সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
মন্ত্রীর আশ্বাসে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহার
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আশ্বাসে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, শিক্ষকসংকট নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে চলমান আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউসে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রীর আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা এ সিদ্ধান্ত নেন। পরে রাতে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সভায় মন্ত্রী সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ, শিক্ষকসংকট নিরসন এবং কলেজটিকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগের অধীনে স্থানান্তরের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করার আশ্বাস দেন।
এছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী কলেজে একটি খেলার মাঠ নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেন।
এরপর সভায় বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের চলমান আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল (রবিবার) থেকে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তারা।
সভায় শিক্ষার্থীরা সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন।
এ সময় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তাদের যৌক্তিক দাবিগুলোর প্রতি সরকারের ইতিবাচক মনোভাব তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদার প্রতি সবসময় সংবেদনশীল।
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবির বিষয়ে মন্ত্রী উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে জানান, এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
তবে এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
এর আগে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীও কলেজের শিক্ষার্থীদের তাদের দাবি পূরণসহ কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। তারও আগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সিসিক প্রশাসক কয়েক দফা সমঝোতা বৈঠক করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা মানেননি।
কলেজটিকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতামুক্ত করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে যাওয়ার দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনিক ভবনে ১৪ শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত স্নাতক পর্যায়ের এ প্রকৌশল কলেজের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ, পুরকৌশল বিভাগ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পাঁচটি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী আছেন, যার বেশির ভাগই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
দাবি মেনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেন তারা।
এদিকে আন্দোলন চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ অধ্যক্ষ পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সহযোগী অধাপক মো. আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে এবং সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যক্ষ পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে বদলি করে। তবে এসব সিদ্ধান্তেরও বিরোধীতা করেন শিক্ষার্থীরা।
৯ দিন আগে
সিলেটে ৩৩ ঘন্টা পর মুক্তি পেলেন অবরুদ্ধ শিক্ষকরা, অনড় আন্দোলনকারীরা
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তবে প্রায় ৩৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন কলেজের শিক্ষকরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হন। কলেজের অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে এখনও ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরেনি।
এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের আশ্বাস ও দফায় দফায় বৈঠক সত্ত্বেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (সোমবার) বিকেলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বৈঠক করেন জেলা প্রশাসক ও সিসিক প্রশাসক। এরপর সন্ধ্যায় কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন তারা। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবনে দুই দিন ধরে অবরুদ্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদের মুক্ত করে দেওয়ার অনুরোধও জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবির বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে মুক্ত করা এবং শাবিপ্রবির অধিভুক্ত করার দাবিকে তারা অগ্রাধিকার দেন। তারা বলেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে কলেজকে মুক্ত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধিভুক্ত করার বিষয়ে দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনার পর জেলা প্রশাসক তাদের দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে এসব দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও সময়ের প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুই প্রশাসক সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আলোচনা করেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আলোচনায় কলেজকে ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, খেলার মাঠ সংস্কারসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ও উঠে আসে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
আলোচনার একপর্যায়ে জেলা প্রশাসক ও সিসিক প্রশাসক শিক্ষার্থীদের কাছে প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে শিক্ষক-কর্মচারীদের মুক্ত করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি পূরণের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনের তালা না খোলা এবং অবরুদ্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদেরও মুক্ত না করার কথা জানান। যদিও রাতে তারা তালা খুলে দেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাবি নিয়ে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। আগের সরকার তাদের দাবির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনও বেশি সময় পায়নি। তাই সরকারকে সময় দিতে হবে। জেলা প্রশাসক তার নিজস্ব চ্যানেলে মন্ত্রণালয়সহ ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো তুলে ধরবেন এবং সমস্যাগুলোর সমাধানে উদ্যোগ নেবেন।
তবে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই এবার লিখিত বা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ না দেখা পর্যন্ত তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন না।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে গত রবিবার বেলা ১১টা থেকে প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক। একই ভবনে আটকা পড়েন আরও ৬ থেকে ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মুক্তির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব এবং অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। তাদের দাবি, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান অক্ষুণ্ন রাখতে কলেজকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্ত করে শাবিপ্রবির অধিভুক্ত করতে হবে।
এদিকে আন্দোলনের মধ্যে অধ্যক্ষ পদে বদলি ও নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার যে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে, সেটিও প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য, মূল দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নতুন দায়িত্ব পাওয়া অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না এবং বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকেও বদলি কর্মস্থলে যেতে দেওয়া হবে না।
২০ দিন আগে
সিলেটে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ
‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মহানগরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিয়ে একজনকে আটক করে।
বুধবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর বালুচর নয়াবাজার এলাকার কিং ফুটসাল স্পোর্টস সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী তিন শিক্ষার্থীর দাবি, নয়াবাজারের কিং ফুটসাল স্পোর্টস সেন্টারে কলেজ আয়োজিত ‘জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫’ চলছিল। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও অতিরিক্ত কয়েক মিনিট মাঠ ব্যবহার করার জেরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। একসময় ছাত্রলীগের আশ্রয়ে থাকা জায়গীরদার আল মামুন ওরফে বুলেট মামুনের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন যুবক এই হামলা চালান।
অন্যদিকে, পুলিশ বলছে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একদল শিক্ষার্থী এক ঘণ্টার জন্য ফুটসাল মাঠ ভাড়া নিয়ে খেলা শুরু করেন। তবে নির্ধারিত সময় শেষে তারা আরও দেড় ঘণ্টা অতিরিক্ত মাঠ দখলে রেখে খেলা অব্যাহত রাখেন। এর মধ্যে পরবর্তী সময়ের জন্য ভেন্যু বুকিং করা অন্য খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশ করে আপত্তি জানান। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় থেকে শুরু হয় হাতাহাতি। পরে তা রূপ নেয় সংঘর্ষে।
এ সময় সেন্টারের অফিস কক্ষও ভাঙচুর করা হয় বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটান পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. সাইফুল ইসলাম।
তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল। হামলাকারীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণেই আমাদের লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলার সময় একজনকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকেই ছাত্ররা জানতে পেরেছে যে হামলাটি হয়েছে ওই মামুনের নেতৃত্বে এবং এরা একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে বিএনপির গণমিছিলে হামলা, আহত ১০
আহত ১১ শিক্ষার্থীকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে।
শিক্ষার্থী ও কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে আটক একজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তারা অভিযোগ দিলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে পুলিশ।
তিনি জানান, অভিযুক্ত মামুনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ছাত্রলীগের পদ-পদবি তার নেই, তবে তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। পুলিশ তাকে আটক করতে বালুচর এলাকায় বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেছে।
৪৩৮ দিন আগে