছরে মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ করা বাজেট ব্যয়ের পরিকল্পনাও বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু, মো. আব্দুল মান্নান ও সুলতানা জেসমিন অংশ নেন।
বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং কমিটির সভাপতি, সদস্য, মন্ত্রণালয় ও কমিটি-সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব, অতিরিক্ত সচিব, বন ও পরিবেশ অধিদপ্তর এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৬ দিন আগে
১৯ খাল সংস্কারের মহাপরিকল্পনা নেওয়া হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৯টি খাল সংস্কারের মহাপরিকল্পনা করা হবে। ধানমন্ডি ও মালিবাগসহ মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল ও জলাশয় পুনরুদ্ধার এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা হয়।
উপদেষ্টা বলেন, মাসভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। দূষণরোধে বহুতল ভবনের মালিকদের নিজ নিজ পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। খাল পুনরুদ্ধার করে পাড়ে বেশি করে গাছ লাগানো হবে।
আরও পড়ুন: সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পরিবেশের সুরক্ষা করতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, জলাবদ্ধতা দূর করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি নিয়মিত খনন ও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন। সরকার খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শাহজাহান মিয়াসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৫৯৯ দিন আগে
প্রকৃতি কেন্দ্রিক টেকসই উন্নয়নে তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য তরুণদের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, উন্নয়ন মডেল ও প্রকৃতি সংরক্ষণে লাইফস্টাইলে (জীবন ধারায়) পরিবর্তন আনতে হবে। অতিরিক্ত ভোগবাদী জীবন ত্যাগ করতে হবে।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ ও জেসিআই ঢাকা মেট্রোর আয়োজনে ‘এনভায়রনমেন্ট ও ইনোভেশন সামিট ও অ্যাওয়ার্ড ২০২৪’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সংস্কারের লক্ষ্যে আমাদের ছাড় দেওয়ার প্রস্তুতিও রাখতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
তিনি বলেন, পরিবেশ আমাদের জীবনের অংশ। এটি নিশ্বাস নেওয়ার বাতাসের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের পরিবেশবান্ধব ডিজাইন ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কাজ করতে হবে। কম খরচে কিভাবে পরিবেশের উন্নয়ন করা যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে।
অনুষ্ঠানে ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল উদ্ভাবনের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। পরিবেশ বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও গবেষকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
৬৫৬ দিন আগে